শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

নীরব আত্মসমর্পণ থেকে দায়িত্বশীল নাগরিকত্ব: বাংলাদেশের জন্য নতুন রাজনৈতিক পথচিন্তা

কাজী এনায়েত উল্লাহ, প্রকাশিত: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:০০ পিএম
নীরব আত্মসমর্পণ থেকে দায়িত্বশীল নাগরিকত্ব: বাংলাদেশের জন্য নতুন রাজনৈতিক পথচিন্তা

রাজনীতি থেকে পালিয়ে মুক্তি নেই। কিন্তু রাজনীতিকে যদি নৈতিকতা,দক্ষতা ও নাগরিক দায়িত্বের জায়গায় ফিরিয়ে আনা যায়, তবে পরিবর্তন নিশ্চয়ই সম্ভব। এই উপলব্ধির ওপর দাঁড়িয়েই একটি নতুন রাজনৈতিক মডেলের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়-যে মডেল কোনো কল্পনাপ্রসূত ইউটোপিয়া নয়, বরং ধীর, বাস্তব এবং নাগরিক চেতনায় গড়ে ওঠা এক নতুন পথ। এখানে রাজনীতি কোনো অলৌকিক বিপ্লবের মাধ্যমে বদলে যাবে না; বরং প্রতিদিনের দায়িত্বশীল অংশগ্রহণ, নৈতিক সিদ্ধান্ত ও প্রাতিষ্ঠানিক শুদ্ধতার মধ্য দিয়ে ধাপে ধাপে রূপান্তর ঘটবে। এই পথচলার অন্তর্নিহিত বিশ্বাস একটাই-ভবিষ্যতের রাজনীতি সবচেয়ে চতুরদের হাতে নয়, বরং সবচেয়ে দায়িত্বশীলদের হাতেই ন্যস্ত হওয়া উচিত।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকটকে সাধারণত ক্ষমতার দ্বন্দ্ব,নির্বাচনকেন্দ্রীক সংঘাত কিংবা দলীয় প্রতিযোগিতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ করে দেখা হয়। কিন্তু এই দৃশ্যমান সমস্যাগুলোর নিচে লুকিয়ে আছে আরও গভীর এক সংকট-রাজনীতির প্রতি মানুষের দীর্ঘদিনের জমে ওঠা অনাস্থা। সাধারণ মানুষের চোখে রাজনীতি আজ দুর্নীতি,সহিংসতা,দলাদলি ও নৈতিক পতনের সমার্থক। এই ধারণা শুধু আবেগের ফল নয়; এটি দীর্ঘ অভিজ্ঞতার সঞ্চিত প্রতিক্রিয়া। এর সবচেয়ে ভয়াবহ পরিণতি হলো,সমাজের সবচেয়ে শিক্ষিত,দক্ষ ও নৈতিক অংশটি সচেতনভাবেই রাজনীতি থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নেয়। তারা রাজনীতিকে ‘নোংরা’ মনে করে দূরত্ব বজায় রাখে, যেন রাজনীতি এড়িয়ে চললেই ব্যক্তিগত সততা রক্ষা পাবে।

কিন্তু এই দূরে থাকা কোনো নিরপেক্ষ অবস্থান নয়। এটি এক ধরনের নীরব আত্মসমর্পণ। কারণ রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ালেও রাজনীতির সিদ্ধান্ত, নীতি ও ক্ষমতার প্রভাব থেকে কেউ মুক্ত থাকতে পারে না। যে মানুষটি রাজনীতি অপছন্দ করেন, তিনিও কর দেন, আইন মানেন, রাষ্ট্রীয় সেবার ওপর নির্ভর করেন এবং রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ফল ভোগ করেন। অর্থাৎ তিনি রাজনীতির ভেতরেই বাস করেন, শুধু সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকারটি অন্যদের হাতে ছেড়ে দেন। এই বাস্তবতা বুঝতে না পারাই বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির একটি মৌলিক সংকট।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

রাজনীতি আসলে কোনো পেশা নয়,এটি একটি নৈতিক দায়িত্ব। এই ধারণাটি নতুন নয়। প্লেটো বহু আগেই সতর্ক করেছিলেন- যদি ভালো মানুষ রাজনীতি না করে, তবে খারাপ মানুষের শাসন মেনে নিতে হয়। বাংলাদেশের বাস্তবতায় এই উক্তি আজ আরও বেশি প্রাসঙ্গিক। যারা নিজেদের ‘অরাজনৈতিক’ বলে দাবি করেন, তারাও ভোট দেন, আইন মানেন এবং রাষ্ট্রের কাঠামোর অংশ হয়ে থাকেন। ফলে প্রশ্নটি কখনোই রাজনীতি করবো কি না-এটি নয়। প্রকৃত প্রশ্ন হলো, আমরা কী ধরনের রাজনীতি মেনে নিচ্ছি এবং ভবিষ্যতে কী ধরনের রাজনীতি গড়ে তুলতে চাই।

এই জায়গা থেকেই নতুন রাজনৈতিক মডেলের প্রয়োজনীয়তা সামনে আসে। এই মডেল রাজনীতিকে ক্ষমতার খেলা হিসেবে দেখে না,বরং দেখে সমস্যা সমাধানের একটি প্রাতিষ্ঠানিক বিজ্ঞান হিসেবে। এখানে রাজনীতি মানে কৌশলী চাল নয়, বরং নৈতিক সিদ্ধান্তের ধারাবাহিক প্রয়োগ। নেতৃত্ব এখানে আধিপত্যের প্রতীক নয়, বরং দায়িত্বের ভার। জনপ্রিয়তা নয়, বরং জবাবদিহিই এখানে ক্ষমতার বৈধতা নির্ধারণ করে। এই দৃষ্টিভঙ্গিতে রাজনীতি আর ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণের মাধ্যম থাকে না, এটি হয়ে ওঠে নাগরিক জীবনের সম্প্রসারিত দায়িত্ব।

এই মডেল বিশ্বাস করে, রাজনীতির সংস্কার বাইরে থেকে চাপিয়ে দেওয়া যায় না। এটি গড়ে ওঠে নাগরিক চেতনার ভেতর থেকে। যখন সাধারণ মানুষ রাজনীতিকে নিজের বিষয় হিসেবে ভাবতে শুরু করে,যখন দক্ষ পেশাজীবীরা নৈতিক দ্বিধা কাটিয়ে অংশগ্রহণে আগ্রহী হন, তখনই রাজনীতির চরিত্র বদলাতে শুরু করে। এখানে পরিবর্তন আসে ধীরে, কিন্তু গভীরে। কারণ এই পরিবর্তন কোনো ব্যক্তি বা দলের ওপর নির্ভরশীল নয়,এটি নির্ভর করে প্রাতিষ্ঠানিক নৈতিকতার ওপর।

বাংলাদেশের জন্য এই পথ কঠিন, কিন্তু অসম্ভব নয়। কারণ অনাস্থার গভীরতার মধ্যেই পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা সবচেয়ে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। মানুষ আজ রাজনীতি থেকে দূরে থাকতে চায়, কারণ তারা ভালো রাজনীতি দেখেনি। কিন্তু ভালো রাজনীতি দেখা না যাওয়ার অর্থ এই নয় যে ভালো রাজনীতি অসম্ভব। বরং এর অর্থ হলো—ভালো রাজনীতির কাঠামো এখনো গড়ে ওঠেনি। এই নতুন মডেল সেই শূন্যস্থান পূরণের একটি প্রচেষ্টা।

শেষ পর্যন্ত রাজনীতি তখনই মানবিক হয়ে ওঠে, যখন তা মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বাস্তব সমস্যার সঙ্গে যুক্ত থাকে এবং নৈতিকতার প্রশ্নে আপস না করে। এই প্রবন্ধে আলোচিত মডেল সেই সম্ভাবনারই কাঠামোগত রূপ। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়-রাজনীতি থেকে পালিয়ে নয়, বরং রাজনীতিকে দায়িত্বশীল নাগরিকত্বের জায়গায় ফিরিয়ে এনেই সত্যিকারের মুক্তি সম্ভব।

লেখক, মহাসচিব, অল ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ আসোসিয়েশন (আয়েবা) ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ২০২৬ স্বতন্ত্র প্রার্থী,ঢাকা ১৭ নির্বাচনী এলাকা। ঢাকা- বাংলাদেশ।

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক দিনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে একজন করে মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১১ জনে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ভর্তির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এ বিভাগে ২৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগে ২৪১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩৩ জন, খুলনা বিভাগে ১৩০ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৭৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

একই সময়ে বরিশাল ও রংপুর বিভাগে ৪৪ জন করে, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৭ জন এবং সিলেট বিভাগে চারজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেই মারা গেছেন ১০২ জন। এই হিসাবের মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মৃত্যুর সংখ্যাও রয়েছে।

এ ছাড়া একই সময়ে খুলনা বিভাগে ৩৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২০ জন, বরিশাল বিভাগে ১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০ জন, রংপুর বিভাগে চারজন এবং সিলেট বিভাগে একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৫ দিনেই ডেঙ্গুতে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৪ পিএম
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

আসিয়ান কাপে নিজেদের অভিষেক ম্যাচেই মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় শুরু হওয়া ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে মালয়েশিয়া।

আসিয়ান কাপে প্রথমবারের মতো মাঠে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল হামজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। ম্যাচের ১৮ মিনিটে আরিফ আইমানের গোলে এগিয়ে যায় মালয়েশিয়া। এরপর ৩৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের ব্যবধান ২-০ করেন আইমান। দুই গোলের ঘাটতি নিয়েই বিরতিতে যেতে হয় বাংলাদেশকে।

বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে মালয়েশিয়া। ৫২ মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বক্সের ভেতর থেকে গোল করেন বার্গুসন। তার গোলে মালয়েশিয়ার লিড বেড়ে দাঁড়ায় ৩-০।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এরপর গোল পরিশোধে কয়েক দফা আক্রমণ গড়ে তোলে বাংলাদেশ। তবে সুযোগ তৈরি করেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি লাল-সবুজের দল। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের পরাজয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।

এর আগে চার বছর আগে এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে মালয়েশিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচেও ৪-১ গোলে হেরেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এবার আসিয়ান কাপেও মালয়েশিয়ার বিপক্ষে জয়ের দেখা পেল না বাংলাদেশ।

সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৭ পিএম
সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি মিলিশিয়ার হামলার পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। তবে এই সামরিক মোতায়েন কোনো সংঘাতে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়, বরং সৌদির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্যারিস।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান। একই দিন দুই দেশের মধ্যে হওয়া একটি চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের উপকূলীয় শহর ইয়ানবুর জ্বালানি অবকাঠামো সুরক্ষায় ফ্রান্স সেনা, রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাবে বলে জানান তিনি।

সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম ফ্রান্স ২-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাক্রোঁ বলেন, কোনো সংঘাতে জড়ানোর জন্য নয়, বরং জ্বালানি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এসব সামরিক সরঞ্জাম ও সেনা পাঠানো হবে। পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে সৌদি আরবকে আরও সামরিক সহায়তা দেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ম্যাক্রোঁ জানান, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের মধ্যে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের বাজারে গ্যাসের দাম কমাতে ফ্রান্স বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। সৌদি আরবে সামরিক সহায়তা পাঠানোর সিদ্ধান্তও সেই উদ্যোগের অংশ।

চলমান সংঘাতের প্রভাবে তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের মিত্র হুথি মিলিশিয়া সৌদি আরবে একাধিক হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার কারণে লোহিত সাগরসংলগ্ন বন্দরগুলো থেকে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছে। দীর্ঘদিনের উত্তেজনা আবারও সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নেওয়ার প্রেক্ষাপটেই সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিল ফ্রান্স।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক