বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

এআই প্রম্পটিং কৌশল

চ্যাটজিপিটি ব্যবহারের ৫টি কমান্ড জানলে মিলবে বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের নিখুঁত সমাধান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩২ পিএম
চ্যাটজিপিটি ব্যবহারের ৫টি কমান্ড জানলে মিলবে বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের নিখুঁত সমাধান

সার্চ ইঞ্জিনে কোনো কিছু লিখে অনুসন্ধান করলেই সরাসরি উত্তর পাওয়ার অভ্যাসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা চ্যাটজিপিটি (ChatGPT) ব্যবহার করলে এর আসল সক্ষমতার বড় একটি অংশই অব্যবহৃত থেকে যায়। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, চ্যাটজিপিটি কেবল তথ্য খুঁজে দেওয়ার কোনো সাধারণ যন্ত্র নয়। সঠিক নির্দেশনা বা কমান্ড দিতে পারলে এটি গবেষক, বিশ্লেষক, শিক্ষক কিংবা ব্যক্তিগত পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করতে পারে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই প্ল্যাটফর্ম থেকে আরও গভীর ও কাঠামোবদ্ধ তথ্য বের করে আনার জন্য কার্যকর পাঁচটি প্রম্পটিং কৌশল বিশেষভাবে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

প্রথম কৌশলটি হলো ‘জিনিয়াস মোড’।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

যেকোনো বিষয়ে ভাষা মডেলের কাছ থেকে ওপরভাসা উত্তরের বদলে গভীর ও বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের বিশ্লেষণ পেতে এই নির্দেশটি ব্যবহার করা হয়।

নির্দিষ্ট বিষয়ের আগে বা পরে ‘জিনিয়াস মোড’ উল্লেখ করে একজন অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞের দৃষ্টিকোণ থেকে পর্যালোচনা করতে বললে সাধারণ বিবরণের পরিবর্তে অত্যন্ত গভীর ও কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ পাওয়া যায়।

দ্বিতীয় কৌশলটির নাম ‘অটোস্পি’।

এই কমান্ডের মূল লক্ষ্য হলো সরাসরি কোনো একপাক্ষিক সমাধান না দিয়ে ব্যবহারকারীর মূল সমস্যাটির শিকড় বিশ্লেষণ করা।

উদাহরণস্বরূপ, কেউ পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারছেন না জানালে এই কমান্ডের মাধ্যমে নির্দেশ দিতে হয় যেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আগে প্রয়োজনীয় প্রশ্ন করে সমস্যার কারণ চিহ্নিত করে। এতে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থাটি আগে ব্যবহারকারীকে প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করে তথ্য সংগ্রহ করে এবং তারপর সুনির্দিষ্ট সমাধানে পৌঁছায়।

তৃতীয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলটি হলো ‘কিল ক্রিটিক’।

সাধারণত ব্যবহারকারীর যেকোনো ধারণাকে চ্যাটবট ইতিবাচক প্রশংসা দিয়ে গ্রহণ করার প্রবণতা দেখায়। তবে কোনো ভাবনার বাস্তবমুখী মূল্যায়ন পেতে ‘কিল ক্রিটিক’ কমান্ড ব্যবহার করে কঠোর ও নিরপেক্ষ সমালোচনা করার স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া যায়।

এতে চ্যাটবট প্রশংসার চাটুকারিতা এড়িয়ে পরিকল্পনার দুর্বলতা, ঝুঁকি ও সম্ভাব্য ত্রুটিগুলো চিহ্নিত করে দেয়, যা যেকোনো প্রকল্পকে আরও বাস্তবসম্মত করতে সাহায্য করে।

চতুর্থ পদ্ধতিটি হলো ‘থিংক টেন এক্স’।

প্রাথমিক উত্তর পাওয়ার পর যদি মনে হয় বিষয়টি আরও উন্নত বা সমৃদ্ধ করা সম্ভব, তখন এই নির্দেশটি কাজে লাগানো হয়।

এর মাধ্যমে প্রস্তুতকৃত উত্তরটি আরও সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে যাচাই করে দুর্বল জায়গাগুলো সংস্কারের নির্দেশ দেওয়া যায়, যা সৃজনশীল লেখালেখি ও জটিল ব্যবসায়িক পরিকল্পনার ক্ষেত্রে কার্যকর ফলাফল দেয়।

পঞ্চম কৌশলটি হলো ‘এক্সপোজ’।

এটি ব্যবহারকারীর উত্থাপিত প্রশ্নের পেছনের অপ্রকাশিত আসল সমস্যাটি শনাক্ত করতে সহায়তা করে।

যেমন ওজন কমাতে চাওয়ার ক্ষেত্রে মূল বাধা কোথায়—অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, অপর্যাপ্ত ঘুম নাকি অনুপ্রেরণার অভাব—তা চিহ্নিত করতে এই নির্দেশনা দিয়ে প্রশ্ন করা হলে বাস্তবসম্মত পরামর্শ পাওয়া যায়।

প্রযুক্তি সংশ্লিষ্টদের মতে, এগুলো অলৌকিক কোনো গোপন কোড নয়, বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাথে কার্যকর যোগাযোগের সুনির্দিষ্ট প্রম্পটিং কলাকৌশল।

পর্তুগালে আজ ৭ই অক্টোবরের শীর্ষ খবর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:২৩ এম
পর্তুগালে আজ ৭ই অক্টোবরের শীর্ষ খবর

১. বড় কর জালিয়াতি বিরোধী অভিযান , ২৫০টি স্থানে তল্লাশি
আজ পর্তুগালে “কারুশেল দু ইভা” নামে বড় একটি অভিযানে প্রায় ২৫০টি স্থানে তল্লাশি চালানো হয়েছে। মূলত ইভা বা মূল্য সংযোজন কর নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে। এই অভিযানের সঙ্গে ইউরোপীয় পাবলিক প্রসিকিউটর অফিসও যুক্ত রয়েছে।

২. বাড়িভাড়া নিয়ে সরকার ও সোশ্যালিস্ট পার্টির দ্বন্দ্ব
প্রধানমন্ত্রী লুইশ মনতিনেগ্রু পর্তুগালের বাড়ি ও ভাড়ার মূল্য বৃদ্ধির জন্য আগের পিএস বা সোশ্যালিস্ট পার্টির নীতিকে দায়ী করেছেন। অন্যদিকে পিএস, শেগার সঙ্গে সরকারের ভাড়া আইন নিয়ে সমঝোতার সমালোচনা করছে।

৩. ২০২৭ সালের বাজেটে ব্যক্তিগত আয়কর কমানোর পরিকল্পনা
সরকারের (ওই-ই ২০২৭) বাজেট ২০২৭ সালের রাষ্ট্রীয় বাজেটে আবারও আই-আর-এস অর্থাৎ ব্যক্তিগত আয়কর কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে। একই সময়ে ব্যাংকু দে পর্তুগাল অর্থাৎ পর্তুগালের কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ২ দশমিক ৩ শতাংশ করেছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

৪. আইমা এর নতুন প্রেসিডেন্ট নিয়োগ
পর্তুগালের অভিবাসন ও আশ্রয় সংস্থা আইমা এর নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে সেজার তেইশেইরা-কে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। দীর্ঘদিনের রেসিডেন্সি বা বসবাসের অনুমতিপত্রের জট এবং অভিবাসন সংক্রান্ত প্রশাসনিক সমস্যা সমাধান করা তাঁর অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হবে।

৫. ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর ক্ষমা চাওয়া, জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনা
ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো জাতীয় দলের সাম্প্রতিক ঘটনা নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর পর্তুগাল জাতীয় দলে তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। কোচ জর্জ জেজুশ ও রোনালদোর সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন।

 

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মালয়েশিয়ায় প্রত্যাবাসনসহ আঞ্চলিক শান্তি ও মানবিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫৪ এম
মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মালয়েশিয়ায়  প্রত্যাবাসনসহ আঞ্চলিক শান্তি ও মানবিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং দুই দিনের সরকারি সফরে মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন। দেশটিতে অবস্থানরত মিয়ানমারের নাগরিকদের প্রত্যাবাসনসহ দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় তার এ সফরে আলোচনায় গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট ও তার প্রতিনিধিদলকে বহনকারী বিশেষ বিমান কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (কেএলআইএ) বুংগা রায়া কমপ্লেক্সে অবতরণ করে।

সেখানে তাকে রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অনুযায়ী আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানানো হয়। রয়্যাল রেঞ্জার রেজিমেন্টের প্রথম ব্যাটালিয়নের দুই কর্মকর্তা ও ২৬ সদস্যের একটি দল প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংকে স্ট্যাটিক গার্ড অব অনার প্রদান করে। ক্যাপ্টেন মুহাম্মদ ইখওয়ান আদলান জামালউদ্দিন এ দলের নেতৃত্ব দেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান মালয়েশিয়ার বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী দাতুক সেরি জোহরি আবদুল গানি। তিনি সফরকালে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে থাকা দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এ সময় মালয়েশিয়া সরকারের প্রধান প্রটোকল কর্মকর্তা দাতুক রোজাইনর রামলি এবং মিয়ানমারে মালয়েশিয়ার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত জোহান আরিফ আবদুল রাজাকও উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার পুত্রজায়ার পেরদানা পুত্রা কমপ্লেক্সে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হবে। এরপর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে তার দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকের পর মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট ও তার প্রতিনিধিদলের সম্মানে আনোয়ার ইব্রাহিমের দেওয়া সরকারি মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেবেন তিনি।

মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (উইসমা পুত্রা) জানিয়েছে, এ সফরের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম মিয়ানমারের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততা অব্যাহত রাখার সুযোগ পাবেন। ২০২৬ সালের মে মাসে অনুষ্ঠিত ৪৮তম আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মিয়ানমারের বিষয়ে গঠনমূলক ও নীতিনিষ্ঠ পদক্ষেপ অব্যাহত রাখার অংশ হিসেবেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সফরে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত মিয়ানমারের নাগরিকদের প্রত্যাবাসনের বিষয়টি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য হতে পারে। একই সঙ্গে মিয়ানমারের চলমান পরিস্থিতি, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা এবং মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার বিষয়েও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

উইসমা পুত্রা বলেছে, মিয়ানমার আসিয়ানের একটি গুরুত্বপূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র। আসিয়ানভুক্ত দেশ হিসেবে মালয়েশিয়া মিয়ানমারে শান্তি ও পুনর্মিলন প্রতিষ্ঠায় আসিয়ানের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে যাবে। একই সঙ্গে দেশটিতে মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর সুযোগ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেবে।

মালয়েশিয়া আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আসিয়ানের সব সদস্য রাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাবে বলেও জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি অভিবাসীদের সুরক্ষায় আইওএম-হাইকমিশন বৈঠক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫২ এম
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি অভিবাসীদের সুরক্ষায় আইওএম-হাইকমিশন বৈঠক

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি অভিবাসীদের সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত, নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসন জোরদার এবং মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সঙ্গে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ হাইকমিশন।

এ লক্ষ্যে সোমবার (৬ অক্টোবর) কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সম্মেলন কক্ষে দুই পক্ষের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ হাইকমিশনের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ডেপুটি হাইকমিশনার ও মিনিস্টার শাহানারা মনিকা। আইওএমের তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল এতে অংশ নেয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া অভিবাসন করিডোরকে আরও নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও অভিবাসীবান্ধব করার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশি অভিবাসীদের সুরক্ষা ও কল্যাণে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার আশ্বাস দেয় আইওএম।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

মালয়েশিয়ার বিভিন্ন কারাগার ও আটককেন্দ্রে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রয়োজনীয় আইনি ও কল্যাণমূলক সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা করার জন্য আইওএমের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। বিশেষ করে অনিয়মিত অভিবাসীদের মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে দেশে ফেরানোর ক্ষেত্রে দুই পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বৈঠকে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়েও গঠনমূলক আলোচনা হয়। মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের, বিশেষ করে নারী ভুক্তভোগীদের উদ্ধার, নিরাপদ আশ্রয়, প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা এবং নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার বিষয়ে উভয় পক্ষ মতবিনিময় করে।

একই সঙ্গে মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালানের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট সব পর্যায়ে সমন্বয় আরও বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়।

নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসনের সুফল এবং মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালানের ঝুঁকি ও ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে প্রবাসী ও সম্ভাব্য অভিবাসীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশন ও আইওএমের যৌথ উদ্যোগে সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার বিষয়ে উভয় পক্ষ সম্মত হয়।

এসব কর্মসূচিতে নিয়োগকর্তা, কর্মী এবং মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে অভিবাসন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত সব অংশীজনের মধ্যে সচেতনতা, সহযোগিতা ও সমন্বয় আরও বাড়ানো সম্ভব হবে বলে বৈঠকে মত দেওয়া হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ হাইকমিশনের মিনিস্টার (লেবার) সিদ্দিকুর রহমান, কাউন্সেলর (কনস্যুলার) ফিরোজ রব্বানী, ফার্স্ট সেক্রেটারি (পলিটিক্যাল) ফাল্গুনী বাগচী এবং থার্ড সেক্রেটারি (পলিটিক্যাল) এসএম সায়েম উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত, মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ এবং অনিয়মিত বাংলাদেশি কর্মীদের সম্মানজনক প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ হাইকমিশন দীর্ঘদিন ধরে আইওএমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে আসছে।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক