বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

শ্রমিকের নিরাপত্তা-স্বাস্থ্য মৌলিক অধিকার

আইএলও সনদ বাস্তবায়নে মালয়েশিয়ায় প্রথম প্রতিবেদন তৈরির কর্মশালা

আহমাদুল কবির মালয়েশিয়া প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪২ পিএম
আইএলও সনদ বাস্তবায়নে মালয়েশিয়ায় প্রথম প্রতিবেদন তৈরির কর্মশালা

শ্রমিকের কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যকে মৌলিক অধিকার হিসেবে নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) সনদ বাস্তবায়নে বিশেষ কর্মশালা করেছে মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় (কেসুমা)।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সেলাঙ্গরের বানগিতে ১৯৮১ সালের কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক আইএলও কনভেনশন-১৫৫-এর ২২ অনুচ্ছেদের অধীনে প্রতিবেদন দাখিলের বাধ্যবাধকতা নিয়ে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

আইএলওর এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় আঞ্চলিক কার্যালয়, ব্যাংককের সহযোগিতা ও বিশেষজ্ঞ সহায়তায় কর্মশালাটি আয়োজন করা হয়। এতে আইএলওর কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক জ্যেষ্ঠ বিশেষজ্ঞ ড. ইউকা উজিতা এবং আন্তর্জাতিক শ্রমমান ও শ্রম আইনবিষয়ক বিশেষজ্ঞ জাজুন কুয়ে অংশ নেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

কর্মশালার উদ্বোধন করেন কেসুমার আন্তর্জাতিক বিভাগের সচিব দাতিন শ্রী নরফালিজা বিনতি ইসমাইল। তিনি বলেন, এ উদ্যোগ শুধু আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিবেদন দাখিলের বাধ্যবাধকতা পূরণের বিষয় নয়; বরং সরকার, নিয়োগকর্তা ও শ্রমিক—এই তিন পক্ষের সমন্বয়ের মাধ্যমে ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার একটি কৌশলগত প্ল্যাটফর্ম।

কর্মশালায় মালয়েশিয়ার সরকার, মালয়েশিয়ান এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন (এমইএফ) এবং মালয়েশিয়ান ট্রেডস ইউনিয়ন কংগ্রেস (এমটিইউসি)-এর মধ্যে সহযোগিতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

আইএলওর কনভেনশন ও সুপারিশ বাস্তবায়নবিষয়ক বিশেষজ্ঞ কমিটির (সিইএকর) কাছে মালয়েশিয়ার প্রতিবেদন দাখিলের ক্ষেত্রে সরকার, নিয়োগকর্তা ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সমন্বিত অংশগ্রহণকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে তুলে ধরা হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, এর মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক আইন, চর্চা এবং বাস্তবায়নের কার্যকারিতা সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরা সম্ভব হবে।

কর্মশালায় মূলত আইএলও কনভেনশন-১৫৫ বাস্তবায়ন নিয়ে মালয়েশিয়ার প্রথম প্রতিবেদন তৈরির কৌশলগত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। ২০২৪ সালের ১১ জুন মালয়েশিয়া কনভেনশনটি অনুমোদন করার পর প্রথমবারের মতো এ প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হচ্ছে।

আইএলওর ‘ডিসেন্ট ওয়ার্ক’ বা মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থানের এজেন্ডার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয় কর্মশালায়।

কেসুমা জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়ন আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি মালয়েশিয়ার প্রতিটি শ্রমিকের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকারের চলমান অঙ্গীকারের অংশ হিসেবেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যকে প্রতিটি কর্মজীবী মানুষের অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাই এর অন্যতম লক্ষ্য।

পূর্বাচলে ট্রাফিক সার্জেন্টকে হেনস্তা, নারীসহ দুজনের সশ্রম কারাদণ্ড

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৬ এম
পূর্বাচলে ট্রাফিক সার্জেন্টকে হেনস্তা, নারীসহ দুজনের সশ্রম কারাদণ্ড

পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়েতে উল্টো পথে মোটরসাইকেল চালানোর সময় থামিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ায় কর্তব্যরত ট্রাফিক সার্জেন্টের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে দুই আরোহীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নারীসহ দুজনকে সাত দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মোসা. স্বপ্না (২৭) ও মাহফুজুর রহমান।

ট্রাফিক বাড্ডা জোন সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ের একটি অংশ দিয়ে ওই দুই ব্যক্তি মোটরসাইকেলে উল্টো পথে যাচ্ছিলেন। এ সময় সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও দুর্ঘটনা এড়াতে দায়িত্ব পালনরত ট্রাফিক সার্জেন্ট তাদের থামার সংকেত দেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

মোটরসাইকেল থামানোর পর সার্জেন্ট উল্টো পথে চলাচলের কারণ জানতে চান এবং ট্রাফিক আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেন। তখন দুই আরোহী তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন।

ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দুই আরোহীকে ট্রাফিক সার্জেন্টের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় করতে দেখা যায়। একপর্যায়ে নারী আরোহী উত্তেজিতভাবে সার্জেন্টের সঙ্গে কথা বলেন এবং তার দিকে তেড়ে যাওয়ার মতো আচরণ করেন।

পরে সরকারি কাজে বাধা এবং দায়িত্ব পালনরত ট্রাফিক সার্জেন্টের সঙ্গে প্রকাশ্যে অসদাচরণ ও হেনস্তার অভিযোগে ওই দুজনকে আটক করা হয়।

আটকের পর তাদের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে আদালত প্রত্যেককে সাত দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

ট্রাফিক পুলিশ জানিয়েছে, সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে শালীন আচরণ নিশ্চিত করতে নিয়মিত কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন, সরকারি কাজে বাধা কিংবা দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যের সঙ্গে অসদাচরণের ঘটনায় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মালয়েশিয়ার রাজকীয় খেতাব পেলেন দুই মন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৩ পিএম
মালয়েশিয়ার রাজকীয় খেতাব পেলেন দুই মন্ত্রী

রাজকীয় খেতাব পেলেন মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী দাতুক সেরি আর. রামানান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি সাইফুদ্দিন নাসুতিয়ন ইসমাইল। কেলান্তানের সুলতান মুহাম্মদ পঞ্চমের ৫৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার কোটাবারুর ইস্তানা বালাই বেসারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাদের দারজাহ কেবেসারান জিওয়া মাহকোতা কেলান্তান ইয়াং আমাত মুলিয়া (এসজেএমকে)-এর প্রথম সম্মানসূচক সদস্যপদ বা ‘সেরি পদুকা’ প্রদান করা হয়। এ সম্মাননার সঙ্গে ‘দাতুক’ উপাধি যুক্ত।

সুলতানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এবার কেলান্তান রাজ্যের ৭৬৭ জনকে বিভিন্ন রাজকীয় সম্মাননা ও পদক দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৪৫ জনকে ‘দাতুক’ উপাধি দেওয়া হয়।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

সম্মাননা পাওয়ার পর রামানান সুলতান মুহাম্মদ পঞ্চমের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এ সম্মাননাকে তিনি শুধু স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন না; বরং রাজা, জনগণ ও দেশের জন্য আরও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার দায়িত্ব ও আস্থা হিসেবে গ্রহণ করছেন।

রামানানের সঙ্গে একই সম্মাননা পেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুতিয়ন ইসমাইল, সিল্কওয়ে গ্রুপের নির্বাহী চেয়ারম্যান দাতুক দানিয়ার কেসিকবায়েভ এবং লে মার্সিয়ার ক্যাপিটালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দাতুক লিওন এমিল লে’মার্সিয়ার।

সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান জেনারেল তান শ্রী মালেক রাজাক সুলেইমান ও সেনাপ্রধান জেনারেল তান শ্রী আজহান মো. ওসমানও পেয়েছেন রাজকীয় সম্মাননা। তাদের দারজাহ কেবেসারান কেসাতেরিয়া মাহকোতা কেলান্তান ইয়াং আমাত পারকাসা-এর প্রথম সম্মানসূচক সদস্যপদ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া সামরিক কর্মকর্তা, সরকারি কর্মকর্তা, বিচারক, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিদেরও বিভিন্ন পর্যায়ের রাজকীয় খেতাব ও পদক দেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে ১২ জনকে শান্তির বিচারক হিসেবেও নিয়োগ দেওয়া হয়।

সন্দেহ থেকে মামলা, এমপি নজরুলের সঙ্গে আপস মরিয়মের বাবার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৮ পিএম
সন্দেহ থেকে মামলা, এমপি নজরুলের সঙ্গে আপস মরিয়মের বাবার

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলামের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় আপস করেছেন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ। আপসনামায় আসামিদের জামিনে তার কোনো আপত্তি নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহর আদালতে আপসনামাটি দাখিল করেন মামলার বাদী এস এম মাসুম বিল্লাহ।

আদালতে তিনি জানান, গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলামের জামিনে তার কোনো আপত্তি নেই। শুনানি শেষে আদালত মাকসুদার জামিন মঞ্জুর করলেও গাজী নজরুলের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

আপসনামার নথিতে বলা হয়েছে, মরিয়মের মৃত্যুর পর তার বাবার পক্ষ থেকে সন্দেহবশত মামলাটি করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজখবর নিয়ে তিনি নিশ্চিত হন, গাজী নজরুল ইসলাম বা তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদার কোনো প্ররোচনা কিংবা কার্যকলাপে রাগ বা অভিমানে মরিয়ম আত্মহত্যা করেননি। দুই পরিবারের মধ্যে আগে থেকেই আত্মীয়তার সম্পর্ক থাকায় উভয় পক্ষের সম্মতিতে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে আপসনামাটি করা হয়।

আপসনামায় আরও উল্লেখ করা হয়, গাজী নজরুল ইসলাম ও মাকসুদা ইসলাম আদালত থেকে জামিন পেলে বাদী বা তার পরিবারের কোনো আপত্তি থাকবে না। জামিনের পর উভয় পক্ষ সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখবেন এবং বিচারাধীন বিষয়ে নিরপেক্ষ থেকে আদালতের কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবেন।

এর আগে ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন তার বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলাম ও মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
মামলার পর গাজী নজরুল ইসলাম ও মাকসুদাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গাজী নজরুলের দুই দফায় মোট আট দিনের রিমান্ড শেষে ২৮ সেপ্টেম্বর আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার এজাহারে মরিয়মের বাবা অভিযোগ করেছিলেন, বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গাজী নজরুল ইসলাম ও মাকসুদা তার মেয়েকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন। তবে পরবর্তী আপসনামায় বাদী জানান, তিনি সন্দেহের ভিত্তিতে মামলা করেছিলেন এবং পরে তাদের বিরুদ্ধে প্ররোচনার কোনো প্রমাণ পাননি।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক