শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

বাংলাদেশ সরকারের মোট ঋণ ২১ ট্রিলিয়ন (২১ লাখ কোটি) টাকা ছাড়িয়েছে

প্রবাহ বাংলা প্রতিবেদন প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৪:২২ পিএম
বাংলাদেশ সরকারের মোট ঋণ ২১ ট্রিলিয়ন (২১ লাখ কোটি) টাকা ছাড়িয়েছে

বাংলাদেশ সরকারের মোট ঋণ প্রথমবারের মতো ২১ ট্রিলিয়ন (২১ লাখ কোটি) টাকার সীমা পেরিয়েছে। দীর্ঘদিনের রাজস্ব ঘাটতি ও বড় আকারের উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয়ের চাপ বাড়ায় সরকারি ঋণ ক্রমেই উর্ধ্বমুখী হয়েছে। অর্থ বিভাগের সদ্য প্রকাশিত ঋণ বুলেটিন অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন শেষে সরকারের মোট দায় দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ৪৪ ট্রিলিয়ন টাকা, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ১৪ শতাংশ বেশি। এক বছর আগে এই পরিমাণ ছিল ১৮ দশমিক ৮৯ ট্রিলিয়ন।

বৈদেশিক ও অভ্যন্তরীণ ঋণের চিত্র:
বুলেটিনে বলা হয়েছে, বৈদেশিক ঋণ এখন ৯ দশমিক ৪৯ ট্রিলিয়ন টাকা—মোট ঋণের ৪৪ শতাংশেরও বেশি। গত পাঁচ বছরে বিদেশি ঋণের পরিমাণ দ্বিগুণের কাছাকাছি পৌঁছেছে; ২০২১ সালে যেখানে ছিল ৪ দশমিক ২০ ট্রিলিয়ন টাকা।
অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণও বেড়ে ১১ দশমিক ৯৫ ট্রিলিয়ন টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ১১ শতাংশ বেশি। ২০২১ সালে অভ্যন্তরীণ ঋণ ছিল ৭ দশমিক ২২ ট্রিলিয়ন।

কেন ঋণ বাড়ছে:
অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, মহামারির পর আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর বাজেট সহায়তা এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোরেল ও মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ বড় প্রকল্পগুলোতে ব্যাপক অর্থ ব্যয় করতে হওয়ায় ঋণ দ্রুত বাড়ছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

নীতিগত গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডি’র সম্মানিত ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান মনে করেন, এই ঊর্ধ্বমুখী ঋণ প্রবণতা বর্তমানে বাংলাদেশের জন্য উদ্বেগজনক।
তিনি বলেন, দুর্বল রাজস্ব আদায়ের কারণে সরকার উন্নয়ন ব্যয়ের জন্য স্থানীয় ও বৈদেশিক—দুই উৎস থেকেই ধার নিতে বাধ্য হচ্ছে। এর ফলে ঋণের চাপ ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। বিশেষ করে দেশীয় ঋণের সুদহার বেড়ে যাওয়া এবং বিদেশি ঋণের কঠোর শর্ত—যেমন কম গ্রেস পিরিয়ড, বেশি সুদ ও দ্রুত পরিশোধের সময়সীমা—পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে।

সুদের বোঝা দ্রুত বাড়ছে:
গত অর্থবছরে সুদ পরিশোধে ব্যয় হয়েছে এক লাখ ৩২ হাজার ৪৬০ কোটি টাকা—যা আগের বছরের তুলনায় ১৭ শতাংশ বেশি। বৈদেশিক ঋণের সুদ পরিশোধ ২১ শতাংশ এবং অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ ১৬ শতাংশ বেড়েছে।

ট্রেজারি বিল-বন্ডের মাধ্যমে ব্যাংক খাত থেকে নেওয়া ঋণের সুদ পরিশোধ এক বছরে ৪৩ শতাংশ বেড়েছে।

আন্তর্জাতিক সংস্থার সতর্কতা:
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ এশিয়ায় বৈদেশিক ঋণ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বাংলাদেশই সবচেয়ে দ্রুতগতির দেশের তালিকায় শীর্ষে। গত ১৩ বছরে সরকারি ও গ্যারান্টিযুক্ত বৈদেশিক ঋণ তিনগুণেরও বেশি বেড়েছে।

আইএমএফ জানিয়েছে, বিদেশি ঋণের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় এই অর্থবছরের জন্য বাংলাদেশকে সর্বোচ্চ ৮ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক ঋণ গ্রহণের সীমা বেধে দেওয়া হয়েছে। ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে এই সীমা পর্যবেক্ষণ করা হবে।
আইএমএফের ঋণ স্থায়িত্ব বিশ্লেষণে (DSA) বাংলাদেশকে এখন “মধ্যম-ঝুঁকিপূর্ণ” দেশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। রপ্তানি ও রাজস্বের তুলনায় ঋণ পরিশোধের চাপ বাড়ায় এ অবস্থানে নেমে এসেছে দেশটি।

রিপোর্টে দেখা গেছে, ঋণ-রপ্তানি অনুপাত বর্তমানে ১৬২ শতাংশের বেশি—যা আগে অনুমিত মাত্রার তুলনায় অনেক বেশি।

ভবিষ্যতের করণীয়:
ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, রাজস্ব আহরণ বাড়ানো এখন সরকারের সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। দক্ষিণ এশিয়ার গড়ের প্রায় অর্ধেক রাজস্ব সংগ্রহ করে বাংলাদেশ, যা বাড়াতে কর প্রশাসন আধুনিকায়ন, প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং এনবিআরকে শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন তিনি।
এছাড়া নতুন ঋণ নেওয়ার সময় সুদহার, উৎস, পরিশোধের শর্ত ও গ্রেস পিরিয়ড বিবেচনা করে সতর্ক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি—যাতে পুরনো ঋণ শোধের জন্য নতুন ঋণ নিতে না হয়।

সমন্বিত ঋণ ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ:
আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের সুপারিশ অনুযায়ী, সরকার একটি সমন্বিত ঋণ ব্যবস্থাপনা কার্যালয় (DMO) গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। একাধিক সংস্থার মধ্যে দায়িত্ব ছড়িয়ে থাকার ফলে ঋণ পরিচালনায় সমন্বয়ের ঘাটতি, তথ্য বিভ্রান্তি ও ঝুঁকি বেড়ে গেছে বলে পর্যবেক্ষণ দিয়েছে দুই সংস্থা।

প্রস্তাব অনুযায়ী, সরকারি ও গ্যারান্টিযুক্ত সব ঋণ ব্যবস্থাপনা অর্থ বিভাগের অধীনে একীভূত করা হবে। প্রথম ধাপে ট্রেজারি ও ঋণ ব্যবস্থাপনা শাখাকে পুনর্গঠন করা হবে।
নতুন ডিএমও দেশীয় ঋণ ইস্যু তদারকি, বার্ষিক ঋণ পরিকল্পনা প্রণয়ন, নিলাম ব্যবস্থাপনা, ঋণ পোর্টফোলিওর ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং সমন্বিত ঋণ ডাটাবেজ তৈরি করবে।

এজন্য প্রয়োজন পেশাদার জনবল, আধুনিক আইটি ব্যবস্থা, পরিষ্কার আইনি কাঠামো এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়।
অর্থ বিভাগ মনে করছে, ডিএমও চালু হলে বাজারে আস্থা বাড়বে, ঋণ ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে এবং দেশের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক স্থিতিশীলতা শক্তিশালী হবে।

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক দিনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে একজন করে মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১১ জনে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ভর্তির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এ বিভাগে ২৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগে ২৪১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩৩ জন, খুলনা বিভাগে ১৩০ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৭৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

একই সময়ে বরিশাল ও রংপুর বিভাগে ৪৪ জন করে, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৭ জন এবং সিলেট বিভাগে চারজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেই মারা গেছেন ১০২ জন। এই হিসাবের মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মৃত্যুর সংখ্যাও রয়েছে।

এ ছাড়া একই সময়ে খুলনা বিভাগে ৩৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২০ জন, বরিশাল বিভাগে ১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০ জন, রংপুর বিভাগে চারজন এবং সিলেট বিভাগে একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৫ দিনেই ডেঙ্গুতে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৪ পিএম
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

আসিয়ান কাপে নিজেদের অভিষেক ম্যাচেই মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় শুরু হওয়া ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে মালয়েশিয়া।

আসিয়ান কাপে প্রথমবারের মতো মাঠে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল হামজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। ম্যাচের ১৮ মিনিটে আরিফ আইমানের গোলে এগিয়ে যায় মালয়েশিয়া। এরপর ৩৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের ব্যবধান ২-০ করেন আইমান। দুই গোলের ঘাটতি নিয়েই বিরতিতে যেতে হয় বাংলাদেশকে।

বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে মালয়েশিয়া। ৫২ মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বক্সের ভেতর থেকে গোল করেন বার্গুসন। তার গোলে মালয়েশিয়ার লিড বেড়ে দাঁড়ায় ৩-০।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এরপর গোল পরিশোধে কয়েক দফা আক্রমণ গড়ে তোলে বাংলাদেশ। তবে সুযোগ তৈরি করেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি লাল-সবুজের দল। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের পরাজয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।

এর আগে চার বছর আগে এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে মালয়েশিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচেও ৪-১ গোলে হেরেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এবার আসিয়ান কাপেও মালয়েশিয়ার বিপক্ষে জয়ের দেখা পেল না বাংলাদেশ।

সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৭ পিএম
সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি মিলিশিয়ার হামলার পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। তবে এই সামরিক মোতায়েন কোনো সংঘাতে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়, বরং সৌদির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্যারিস।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান। একই দিন দুই দেশের মধ্যে হওয়া একটি চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের উপকূলীয় শহর ইয়ানবুর জ্বালানি অবকাঠামো সুরক্ষায় ফ্রান্স সেনা, রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাবে বলে জানান তিনি।

সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম ফ্রান্স ২-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাক্রোঁ বলেন, কোনো সংঘাতে জড়ানোর জন্য নয়, বরং জ্বালানি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এসব সামরিক সরঞ্জাম ও সেনা পাঠানো হবে। পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে সৌদি আরবকে আরও সামরিক সহায়তা দেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ম্যাক্রোঁ জানান, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের মধ্যে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের বাজারে গ্যাসের দাম কমাতে ফ্রান্স বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। সৌদি আরবে সামরিক সহায়তা পাঠানোর সিদ্ধান্তও সেই উদ্যোগের অংশ।

চলমান সংঘাতের প্রভাবে তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের মিত্র হুথি মিলিশিয়া সৌদি আরবে একাধিক হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার কারণে লোহিত সাগরসংলগ্ন বন্দরগুলো থেকে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছে। দীর্ঘদিনের উত্তেজনা আবারও সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নেওয়ার প্রেক্ষাপটেই সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিল ফ্রান্স।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক