রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

পাসের হার ৯৯.৯৪ শতাংশ

এইচএসসির ফলাফলে এবারও চমক নরসিংদীর আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজের

সাদ্দাম উদ্দিন রাজ নরসিংদি প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:০৯ পিএম
এইচএসসির ফলাফলে এবারও চমক নরসিংদীর আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজের

সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে এবারও উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় নজরকাড়া ফলাফল করেছে নরসিংদীর আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১০টায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১ হাজার ৫৫২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ হাজার ৫৫১ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৬১ জন। কলেজটির পাসের হার ৯৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ।

কলেজের প্রশাসনিক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এ বছর বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক—তিন বিভাগ থেকে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেয়। বিজ্ঞান বিভাগে ১ হাজার ৫৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৯৪ জন। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ১৮০ জনের মধ্যে ৬৯ জন এবং মানবিক বিভাগে ৩১১ জনের মধ্যে ৯৮ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগে পাসের হার ছিল শতভাগ।

২০১২ সাল থেকে টানা তিন বছর ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছিল আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ। ২০১৫ সাল থেকে শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ বন্ধ থাকলেও ফলাফলের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী সোয়াইব হোসেন বলেন, কলেজের হোস্টেলে থেকে পড়াশোনার সুযোগ, শিক্ষকদের আন্তরিক সহযোগিতা এবং অভিভাবকদের নিয়মিত তদারকির কারণে ভালো ফলাফল করা সম্ভব হয়েছে। শিক্ষক ও অভিভাবকেরা তাঁদের সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ে রেখেছেন বলেও জানান তিনি।

মানবিক বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া মাইমুনা আক্তারসহ অন্য শিক্ষার্থীরা জানান, কলেজ কর্তৃপক্ষের আন্তরিক প্রচেষ্টা, অভিভাবকদের নজরদারি এবং নিজেদের নিয়মিত পড়াশোনার সমন্বিত ফল হিসেবেই এ সাফল্য এসেছে।

কলেজের অধ্যক্ষ হেরেম উল্লাহ আহসান বলেন, শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলের জন্য তাঁরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। কলেজ পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান আবদুল কাদির মোল্লার সরাসরি নির্দেশনায় নিয়মিত ক্লাস, বিশেষ ক্লাস, হোম ভিজিট, টিউটোরিয়াল, মাসিক পরীক্ষা এবং গাইড শিক্ষকের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধান করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষকেরাও কঠোর পরিশ্রম করেছেন।

তিনি আরও জানান, পরীক্ষা চলাকালে একজন শিক্ষার্থী অসুস্থতার কারণে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। এ কারণে একজন অকৃতকার্য হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটি শতভাগ পাসের সাফল্য অর্জন করতে পারেনি।

কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও গভর্নিং বডির সভাপতি আবদুল কাদির মোল্লা বলেন, “প্রথমেই আল্লাহ তায়ালার কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। এ ফলাফল শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক তথা নরসিংদীবাসীর অর্জন।”

উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ ২০০৮ সালে প্রথমবারের মতো এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৯৯ শতাংশ পাসের হার অর্জন করে। ২০০৯ সালে শতভাগ পাসসহ ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পঞ্চম এবং সারা দেশে ষষ্ঠ স্থান অর্জন করে প্রতিষ্ঠানটি। ২০১০ সালে শতভাগ পাসসহ ঢাকা বোর্ডে চতুর্থ এবং ২০১১ সালে সপ্তম স্থান অর্জন করে।

এ ছাড়া ২০১২, ২০১৩ ও ২০১৪ সালে শতভাগ পাসসহ ঢাকা শিক্ষা বোর্ড তথা সারা দেশে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে কলেজটি। পরবর্তী সময়ে শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ বন্ধ হলেও ২০১৫ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভালো ফলাফলের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি।

শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষের মধ্যে মিরপুর-১১ মেট্রো স্টেশনে আগুন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:২২ পিএম
শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষের মধ্যে মিরপুর-১১ মেট্রো স্টেশনে আগুন

ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে পোশাকশ্রমিক ও পুলিশের সংঘর্ষের সময় মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রো স্টেশনে আগুন দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। আগুন নেভাতে গিয়ে আন্দোলনকারীদের বাধার মুখে পড়ে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

 

রোববার (১ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রো স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

 

ফায়ার সার্ভিসের কয়েকজন সদস্য জানান, আগুন লাগার খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে পুলিশের সহায়তায় সামনে এগিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ সদস্যরা তাদের সামনে রেখে পেছনে সরে যান। এ সময় আন্দোলনকারীরা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকেন। একপর্যায়ে নিরাপত্তার কারণে তাদের ফিরে যেতে হয়। তবে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা নিজেদের নাম প্রকাশ করতে চাননি।

 

এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রাকিব জানান, মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রো স্টেশনে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে মিরপুর ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংশ্লিষ্ট ফায়ার স্টেশন থেকে জানা যাবে।

 

একই দাবিতে গতকাল শনিবারও মিরপুরে সড়ক অবরোধ করেন পোশাক শ্রমিকরা। তাদের অবরোধের কারণে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত মিরপুর ১০, ১১ ও ১২ নম্বরসহ আশপাশের এলাকায় যান চলাচল বন্ধ ছিল।

 

একপর্যায়ে শ্রমিকরা মিরপুর ১ নম্বরের শাহ আলী এলাকায় জড়ো হন। সেখানে কয়েকটি মার্কেট ও পোশাক কারখানায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ সময় নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে শ্রমিকদের হাতাহাতি, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।

 

ছয় বছরের ছেলেকে নিয়ে ১৮ তলা থেকে ঝাঁপ, মা-ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:১০ পিএম
ছয় বছরের ছেলেকে নিয়ে ১৮ তলা থেকে ঝাঁপ, মা-ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু

ভারতের পুনের পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় এলাকায় একটি বহুতল আবাসিক ভবনের ১৮ তলা থেকে পড়ে এক নারী ও তাঁর ছয় বছর বয়সী ছেলের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, মা ও ছেলে আত্মহত্যা করেছেন।

নিহত নারীর নাম একতা ভাঙড়ে (৩৩) এবং তাঁর ছেলের নাম মাধব ভাঙড়ে (৬)। তাঁরা পুনের পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড়ের থেরগাঁও ওয়াকাড এলাকার অভিজাত আবাসিক কমপ্লেক্স সিগনেচার পার্কে বসবাস করতেন। প্রায় দুই বছর ধরে স্বামী মনোজ ভাঙড়ে (৩৫) ও ছেলেকে নিয়ে সেখানে থাকছিলেন একতা।

পরিবারটি ওই আবাসিক ভবনের সপ্তম তলায় থাকত। মনোজ ইয়েরওয়াড়ার একটি তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে প্রতিদিনের মতো তিনি কর্মস্থলে চলে যান। সে সময় বাসায় ছিলেন একতা ও মাধব।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ভবনের একটি ডাক্ট থেকে বিকট শব্দ শুনতে পান আবাসিক এলাকার বাসিন্দারা। শব্দের উৎস খুঁজতে নিচে নেমে তাঁরা একতা ও মাধবকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ওয়াকাড থানার পুলিশ। পুলিশের পর্যালোচনা করা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, ঘটনার আগে একতা ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে লিফটে করে ভবনের ১৮ তলায় উঠেছিলেন। পরে ভবনের গ্যালারির রেলিংয়ের কাছে তাঁদের জুতা ও স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখা যায়।

পুলিশ মা ও ছেলের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে কর্মকর্তাদের ধারণা, ওই নারী ছেলেকে নিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

কালিয়াকৈরে ফের শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ, টিয়ারশেল-রাবার বুলেট নিক্ষেপ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:০৭ পিএম
কালিয়াকৈরে ফের শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ, টিয়ারশেল-রাবার বুলেট নিক্ষেপ

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনকে ঘিরে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক। সর্বনিম্ন মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে শনিবারের সংঘর্ষের পরদিন রোববার (১ নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে শ্রমিকেরা পুনরায় মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে অবরোধ শুরু করেছেন।

উপজেলার মৌচাক, সফিপুর, পল্লী বিদ্যুৎ ও চন্দ্রা এলাকায় আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে। মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকেরা অবস্থান নেওয়ায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এতে সড়কের দুই পাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন দূরপাল্লার যাত্রী, চালক ও পরিবহনশ্রমিকেরা।

সকাল থেকেই পুরো শিল্পাঞ্চলে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সফিপুর ও মৌচাক এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের তৎপরতা দেখা গেছে। আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দিতে পুলিশ টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করেছে বলে জানা গেছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এ সময় বিভিন্ন স্থানে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কায় স্থানীয় বাসিন্দা ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

আন্দোলনরত শ্রমিকদের ভাষ্য, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার পাশাপাশি বাসাভাড়া, চিকিৎসা ও সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ বেড়েছে। বর্তমান বেতনে এসব ব্যয় মিটিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পোশাকশ্রমিকদের সর্বনিম্ন মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শ্রমিকেরা।

এর আগে শনিবার (৩১ অক্টোবর) একই দাবিতে চন্দ্রা, মৌচাক ও সফিপুর এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করেন শ্রমিকেরা। একপর্যায়ে তাঁদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এ সময় একটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। এতে পুরো শিল্পাঞ্চলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

শনিবারের সংঘর্ষের পর রোববার সকাল থেকেই শ্রমিকেরা আবার সড়কে নামেন। মৌচাক থেকে সফিপুর, পল্লী বিদ্যুৎ হয়ে চন্দ্রা পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে তাঁদের অবস্থানের কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কে যান চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। ঢাকাগামী ও উত্তরবঙ্গগামী যানবাহন আটকে থাকায় যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

শ্রমিকদের আন্দোলনের প্রভাব পড়েছে কালিয়াকৈরের শিল্পাঞ্চলের স্বাভাবিক কার্যক্রমেও। বিভিন্ন পোশাক কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। নিরাপত্তার কারণে কিছু কারখানায় ছুটি ঘোষণা ও কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে মহাসড়ক অবরোধ ও সংঘর্ষের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছেন।

তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আন্দোলনের সার্বিক পরিস্থিতি, সংঘর্ষে হতাহতের সংখ্যা এবং পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক