রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

সংবিধান সংস্কারে লংমার্চ নয়, রাজনৈতিক আলোচনার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১১ পিএম
সংবিধান সংস্কারে লংমার্চ নয়, রাজনৈতিক আলোচনার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সংবিধান সংস্কারের দাবিতে রাজপথে লংমার্চ না করে রাজনৈতিক আলোচনার টেবিলে বসার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, উচ্চকক্ষ গঠন করা হলে এর ক্ষমতা ও কার্যপরিধি কী হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা প্রয়োজন। এ জন্য বিরোধী দলকে সংবিধান সংশোধনী কমিটিতে এসে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজতে হবে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে ‘স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের সাংবিধানিক সংকট ও বাকশাল’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উচ্চকক্ষের ক্ষমতা ও এখতিয়ার নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “উচ্চকক্ষ পিআর পদ্ধতিতে হলে এর ক্ষমতা ও কর্মপরিধি কী হবে, তা নির্ধারণে বিরোধী দলকে সংবিধান সংশোধনী কমিটিতে আসতে হবে। নোটে অব ডিসেন্ট বা ভিন্নমত শিথিল করতে হলে আলোচনা প্রয়োজন, যা লংমার্চের মাধ্যমে সমাধান সম্ভব নয়।”

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

তিনি আরও বলেন, আলোচনার মাধ্যমে উচ্চকক্ষ গঠিত হলে সেটিকে কী ধরনের এখতিয়ার বা নির্বাচিত সিনেটের মতো ক্ষমতা দেওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হওয়া উচিত। এ ছাড়া নিম্নকক্ষ থেকে পাস হওয়া আইন পর্যালোচনার জন্য উচ্চকক্ষে পাঠানো হলে তা নিষ্পত্তির নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ না করলে সংসদীয় ব্যবস্থায় আইন প্রণয়নে দীর্ঘসূত্রতা ও রাষ্ট্র পরিচালনায় জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আদেশ জারি নয়, রাজনৈতিক সমঝোতার ওপর জোর দিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “সংবিধান প্রণয়নের আগে বা বিভিন্ন পরিস্থিতিতে অনেক আদেশ দিয়ে অনেক কিছু করা হয়েছে। তবে রাজনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে দলিল তৈরি হলে সেটি অঙ্গীকারে পরিণত হয়। কেউ সেই অঙ্গীকার ভঙ্গ করলে পরবর্তী সময়ে তাদের জনগণের মুখোমুখি হতে হবে।”

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “শুরুতে রাজনৈতিক বাস্তবতায় আমরা এটি মানতে না চাইলেও পরবর্তী সময়ে জনদাবীর মুখে তা মেনে নেওয়া হয়েছিল।”

প্রতিষ্ঠান নির্মাণের পাশাপাশি ক্ষমতার জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “প্রতিষ্ঠানের কর্তৃত্ব ও ক্ষমতা দেওয়ার পাশাপাশি আইনগতভাবে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে, অন্যথায় সেই প্রতিষ্ঠানও স্বৈরতান্ত্রিক হয়ে উঠতে পারে।”

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা অবশ্যই বিচার বিভাগের স্বাধীনতা চাই এবং তা বর্তমানেও বিদ্যমান। তবে বিচারকদের স্বাধীনতার পাশাপাশি তাদের জবাবদিহিতার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।”

সেমিনারে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও সংসদীয় ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তিনি জানান, নির্বাচিত আইনসভার সদস্যরা জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগ করেন, তাই সাংবিধানিক সংস্কারসহ যেকোনো জাতীয় বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে রাজনৈতিক ঐকমত্য ও আলোচনার কোনো বিকল্প নেই।

শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষের মধ্যে মিরপুর-১১ মেট্রো স্টেশনে আগুন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:২২ পিএম
শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষের মধ্যে মিরপুর-১১ মেট্রো স্টেশনে আগুন

ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে পোশাকশ্রমিক ও পুলিশের সংঘর্ষের সময় মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রো স্টেশনে আগুন দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। আগুন নেভাতে গিয়ে আন্দোলনকারীদের বাধার মুখে পড়ে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

 

রোববার (১ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রো স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

 

ফায়ার সার্ভিসের কয়েকজন সদস্য জানান, আগুন লাগার খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে পুলিশের সহায়তায় সামনে এগিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ সদস্যরা তাদের সামনে রেখে পেছনে সরে যান। এ সময় আন্দোলনকারীরা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকেন। একপর্যায়ে নিরাপত্তার কারণে তাদের ফিরে যেতে হয়। তবে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা নিজেদের নাম প্রকাশ করতে চাননি।

 

এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রাকিব জানান, মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রো স্টেশনে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে মিরপুর ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংশ্লিষ্ট ফায়ার স্টেশন থেকে জানা যাবে।

 

একই দাবিতে গতকাল শনিবারও মিরপুরে সড়ক অবরোধ করেন পোশাক শ্রমিকরা। তাদের অবরোধের কারণে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত মিরপুর ১০, ১১ ও ১২ নম্বরসহ আশপাশের এলাকায় যান চলাচল বন্ধ ছিল।

 

একপর্যায়ে শ্রমিকরা মিরপুর ১ নম্বরের শাহ আলী এলাকায় জড়ো হন। সেখানে কয়েকটি মার্কেট ও পোশাক কারখানায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ সময় নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে শ্রমিকদের হাতাহাতি, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।

 

ছয় বছরের ছেলেকে নিয়ে ১৮ তলা থেকে ঝাঁপ, মা-ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:১০ পিএম
ছয় বছরের ছেলেকে নিয়ে ১৮ তলা থেকে ঝাঁপ, মা-ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু

ভারতের পুনের পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় এলাকায় একটি বহুতল আবাসিক ভবনের ১৮ তলা থেকে পড়ে এক নারী ও তাঁর ছয় বছর বয়সী ছেলের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, মা ও ছেলে আত্মহত্যা করেছেন।

নিহত নারীর নাম একতা ভাঙড়ে (৩৩) এবং তাঁর ছেলের নাম মাধব ভাঙড়ে (৬)। তাঁরা পুনের পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড়ের থেরগাঁও ওয়াকাড এলাকার অভিজাত আবাসিক কমপ্লেক্স সিগনেচার পার্কে বসবাস করতেন। প্রায় দুই বছর ধরে স্বামী মনোজ ভাঙড়ে (৩৫) ও ছেলেকে নিয়ে সেখানে থাকছিলেন একতা।

পরিবারটি ওই আবাসিক ভবনের সপ্তম তলায় থাকত। মনোজ ইয়েরওয়াড়ার একটি তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে প্রতিদিনের মতো তিনি কর্মস্থলে চলে যান। সে সময় বাসায় ছিলেন একতা ও মাধব।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ভবনের একটি ডাক্ট থেকে বিকট শব্দ শুনতে পান আবাসিক এলাকার বাসিন্দারা। শব্দের উৎস খুঁজতে নিচে নেমে তাঁরা একতা ও মাধবকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ওয়াকাড থানার পুলিশ। পুলিশের পর্যালোচনা করা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, ঘটনার আগে একতা ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে লিফটে করে ভবনের ১৮ তলায় উঠেছিলেন। পরে ভবনের গ্যালারির রেলিংয়ের কাছে তাঁদের জুতা ও স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখা যায়।

পুলিশ মা ও ছেলের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে কর্মকর্তাদের ধারণা, ওই নারী ছেলেকে নিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

কালিয়াকৈরে ফের শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ, টিয়ারশেল-রাবার বুলেট নিক্ষেপ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:০৭ পিএম
কালিয়াকৈরে ফের শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ, টিয়ারশেল-রাবার বুলেট নিক্ষেপ

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনকে ঘিরে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক। সর্বনিম্ন মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে শনিবারের সংঘর্ষের পরদিন রোববার (১ নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে শ্রমিকেরা পুনরায় মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে অবরোধ শুরু করেছেন।

উপজেলার মৌচাক, সফিপুর, পল্লী বিদ্যুৎ ও চন্দ্রা এলাকায় আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে। মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকেরা অবস্থান নেওয়ায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এতে সড়কের দুই পাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন দূরপাল্লার যাত্রী, চালক ও পরিবহনশ্রমিকেরা।

সকাল থেকেই পুরো শিল্পাঞ্চলে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সফিপুর ও মৌচাক এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের তৎপরতা দেখা গেছে। আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দিতে পুলিশ টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করেছে বলে জানা গেছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এ সময় বিভিন্ন স্থানে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কায় স্থানীয় বাসিন্দা ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

আন্দোলনরত শ্রমিকদের ভাষ্য, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার পাশাপাশি বাসাভাড়া, চিকিৎসা ও সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ বেড়েছে। বর্তমান বেতনে এসব ব্যয় মিটিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পোশাকশ্রমিকদের সর্বনিম্ন মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শ্রমিকেরা।

এর আগে শনিবার (৩১ অক্টোবর) একই দাবিতে চন্দ্রা, মৌচাক ও সফিপুর এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করেন শ্রমিকেরা। একপর্যায়ে তাঁদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এ সময় একটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। এতে পুরো শিল্পাঞ্চলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

শনিবারের সংঘর্ষের পর রোববার সকাল থেকেই শ্রমিকেরা আবার সড়কে নামেন। মৌচাক থেকে সফিপুর, পল্লী বিদ্যুৎ হয়ে চন্দ্রা পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে তাঁদের অবস্থানের কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কে যান চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। ঢাকাগামী ও উত্তরবঙ্গগামী যানবাহন আটকে থাকায় যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

শ্রমিকদের আন্দোলনের প্রভাব পড়েছে কালিয়াকৈরের শিল্পাঞ্চলের স্বাভাবিক কার্যক্রমেও। বিভিন্ন পোশাক কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। নিরাপত্তার কারণে কিছু কারখানায় ছুটি ঘোষণা ও কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে মহাসড়ক অবরোধ ও সংঘর্ষের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছেন।

তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আন্দোলনের সার্বিক পরিস্থিতি, সংঘর্ষে হতাহতের সংখ্যা এবং পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক