রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

তাজমিন হত্যা: কথিত প্রেমিক রাজু গ্রেপ্তার, তদন্তে নতুন তথ্য

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৩৭ পিএম
তাজমিন হত্যা: কথিত প্রেমিক রাজু গ্রেপ্তার, তদন্তে নতুন তথ্য

কুমিল্লায় সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিন হত্যা মামলায় তার কথিত প্রেমিক রাজুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (১১ অক্টোবর) অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও অনুসন্ধানে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় রাজুর সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি সামনে এসেছে।

তাজমিন হত্যার ঘটনায় এর আগে অটোরিকশাচালক সুমন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বাস থেকে নামার পর তাজমিনকে অটোরিকশায় তুলে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করেন সুমন। পরে লালমাই উপজেলার ভোরালজগতপুর উত্তরপাড়ার একটি ধানখেতের আইল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, গত ৪ অক্টোবর এক বান্ধবীকে হাতঘড়ি দেওয়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির পর বাড়ি ছাড়ে তাজমিন। প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বান্ধবীর কাছে যায় সে। পরে রাজুর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে কক্সবাজারে যাওয়ার জন্য বিকাশে ৫০০ টাকা পাঠান রাজু।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

কক্সবাজারের একটি ট্রাভেল কাউন্টারের প্রতিনিধি আবদুল্লাহর ভাষ্য অনুযায়ী, ৬ অক্টোবর রাতে তাজমিন ও রাজু কাউন্টারে গিয়ে পরদিনের বাসের টিকিট সংগ্রহ করেন। ৭ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাজমিনকে বাসে তুলে দেওয়া হয়।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ওই দিন রাত পৌনে ১২টার দিকে পদুয়ারবাজার বিশ্বরোডের হোটেল নূরজাহানের সামনে বাস থেকে নামে তাজমিন। এরপর রেসকোর্স এলাকার বাসায় যাওয়ার জন্য সুমন মিয়ার অটোরিকশায় ওঠে সে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গন্তব্যে না নিয়ে সুমন তাকে লালমাই উপজেলার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান।

পরদিন সকালে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে চট্টগ্রাম থেকে সুমনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোনও উদ্ধার করা হয়।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, এ ঘটনায় সুমন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। উদ্ধার করা মুঠোফোনের কলতালিকা ও অন্যান্য ডিজিটাল প্রমাণ পর্যালোচনা করে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ হলে পুরো ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানানো সম্ভব হবে।

এদিকে তাজমিন হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তার স্বজন ও এলাকাবাসী।

আন্দোলনকে ‘দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র’ বললেন কঙ্গনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫১ এম
আন্দোলনকে ‘দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র’ বললেন কঙ্গনা

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলনকে দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র বলে মন্তব্য করেছেন অভিনেত্রী ও বিজেপির সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউত। বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেওয়া ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতাদের ‘দেশবিরোধী শক্তি’ বলেও আখ্যা দিয়েছেন তিনি।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দিল্লিতে বিক্ষোভ ও ধরপাকড়ের ঘটনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কঙ্গনা এসব কথা বলেন। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষ এখন এসব শক্তিকে চিনতে পারছে এবং তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে প্রস্তুত হচ্ছে।

কঙ্গনা বলেন, দেশকে রক্ষায় বিভিন্ন শক্তি কাজ করছে। তবে পরিস্থিতি মোকাবিলার সময় সতর্ক থাকতে হবে, যাতে সাধারণ নাগরিকদের কোনো ধরনের ভোগান্তিতে পড়তে না হয়।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

লখনৌতে পৌঁছে অযোধ্যায় যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। কঙ্গনা জানান, রামলালার দর্শন ও প্রার্থনার জন্য অযোধ্যার রামমন্দিরে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। তিনি হিমাচল প্রদেশের মান্ডি আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সিজেপির ডাকা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শনিবার দিল্লিতে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেয় পুলিশ। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে আন্দোলনকারীরা দাবি করছেন, সংশোধনের নামে অনেক ভোটারের নাম অন্যায়ভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে বড় সমাবেশের ডাক দিয়েছিল সিজেপি। তবে বিক্ষোভকারীরা সেখানে পৌঁছানোর আগেই দলটির শীর্ষ নেতাদের আটক করে পুলিশ। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই দিন দিল্লিজুড়ে ছয় থেকে সাত হাজার মানুষকে আটক করা হয়। পরে তাঁদের অধিকাংশকেই ছেড়ে দেওয়া হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ জোরদার করতে প্রায় ৪১ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে শিক্ষার্থী, আইনজীবী ও রাজনীতিকদের পাশাপাশি চার সাবেক মুখ্যমন্ত্রীও ছিলেন।

অবশেষে উদ্ধার নাটোর স্টেশনে চুরি হওয়া জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪৯ এম
অবশেষে উদ্ধার নাটোর স্টেশনে চুরি হওয়া জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ

নাটোর রেলওয়ে স্টেশন থেকে চুরি হওয়া জার্মান পর্যটক ক্রিল ল্যান্ডারের ল্যাপটপ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১১ অক্টোবর) রাতে নাটোর শহরের কাপড়িয়া পট্টি এলাকার একটি কাপড়ের দোকান থেকে ল্যাপটপটি উদ্ধার করা হয়। ল্যাপটপ ফিরে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ওই পর্যটক।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কাপড়িয়া পট্টি এলাকার বাসিন্দা অমল কুমার সাহা তিতুমীর এক্সপ্রেস ট্রেনে নওগাঁ যাওয়ার পথে আসনের নিচে ল্যাপটপটি পান। পরে ছেলে অন্তর কুমার সাহার সঙ্গে আলোচনা করে তিনি পুলিশকে খবর দেন। অন্তর জার্মান পর্যটক ক্রিলের সঙ্গেও যোগাযোগ করেন।

ল্যাপটপ উদ্ধারের খবরে আনন্দ প্রকাশ করে ক্রিল বলেন, অবশেষে তাঁর ল্যাপটপ উদ্ধার হয়েছে। এতে তিনি খুব খুশি। রোববার রাতেই ঢাকা ছাড়ার পরিকল্পনা থাকলেও ল্যাপটপ ফিরে পাওয়ার জন্য তিনি পরদিন পর্যন্ত অপেক্ষা করার কথা ভাবছেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এর আগে গত ৭ অক্টোবর বগুড়ার বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা পরিদর্শন শেষে সান্তাহার হয়ে ট্রেনে নাটোর রেলওয়ে স্টেশনে আসেন ক্রিল ল্যান্ডার। এ সময় হলুদ ভেস্ট পরা এক যুবক নিজেকে রেলকর্মী পরিচয় দিয়ে তাঁর সঙ্গে পরিচিত হন এবং সখ্য গড়ে তোলেন।

একপর্যায়ে এটিএম থেকে টাকা তুলতে যাওয়ার আগে নিজের ব্যাগটি ওই যুবকের কাছে রেখে যান ক্রিল। ফিরে এসে ব্যাগসহ ওই ব্যক্তিকে আর খুঁজে পাননি তিনি। ব্যাগে ল্যাপটপ, ক্যামেরাসহ বেশ কিছু মূল্যবান জিনিস ছিল।

ঘটনার পর পুলিশ স্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করে। ফুটেজে দেখা যায়, হলুদ কটি পরা এক যুবক কৌশলে পর্যটকের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন। পরে সুযোগ বুঝে নিজের কটি খুলে চুরি করা ব্যাগটি এর ভেতরে লুকিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ল্যাপটপটি উদ্ধার করা হয়েছে। তবে চুরির ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত বা গ্রেপ্তারের বিষয়ে প্রতিবেদনে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

জিবুতির উপকূলে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের নৌকাডুবি, নিহত ১০৯

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪৮ এম
জিবুতির উপকূলে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের নৌকাডুবি, নিহত ১০৯

পূর্ব আফ্রিকার দেশ জিবুতির উপকূলে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বহনকারী একটি নৌকা উল্টে অন্তত ১০৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১৫টি শিশু রয়েছে। এ ঘটনায় এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ১১৬ জন। জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা রোববার (১১ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছে।

সংস্থাটির বিবৃতি অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের মধ্যবর্তী রাতে জিবুতির পূর্ব উপকূলের গুহের এলাকার কাছে নৌকাটি উল্টে যায়। বেঁচে ফেরা যাত্রীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। ওই এলাকার কাছেই এডেন উপসাগর ও বাব এল মান্দেব প্রণালি অবস্থিত।

নৌকাটি জিবুতি থেকে ইয়েমেনের দিকে যাচ্ছিল। এতে প্রায় ৩০০ জন যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনার পর ৮০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। বেঁচে যাওয়া সবাই ইথিওপিয়ার নাগরিক।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

আফ্রিকা থেকে মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়ার পথে অভিবাসনপ্রত্যাশীরা প্রায়ই এডেন উপসাগর ও বাব এল মান্দেব প্রণালি পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেন। উন্নত জীবিকা ও কাজের সন্ধানে অনেকেই ঝুঁকিপূর্ণভাবে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে নৌকায় এই পথ পাড়ি দেন।

ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহী ও দেশটির সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘাত শুরুর পর বহু মানুষ দেশটি ছেড়ে জিবুতিতে আশ্রয় নিয়েছেন। একই সময়ে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে অনেকে ইয়েমেনসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক