রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

ঢাকা-রিয়াদ রুটে ৭ ফ্লাইট বাতিল, অপেক্ষায় আড়াই হাজার যাত্রী

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:০০ পিএম
ঢাকা-রিয়াদ রুটে ৭ ফ্লাইট বাতিল, অপেক্ষায় আড়াই হাজার যাত্রী

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের বিমানবন্দরে হামলা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিতে ঢাকা-রিয়াদ আকাশপথে যোগাযোগে বিঘ্ন ঘটেছে। শনিবার রাত থেকে রোববার দুপুর পর্যন্ত রিয়াদগামী সাতটি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকায় এসে বিমানবন্দরে পৌঁছানো প্রবাসী কর্মীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। কারও গন্তব্য কর্মস্থল, আবার কারও ফেরার কথা পরিবারের কাছে। কিন্তু ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় সবার যাত্রাই আটকে গেছে অনিশ্চয়তায়।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস, সৌদিয়া, রিয়াদ এয়ার ও শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইনসের ফ্লাইট। এসব ফ্লাইটের মোট ২ হাজার ৫৩২ জন যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন।

জানা গেছে, যাত্রীদের কেউ বাসে, আবার কেউ ব্যক্তিগত পরিবহনে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। সেখানে এসে ফ্লাইট বাতিলের খবর পাওয়ার পর তাঁদের নতুন করে যাত্রার পরিকল্পনা করতে হচ্ছে। অধিকাংশ প্রবাসী সৌদি আরবের ট্রাভেল এজেন্সি থেকে টিকিট কেটে দেশে এসেছেন। কিন্তু টিকিটের তারিখ পরিবর্তন করে কবে সৌদি আরবে ফিরতে পারবেন, সে বিষয়ে তাঁরা নিশ্চিত নন। ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় অনেকেই চাকরি হারানোর আশঙ্কায় রয়েছেন। পাশাপাশি অতিরিক্ত যাতায়াত ও থাকা-খাওয়ার খরচ এবং পরিবারের কাছে ফেরার অনিশ্চয়তা তাঁদের দুশ্চিন্তা বাড়িয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

রোববার দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহির্গমন টার্মিনালের বাইরে রিয়াদগামী ফ্লাইটের অপেক্ষায় থাকা যাত্রীদের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা দেখা যায়। কেউ টিকিট ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হাতে নিয়ে এয়ারলাইনসের কাউন্টারে খোঁজ নিচ্ছেন, আবার কেউ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ফোনে কথা বলে পরবর্তী করণীয় জানার চেষ্টা করছেন।

দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা এসব প্রবাসীর অনেকেই জানেন না, কবে আবার সৌদি আরবে যাওয়ার সুযোগ পাবেন কিংবা টিকিটের তারিখ পরিবর্তনের জন্য কী প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। ফ্লাইট বাতিলের পর বিকল্প যাত্রার নিশ্চয়তা না পেয়ে তাঁদের চোখেমুখে দুশ্চিন্তার ছাপ দেখা যায়। কর্মস্থলে সময়মতো ফিরতে না পারার আশঙ্কার পাশাপাশি নতুন করে যাতায়াত ও থাকা-খাওয়ার খরচের চাপও তৈরি হয়েছে।

বিমানবন্দরের বহির্গমন টার্মিনালের বাইরে রিয়াদপ্রবাসী শাহ আলম বলেন, রিয়াদে যাওয়ার জন্য বিমানের টিকিট কেটে আগস্টে দেশে এসেছিলেন তিনি। রোববার দুপুরে তাঁর ফ্লাইট ছিল। কিন্তু হঠাৎ ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন। দেশের বাড়ি কেরানীগঞ্জের রোহিতপুর থেকে ঢাকায় এসে ফ্লাইট ধরার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। এখন কবে যেতে পারবেন, তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন। সৌদি আরবে তাঁর কাজ আছে। সময়মতো ফিরতে না পারলে সমস্যায় পড়তে হবে। ফ্লাইটের বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত জানানো হলে তাঁদের ভোগান্তি কিছুটা কমত বলে জানান তিনি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শরীফ উদ্দিনেরও সৌদি আরবের রিয়াদে যাওয়ার কথা ছিল। তিনি ইন্ডিগো এয়ারলাইনসের টিকিট কেটেছেন। মুম্বাই হয়ে রিয়াদে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁর যাত্রা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, ভারতের মুম্বাই হয়ে সৌদি আরবে যাওয়ার কথা। কিন্তু এখন শুনছি, মুম্বাইয়ে যাদের ট্রানজিট, তাদের বোর্ডিং দেওয়া হচ্ছে না, মুম্বাই থেকে নাকি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এখন টিকিট কেটেও যেতে পারব কি না, সেই নিশ্চয়তা নেই। সরাসরি ফ্লাইট না পেয়ে বিকল্প পথে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলাম। এখন সেই পথও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি ম্যানেজার (ফ্লাইট ম্যানেজমেন্ট) স্কোয়াড্রন লিডার সাকিব বলেন, বাতিল হওয়া সাতটি ফ্লাইটে মোট ২ হাজার ৫৩২ জন যাত্রীর রিয়াদে যাওয়ার কথা ছিল। সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলো ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের এ বিষয়ে অবহিত করছে। যাত্রীদের নিজ নিজ এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরবর্তী যাত্রার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এটি একটি বৈশ্বিক সংকট। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে ধৈর্য ও সহমর্মিতার সঙ্গে অপেক্ষা করার অনুরোধ জানাচ্ছি।

এর আগে শনিবার মধ্যরাতে রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত এবং ৩০৯ জন আহত হয়েছেন। আহত ও নিহতদের মধ্যে বাংলাদেশি ছাড়াও মিসর, জর্ডান, ফিলিস্তিন, সুদান, সিরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক রয়েছেন। হামলার পর রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সব কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

গত এক সপ্তাহে রিয়াদ বিমানবন্দরে এ নিয়ে অন্তত চারবার হামলা হয়েছে। এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার এক পাইলটসহ সৌদি আরবের তিন নাগরিক নিহত হন।

আন্দোলনকে ‘দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র’ বললেন কঙ্গনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫১ এম
আন্দোলনকে ‘দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র’ বললেন কঙ্গনা

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলনকে দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র বলে মন্তব্য করেছেন অভিনেত্রী ও বিজেপির সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউত। বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেওয়া ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতাদের ‘দেশবিরোধী শক্তি’ বলেও আখ্যা দিয়েছেন তিনি।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দিল্লিতে বিক্ষোভ ও ধরপাকড়ের ঘটনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কঙ্গনা এসব কথা বলেন। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষ এখন এসব শক্তিকে চিনতে পারছে এবং তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে প্রস্তুত হচ্ছে।

কঙ্গনা বলেন, দেশকে রক্ষায় বিভিন্ন শক্তি কাজ করছে। তবে পরিস্থিতি মোকাবিলার সময় সতর্ক থাকতে হবে, যাতে সাধারণ নাগরিকদের কোনো ধরনের ভোগান্তিতে পড়তে না হয়।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

লখনৌতে পৌঁছে অযোধ্যায় যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। কঙ্গনা জানান, রামলালার দর্শন ও প্রার্থনার জন্য অযোধ্যার রামমন্দিরে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। তিনি হিমাচল প্রদেশের মান্ডি আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সিজেপির ডাকা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শনিবার দিল্লিতে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেয় পুলিশ। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে আন্দোলনকারীরা দাবি করছেন, সংশোধনের নামে অনেক ভোটারের নাম অন্যায়ভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে বড় সমাবেশের ডাক দিয়েছিল সিজেপি। তবে বিক্ষোভকারীরা সেখানে পৌঁছানোর আগেই দলটির শীর্ষ নেতাদের আটক করে পুলিশ। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই দিন দিল্লিজুড়ে ছয় থেকে সাত হাজার মানুষকে আটক করা হয়। পরে তাঁদের অধিকাংশকেই ছেড়ে দেওয়া হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ জোরদার করতে প্রায় ৪১ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে শিক্ষার্থী, আইনজীবী ও রাজনীতিকদের পাশাপাশি চার সাবেক মুখ্যমন্ত্রীও ছিলেন।

অবশেষে উদ্ধার নাটোর স্টেশনে চুরি হওয়া জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪৯ এম
অবশেষে উদ্ধার নাটোর স্টেশনে চুরি হওয়া জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ

নাটোর রেলওয়ে স্টেশন থেকে চুরি হওয়া জার্মান পর্যটক ক্রিল ল্যান্ডারের ল্যাপটপ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১১ অক্টোবর) রাতে নাটোর শহরের কাপড়িয়া পট্টি এলাকার একটি কাপড়ের দোকান থেকে ল্যাপটপটি উদ্ধার করা হয়। ল্যাপটপ ফিরে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ওই পর্যটক।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কাপড়িয়া পট্টি এলাকার বাসিন্দা অমল কুমার সাহা তিতুমীর এক্সপ্রেস ট্রেনে নওগাঁ যাওয়ার পথে আসনের নিচে ল্যাপটপটি পান। পরে ছেলে অন্তর কুমার সাহার সঙ্গে আলোচনা করে তিনি পুলিশকে খবর দেন। অন্তর জার্মান পর্যটক ক্রিলের সঙ্গেও যোগাযোগ করেন।

ল্যাপটপ উদ্ধারের খবরে আনন্দ প্রকাশ করে ক্রিল বলেন, অবশেষে তাঁর ল্যাপটপ উদ্ধার হয়েছে। এতে তিনি খুব খুশি। রোববার রাতেই ঢাকা ছাড়ার পরিকল্পনা থাকলেও ল্যাপটপ ফিরে পাওয়ার জন্য তিনি পরদিন পর্যন্ত অপেক্ষা করার কথা ভাবছেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এর আগে গত ৭ অক্টোবর বগুড়ার বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা পরিদর্শন শেষে সান্তাহার হয়ে ট্রেনে নাটোর রেলওয়ে স্টেশনে আসেন ক্রিল ল্যান্ডার। এ সময় হলুদ ভেস্ট পরা এক যুবক নিজেকে রেলকর্মী পরিচয় দিয়ে তাঁর সঙ্গে পরিচিত হন এবং সখ্য গড়ে তোলেন।

একপর্যায়ে এটিএম থেকে টাকা তুলতে যাওয়ার আগে নিজের ব্যাগটি ওই যুবকের কাছে রেখে যান ক্রিল। ফিরে এসে ব্যাগসহ ওই ব্যক্তিকে আর খুঁজে পাননি তিনি। ব্যাগে ল্যাপটপ, ক্যামেরাসহ বেশ কিছু মূল্যবান জিনিস ছিল।

ঘটনার পর পুলিশ স্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করে। ফুটেজে দেখা যায়, হলুদ কটি পরা এক যুবক কৌশলে পর্যটকের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন। পরে সুযোগ বুঝে নিজের কটি খুলে চুরি করা ব্যাগটি এর ভেতরে লুকিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ল্যাপটপটি উদ্ধার করা হয়েছে। তবে চুরির ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত বা গ্রেপ্তারের বিষয়ে প্রতিবেদনে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

জিবুতির উপকূলে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের নৌকাডুবি, নিহত ১০৯

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪৮ এম
জিবুতির উপকূলে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের নৌকাডুবি, নিহত ১০৯

পূর্ব আফ্রিকার দেশ জিবুতির উপকূলে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বহনকারী একটি নৌকা উল্টে অন্তত ১০৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১৫টি শিশু রয়েছে। এ ঘটনায় এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ১১৬ জন। জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা রোববার (১১ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছে।

সংস্থাটির বিবৃতি অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের মধ্যবর্তী রাতে জিবুতির পূর্ব উপকূলের গুহের এলাকার কাছে নৌকাটি উল্টে যায়। বেঁচে ফেরা যাত্রীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। ওই এলাকার কাছেই এডেন উপসাগর ও বাব এল মান্দেব প্রণালি অবস্থিত।

নৌকাটি জিবুতি থেকে ইয়েমেনের দিকে যাচ্ছিল। এতে প্রায় ৩০০ জন যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনার পর ৮০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। বেঁচে যাওয়া সবাই ইথিওপিয়ার নাগরিক।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

আফ্রিকা থেকে মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়ার পথে অভিবাসনপ্রত্যাশীরা প্রায়ই এডেন উপসাগর ও বাব এল মান্দেব প্রণালি পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেন। উন্নত জীবিকা ও কাজের সন্ধানে অনেকেই ঝুঁকিপূর্ণভাবে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে নৌকায় এই পথ পাড়ি দেন।

ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহী ও দেশটির সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘাত শুরুর পর বহু মানুষ দেশটি ছেড়ে জিবুতিতে আশ্রয় নিয়েছেন। একই সময়ে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে অনেকে ইয়েমেনসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক