রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

রূপপুরে প্রথমবার সফল হয়েছে পারমাণবিক বিক্রিয়া

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:২০ পিএম
রূপপুরে প্রথমবার সফল হয়েছে পারমাণবিক বিক্রিয়া

বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুরে প্রথমবারের মতো সফলভাবে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া বা ক্রিটিক্যালিটি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে নতুন এক ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জিত হলো।

রোববার (১১ অক্টোবর) বিকেলে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব আনোয়ার হোসেন এ সাফল্যের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরুর অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়রা)। সংস্থাটির চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

বায়রার চেয়ারম্যান এম মাহমুদুল হাসান বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ড. এম মইনুল হোসেন এবং নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জায়েদুল হাসানের কাছে ফিজিক্যাল টেস্ট শুরুর প্রয়োজনীয় লাইসেন্স হস্তান্তর করেন।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, এই অনুমোদনের ফলে রূপপুরের প্রথম ইউনিটে রিঅ্যাক্টরের ফিজিক্যাল স্টার্ট-আপ প্রক্রিয়া শুরু করার ক্ষেত্রে বড় কোনো বাধা নেই। এ পর্যায়ে রিঅ্যাক্টরে প্রথমবারের মতো নিয়ন্ত্রিত ও স্বয়ংসম্পূর্ণ পারমাণবিক চেইন রিঅ্যাকশন শুরু করা হবে।

ইতোমধ্যে প্রথম ইউনিটের প্রেসারাইজড অপারেটেড রিলিফ ভালভ (পিওআরভি/পিওএসভি) ব্যবস্থার সব পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এর ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ অতিক্রম করেছে কেন্দ্রটি।

এর আগে ৩০ সেপ্টেম্বর ১৬ দশমিক ১ এমপিএ চাপ ও ২৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পিওআরভি/পিওএসভি ব্যবস্থার ১২টি পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়। পরবর্তী ধাপে ১৮ দশমিক ৬৫ এমপিএ চাপে পরীক্ষার সময় প্রাথমিকভাবে কিছু সমস্যা দেখা দিলেও পরে তা সমাধান করে পরীক্ষা সফলভাবে শেষ করা হয়।

এনপিসিবিএলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ৭ অক্টোবর রাতে জানান, নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন পাওয়া গেলে আগামী ডিসেম্বরের শেষ দিকে পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এখন শুরু হবে ‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’। এ পর্যায়ে রিঅ্যাক্টরকে তার নির্ধারিত তাপীয় ক্ষমতার এক শতাংশেরও কম শক্তিস্তরে পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে রিঅ্যাক্টরের গুরুত্বপূর্ণ পরামিতি, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও নিয়ন্ত্রণ সরঞ্জামের কার্যকারিতা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, রূপপুর প্রকল্পের পরবর্তী বড় মাইলফলক হলো ‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’। এ ধাপসহ পুরো ফিজিক্যাল স্টার্ট-আপ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ৩০ থেকে ৪০ দিন সময় লাগতে পারে। ফলাফল সন্তোষজনক হলে পর্যায়ক্রমে রিঅ্যাক্টরের ক্ষমতা বাড়ানো হবে।

ফিজিক্যাল স্টার্ট-আপের পর কেন্দ্রটি ‘পাওয়ার স্টার্ট-আপ’ পর্যায়ে প্রবেশ করবে। এ সময় ধীরে ধীরে রিঅ্যাক্টরের ক্ষমতা বাড়ানো, টারবাইনের সঙ্গে সমন্বয় এবং শেষ পর্যন্ত জেনারেটরকে জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত করার কাজ করা হবে। এ জন্য পরিচালনাকারী সংস্থাকে বায়রার কাছ থেকে ট্রায়াল অপারেশনাল লাইসেন্স নিতে হবে।

পুরো প্রক্রিয়ায় রিঅ্যাক্টর, টারবাইন ও নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্যে সমন্বয়ের পাশাপাশি বায়রা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডসংশ্লিষ্ট সংস্থা, নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সামরিক বাহিনী এবং নিউক্লিয়ার ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় প্রয়োজন হবে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, প্রথম ইউনিটকে প্রাথমিকভাবে কম শক্তিতে জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। এরপর ধাপে ধাপে উৎপাদনক্ষমতা ২০ থেকে ২৫ শতাংশে উন্নীত করা হবে। গ্রিডে সংযুক্ত হওয়ার পর পরীক্ষামূলক উৎপাদন সাত থেকে আট মাস পর্যন্ত চলতে পারে।

বাণিজ্যিকভাবে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হলে বাংলাদেশ পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশের তালিকায় যুক্ত হবে। এর মাধ্যমে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জিত হবে।

রূপপুর প্রকল্পের মূল মেয়াদ ছিল ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। দুই দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে তা ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়েছে। ঠিকাদারের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী মেয়াদ বাড়ানোর কারণে প্রকল্পের ব্যয় বাড়ানোর সুযোগ না থাকলেও ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধির কারণে ব্যয় প্রায় ২৬ হাজার কোটি টাকা বেড়েছে। বর্তমানে প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে এক লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৬ কোটি টাকা।

আন্দোলনকে ‘দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র’ বললেন কঙ্গনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫১ এম
আন্দোলনকে ‘দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র’ বললেন কঙ্গনা

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলনকে দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র বলে মন্তব্য করেছেন অভিনেত্রী ও বিজেপির সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউত। বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেওয়া ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতাদের ‘দেশবিরোধী শক্তি’ বলেও আখ্যা দিয়েছেন তিনি।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দিল্লিতে বিক্ষোভ ও ধরপাকড়ের ঘটনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কঙ্গনা এসব কথা বলেন। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষ এখন এসব শক্তিকে চিনতে পারছে এবং তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে প্রস্তুত হচ্ছে।

কঙ্গনা বলেন, দেশকে রক্ষায় বিভিন্ন শক্তি কাজ করছে। তবে পরিস্থিতি মোকাবিলার সময় সতর্ক থাকতে হবে, যাতে সাধারণ নাগরিকদের কোনো ধরনের ভোগান্তিতে পড়তে না হয়।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

লখনৌতে পৌঁছে অযোধ্যায় যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। কঙ্গনা জানান, রামলালার দর্শন ও প্রার্থনার জন্য অযোধ্যার রামমন্দিরে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। তিনি হিমাচল প্রদেশের মান্ডি আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সিজেপির ডাকা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শনিবার দিল্লিতে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেয় পুলিশ। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে আন্দোলনকারীরা দাবি করছেন, সংশোধনের নামে অনেক ভোটারের নাম অন্যায়ভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে বড় সমাবেশের ডাক দিয়েছিল সিজেপি। তবে বিক্ষোভকারীরা সেখানে পৌঁছানোর আগেই দলটির শীর্ষ নেতাদের আটক করে পুলিশ। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই দিন দিল্লিজুড়ে ছয় থেকে সাত হাজার মানুষকে আটক করা হয়। পরে তাঁদের অধিকাংশকেই ছেড়ে দেওয়া হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ জোরদার করতে প্রায় ৪১ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে শিক্ষার্থী, আইনজীবী ও রাজনীতিকদের পাশাপাশি চার সাবেক মুখ্যমন্ত্রীও ছিলেন।

অবশেষে উদ্ধার নাটোর স্টেশনে চুরি হওয়া জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪৯ এম
অবশেষে উদ্ধার নাটোর স্টেশনে চুরি হওয়া জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ

নাটোর রেলওয়ে স্টেশন থেকে চুরি হওয়া জার্মান পর্যটক ক্রিল ল্যান্ডারের ল্যাপটপ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১১ অক্টোবর) রাতে নাটোর শহরের কাপড়িয়া পট্টি এলাকার একটি কাপড়ের দোকান থেকে ল্যাপটপটি উদ্ধার করা হয়। ল্যাপটপ ফিরে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ওই পর্যটক।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কাপড়িয়া পট্টি এলাকার বাসিন্দা অমল কুমার সাহা তিতুমীর এক্সপ্রেস ট্রেনে নওগাঁ যাওয়ার পথে আসনের নিচে ল্যাপটপটি পান। পরে ছেলে অন্তর কুমার সাহার সঙ্গে আলোচনা করে তিনি পুলিশকে খবর দেন। অন্তর জার্মান পর্যটক ক্রিলের সঙ্গেও যোগাযোগ করেন।

ল্যাপটপ উদ্ধারের খবরে আনন্দ প্রকাশ করে ক্রিল বলেন, অবশেষে তাঁর ল্যাপটপ উদ্ধার হয়েছে। এতে তিনি খুব খুশি। রোববার রাতেই ঢাকা ছাড়ার পরিকল্পনা থাকলেও ল্যাপটপ ফিরে পাওয়ার জন্য তিনি পরদিন পর্যন্ত অপেক্ষা করার কথা ভাবছেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এর আগে গত ৭ অক্টোবর বগুড়ার বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা পরিদর্শন শেষে সান্তাহার হয়ে ট্রেনে নাটোর রেলওয়ে স্টেশনে আসেন ক্রিল ল্যান্ডার। এ সময় হলুদ ভেস্ট পরা এক যুবক নিজেকে রেলকর্মী পরিচয় দিয়ে তাঁর সঙ্গে পরিচিত হন এবং সখ্য গড়ে তোলেন।

একপর্যায়ে এটিএম থেকে টাকা তুলতে যাওয়ার আগে নিজের ব্যাগটি ওই যুবকের কাছে রেখে যান ক্রিল। ফিরে এসে ব্যাগসহ ওই ব্যক্তিকে আর খুঁজে পাননি তিনি। ব্যাগে ল্যাপটপ, ক্যামেরাসহ বেশ কিছু মূল্যবান জিনিস ছিল।

ঘটনার পর পুলিশ স্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করে। ফুটেজে দেখা যায়, হলুদ কটি পরা এক যুবক কৌশলে পর্যটকের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন। পরে সুযোগ বুঝে নিজের কটি খুলে চুরি করা ব্যাগটি এর ভেতরে লুকিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ল্যাপটপটি উদ্ধার করা হয়েছে। তবে চুরির ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত বা গ্রেপ্তারের বিষয়ে প্রতিবেদনে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

জিবুতির উপকূলে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের নৌকাডুবি, নিহত ১০৯

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪৮ এম
জিবুতির উপকূলে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের নৌকাডুবি, নিহত ১০৯

পূর্ব আফ্রিকার দেশ জিবুতির উপকূলে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বহনকারী একটি নৌকা উল্টে অন্তত ১০৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১৫টি শিশু রয়েছে। এ ঘটনায় এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ১১৬ জন। জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা রোববার (১১ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছে।

সংস্থাটির বিবৃতি অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের মধ্যবর্তী রাতে জিবুতির পূর্ব উপকূলের গুহের এলাকার কাছে নৌকাটি উল্টে যায়। বেঁচে ফেরা যাত্রীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। ওই এলাকার কাছেই এডেন উপসাগর ও বাব এল মান্দেব প্রণালি অবস্থিত।

নৌকাটি জিবুতি থেকে ইয়েমেনের দিকে যাচ্ছিল। এতে প্রায় ৩০০ জন যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনার পর ৮০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। বেঁচে যাওয়া সবাই ইথিওপিয়ার নাগরিক।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

আফ্রিকা থেকে মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়ার পথে অভিবাসনপ্রত্যাশীরা প্রায়ই এডেন উপসাগর ও বাব এল মান্দেব প্রণালি পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেন। উন্নত জীবিকা ও কাজের সন্ধানে অনেকেই ঝুঁকিপূর্ণভাবে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে নৌকায় এই পথ পাড়ি দেন।

ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহী ও দেশটির সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘাত শুরুর পর বহু মানুষ দেশটি ছেড়ে জিবুতিতে আশ্রয় নিয়েছেন। একই সময়ে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে অনেকে ইয়েমেনসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক