শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রবাসীর ঈদে লুকিয়ে থাকে না বলা হাজার কান্না

আহমাদুল কবির মালয়েশিয়া প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ৮:১২ পিএম
প্রবাসীর ঈদে লুকিয়ে থাকে না বলা হাজার কান্না

সিয়াম সাধনার দীর্ঘ এক মাস শেষে যখন ঈদের চাঁদ আকাশে ধরা দেয়, তখন পৃথিবীজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে আনন্দ, ভালোবাসা আর আত্মত্যাগের অনন্য এক বার্তা। সেই আনন্দের ঢেউ এসে লাগে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের মনেও। তবুও এই রঙিন উৎসবের আড়ালে নীরবে জমে থাকে অজস্র না বলা গল্প, বুক ভরা দীর্ঘশ্বাস আর প্রিয়জনদের জন্য এক অদৃশ্য টান।

মালয়েশিয়ার ব্যস্ত শহরগুলো বিশেষ করে কুয়ালালামপুর ঈদের সকালে যেন অন্য এক রূপ নেয়। নতুন পোশাকে সেজে প্রবাসীরা ছুটে যান ঈদের নামাজে। নামাজ শেষে কোলাকুলি, শুভেচ্ছা বিনিময় সব মিলিয়ে মুহূর্তগুলোয় গড়ে ওঠে এক টুকরো বাংলাদেশ। ক্ষণিকের জন্য ভুলে যান দূরত্ব, ভুলে যান একাকিত্ব।

কিন্তু এই হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকে গভীর এক শূন্যতা। কারও বাবা আর নেই, কারও মা হারিয়ে গেছেন না ফেরার দেশে, কেউবা হারিয়েছেন প্রিয় ভাই-বোন। অথচ শেষবারের মতো মুখ দেখা হয়নি, জানাজার সময় পাশে দাঁড়ানো হয়নি, একমুঠো মাটি দেওয়াও হয়নি। এই না-পারার বেদনা প্রবাস জীবনের সবচেয়ে নির্মম সত্য।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

নির্মাণ শ্রমিক রফিকুল ইসলামের কণ্ঠে সেই বেদনার ভার স্পষ্ট। বাবা মারা গেলেন, আমি যেতে পারলাম না। ভিডিও কলে জানাজা দেখেছি… নিজের বাবার কবরে মাটি দিতে পারিনি। এর চেয়ে বড় কষ্ট আর কী হতে পারে? ঈদ এলে সবকিছু আবার মনে পড়ে।

রেস্টুরেন্ট কর্মী শরিফ মিয়ার চোখেও একই হাহাকার। মা অসুস্থ ছিলেন, পরে চলে গেলেন। ছুটি পাইনি… আজও মনে হয়, একবার যদি মায়ের হাতটা ধরতে পারতাম! ঈদের দিনে সবাই খুশি থাকে, আর আমার ভেতরটা ফাঁকা হয়ে যায়।

তবুও জীবন থেমে থাকে না। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কাজ, দায়িত্ব আর টিকে থাকার লড়াই চলতেই থাকে। ঈদের দিনটুকুতে একটু সময় বের করে ভিডিও কলে পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন তারা। পর্দার ওপাশে হাসিমুখ, এপাশে নীরব চোখের জল স্পর্শহীন ভালোবাসা যেন আরও বেশি কষ্ট দেয়।

অন্যদিকে কিছু প্রবাসী চেষ্টা করেন একাকিত্ব ভাঙতে। মালয়েশিয়ায় কর্মরত তথ্য প্রযুক্তি পেশাজীবী পাভেল সারওয়ার বলেন, আমরা চেষ্টা করি একসঙ্গে রান্না করে খেতে, গান গাইতে, ছবি তুলতে। এতে করে একাকিত্বটা কিছুটা কমে যায়। কিন্তু ভেতরের শূন্যতা পুরোপুরি যায় না।

দেশে থাকা পরিবারগুলোর অবস্থাও ভিন্ন নয়। কুমিল্লার গৃহিণী নাজমা বেগম বলেন, ঈদে স্বামী পাশে না থাকলে আনন্দ পূর্ণ হয় না। বাচ্চারা নতুন জামা পরে, কিন্তু বারবার বাবাকে খোঁজে… তখন কিছু বলার থাকে না।

রফিকুল ইসলামের মা নীরবে বলেন, ছেলেটা কষ্ট করে টাকা পাঠায়, তাই কিছু বলি না। কিন্তু ঈদের দিন ঘরটা ফাঁকা লাগে… খুব ফাঁকা।

শিশুদের ঈদও যেন অপূর্ণ। ভিডিও কলে বাবাকে দেখে তারা হাসে, হাত নাড়ায়, কিন্তু সেই হাসিতে নেই ছোঁয়ার উষ্ণতা। তবুও এই ভার্চুয়াল মুহূর্তই তাদের ঈদের সবচেয়ে বড় সান্ত্বনা।

 

মালয়েশিয়ায় অতিরিক্ত ছুটির ঘোষণা অনেকের মনে আনন্দ বাড়ালেও, অবৈধ প্রবাসীদের জন্য ঈদ যেন ভয় আর অনিশ্চয়তার। ঈদের আনন্দের মাঝেই চলে তল্লাশি, আতঙ্ক আর লুকিয়ে থাকার জীবন।

তবুও বিকেল গড়ালে পার্ক, লেক আর পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে ভিড় জমে প্রবাসীদের। কেউ ছবি তোলে, কেউ গল্প করে, কেউ চুপচাপ বসে থাকে। হয়তো মনে মনে ফিরে যায় দূরের সেই বাড়িতে, যেখানে অপেক্ষা করে আছে প্রিয় মুখগুলো অথবা এমন কিছু স্মৃতি, যাদের কাছে আর কোনোদিন ফেরা হবে না।

এই মিলনমেলাগুলো শুধু আনন্দের নয়, বরং ভাগাভাগিরও দুঃখের, কষ্টের, আশার। এখানে কেউ নতুন কাজের কথা বলে, কেউ দেশের খবর আনে, কেউ শুধু একটু হাসির জন্য বন্ধুর কাঁধে মাথা রাখে।

প্রবাসে ঈদ মানে শুধু উৎসব নয় এ এক দায়িত্ব, এক ত্যাগের গল্প। অনেকেই ঈদের দিনও কাজ করেন, যাতে পরিবারের জন্য আরও কিছু পাঠাতে পারেন। এই নিঃশব্দ ত্যাগের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে তাদের গভীর ভালোবাসা, আর সেই ভালোবাসার ভাঁজে ভাঁজে জমে থাকে অশ্রুর দাগ।

তবুও ঈদ আসে আনন্দ নিয়ে, আশার আলো নিয়ে।

প্রবাসীর চোখ ভিজে থাকলেও ঠোঁটে থাকে হাসি। কারণ তারা জানেন, তাদের এই ত্যাগই একদিন পরিবারকে এনে দেবে স্বস্তি, স্বচ্ছলতা আর নতুন এক সুখের সকাল।

প্রবাসের ঈদ তাই এক অদ্ভুত মিশ্র অনুভূতি। যেখানে আনন্দ আর বেদনা পাশাপাশি হাঁটে, হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকে কান্না, আর হৃদয়ের গভীরে জমে থাকে না বলা হাজার গল্প।

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক দিনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে একজন করে মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১১ জনে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ভর্তির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এ বিভাগে ২৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগে ২৪১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩৩ জন, খুলনা বিভাগে ১৩০ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৭৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

একই সময়ে বরিশাল ও রংপুর বিভাগে ৪৪ জন করে, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৭ জন এবং সিলেট বিভাগে চারজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেই মারা গেছেন ১০২ জন। এই হিসাবের মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মৃত্যুর সংখ্যাও রয়েছে।

এ ছাড়া একই সময়ে খুলনা বিভাগে ৩৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২০ জন, বরিশাল বিভাগে ১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০ জন, রংপুর বিভাগে চারজন এবং সিলেট বিভাগে একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৫ দিনেই ডেঙ্গুতে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৪ পিএম
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

আসিয়ান কাপে নিজেদের অভিষেক ম্যাচেই মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় শুরু হওয়া ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে মালয়েশিয়া।

আসিয়ান কাপে প্রথমবারের মতো মাঠে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল হামজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। ম্যাচের ১৮ মিনিটে আরিফ আইমানের গোলে এগিয়ে যায় মালয়েশিয়া। এরপর ৩৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের ব্যবধান ২-০ করেন আইমান। দুই গোলের ঘাটতি নিয়েই বিরতিতে যেতে হয় বাংলাদেশকে।

বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে মালয়েশিয়া। ৫২ মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বক্সের ভেতর থেকে গোল করেন বার্গুসন। তার গোলে মালয়েশিয়ার লিড বেড়ে দাঁড়ায় ৩-০।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এরপর গোল পরিশোধে কয়েক দফা আক্রমণ গড়ে তোলে বাংলাদেশ। তবে সুযোগ তৈরি করেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি লাল-সবুজের দল। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের পরাজয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।

এর আগে চার বছর আগে এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে মালয়েশিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচেও ৪-১ গোলে হেরেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এবার আসিয়ান কাপেও মালয়েশিয়ার বিপক্ষে জয়ের দেখা পেল না বাংলাদেশ।

সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৭ পিএম
সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি মিলিশিয়ার হামলার পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। তবে এই সামরিক মোতায়েন কোনো সংঘাতে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়, বরং সৌদির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্যারিস।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান। একই দিন দুই দেশের মধ্যে হওয়া একটি চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের উপকূলীয় শহর ইয়ানবুর জ্বালানি অবকাঠামো সুরক্ষায় ফ্রান্স সেনা, রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাবে বলে জানান তিনি।

সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম ফ্রান্স ২-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাক্রোঁ বলেন, কোনো সংঘাতে জড়ানোর জন্য নয়, বরং জ্বালানি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এসব সামরিক সরঞ্জাম ও সেনা পাঠানো হবে। পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে সৌদি আরবকে আরও সামরিক সহায়তা দেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ম্যাক্রোঁ জানান, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের মধ্যে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের বাজারে গ্যাসের দাম কমাতে ফ্রান্স বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। সৌদি আরবে সামরিক সহায়তা পাঠানোর সিদ্ধান্তও সেই উদ্যোগের অংশ।

চলমান সংঘাতের প্রভাবে তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের মিত্র হুথি মিলিশিয়া সৌদি আরবে একাধিক হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার কারণে লোহিত সাগরসংলগ্ন বন্দরগুলো থেকে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছে। দীর্ঘদিনের উত্তেজনা আবারও সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নেওয়ার প্রেক্ষাপটেই সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিল ফ্রান্স।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক