পাকিস্তানকে ২৭৪ রানে আটকে দিলো বাংলাদেশ
মিরপুরের শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম-এ বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথমে ব্যাট করে ২৭৪ রান করেছে পাকিস্তান। ফলে জয়ের জন্য স্বাগতিকদের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ২৭৫ রান।
টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাট করতে পাঠান বাংলাদেশের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। নির্ধারিত ওভার শেষ হওয়ার আগেই সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৭৪ রান সংগ্রহ করে সফরকারীরা।
ইনিংসের শুরুতেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন পাকিস্তানের ওপেনার সাজ সাদাকাত। অন্য ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান-কে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত রান তুলতে থাকেন তিনি। মাত্র ৩১ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন সাদাকাত। দুজনের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ১০৩ রান।
ইনিংসের ১৩তম ওভারে সাদাকাতকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন অধিনায়ক মিরাজ। আউট হওয়ার আগে ৪৬ বলে ৭৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন সাদাকাত। তার ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ৫টি ছক্কা।
এরপর ব্যাট করতে নামেন তরুণ ব্যাটার শামিল হুসাইন। তবে তিনি বড় কোনো অবদান রাখতে পারেননি। ২২ বলে মাত্র ৬ রান করে আউট হন। অন্যদিকে ধীরগতিতে রান তুলতে থাকেন ফারহান। শেষ পর্যন্ত ৪৬ বলে ৩১ রান করে তিনি সাজঘরে ফেরেন।
চতুর্থ উইকেটে পাকিস্তানের ইনিংস গুছিয়ে নেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগা। তাদের ১০৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটিতে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে যায় দলটি। তবে বিতর্কিত এক রান আউটে থামতে হয় সালমানকে। তিনি ৬৩ বলে ৬৪ রান করেন, যেখানে ছিল ৭টি চার ও একটি ছক্কা। অন্যদিকে রিজওয়ান করেন ৪৪ রান।
শেষদিকে বাংলাদেশের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে বড় রান করতে পারেনি পাকিস্তানের নিচের সারির ব্যাটাররা। শেষ ছয় ব্যাটারের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৪ রান করেন ফাহিম আশরাফ। এছাড়া আব্দুল সামাদ করেন ১১ রান, হুসাইন তালাত ৯, শাহীন শাহ আফ্রিদি ৩, মোহাম্মদ ওয়াসিম ১ এবং হারিস রউফ ২ রান করে আউট হন।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। এছাড়া অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ নেন ২টি উইকেট। বাকি তিনটি উইকেট ভাগাভাগি করে নেন অন্য তিন বোলার।
এখন ম্যাচ জিততে বাংলাদেশের প্রয়োজন ২৭৫ রান।









