আফগানিস্তানকে ১১৯ রানে থামাতে পারলেই ফাইনালে বাংলাদেশ
ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ওঠার সমীকরণে কেবল জয়ই যথেষ্ট ছিল না বাংলাদেশের জন্য; দরকার ছিল অন্তত ৪১ রানের ব্যবধানে নিশ্চিত জয়। এমন কঠিন সমীকরণ সামনে রেখে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে মাঠে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে তাওহীদ হৃদয়ের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। তবে পারভেজ হোসেন ইমনের দায়িত্বশীল অর্ধশতকে ভর করে অলআউট হওয়ার আগে দলীয় সংগ্রহ ১৬০ রানে পৌঁছায়। ফলে ফাইনালে স্থান করে নিতে হলে আফগানদের ১১৯ রানের মধ্যে অলআউট করতে হবে লাল-সবুজ প্রতিনিধিদের।
নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাস চোটের কারণে ছিটকে যাওয়ায় দলে সুযোগ পাওয়া ইমনই ম্যাচের একমাত্র স্বস্তি উপহার দেন। ওপেনিংয়ে নেমে শেষ পর্যন্ত লড়ে ৯৬ বলে ৫টি চার ও ২টি ছক্কায় দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭০ রান সংগ্রহ করেন তিনি।
মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ভয়াবহ বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। মাত্র ২৮ রানে প্রথম সারির ৪ ব্যাটার বিদায় নেন। ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারে তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকার দ্রুত সাজঘরে ফেরেন। এরপর সপ্তম ওভারে পরপর দুই বলে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন নাজমুল হোসেন শান্ত (১৫) ও অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। চারজন ব্যাটারই কোনো রান না করে ‘ডায়মন্ড’ ও ‘ডাক’ মেরে আউট হন।
প্রাথমিক বিপর্যয় সামলে পঞ্চম উইকেটে আশা জাগান পারভেজ হোসেন ইমন ও সাইফ হাসান। এ দুজন মিলে গড়া ৯৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি দলকে একশ পার করায়। সাইফ ৮২ বলে ৪১ রান করে আউট হলে ভেঙে যায় এই প্রতিরোধ। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজও দ্রুত ফিরে যান।
দলীয় সংগ্রহ বাড়ানোর চেষ্টা চালালেও আফগান স্পিনার রশিদ খানের শিকার হয়ে এলবিডব্লিউ হন সেট ব্যাটার ইমন। এরপর আর কেউ প্রতিরোধ গড়তে না পারলে ৪২তম ওভারে অলআউট হয় বাংলাদেশ।
আফগানিস্তানের পক্ষে সর্বাধিক ৪টি উইকেট শিকার করেন লেগস্পিনার রশিদ খান। এছাড়া ইয়ামিন আহমদজাই ও আজমতউল্লাহ ওমরজাই ২টি করে উইকেট নেন।














