সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

বিশ্বের বৃহত্তম স্টেডিয়াম নির্মাণ করছে ভিয়েতনাম

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৫৫ পিএম
বিশ্বের বৃহত্তম স্টেডিয়াম নির্মাণ করছে ভিয়েতনাম

বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে বিশাল এক প্রকল্প হাতে নিয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনাম। দেশটি নির্মাণ করতে যাচ্ছে অত্যাধুনিক একটি স্টেডিয়াম, যা দর্শক ধারণক্ষমতায় ভারতের আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামকেও ছাড়িয়ে যাবে।

ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে বিশাল আকৃতির ‘ভিনফাস্ট ট্রং ডং স্টেডিয়াম’। দেশটির ভিনগ্রুপের নেতৃত্বে ৩৫ বিলিয়ন ডলারের ‘অলিম্পিক স্পোর্টস সিটি’ প্রকল্পের অংশ হিসেবে তৈরি হচ্ছে এই স্টেডিয়াম। ২০২৫ সালের ১৯ ডিসেম্বর এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রার এক বছর আগেই, ২০২৭ সালের জুলাইয়ের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আধুনিক স্থাপত্যের সঙ্গে প্রাচীন ঐতিহ্যের সমন্বয়ে স্টেডিয়ামটির নকশা করা হয়েছে। প্রাচীন ভিয়েতনামের ঐতিহ্যবাহী ‘ডং সন’ ব্রোঞ্জের ঢোলের আদলে তৈরি হচ্ছে এর মূল কাঠামো। বিশাল বিনিয়োগে নির্মিত এই স্থাপনায় যুক্ত করা হচ্ছে বিশ্বমানের প্রযুক্তি। এর অন্যতম আকর্ষণ হবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্বয়ংক্রিয়ভাবে খোলা ও বন্ধ করা যায় এমন ছাদ। ফলে আন্তর্জাতিক ফুটবল ও অলিম্পিক আয়োজনের পাশাপাশি বিশ্বখ্যাত তারকাদের কনসার্ট এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও আয়োজন করা সম্ভব হবে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

বর্তমানে ভারতের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া ভেন্যু, যার দর্শক ধারণক্ষমতা ১ লাখ ৩২ হাজার। অন্যদিকে, নির্মাণাধীন ভিয়েতনামের ট্রং ডং স্টেডিয়ামের পরিকল্পিত ধারণক্ষমতা ১ লাখ ৩৫ হাজার। অর্থাৎ, এটি ভারতের স্টেডিয়ামটির তুলনায় ৩ হাজার বেশি দর্শক ধারণ করতে পারবে।

তবে ভিয়েতনামের ঘরোয়া ফুটবল ম্যাচে গড়ে ৬ হাজারেরও কম দর্শক উপস্থিত হওয়ার প্রেক্ষাপটে এত বড় স্টেডিয়াম বাণিজ্যিকভাবে কতটা টেকসই হবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন ক্রীড়া ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ।

অন্যদিকে, উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান ভিনগ্রুপের প্রত্যাশা, আন্তর্জাতিক কনসার্ট, বড় পরিসরের বিভিন্ন আয়োজন এবং দীর্ঘমেয়াদি নগর উন্নয়ন প্রকল্পের অংশ হিসেবে স্টেডিয়ামটি বাণিজ্যিকভাবে সফল ও লাভজনক হয়ে উঠবে।

 

পূজামণ্ডপে যাওয়া নিয়ে যা বললেন শায়খ আহমদুল্লাহ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২৬ পিএম
পূজামণ্ডপে যাওয়া নিয়ে যা বললেন শায়খ আহমদুল্লাহ

অসাম্প্রদায়িকতা প্রমাণ করতে মুসলমানদের পূজামণ্ডপে যাওয়া উচিত কি না, এ বিষয়ে নিজের মতামত তুলে ধরেছেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ। তিনি বলেছেন, সবার সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা এবং ধর্মীয় উপাসনায় অংশ নেওয়া এক বিষয় নয়। উদারতা দেখাতে গিয়ে নিজের ধর্মীয় বিশ্বাসের পরিপন্থী কাজে জড়ানো উচিত নয়।

 

সম্প্রতি এক ব্যক্তির প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ওই ব্যক্তি জানতে চান, অসাম্প্রদায়িকতা প্রমাণ করতে মুসলমানরা পূজায় যেতে পারবেন কি না।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

 

জবাবে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, কোনো মুসলমান এমনটি করলে তা তাঁর ঈমান ও বিশ্বাসের পরিপন্থী হবে। কারণ, তিনি যে ধর্মীয় বিশ্বাস ধারণ করেন না, পূজায় অংশ নিয়ে সেই বিশ্বাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক আচরণ করছেন।

 

তিনি বলেন, একজন মুসলমানের চিন্তাভাবনা উদার হওয়া উচিত। তিনি সবার সঙ্গে আপনজনের মতো আচরণ করবেন। তবে অতি উদারতা প্রদর্শন করতে গিয়ে পূজায় অংশ নেওয়ার প্রয়োজন নেই। এটি একধরনের আত্মপ্রচারণার শামিল।

 

শায়খ আহমাদুল্লাহ আরও বলেন, বিভিন্ন হাদিসে অন্য ধর্মীয় সম্প্রদায়ের স্বাতন্ত্র্য গ্রহণ ও তাদের ধর্মীয় পরিচয়ের সঙ্গে একাত্ম হওয়ার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। তাঁর মতে, যেখানে শিরক করা হয়, সেখানে গিয়ে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া থেকে মুসলমানদের বিরত থাকা উচিত। তিনি এ ধরনের কাজে অংশগ্রহণকে নাজায়েজ ও গুনাহের কাজ বলে উল্লেখ করেন।

 

বিষপানের হুমকি সাবেক স্ত্রীর বিরুদ্ধে মা’মলা করলেন হিরো আলম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২২ পিএম
বিষপানের হুমকি সাবেক স্ত্রীর বিরুদ্ধে মা’মলা করলেন হিরো আলম

সাবেক স্ত্রীর সাথী খাতুনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা দায়ের করলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম। আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদের আদালতে এই মামলা দায়ের করেন তিনি।

এ মামলায় অপর যে দুজনকে আসামি করা হয়েছে তাঁরা হলেন আহসান হাবিব সেলিম ও মো. মহিদুল ইসলাম। এরা দুজনই সাথীর সঙ্গে মিলে হিরো আলমের কাছে চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

হিরো আলমের আইনজীবী সান্তা সাকছিনা মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, সাবেক স্ত্রী সাথী খাতুন হিরো আলমের কাছে এসে তাঁর মিউজিক ভিডিওতে কাজের সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করেন। পরে সংসারের খরচ ও পোশাক কেনার জন্য তাঁকে অর্থ দেন হিরো আলম। তিনি গত ২২ আগস্ট ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরবে যান। ফোন করে সাথী খাতুন মিউজিক ভিডিওর শুটিং ও সাজসজ্জার জন্য আরও দুই লাখ টাকা দাবি করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১৭ আগস্ট সাথী খাতুনকে পাঁচ লাখ টাকা দেওয়া হয়। পরে ওই অর্থ ব্যাংকে জমা রাখার কথা তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্বীকার করেছেন। পরবর্তীতে গত ২৯ সেপ্টেম্বর সাথী খাতুনকে তালাক দেওয়ার পর তিন আসামি মিলে তাঁর কাছে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের গালাগাল এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় গত ১৬ অক্টোবর হাতিরঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন হিরো আলম।

পূজার ছুটিতে মেট্রোরেল চলাচলের নতুন সময়সূচি ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৫৫ পিএম
পূজার ছুটিতে মেট্রোরেল চলাচলের নতুন সময়সূচি ঘোষণা

শারদীয় দুর্গাপূজার সরকারি ছুটিতে বিশেষ সময়সূচি অনুযায়ী পরিচালনা করা হবে দ্রুতগতির গণপরিবহন মেট্রোরেল। ছুটির দিনগুলোতে ভিড়ের সময় (পিক আওয়ার) ১০ মিনিট এবং সাধারণ সময়ে ১০ থেকে ২০ মিনিট পরপর স্টেশন থেকে ট্রেন ছেড়ে যাবে। এ ছাড়া যাত্রী চাহিদার ওপর ভিত্তি করে ট্রেন চলাচলের বিরতি সমন্বয় করা হবে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) পরিচালনা বিভাগের পক্ষ থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

ডিএমটিসিএল সূত্রে জানা গেছে, ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী নির্ধারিত চার দিনের ছুটিতে উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে মতিঝিলগামী দিনের প্রথম ট্রেনটি সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে যাবে। অন্যদিকে মতিঝিল স্টেশন থেকে উত্তরা উত্তরের উদ্দেশ্যে প্রথম ট্রেনটি ছাড়বে সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে। দিনের অধিকাংশ সময় ১০ থেকে ১২ মিনিট পর পর ট্রেন চলাচল করবে। তবে রাতের দিকে যাত্রীচাহিদার ওপর নির্ভর করে ট্রেনের বিরতি বেড়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট হতে পারে। এই চার দিনে উভয় অভিমুখে সর্বমোট ১৭১টি ট্রিপ পরিচালনা করা হবে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এ ছাড়া আগামী ২৩ অক্টোবর (শুক্রবার) উত্তরা উত্তর থেকে মতিঝিলগামী প্রথম ট্রেন বিকেল ৩টায় এবং মতিঝিল থেকে উত্তরা উত্তরগামী ট্রেন বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে যাত্রা শুরু করবে। ছুটির এই দিনটিতে উভয় অভিমুখে মোট ৮২টি ট্রিপ পরিচালিত হবে।

ডিএমটিসিএল কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, হঠাৎ যাত্রীচাপ বৃদ্ধি পেলে তা সামাল দিতে উত্তরা উত্তর স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্ম এবং মূল ডিপোতে দুটি অতিরিক্ত ট্রেন সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী এগুলো তাৎক্ষণিকভাবে চালনা করে ট্রেনের মধ্যবর্তী বিরতি সমন্বয় করা হবে।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক