শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

উদার অভিবাসন নীতির কারণে স্পেনের অর্থনীতি এখন ইউরোপের রোল মডেল

মিরন নাজমুল প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৫, ৪:৫৮ পিএম
উদার অভিবাসন নীতির কারণে স্পেনের অর্থনীতি এখন ইউরোপের রোল মডেল

স্পেনের অর্থনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চালিকা শক্তি হচ্ছে অভিবাসন। যেখানে অন্যান্য ইউরোপীয় দেশ সীমান্ত কঠোর করছে, স্পেন তুলনামূলক উন্মুক্ত নীতি গ্রহণ করেছে। ২০২২ সাল থেকে প্রতিবছর গড়ে ৬ লাখ অভিবাসী দেশটিতে প্রবেশ করছে, যাদের অধিকাংশই কর্মক্ষম বয়সী। এর ফলে শ্রমবাজারে কর্মীর সংখ্যা বেড়েছে, কর্মসংস্থান রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে এবং দক্ষ জনবলের সংকট থেকে রক্ষা পেয়েছে স্পেন। একই সঙ্গে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে ভোক্তা ব্যয়ও বেড়েছে।

নতুন আগতদের একটি বড় অংশ লাতিন আমেরিকা থেকে এসেছে। ২০২৩ সালে স্পেনের জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রায় ৭০ শতাংশ এসেছে ওই অঞ্চল থেকে আগত অভিবাসীদের কারণে। একই ভাষা, সাংস্কৃতিক মিল এবং পূর্ব থেকে থাকা সামাজিক নেটওয়ার্ক তাদের শ্রমবাজারে খাপ খাওয়াতে এবং সমাজে গ্রহণযোগ্য হতে সহজ করেছে। এই অভিবাসনের ধারা অব্যাহত থাকবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। সম্প্রতি স্পেন বৈধ অভিবাসনের নিয়ম সহজ করেছে এবং আরও অনিবন্ধিত অভিবাসীদের কাজ ও বসবাসের অনুমতি দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

স্পেন ইউরোপের অর্থনীতির দুর্বল অবস্থার মধ্যে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০২৪ সালের শুরু থেকে দেশটির অর্থনীতি গড়ে ৩ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যেখানে ইউরোজোনের গড় প্রবৃদ্ধি সামান্য বেশি ১ শতাংশ। সাম্প্রতিক সময়ে এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল রেটিংস স্পেনের ক্রেডিট রেটিং বাড়িয়েছে এবং স্পেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ২০২৫ সালের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ২.৬ শতাংশে উন্নীত করেছে। এতে প্রমাণিত হয়েছে, স্পেন ইউরোপের দ্রুততম বর্ধনশীল প্রধান অর্থনীতি এবং বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম শক্তিশালী।

এই প্রবৃদ্ধির পেছনে রয়েছে নানা কারণ। পর্যটন খাত মহামারির ধাক্কা সামলে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেক্সট জেনারেশন ইইউ তহবিল থেকে পাওয়া অনুদান অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যয় করছে সরকার—যার দ্বিতীয় বৃহত্তম সুবিধাভোগী স্পেন। সস্তা নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করছে। তাছাড়া, ২০২১ সালের কর্মসংস্থানের স্থিতিশীলতা বৃদ্ধির মতো সংস্কারও ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে।

তবে এই অভিবাসন-নির্ভর প্রবৃদ্ধি সতর্কভাবে পরিচালনা করা জরুরি। প্রথমত, ২০১৯ সালের পর থেকে স্পেনের প্রকৃত জিডিপি (ক্রয়ক্ষমতার ভিত্তিতে) প্রায় ৬.৮ শতাংশ বেড়েছে, কিন্তু মাথাপিছু হিসাবে এ বৃদ্ধি মাত্র ৩.১ শতাংশ। অভিবাসীরা মূলত কম মূল্য সংযোজনকারী খাতে—যেমন হোটেল-রেস্টুরেন্ট ও নির্মাণ খাতে—কাজ করছে। জীবনমান উন্নত করতে হলে উৎপাদনশীলতার গতি বাড়াতে হবে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) পরামর্শ দিয়েছে, ক্ষুদ্র ব্যবসায় বিনিয়োগ বাড়াতে দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকিপূর্ণ পুঁজির প্রবাহ নিশ্চিত করার জন্য নিয়মকানুন সরলীকরণ ও কর প্রণোদনা প্রয়োজন। দক্ষতা উন্নয়নমূলক উদ্যোগও প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করবে এবং উচ্চমানের পরিষেবা খাতে (যেমন অর্থনীতি, আইটি কনসালটিং, প্রকৌশল) বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে সাহায্য করবে। বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে স্পেনের বেকারত্ব হার এখনো সর্বোচ্চ।

দ্বিতীয়ত, অভিবাসনের উচ্চ প্রবাহ দীর্ঘস্থায়ী রাখতে হলে সম্ভাব্য সামাজিক-অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। বেশিরভাগ স্প্যানিশ নাগরিক অভিবাসন সমর্থন করেন, তবে সরকার যদি সাশ্রয়ী আবাসন ও জনসেবা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে এই সমর্থন কমে যেতে পারে। অনেকের জন্য ভাড়া অস্বাভাবিকভাবে বেশি হয়ে গেছে এবং উত্তর আফ্রিকা থেকে আগতদের সঙ্গে স্থানীয়দের মাঝে অশান্তির ঘটনা ঘটেছে।

স্পেনের রাজনৈতিক অস্থিরতাও অগ্রগতির পথে বড় বাধা। প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের নেতৃত্বাধীন কেলেঙ্কারিতে জর্জরিত সংখ্যালঘু সরকার বড় কোনো আইন পাশ করতে হিমশিম খাচ্ছে। তবুও স্পেন দেখিয়েছে, কীভাবে অভিবাসন অস্থিতিশীল সময়ে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার উৎস হতে পারে। এই অবস্থান ধরে রাখতে হলে জনসংখ্যাগত সুবিধাকে স্থায়ী সমৃদ্ধিতে রূপান্তরিত করতে হবে।

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক দিনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে একজন করে মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১১ জনে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ভর্তির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এ বিভাগে ২৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগে ২৪১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩৩ জন, খুলনা বিভাগে ১৩০ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৭৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

একই সময়ে বরিশাল ও রংপুর বিভাগে ৪৪ জন করে, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৭ জন এবং সিলেট বিভাগে চারজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেই মারা গেছেন ১০২ জন। এই হিসাবের মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মৃত্যুর সংখ্যাও রয়েছে।

এ ছাড়া একই সময়ে খুলনা বিভাগে ৩৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২০ জন, বরিশাল বিভাগে ১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০ জন, রংপুর বিভাগে চারজন এবং সিলেট বিভাগে একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৫ দিনেই ডেঙ্গুতে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৪ পিএম
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

আসিয়ান কাপে নিজেদের অভিষেক ম্যাচেই মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় শুরু হওয়া ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে মালয়েশিয়া।

আসিয়ান কাপে প্রথমবারের মতো মাঠে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল হামজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। ম্যাচের ১৮ মিনিটে আরিফ আইমানের গোলে এগিয়ে যায় মালয়েশিয়া। এরপর ৩৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের ব্যবধান ২-০ করেন আইমান। দুই গোলের ঘাটতি নিয়েই বিরতিতে যেতে হয় বাংলাদেশকে।

বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে মালয়েশিয়া। ৫২ মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বক্সের ভেতর থেকে গোল করেন বার্গুসন। তার গোলে মালয়েশিয়ার লিড বেড়ে দাঁড়ায় ৩-০।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এরপর গোল পরিশোধে কয়েক দফা আক্রমণ গড়ে তোলে বাংলাদেশ। তবে সুযোগ তৈরি করেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি লাল-সবুজের দল। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের পরাজয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।

এর আগে চার বছর আগে এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে মালয়েশিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচেও ৪-১ গোলে হেরেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এবার আসিয়ান কাপেও মালয়েশিয়ার বিপক্ষে জয়ের দেখা পেল না বাংলাদেশ।

সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৭ পিএম
সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি মিলিশিয়ার হামলার পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। তবে এই সামরিক মোতায়েন কোনো সংঘাতে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়, বরং সৌদির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্যারিস।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান। একই দিন দুই দেশের মধ্যে হওয়া একটি চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের উপকূলীয় শহর ইয়ানবুর জ্বালানি অবকাঠামো সুরক্ষায় ফ্রান্স সেনা, রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাবে বলে জানান তিনি।

সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম ফ্রান্স ২-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাক্রোঁ বলেন, কোনো সংঘাতে জড়ানোর জন্য নয়, বরং জ্বালানি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এসব সামরিক সরঞ্জাম ও সেনা পাঠানো হবে। পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে সৌদি আরবকে আরও সামরিক সহায়তা দেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ম্যাক্রোঁ জানান, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের মধ্যে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের বাজারে গ্যাসের দাম কমাতে ফ্রান্স বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। সৌদি আরবে সামরিক সহায়তা পাঠানোর সিদ্ধান্তও সেই উদ্যোগের অংশ।

চলমান সংঘাতের প্রভাবে তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের মিত্র হুথি মিলিশিয়া সৌদি আরবে একাধিক হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার কারণে লোহিত সাগরসংলগ্ন বন্দরগুলো থেকে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছে। দীর্ঘদিনের উত্তেজনা আবারও সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নেওয়ার প্রেক্ষাপটেই সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিল ফ্রান্স।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক