রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

একদিনে সাতজনের মৃত্যু, ফের অশান্ত ভারতের মণিপুর

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৩১ পিএম
একদিনে সাতজনের মৃত্যু, ফের অশান্ত ভারতের মণিপুর

ভারতের মণিপুরে আবারও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যটিতে প্রাণহানির পাশাপাশি পুলিশ স্টেশনে অগ্নিসংযোগ ও একাধিক ব্যক্তির নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছেন রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহ। বিজেপির এই নেতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।

মণিপুরে হতাহতের প্রথম ঘটনা ঘটে শুক্রবার রাতে কামজং জেলার চাসাদ কুকি গ্রামে। সেখানে ৪২ বছর বয়সী এক কুকি নারী গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এরপর নাগা ও কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়, যা শনিবার সকাল পর্যন্ত চলে। এ সংঘর্ষে ২২ বছর বয়সী এক যুবকও নিহত হন।

এ ছাড়া নিংচৌ গ্রামে কুকি ন্যাশনাল আর্মি-বার্মা এবং ভিলেজ ভলান্টিয়ার অব ইস্টার্ন জোনের সমন্বিত হামলায় দুই নাগা নিহত হন। নাগা সিভিল ডিফেন্সের দুই স্বেচ্ছাসেবক গুলিবিদ্ধ হন। শনিবার সকালে নিংচৌ গ্রামে সন্দেহভাজন জঙ্গি হামলায় আরও দুই নাগা ব্যক্তির মৃত্যু হয়। উখরুল জেলায় সন্দেহভাজন জঙ্গি হামলায় প্রাণ হারান ৪০ বছর বয়সী এক নেপালি ব্যক্তি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কামজং জেলা প্রশাসন পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েত, অস্ত্র বহন এবং নির্দিষ্ট এলাকায় চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। অন্যদিকে, কমিটি অন ট্রাইবাল ইউনিটি কাংপোকপি জেলায় ২৪ ঘণ্টার বন্‌ধের ডাক দিয়েছে।

কুকি নারী হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কুকি ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন এবং দিল্লি ও জাতীয় রাজধানী অঞ্চলের কুকি-জো উইমেন্স ফোরাম। তারা ঘটনার দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত এবং নিহত নারীর পাঁচ সন্তানের জন্য পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছে।

মণিপুরের পরিস্থিতিকে ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের জন্য গুরুতর হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেছেন সাবেক মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহ। তিনি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার, সশস্ত্র জঙ্গি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান এবং ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত আরও শক্তভাবে সুরক্ষিত করার দাবি জানিয়েছেন।

সাম্প্রতিক এই সহিংসতাকে গত এক বছরের মধ্যে মণিপুরের অন্যতম প্রাণঘাতী ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি রাজ্য কর্তৃপক্ষ। নাগা ও কুকি সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠন মণিপুর এবং মিয়ানমার সীমান্তের ওপারে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে এসব হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ী করেছে।

সম্প্রতি মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী ওয়াই খেমচাঁদ সিংহ দিল্লি সফরে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে রাজ্যের পরিস্থিতি এবং পুনর্বাসন, যাত্রীবাহী বাস পরিষেবা চালু ও আর্থিক সহায়তাসহ শান্তি ফিরিয়ে আনার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় তিনি অমিত শাহকে মণিপুর সফরের আমন্ত্রণ জানান। শাহ অক্টোবরে রাজ্যটি সফরের কথা জানান। তবে মুখ্যমন্ত্রীর দিল্লি সফর শেষে ফেরার পর থেকে রাজ্যে অশান্তি বেড়েছে।

এ পরিস্থিতিতে মণিপুরে শান্তি ও স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে রাজ্য সরকারকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার নয়াদিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রী ইউনাম খেমচাঁদ সিংহের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ আশ্বাস দেন।

প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ৭ লোক কল্যাণ মার্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যে শান্তি ও স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। তিনি ইমফল-দিমাপুর-গুয়াহাটি বাস পরিষেবা পুনরায় চালু হওয়া এবং ইম্ফল-শিলচর ও ইমফল-ডিমাপুর সড়ক দিয়ে পণ্যবাহী ট্রাকের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করার বিষয়টি তুলে ধরেন।

বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে আস্থার সংকট দূর করতে রাজ্য সরকারের চলমান উদ্যোগ সম্পর্কেও প্রধানমন্ত্রীকে জানান মুখ্যমন্ত্রী। এ সময় কয়েকটি রাজ্য সড়ককে জাতীয় সড়কে উন্নীত করার প্রস্তাব অনুমোদনের অনুরোধ জানান তিনি। পাশাপাশি, ইমফলের আঞ্চলিক চিকিৎসাবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটকে (রিমস) সর্বভারতীয় চিকিৎসাবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের (এআইআইএমএস) মর্যাদা দেওয়ার দাবিও উত্থাপন করেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীকে মণিপুর সফরের আমন্ত্রণ জানান খেমচাঁদ সিংহ। রাজ্যে শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠায় সরকারের প্রচেষ্টার প্রশংসা করে নরেন্দ্র মোদি বলেন, মণিপুরের পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। রাজ্যের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন দাবি ও সমস্যা সমাধানে কেন্দ্র প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

আন্দোলনকে ‘দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র’ বললেন কঙ্গনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫১ এম
আন্দোলনকে ‘দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র’ বললেন কঙ্গনা

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলনকে দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র বলে মন্তব্য করেছেন অভিনেত্রী ও বিজেপির সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউত। বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেওয়া ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতাদের ‘দেশবিরোধী শক্তি’ বলেও আখ্যা দিয়েছেন তিনি।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দিল্লিতে বিক্ষোভ ও ধরপাকড়ের ঘটনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কঙ্গনা এসব কথা বলেন। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষ এখন এসব শক্তিকে চিনতে পারছে এবং তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে প্রস্তুত হচ্ছে।

কঙ্গনা বলেন, দেশকে রক্ষায় বিভিন্ন শক্তি কাজ করছে। তবে পরিস্থিতি মোকাবিলার সময় সতর্ক থাকতে হবে, যাতে সাধারণ নাগরিকদের কোনো ধরনের ভোগান্তিতে পড়তে না হয়।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

লখনৌতে পৌঁছে অযোধ্যায় যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। কঙ্গনা জানান, রামলালার দর্শন ও প্রার্থনার জন্য অযোধ্যার রামমন্দিরে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। তিনি হিমাচল প্রদেশের মান্ডি আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সিজেপির ডাকা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শনিবার দিল্লিতে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেয় পুলিশ। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে আন্দোলনকারীরা দাবি করছেন, সংশোধনের নামে অনেক ভোটারের নাম অন্যায়ভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে বড় সমাবেশের ডাক দিয়েছিল সিজেপি। তবে বিক্ষোভকারীরা সেখানে পৌঁছানোর আগেই দলটির শীর্ষ নেতাদের আটক করে পুলিশ। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই দিন দিল্লিজুড়ে ছয় থেকে সাত হাজার মানুষকে আটক করা হয়। পরে তাঁদের অধিকাংশকেই ছেড়ে দেওয়া হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ জোরদার করতে প্রায় ৪১ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে শিক্ষার্থী, আইনজীবী ও রাজনীতিকদের পাশাপাশি চার সাবেক মুখ্যমন্ত্রীও ছিলেন।

অবশেষে উদ্ধার নাটোর স্টেশনে চুরি হওয়া জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪৯ এম
অবশেষে উদ্ধার নাটোর স্টেশনে চুরি হওয়া জার্মান পর্যটকের ল্যাপটপ

নাটোর রেলওয়ে স্টেশন থেকে চুরি হওয়া জার্মান পর্যটক ক্রিল ল্যান্ডারের ল্যাপটপ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১১ অক্টোবর) রাতে নাটোর শহরের কাপড়িয়া পট্টি এলাকার একটি কাপড়ের দোকান থেকে ল্যাপটপটি উদ্ধার করা হয়। ল্যাপটপ ফিরে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ওই পর্যটক।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কাপড়িয়া পট্টি এলাকার বাসিন্দা অমল কুমার সাহা তিতুমীর এক্সপ্রেস ট্রেনে নওগাঁ যাওয়ার পথে আসনের নিচে ল্যাপটপটি পান। পরে ছেলে অন্তর কুমার সাহার সঙ্গে আলোচনা করে তিনি পুলিশকে খবর দেন। অন্তর জার্মান পর্যটক ক্রিলের সঙ্গেও যোগাযোগ করেন।

ল্যাপটপ উদ্ধারের খবরে আনন্দ প্রকাশ করে ক্রিল বলেন, অবশেষে তাঁর ল্যাপটপ উদ্ধার হয়েছে। এতে তিনি খুব খুশি। রোববার রাতেই ঢাকা ছাড়ার পরিকল্পনা থাকলেও ল্যাপটপ ফিরে পাওয়ার জন্য তিনি পরদিন পর্যন্ত অপেক্ষা করার কথা ভাবছেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এর আগে গত ৭ অক্টোবর বগুড়ার বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা পরিদর্শন শেষে সান্তাহার হয়ে ট্রেনে নাটোর রেলওয়ে স্টেশনে আসেন ক্রিল ল্যান্ডার। এ সময় হলুদ ভেস্ট পরা এক যুবক নিজেকে রেলকর্মী পরিচয় দিয়ে তাঁর সঙ্গে পরিচিত হন এবং সখ্য গড়ে তোলেন।

একপর্যায়ে এটিএম থেকে টাকা তুলতে যাওয়ার আগে নিজের ব্যাগটি ওই যুবকের কাছে রেখে যান ক্রিল। ফিরে এসে ব্যাগসহ ওই ব্যক্তিকে আর খুঁজে পাননি তিনি। ব্যাগে ল্যাপটপ, ক্যামেরাসহ বেশ কিছু মূল্যবান জিনিস ছিল।

ঘটনার পর পুলিশ স্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করে। ফুটেজে দেখা যায়, হলুদ কটি পরা এক যুবক কৌশলে পর্যটকের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন। পরে সুযোগ বুঝে নিজের কটি খুলে চুরি করা ব্যাগটি এর ভেতরে লুকিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ল্যাপটপটি উদ্ধার করা হয়েছে। তবে চুরির ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত বা গ্রেপ্তারের বিষয়ে প্রতিবেদনে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

জিবুতির উপকূলে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের নৌকাডুবি, নিহত ১০৯

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪৮ এম
জিবুতির উপকূলে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের নৌকাডুবি, নিহত ১০৯

পূর্ব আফ্রিকার দেশ জিবুতির উপকূলে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বহনকারী একটি নৌকা উল্টে অন্তত ১০৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১৫টি শিশু রয়েছে। এ ঘটনায় এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ১১৬ জন। জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা রোববার (১১ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছে।

সংস্থাটির বিবৃতি অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের মধ্যবর্তী রাতে জিবুতির পূর্ব উপকূলের গুহের এলাকার কাছে নৌকাটি উল্টে যায়। বেঁচে ফেরা যাত্রীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। ওই এলাকার কাছেই এডেন উপসাগর ও বাব এল মান্দেব প্রণালি অবস্থিত।

নৌকাটি জিবুতি থেকে ইয়েমেনের দিকে যাচ্ছিল। এতে প্রায় ৩০০ জন যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনার পর ৮০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। বেঁচে যাওয়া সবাই ইথিওপিয়ার নাগরিক।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

আফ্রিকা থেকে মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়ার পথে অভিবাসনপ্রত্যাশীরা প্রায়ই এডেন উপসাগর ও বাব এল মান্দেব প্রণালি পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেন। উন্নত জীবিকা ও কাজের সন্ধানে অনেকেই ঝুঁকিপূর্ণভাবে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে নৌকায় এই পথ পাড়ি দেন।

ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহী ও দেশটির সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘাত শুরুর পর বহু মানুষ দেশটি ছেড়ে জিবুতিতে আশ্রয় নিয়েছেন। একই সময়ে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে অনেকে ইয়েমেনসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক