বিএনপির ৫৯ নেতাকে একযোগে বহিষ্কার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে প্রার্থী হওয়ায় একযোগে ৫৯ জন নেতাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
ধবার (২১ জানুয়ারি) রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ৫৯ জন নেতাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তারা দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন, যা দলীয় নীতি ও শৃঙ্খলার পরিপন্থি।
বহিষ্কৃতদের বিরুদ্ধে “দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার” অভিযোগ আনা হয়েছে এবং তাৎক্ষণিকভাবে এই আদেশ কার্যকর করার কথা জানানো হয়েছে।
এর আগে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে একই কারণে ১১ জনকে বহিষ্কার করেছিল বিএনপি; পরে দুজন মনোনয়নপত্র তুলে নিলে তাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়। এতে বিদ্রোহী প্রার্থীমান ধারণা পাওয়া গেলেও অনুতপ্তদের ক্ষেত্রে শাস্তি শিথিল করার নজির তৈরি হয়। গত ৩০ ডিসেম্বর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুর দিন দলের স্ট্যান্ডিং কমিটির এক বৈঠকে রুমিন ফারহানাসহ নয়জনকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যেখানে অভিযোগ ছিল দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার।
সব মিলিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়া ও দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করার অভিযোগে বিএনপি ধাপে ধাপে একাধিক নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিয়েছে, যার সাম্প্রতিকতম ধাপ হলো একযোগে ৫৯ জনকে বহিষ্কার। দলটির ভাষ্য অনুযায়ী, এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে শৃঙ্খলা রক্ষা এবং কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নই মূল লক্ষ্য হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।










