বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

মেট্রোরেলসহ তিন বড় প্রকল্পে দক্ষিণ কোরিয়ার ঋণ চায় বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:১০ এম
মেট্রোরেলসহ তিন বড় প্রকল্পে দক্ষিণ কোরিয়ার ঋণ চায় বাংলাদেশ

মেট্রোরেল সম্প্রসারণ, সেতু নির্মাণ ও রেলকোচ কেনাসহ তিনটি বড় অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে অর্থায়ন চেয়েছে বাংলাদেশ। ২০২৩-২০২৭ মেয়াদে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত ৩০০ কোটি ডলারের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহযোগিতা তহবিলের (ইডিসিএফ) আওতায় এ অর্থায়নের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত প্রকল্প তিনটি হলো, ঢাকা মেট্রোরেলের এমআরটি লাইন-৫-এর দক্ষিণ রুট, মতলব উত্তর–গজারিয়া সেতু নির্মাণ এবং ২৬০টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী রেলকোচ কেনা।

বাংলাদেশের এসব প্রস্তাবে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের দেশটির সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বৈঠকে বিষয়গুলো উঠে আসে। বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

সফরের দ্বিতীয় দিনে মঙ্গলবার দক্ষিণ কোরিয়ার এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংক অব কোরিয়া (কেক্সিম), কোরিয়া ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন (কেআইসি) এবং বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় কোম্পানি ও প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৩-২০২৭ মেয়াদে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের ৩০০ কোটি ডলারের ইডিসিএফ কাঠামোগত চুক্তি চলমান রয়েছে। ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ তহবিলের আওতায় ৩০টি প্রকল্পের বিপরীতে ২৭৮ কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার কেক্সিমের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী হোয়াং কিয়নের সঙ্গে বৈঠকে অবশিষ্ট অর্থ ব্যবহারে সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা তৈরির প্রস্তাব দেয় বাংলাদেশ। জবাবে কোরীয় ব্যাংকটি জানায়, তহবিলের আওতায় অগ্রাধিকারযোগ্য প্রকল্পগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে মেট্রোরেলসহ প্রস্তাবিত তিন প্রকল্পে অর্থায়নের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থ ও অর্থনীতি মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় উপমন্ত্রী চ্যাং হুর সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এ সময় দুই দেশের বিদ্যমান সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করে কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করার আহ্বান জানান তিনি।

বৈঠকে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সহায়তায় পরিচালিত সমন্বিত প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন (আইজিএনডি) উদ্যোগের মহাপরিকল্পনা তৈরিতে দক্ষিণ কোরিয়ার কারিগরি সহায়তার প্রশংসা করেন অর্থমন্ত্রী। অন্যদিকে কোরীয় পক্ষ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডিজিটাল রূপান্তর, বিকল্প অর্থায়ন এবং ভবিষ্যতে ইডিসিএফ ও আইজিএনডি উদ্যোগে সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করে।

কোরিয়া ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশনের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের অবকাঠামো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও ডিজিটাল অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। এ ক্ষেত্রে ১০০ থেকে ২০০ কোটি ডলারের বাংলাদেশ সার্বভৌম তহবিলকে সম্ভাব্য বিনিয়োগমাধ্যম হিসেবে বিবেচনায় নেওয়া হয়। পাশাপাশি কোরীয় তহবিল ব্যবস্থাপকদের মাধ্যমে কেআইসির ইকুইটি বিনিয়োগের সঙ্গে কেক্সিমের অর্থায়ন যুক্ত করার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হয়।

প্রযুক্তি খাতেও সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান এলজি এআই রিসার্চের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ভাষার উপযোগী বৃহৎ ভাষা মডেল (এলএলএম) তৈরির সম্ভাবনা নিয়ে কথা হয়। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, উৎপাদনশিল্প ও সরকারি সেবায় এআই প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর বিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পায়।

এ ছাড়া ইয়ংওনের আয়োজনে কোরীয় বিনিয়োগবিষয়ক ব্যবসায়িক গোলটেবিল বৈঠকে বাংলাদেশের হালকা প্রকৌশল ও যন্ত্রাংশ উৎপাদন খাতের সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়। এ সময় কোরীয় কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে যৌথ বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং কোরিয়ার সরবরাহব্যবস্থায় বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোকে যুক্ত করার আহ্বান জানানো হয়।

ত্রিপুরায় বিএসএফের ওপর গ্রামবাসীর হামলা, আহত ৩ সদস্য, গ্রেপ্তার ৯

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:১৩ এম
ত্রিপুরায় বিএসএফের ওপর গ্রামবাসীর হামলা, আহত ৩ সদস্য, গ্রেপ্তার ৯

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে বাহিনীর অন্তত তিন সদস্য আহত হয়েছেন। এ সময় বিএসএফের একটি গাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি সদস্যদের আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ারও চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনায় তিন নারীসহ অন্তত নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (০৪ নভেম্বর) ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্তসংলগ্ন সিপাহীজলা জেলার আশাবাড়ি গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত সোমবার চোরাচালানের সন্দেহে বিএসএফ সদস্যরা গ্রামের এক ব্যক্তিকে আটক করে নির্যাতন করেন। কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই তাঁকে মারধর করা হয়। এতে ওই ব্যক্তির পায়ের হাড় ভেঙে যায় এবং তিনি গুরুতর আহত হন। এ ঘটনার প্রতিবাদে গ্রামবাসী সড়ক অবরোধ করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

একপর্যায়ে বিএসএফের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ড্যান্ট পদমর্যাদার এক কর্মকর্তাসহ কয়েকজন সদস্য গাড়ি নিয়ে অবরোধস্থলে পৌঁছান। তখন ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী লাঠিসোঁটা ও বাঁশ নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান। এতে অন্তত তিন বিএসএফ সদস্য আহত হন। একই সঙ্গে তাঁদের গাড়ি ভাঙচুর করা হয় এবং আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলে।

পরে আহত সদস্যদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পরপরই কালামচৌড়া থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিন নারীসহ নয়জনকে গ্রেপ্তার করে। তাঁদের আদালতে হাজির করে রিমান্ডের আবেদন জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত আরও অন্তত ১০ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাঁদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে বিএসএফের ত্রিপুরা ফ্রন্টিয়ারের আইজি প্রিন্সি রানীসহ জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, বর্তমানে আশাবাড়ি গ্রামের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

এদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনেও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

অন্যদিকে বিরোধীদলীয় নেতা ও সিপিআইএম নেতা জীতেন্দ্র চৌধুরীও হামলার সমালোচনা করেছেন। তবে সীমান্ত এলাকায় অবৈধ চোরাচালানে জড়িত ব্যক্তিরা ক্ষমতাসীন দলের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে এমন দুঃসাহস দেখাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। পুলিশ জানিয়েছে, উভয় পক্ষের অভিযোগ বিবেচনায় নিয়ে ঘটনার তদন্ত চলছে।

মোংলা বন্দরের মেগা প্রকল্প উদ্বোধনে আজ খুলনা-বাগেরহাট যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:০৮ এম
মোংলা বন্দরের মেগা প্রকল্প উদ্বোধনে আজ খুলনা-বাগেরহাট যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

দিনব্যাপী সফরে আজ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) খুলনা ও বাগেরহাট যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরে মোংলা বন্দরের দুটি নতুন কনটেইনার জেটি নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, আন্তর্জাতিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান, খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত এবং ক্রীড়া উৎসবের উদ্বোধনসহ একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, সকালে হেলিকপ্টারে ঢাকা থেকে সরাসরি বাগেরহাটের মোংলায় পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন তিনি।

পরে ‘মোংলা বন্দরের সুবিধাদি সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় দুটি নতুন কনটেইনার জেটি নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক অবকাঠামো উন্নয়নকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন সরকারপ্রধান।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

মোংলার কর্মসূচি শেষে দুপুরে হজরত খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর সড়কপথে খুলনায় গিয়ে খুলনা সার্কিট হাউসে মধ্যাহ্নবিরতি করবেন।

বিকেলে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে আয়োজিত ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস—সিজন টু’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন তিনি। দিনব্যাপী সফর শেষে আজই তাঁর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে খুলনা ও বাগেরহাটে দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। তাঁকে স্বাগত জানাতে খুলনা নগরীর বিভিন্ন সড়কের দেয়ালে দক্ষিণাঞ্চলের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সম্ভাবনা তুলে ধরে চিত্রকর্ম আঁকা হয়েছে। সফরকে কেন্দ্র করে দুই জেলায় নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা।

ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি নির্ধারণ, জানুয়ারিতে কার্যকর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৯ পিএম
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি নির্ধারণ, জানুয়ারিতে কার্যকর

পোশাক খাতের শ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে শ্রমিক ও মালিকপক্ষের প্রতিনিধিরা ডিসেম্বর থেকে নতুন মজুরি কার্যকরের বিষয়ে একমত হয়েছেন। তবে শ্রমিকরা নতুন মজুরি পাবেন আগামী জানুয়ারি থেকে।

 

বুধবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় নিম্নতম মজুরি বোর্ডের প্রথম সভায় এ বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছান শ্রমিক ও মালিকপক্ষের প্রতিনিধিরা।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

 

সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি বাবুল আক্তার এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, নতুন মজুরি ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে এবং শ্রমিকরা জানুয়ারি থেকে তা পাবেন। এ বিষয়ে মালিকপক্ষের প্রতিনিধি এ বি এম শামসুদ্দিনও একই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, নতুন মজুরি কাঠামো ডিসেম্বর থেকে কার্যকর করা হবে এবং আগামী বছরের জানুয়ারি মাসে শ্রমিকরা নতুন হারে বেতন পাবেন।

 

পোশাক খাতের শ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আজ নিম্নতম মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় নতুন মজুরি বাস্তবায়নের সময়সীমা নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়।

 

তৈরি পোশাক শিল্পে শ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণে গত ১ নভেম্বর ৬ সদস্যের ‘নিম্নতম মজুরি বোর্ড’ গঠন করে সরকার। সেদিন সকালে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন মজুরি বোর্ডের ঘোষণা দেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

 

আজ বোর্ডের চেয়ারম্যান জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ আজাদ সুবহানীর সভাপতিত্বে বোর্ডের প্রথম সভা হয়।

 

বোর্ডের বাকি সদস্যরা হলেন মালিকপক্ষের প্রতিনিধি বিজিএমইএর পরিচালক এ বি এম শামছুদ্দিন ও বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের যুগ্ম মহাসচিব আসিফ আইয়ুব। অন্যদিকে শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন ও বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল শ্রমিক ফেডারেশনের (বিজিআইডাব্লিউএফ) সাধারণ সম্পাদক বাবুল আখতার। এ ছাড়া বোর্ডে নিরপেক্ষ সদস্য হিসেবে রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। এই বোর্ড সব পদে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরির সুপারিশ করবে। বোর্ডের সুপারিশের ভিত্তিতে নতুন মজুরি কাঠামো ঘোষণা ও গেজেট হিসেবে প্রকাশ করবে সরকার।

 

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক