শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

ইন্দোনেশিয়ায় দাবানলের ধোঁয়ায় সেপ্টেম্বরে ৩ হাজার ৫৬০ জনের মৃ’ত্যু

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৩৫ পিএম
ইন্দোনেশিয়ায় দাবানলের ধোঁয়ায় সেপ্টেম্বরে ৩ হাজার ৫৬০ জনের মৃ’ত্যু

ইন্দোনেশিয়ায় কয়েক মাস ধরে চলা দাবানলের ধোঁয়া থেকে সৃষ্ট বায়ুদূষণে গত সেপ্টেম্বরে আনুমানিক ৩ হাজার ৫৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশটির প্রায় ৫ কোটি ৭৮ লাখ মানুষ অস্বাস্থ্যকর থেকে বিপজ্জনক মাত্রার দূষিত বাতাসে শ্বাস নিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে হেলসিঙ্কিভিত্তিক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর রিসার্চ অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ার (সিআরইএ)।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন ও ভূমিতে আগুনের কারণে বায়ুর মানের অবনতি হওয়ায় সেপ্টেম্বরে সম্ভাব্য মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৫৬০। আগস্টের তুলনায় এ সংখ্যা দ্বিগুণ।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

গবেষণায় কয়েক দিনের জন্য পিএম ২.৫ দূষণের সংস্পর্শে আসার কারণে স্বল্পমেয়াদে সম্ভাব্য মৃত্যুর হিসাব করা হয়েছে। পিএম ২.৫ হলো অতি সূক্ষ্ম বস্তুকণা, যা শ্বাসের সঙ্গে ফুসফুস এমনকি রক্তপ্রবাহেও প্রবেশ করতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, এসব কণার সংস্পর্শে এলে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়া এবং অকালমৃত্যুর ঝুঁকি বেড়ে যায়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইন্দোনেশিয়ার বোর্নিও দ্বীপের অংশ, জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপ এবং দেশটির পূর্বাঞ্চলে দাবানলের ধোঁয়ায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

গবেষকেরা দাবানল থেকে সৃষ্ট দূষণের পাশাপাশি অন্যান্য উৎসের প্রভাবও পর্যালোচনা করেছেন। তাঁদের হিসাব অনুযায়ী, নগরাঞ্চলে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা ও যানবাহনের ধোঁয়ার কারণে সেপ্টেম্বরে আরও ১ হাজার ৭৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে প্রায় ২৯ কোটি জনসংখ্যার দেশটিতে ওই মাসে বায়ুদূষণজনিত সম্ভাব্য মৃত্যুর মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৩১০।

সিআরইএর প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বরে ইন্দোনেশিয়াজুড়ে পিএম ২.৫ দূষণের সংস্পর্শে আসার মাত্রা ডব্লিউএইচওর বার্ষিক নির্ধারিত সীমার সাত গুণেরও বেশি ছিল। সুমাত্রায় এ মাত্রা ১০ গুণ এবং বোর্নিওর কালিমানতান অঞ্চলে ২৪ গুণ ছাড়িয়ে যায়। এ ছাড়া দেশজুড়ে তীব্র শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের ৩ লাখ ৩০ হাজারের বেশি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।

এল নিনোর প্রভাবে খরা পরিস্থিতি আরও তীব্র হওয়ায় কয়েক মাস ধরে দাবানল নিয়ন্ত্রণে লড়াই করছে ইন্দোনেশিয়া। বন উজাড় পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা নুসান্তারা অ্যাটলাসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নয় মাসে দেশটিতে ১৯ লাখ হেক্টরের বেশি বন ও ভূমি আগুনে পুড়ে গেছে।

তবে দাবানল ও বায়ুদূষণের কারণে মৃত্যুর এসব পরিসংখ্যান ইন্দোনেশিয়া সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিতও করেনি, আবার প্রত্যাখ্যানও করেনি। দাবানলের ধোঁয়ায় সৃষ্ট দূষণ মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন ও পূর্ব তিমুর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। এতে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ইন্দোনেশিয়ার সম্পর্কে চাপ তৈরি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বনভূমি পরিষ্কারের জন্য গাছপালা কেটে পুড়িয়ে ফেলার প্রবণতা এসব দাবানলের অন্যতম প্রধান কারণ। কাঠ, পাম তেল ও খনিশিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

 

আর্কটিক অঞ্চলে সহযোগিতা বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র-জাপান-দক্ষিণ কোরিয়ার চুক্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৯ পিএম
আর্কটিক অঞ্চলে সহযোগিতা বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র-জাপান-দক্ষিণ কোরিয়ার চুক্তি

ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া। এর অংশ হিসেবে আর্কটিক অঞ্চলে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) তিন দেশ একটি সমঝোতা স্মারক (এমওসি) সই করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টা শহরে অনুষ্ঠিত জি-২০ বৈঠকের ফাঁকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠক করেন জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিৎসু মোতেগি ও দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো হিউন।

বৈঠকে তিন দেশের ত্রিপক্ষীয় অংশীদারত্বের অগ্রগতি পর্যালোচনার পাশাপাশি আঞ্চলিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জ্বালানি সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বৈঠকে তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ‘ত্রিপক্ষীয় আর্কটিক-প্যাসিফিক অংশীদারত্ব’ (টিএপিপি) প্রতিষ্ঠায় একটি সমঝোতা স্মারক সই করেন। এর আওতায় প্রশান্ত মহাসাগরীয় আর্কটিক অঞ্চলে সামুদ্রিক সহযোগিতা ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্বের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হবে।

বৈঠকে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। পাশাপাশি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তাঁরা।

এ ছাড়া তাইওয়ান প্রণালিতে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিন দেশের প্রতিনিধিরা।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দক্ষিণ চীন সাগরে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় চীনের প্রচেষ্টা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।

সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৭ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে পৌঁছেছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০৫ পিএম
সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৭ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে পৌঁছেছে

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো ১৬ বাংলাদেশি শ্রমিকের মধ্যে বাকি সাতজনের মরদেহ দেশে আনা হয়েছে। বিমানবন্দরে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পর মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ৮টা ২১ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-৩৩৬ ফ্লাইটে মরদেহগুলো ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।

এর আগে, গত ৯ আগস্ট রিয়াদের ওই সোফা তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়। ঘটনার পর প্রথম দফায় ২৭ আগস্ট নয়জনের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। বাকি সাতজনের মরদেহ আগুনে মারাত্মকভাবে পুড়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তাঁদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তাঁদের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ডিএনএ পরীক্ষায় শনাক্ত হওয়া সাতজনের মধ্যে পাঁচজন নওগাঁ জেলার এবং দুজন নাটোরের বাসিন্দা। দীর্ঘ সময় পর স্বজনদের মরদেহ গ্রহণ করতে এসে কান্না ও আহাজারিতে ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কাউন্সেলর (শ্রম) মুহাম্মদ রেজায়ে রাব্বী জানান, ১০ অক্টোবর থেকে রিয়াদে সরাসরি ফ্লাইট চলাচল বন্ধ থাকায় মরদেহগুলো সড়কপথে জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে বিমানে করে মরদেহগুলো ঢাকায় আনা হয়েছে।

নিহত শ্রমিকদের মধ্যে রয়েছেন নওগাঁ সদর উপজেলার পার নওগাঁ গ্রামের শাহিন, আত্রাই উপজেলার দুবাই গ্রামের হাসিবুল হাসান, মধ্যবোয়ালিয়া গ্রামের মিনহাজ প্রামাণিক, মাধবপুর গ্রামের মাসিদুল সরদার এবং সাহানগর গ্রামের সাগর আলী।

এ ছাড়া নাটোরের লালপুর উপজেলার দীঘিরপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ শামীম ও খাজুরা গ্রামের শরিফ হোসেন রয়েছেন।

 

আরেকটি বিপ্লব আমাদের দরজায় কড়া নাড়ছে: জামায়াত আমির

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৯ এম
আরেকটি বিপ্লব আমাদের দরজায় কড়া নাড়ছে: জামায়াত আমির

অনিবার্য বিপ্লব দেশের দরজায় কড়া নাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফর নিয়ে সরকার লুকোচুরি করছে বলে অভিযোগ তুলে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর নিয়ে কী চুক্তি হয়েছে, তা অবিলম্বে জাতির সামনে প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন তিনি। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে ঢাকা থেকে খুলনা-কুষ্টিয়াগামী লংমার্চের সূচনাপর্বে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি সরকারের উদ্দেশে এসব কথা বলেন।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, জামায়াতে ইসলামী বা তাদের মিত্ররা কোনো ব্যক্তিগত বা দলীয় স্বার্থে মাঠে নামেনি, বরং জনগণের মৌলিক ভোগান্তি ও অধিকারের দাবি নিয়েই এই আন্দোলন গড়ে তোলা হয়েছে। কানেক্টিভিটির নামে বাংলাদেশকে কোনো বিদেশি শক্তির কাছে ইজারা দেওয়া যাবে না উল্লেখ করে তিনি সরকারকে হুঁশিয়ার করে দেন যে, অতীতে যারা দেশের সার্বভৌমত্ব বিসর্জন দিয়ে দাসত্ব স্বীকার করেছিল, তাদের পরিণতি এখন সবাই দেখতে পাচ্ছে। জনগণের সঙ্গে কোনো ধরনের প্রতারণা করে সরকার পার পাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সমাবেশে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারাও বক্তব্য দেন। তাঁরা অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার নিশ্চিতকরণ, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সারসংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, দুর্নীতি-চাঁদাবাজি বন্ধ এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে দলীয়করণ বন্ধ করার মতো সাত দফা দাবি মেনে নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান। এসব দাবি উপেক্ষা করে স্বৈরাচারী পথে হাঁটলে বর্তমান সরকারকেও অতীতের শাসকদের মতো একই পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে নেতারা সতর্ক করে দেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ঢাকা-খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া রুটে আয়োজিত এই লংমার্চ কর্মসূচিতে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা সরাসরি নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সরকারের প্রতি দ্রুত দাবি আদায়ের বার্তা দিতে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে হাজার হাজার নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে এই লংমার্চের পথসভা শুরু হয়।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক