রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘জুলাই ‘গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালিত
ইতালির রোমে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালিত হয়েছে। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ইতালীয় নাগরিক, প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্য, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, সংবাদমাধ্যমের কর্মী এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনসহ বাংলাদেশের সব ঐতিহাসিক গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর পাঠানো বিশেষ বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। এছাড়া চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে প্রেরিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
পরবর্তীতে উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা এবং ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিতে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণ” শীর্ষক একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তারা জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে দেশের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, শ্রমিকসহ সর্বস্তরের মানুষের বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তারা একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রকিবুল হক তার বক্তব্যে শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
তিনি বলেন,বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও জনকল্যাণমুখী বাংলাদেশ গঠনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের’ চেতনা আমাদের মূল প্রেরণা। রাষ্ট্র পরিচালনায় দেশপ্রেম ও সার্বভৌত্বকে প্রাধান্য দিয়ে বর্তমান সরকার একটি স্বনির্ভর ও মানবিক বাংলাদেশ নির্মাণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
রাষ্ট্রদূত জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সময় ইতালি সহ বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের ইতিবাচক ভূমিকা ও সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সবশেষে দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গড়ায় অবদান রাখার জন্য তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান।













