পর্তুগালে পরিবারের ঋণ বাড়ছে, কর্তৃপক্ষের সতর্কবার্তা!
পর্তুগালে পরিবারগুলোর ঋণ দ্রুত বাড়ছে; বিশেষ করে গৃহঋণের বিস্তার এ প্রবণতাকে টেনে তুলছে, আর ব্যাংক অব পর্তুগাল ও দেশটির ভোক্তা অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন ডেকো প্রোটেস্ট উভয়ই ঝুঁকি নিয়ে সতর্কবার্তা দিচ্ছে। ব্যাংক অব পর্তুগালের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে পরিবারের জন্য গৃহঋণের স্থিতি আগের মাসের তুলনায় ৮০৩ মিলিয়ন ইউরো বেড়ে ১১১.৭ বিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছেছে, আর ব্যক্তিগত ঋণের মোট পরিমাণও বছরে ৯.৮% বেড়েছে।
সর্বশেষ প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতেও পারিবারিক ঋণের ঊর্ধ্বমুখী ধারা বজায় ছিল; নতুন ঋণ ও গৃহঋণ মিলিয়ে বাজারে চাপ স্পষ্ট হয়েছে। আপনাকে যে তথ্যটি ভিত্তি করে রিপোর্ট বানাতে বলেছেন, তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বলা যায় যে বাড়ির দাম বৃদ্ধি ও প্রথম বাড়ি কেনার জন্য তরুণদের রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টি বেশি মানুষকে ঋণ নিতে উৎসাহিত করেছে।
বাড়ির দাম বেড়ে যাওয়ায় অনেক পরিবারকে ব্যাংক থেকে আগের চেয়ে বেশি অর্থ ধার করতে হচ্ছে, আর এ কারণেই গৃহঋণ পারিবারিক ঋণ বৃদ্ধির প্রধান চালক হয়ে উঠেছে। তরুণদের জন্য ১০০% পর্যন্ত অর্থায়নের সুযোগ রাখা রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টি প্রথম বাড়ি কেনা সহজ করলেও, এতে ঋণের ঝুঁকিও বাড়তে পারে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আগেও সতর্ক করেছে।
ব্যাংক অব পর্তুগালের গভর্নর ঋণ-নির্ভর অতিরিক্ত চাপের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, কারণ এ ধরনের পরিস্থিতিতে পরিবারের ভোগ ও সঞ্চয়ের ক্ষমতা কমে যায়। ইকো নিউজ এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে পরিবারের ঋণ জিডিপির অংশ হিসেবে ৫৪.৯% থেকে ৫৬.১%-এ উঠেছিল, যা ঋণ বৃদ্ধির সামগ্রিক চিত্রকে আরও স্পষ্ট করে।
ডেকো প্রোটেস্ট পরিবারগুলোকে ঋণ পরিশোধে সমস্যা দেখা দিলে ব্যাংকের সঙ্গে পুনরায় আলোচনার চেষ্টা করতে বলছে, কারণ কিছু পরিস্থিতিতে ব্যাংক পুনর্গঠনে বাধ্য থাকে। সংস্থাটি বিশেষভাবে সতর্ক করেছে যে, এক ঋণ মেটাতে আরেকটি ব্যক্তিগত ঋণ নেওয়া নতুন আর্থিক ফাঁদ তৈরি করতে পারে।













