প্রস্তুত হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলীয় নেতার সরকারি বাসভবন
বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী এবং বিরোধী দলীয় নেতার সরকারি বাসভবন প্রস্তুত করা হচ্ছে, জানিয়েছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন “যমুনা” নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে প্রস্তুত করা হচ্ছে। তবে নতুন প্রধানমন্ত্রী কোথায় থাকবেন, গুলশান নাকি হেয়ার রোডে, তা তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।
গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমিধস বিজয় লাভ করে বিএনপি। ধারণা করা হচ্ছে, দলীয় প্রধান তারেক রহমানই হবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী। ১৭ বছর পর লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং গুলশানে তার মায়ের বাসা “ফিরোজা”র কাছে ১৯৬ নম্বর বাড়িতে তিনি থাকছেন। তবে, গুলশান থেকে সংসদ ভবনের দূরত্ব এবং নিরাপত্তা বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রীর বাসস্থান স্থানান্তরিত হতে পারে।
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন “যমুনা”কেই নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তবে, প্রধানমন্ত্রী নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী বাসস্থানের স্থান নির্বাচন করতে পারবেন।মন্ত্রণালয়ের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী জানান, “যমুনা আমরা প্রস্তুত করেছি, তবে প্রধানমন্ত্রীর কোন নির্দিষ্ট চাহিদা থাকলে সেগুলি আমরা পূর্ণ করতে প্রস্তুত।”
এদিকে, বিরোধী দলীয় নেতার সরকারি বাসভবন “মিন্টো রোড”-এ অবস্থিত ২৯ নম্বর ভবনটি প্রস্তুত করা হয়েছে। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা শেখ হাসিনা এবং খালেদা জিয়া এই বাসভবনে বসবাস করেছিলেন। তবে, ২০০১ সাল থেকে এখন পর্যন্ত কোনো বিরোধী দলীয় নেতা সেখানে বসবাস করেননি।
নির্বাচনের আগে জামায়াতে ইসলামের শীর্ষ নেতারা ঘোষণা করেছিলেন, তারা কেউ সরকারি গাড়ি বা বাসভবন ব্যবহার করবেন না, যা কিছুটা বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।










