শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

সোমবার: এক নজরে স্পেনের সর্বশেষ সংবাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:২৯ পিএম
সোমবার: এক নজরে স্পেনের সর্বশেষ সংবাদ

আজ প্রায় পুরো স্পেনে সতর্কতা: তুষারপাত ও তীব্র শীতে আক্রান্ত ১৯টি প্রদেশ

আর্কটিক অঞ্চল থেকে আসা একটি শক্তিশালী শীতল বায়ুপ্রবাহ স্পেনের উত্তরাঞ্চলসহ দেশটির বড় অংশে বিরূপ আবহাওয়া সৃষ্টি করেছে। সোমবার ৫ জানুয়ারি এক্সত্রেমাদুরা ও ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জ ছাড়া সব স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে বৃষ্টি, তুষারপাত, তীব্র শীত ও উপকূলীয় দুর্যোগের কারণে হলুদ বা কমলা সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া বিভাগ।

‘ফ্রান্সিস’ নামের ঝড়ের প্রভাবে দেশের অধিকাংশ এলাকায় আকাশ মেঘলা রয়েছে এবং বৃষ্টি হচ্ছে। মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল, সেউতা, মেলিলা এবং বালেয়ারিক দ্বীপপুঞ্জে ভারী ও দীর্ঘস্থায়ী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে, বিশেষ করে আলবোরান সাগর ও মুরসিয়া উপকূলে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

কান্তাব্রিয়ায় তুষারপাতের জন্য উচ্চমাত্রার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় তুষারপাতের উচ্চতা ভিন্ন ভিন্ন হবে। উত্তরাঞ্চলের কিছু অঞ্চলে অপেক্ষাকৃত নিচু এলাকাতেও তুষার পড়তে পারে। জিরোনা প্রদেশে উত্তাল সাগরের কারণে কমলা সতর্কতা দেওয়া হয়েছে, আর দেশের কয়েকটি উপকূলীয় অঞ্চলে ঢেউয়ের জন্য হলুদ সতর্কতা জারি রয়েছে।

দেশের ভেতরের এলাকায় তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাচ্ছে। অন্তত ১৯টি প্রদেশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার কারণে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অধিকাংশ অভ্যন্তরীণ এলাকায় ব্যাপকভাবে তুষার জমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের পার্বত্য অঞ্চল ও মালভূমিতে।

এ ছাড়া বিভিন্ন এলাকায় মাঝারি থেকে জোরালো বাতাস বইতে পারে। উপকূলীয় ও দ্বীপাঞ্চলে দমকা হাওয়া আরও শক্তিশালী হতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া বিভাগ। কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের সতর্ক থাকার এবং প্রয়োজন ছাড়া যাতায়াত না করার আহ্বান জানিয়েছে।


২০২৫ সালে স্পেনে রেকর্ড কর্মসংস্থান, তৈরি হয়েছে সাড়ে পাঁচ লক্ষের বেশি নতুন চাকরি

২০২৫ সালে স্পেনে মোট ৫ লাখ ৬ হাজার ৪৫১টি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে দেশটিতে মোট কর্মরত মানুষের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ১৮ লাখ ৪৪ হাজার, যা ডিসেম্বর মাস শেষে স্পেনের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, আগের বছরের তুলনায় কর্মসংস্থান বেড়েছে ২.৪ শতাংশ। এটি ২০১৯ সালের পর তৃতীয় সর্বোচ্চ বার্ষিক বৃদ্ধি। করোনা মহামারির প্রথম বছরে বড় ধরনের ক্ষতির পর টানা পাঁচ বছর ধরে দেশটিতে চাকরির সংখ্যা বাড়ছে।

ডিসেম্বর মাসে কোনো কোনো দিনে কর্মরত মানুষের সংখ্যা ২ কোটি ১৯ লাখ ছাড়িয়ে যায়। শ্রম সংস্কার কার্যকর হওয়ার পর গত চার বছরে সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় ২০ লাখের বেশি নতুন কর্মী যুক্ত হয়েছেন।

২০২৫ সালের শেষে কর্মরত নারীর সংখ্যা প্রথমবারের মতো ১ কোটি ৩৫ লাখ ছাড়িয়েছে, যা ইতিহাসে সর্বোচ্চ। একই সময়ে পুরুষ কর্মীর সংখ্যাও বেড়ে প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখে দাঁড়িয়েছে। তরুণ ও ৫৫ বছরের বেশি বয়সীদের কর্মসংস্থানও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিদেশি কর্মীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ লাখের বেশি, যা মোট কর্মসংস্থানের প্রায় ১৪ শতাংশ। পাশাপাশি স্বনিয়োজিত কর্মীর সংখ্যাও রেকর্ড গড়ে ৩৪ লাখ ছাড়িয়েছে।

স্বাস্থ্য, পরিবহন, শিক্ষা, বাণিজ্য ও নির্মাণ খাতে সবচেয়ে বেশি নতুন চাকরি সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে স্বাস্থ্য ও পরিবহন খাতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির হার উল্লেখযোগ্য।

এদিকে অস্থায়ী চুক্তিভিত্তিক চাকরির হার কমে নেমেছে ১২.৩ শতাংশে, যা আগের বছরগুলোর তুলনায় অনেক কম। সরকারের মতে, বর্তমানে স্পেনে কর্মসংস্থান শুধু বাড়ছেই না, চাকরির মানও আগের চেয়ে উন্নত হচ্ছে।


ঝড় ‘ফ্রান্সিস’-এর প্রভাবে স্পেনে তীব্র শীত, তুষারপাত ও বৃষ্টি: সড়ক যোগাযোগে চরম ভোগান্তি

স্পেনে ‘ফ্রান্সিস’ নামের শক্তিশালী ঝড়ের প্রভাবে দেশজুড়ে তীব্র শীত, তুষারপাত ও ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এক্সত্রেমাদুরা ও ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জ ছাড়া প্রায় সব স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের অনেক এলাকায় নিম্নভূমিতেও তুষারপাত হচ্ছে। কাতালোনিয়া, মাদ্রিদ, কান্তাব্রিয়া, ভ্যালেন্সিয়া, আন্দালুসিয়া, আরাগোন, কাস্তিয়া-লা মানচা ও মুরসিয়াসহ বহু প্রদেশে তুষার ও বৃষ্টির সতর্কতা জারি রয়েছে। কান্তাব্রিয়ায় তুষারপাতের কারণে উচ্চমাত্রার সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।

ঝড়ের কারণে তাপমাত্রা দ্রুত কমে গেছে। দেশের ভেতরের এলাকায় ব্যাপক তুষার জমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মঙ্গলবারকে চলতি সপ্তাহের সবচেয়ে শীতল দিন বলা হচ্ছে। কোথাও কোথাও তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রির কাছাকাছি নেমে যেতে পারে।

প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সারা দেশে অন্তত ৫২টি সড়কে চলাচলে সমস্যা দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কে যান চলাচল সীমিতভাবে চালু আছে। আন্দালুসিয়ায় ভারী বৃষ্টির কারণে একাধিক আঞ্চলিক সড়ক পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়েছে।

উপকূলীয় এলাকাগুলোতেও উত্তাল সাগরের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলার, যাত্রার আগে আবহাওয়া ও সড়কের সর্বশেষ তথ্য জানার এবং গাড়িতে শীতকালীন সরঞ্জাম রাখার আহ্বান জানিয়েছে।


স্পেনে পুরোনো বাড়ির দাম রেকর্ড পরিমাণ বেড়েছে: ২০২৫ সালের শেষের দিকে বেড়েছে ১৬.২%

স্পেনে পুরোনো বা সেকেন্ড হ্যান্ড বাড়ির দাম ২০২৫ সালের শেষ প্রান্তিকে গত বছরের তুলনায় ১৬.২ শতাংশ বেড়েছে। প্রতি বর্গমিটারের গড় মূল্য দাঁড়িয়েছে ২,৬৩৯ ইউরোতে, যা দেশটির ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। আবাসন বাজার বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান আইডিয়ালিস্তার তথ্যমতে, এটি ২০০৭ সালের আবাসন বুদবুদের পর সবচেয়ে বড় বার্ষিক মূল্যবৃদ্ধি।

আগের প্রান্তিকে বাড়ির দাম বেড়েছিল ১৫.৩ শতাংশ, তবে সর্বশেষ তিন মাসে এই বৃদ্ধি আরও গতি পেয়ে ৪.৮ শতাংশে পৌঁছেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাড়ির দামের এই লাগামহীন বৃদ্ধির মূল কারণ হলো পর্যাপ্ত নতুন বাড়ির অভাব। আইডিয়ালিস্তার মুখপাত্র ফ্রান্সিসকো ইনিয়ারেতা জানান, ২০০৮ সালের অর্থনৈতিক সংকটের পর থেকে স্পেনে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন বাড়ি নির্মাণ সম্ভব হয়নি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, বর্তমান চাহিদা পূরণে দেশে অন্তত সাত লাখ নতুন বাড়ি প্রয়োজন।

আঞ্চলিকভাবে সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে মুরসিয়া অঞ্চলে, যেখানে গত এক বছরে মূল্য বেড়েছে ২৩.৬ শতাংশ। এর পরেই রয়েছে মাদ্রিদ, আন্দালুসিয়া ও কান্তাব্রিয়া। অন্যদিকে, বালেয়ারিক দ্বীপপুঞ্জ এখনো স্পেনের সবচেয়ে ব্যয়বহুল অঞ্চল, যেখানে প্রতি বর্গমিটারের দাম ছাড়িয়েছে ৫,১৬০ ইউরো।

রাজধানীগুলোর মধ্যে সান সেবাস্তিয়ান সবচেয়ে দামী শহর হিসেবে শীর্ষে রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নতুন ও বাস্তবমুখী আবাসন নীতি এবং বাড়ি নির্মাণ খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো না হলে এই সংকট সহজে কাটবে না।


ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জায়েনে ৩৮ বছর বয়সী নারীকে হত্যা

৪ জানুয়ারি স্পেনের জায়েন প্রদেশের কেসাদা এলাকায় ৩৮ বছর বয়সী এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি পারিবারিক সহিংসতা থেকে ঘটেছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে দেশটির সিভিল গার্ড। প্রাথমিকভাবে এটি নারী নির্যাতনজনিত হত্যাকাণ্ড বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। নিশ্চিত হলে এটি ২০২৬ সালের স্পেনে প্রথম নারী হত্যা (ফেমিনিসাইড) হিসেবে নথিভুক্ত হবে।

রোববার বিকেল প্রায় ৩টা ৪৫ মিনিটে জরুরি নম্বর ১১২-এ খবর আসে। কেসাদার ‘লস মোলিনোস’ নামের একটি নির্জন এলাকায় মরদেহটি পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্বাস্থ্যকর্মী, স্থানীয় পুলিশ ও সিভিল গার্ড মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। নিহতের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল বলে জানা গেছে। নিহত নারীর সাবেক সঙ্গীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

ঘটনার তদন্ত এখন প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জায়েনের ফরেনসিক মেডিকেল ইনস্টিটিউট মরদেহের ময়নাতদন্ত করবে, যার ফল তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সরকারের নারী নির্যাতনবিরোধী দপ্তর জানিয়েছে, তারা সম্ভাব্য নারী হত্যার তথ্য সংগ্রহ করছে। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে স্পেনে সঙ্গী বা সাবেক সঙ্গীর হাতে ৪৬ জন নারী নিহত হন। ২০০৩ সাল থেকে সরকারি হিসাব অনুযায়ী এ পর্যন্ত মোট ১,৩৪১ জন নারী এ ধরনের সহিংসতার শিকার হয়েছেন।

এ ঘটনায় জায়েনের সরকারি প্রতিনিধি ম্যানুয়েল ফের্নান্দেস গভীর নিন্দা জানিয়েছেন। নারী নির্যাতনের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবার ২৪ ঘণ্টা চালু সহায়তা নম্বর ০১৬-এ যোগাযোগ করতে পারেন। জরুরি পরিস্থিতিতে ১১২ নম্বরে ফোন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।


মাদ্রিদে মারধরের শিকার হয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু, সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার

মাদ্রিদের লেগানেস শহরে একটি বাসভবনের ভেতরে ভয়াবহ মারধরের ঘটনায় এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত একজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

স্থানীয় সময় রবিবার রাত প্রায় সাড়ে আটটার দিকে ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ জানায়, ৫১ বছর বয়সী এক ব্যক্তি ৪৮ বছর বয়সী আরেকজনকে ঘুষি ও লাথি মেরে গুরুতর আহত করেন। মারধরের সময় তিনি ধারাবাহিকভাবে আঘাত করতে থাকেন। গুরুতর অবস্থায় আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন হামলাকারীকে আটক করে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, নিহত ও অভিযুক্ত ব্যক্তির মধ্যে আগে থেকেই ব্যক্তিগত বিরোধ ছিল।

পুলিশ হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনার সঠিক কারণ ও প্রেক্ষাপট জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।


কাতালোনিয়ায় বিশেষ শিক্ষার্থীদের জন্যে শিক্ষাদানে ‘সহায়তা ঘণ্টা’ ১৮% বৃদ্ধি, বাজেটও বেড়েছে ৩২%

কাতালোনিয়ায় সরকারি বিদ্যালয়ে বিশেষ শিক্ষার্থীদের সহায়তা ও মনিটরিং ঘণ্টা এই জানুয়ারি থেকে ১৮% বৃদ্ধি করা হয়েছে। নতুন চুক্তির আওতায় এই পরিষেবা আগামী ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের শেষ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

শিক্ষা দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই সহায়তার জন্য মোট বাজেট ৬২.৬২ মিলিয়ন ইউরো নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের বাকি সময়ে ব্যয় হবে ২৩.৭৭ মিলিয়ন ইউরো এবং ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে ৩৮.৮৬ মিলিয়ন ইউরো। এর ফলে প্রতি শিক্ষাবর্ষে বিনিয়োগের পরিমাণ ৩২.৭% বেড়েছে।

নতুন চুক্তি অনুযায়ী সপ্তাহে ৬৪,৪৪৭ ঘণ্টা সহায়তা প্রদান করা হবে, যা আগের বছরের ৫৪,৬৯৭ ঘণ্টার চেয়ে প্রায় ১৮% বেশি। বিশেষ শিক্ষার্থীদের সহায়তা ঘণ্টাগুলো অঞ্চল এবং স্কুলের প্রয়োজন অনুযায়ী বিতরণ করা হবে, যা শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন রিপোর্ট ও শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের সুপারিশের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে।

চুক্তিতে বছরের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ঘণ্টা আরও বৃদ্ধি পাবে, কারণ এই সময়ে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি, শিক্ষামূলক কার্যক্রম, এবং বিদ্যালয়ের বাইরের কার্যক্রমে সহায়তার চাহিদা বেশি থাকে। শিক্ষা দপ্তর আশা করছে, এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের শিখন প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য সহায়তা করবে।

 

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৭৮২

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৫৯ এম
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৭৮২

দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৭৮২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০৯ জনে। এর মধ্যে আগস্ট মাসে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৩ দিনে মারা গেছেন ১১২ জন। এছাড়া জুলাইয়ে ৩৬ জন, জুনে ১৩ জন, মে মাসে একজন এবং জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

বুলেটিনে বলা হয়, বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ৭৮২ জন ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৯ হাজার ১৪৯ জনে।

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসা শেষে ১ হাজার ৭৫৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড় পেয়েছেন। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬৩ হাজার ৮৭৪ জন।

বিভাগভিত্তিক হিসাবে, গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে নতুন রোগীর সংখ্যা ৭১৬ জন। এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে ২৮৮ জন, খুলনায় ২৮৬ জন, বরিশালে ১৬৪ জন, রাজশাহীতে ১৩০ জন, ময়মনসিংহে ১০৮ জন, রংপুরে ৭৩ জন এবং সিলেট বিভাগে ১৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার অধিকারে বাংলাদেশের অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৪৯ এম
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার অধিকারে বাংলাদেশের অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত

ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ন্যায্য দাবির প্রতি বাংলাদেশের অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে বিশ্বজুড়ে চলমান যুদ্ধ ও সংঘাত বন্ধে আলোচনা, কূটনীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে দেওয়া ভাষণে ফিলিস্তিনসহ বৈশ্বিক বিভিন্ন সংকটে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান বলেন, “স্বাধীনতাকামী ফিলিস্তিনি জনগণের দুর্দশা নিয়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগণের মনে উদ্বেগ রয়েছে।”

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

তিনি বলেন, “আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার এবং একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের অধিকারসহ তাদের ন্যায্য দাবির প্রতি বাংলাদেশ পুনরায় তার অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছে।”

যুদ্ধ-সংঘাতে বাড়ছে বাস্তুচ্যুতি, মানবিক সংকট

ভাষণে বিশ্বজুড়ে চলমান সংঘাতের প্রভাব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানবসৃষ্ট সংঘাতের কারণে বিভিন্ন দেশে অশান্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিপুলসংখ্যক মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে এবং সৃষ্টি হচ্ছে একের পর এক মানবিক সংকট।

যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিও তীব্র চাপের মুখে পড়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। জ্বালানি নিরাপত্তার সংকট, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন এবং ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

সংঘাতের সমাধান আলোচনায়, কূটনীতিতে

বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতের সমাধানে সামরিক শক্তির পরিবর্তে আলোচনা ও কূটনৈতিক উদ্যোগকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তারেক রহমান।

তিনি বলেন, যেকোনো সংঘাতের সমাধান আলোচনা, কূটনৈতিক প্রক্রিয়া ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে হওয়া উচিত।

বিবদমান রাষ্ট্রগুলোর সম্পর্কের ভিত্তি হিসেবে সমতা, ন্যায্যতা, পারস্পরিক স্বার্থরক্ষা এবং সম্মান ও মর্যাদার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের প্রত্যাশা এমন একটি শান্তিময় ও মানবিক বিশ্ব সমাজ, যেখানে মারণাস্ত্র নয়; বরং পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠবে যুক্তি-তর্ক, কূটনীতি, শিক্ষা ও মানবতা।”

জাতিসংঘকে কেন্দ্র করে সমঝোতামূলক বিশ্ব

একটি সমঝোতামূলক বিশ্ব সমাজ প্রতিষ্ঠার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে জাতিসংঘকে দেখতে চায় বাংলাদেশ—ভাষণে এমন প্রত্যাশার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বিশ্বের এক প্রান্তের সংঘাত ও সংকট অন্য প্রান্তের দেশগুলোকেও প্রভাবিত করে। এ বাস্তবতায় পারস্পরিক সহযোগিতা, কূটনীতি ও বহুপাক্ষিক ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

উন্নয়নের অর্থ সামরিক খাতে সরিয়ে নেওয়া নিয়ে উদ্বেগ

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উন্নয়ন খাতের বরাদ্দ সামরিক ব্যয়ে স্থানান্তরের প্রবণতাকে বিশ্বশান্তির পথে অন্যতম বাধা হিসেবে তুলে ধরেন তারেক রহমান।

শান্তিপ্রিয় দেশ হিসেবে বাংলাদেশ পূর্ণাঙ্গ ও সাধারণ নিরস্ত্রীকরণ, পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ এবং অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানান তিনি।

বিশ্বশান্তিতে বাংলাদেশের ভূমিকার বার্তা

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবদানের কথাও ভাষণে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা মানবতার সেবায় কাজ করছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার অব্যাহত থাকবে।

ভাষণের শেষদিকে বিশ্ব মানবতা ও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের যেকোনো উদ্যোগের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন তারেক রহমান।

আলোচনা, পারস্পরিক সম্মান, কূটনীতি ও সহযোগিতার ভিত্তিতে একটি শান্তিময় ও মানবিক বিশ্ব গড়ে তোলার প্রত্যাশার কথাও জানান তিনি।

নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে মালয়েশিয়ার বিনিয়োগ চায় ডিসিসিআই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৬ এম
নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে মালয়েশিয়ার বিনিয়োগ চায় ডিসিসিআই

বাংলাদেশের জ্বালানি, নবায়নযোগ্য শক্তি ও বিনিয়োগ খাতে সহযোগিতা বাড়াতে মালয়েশিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষতা উন্নয়ন ও যৌথ বিনিয়োগের মাধ্যমে দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ।

বৃহস্পতিবার কুয়ালালামপুরের একটি হোটেলে মালয়েশিয়ার উপ-অর্থমন্ত্রী লিউ চিন টংয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকালে তাসকীন আহমেদ বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে মোট বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ২ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। দুই দেশের বাণিজ্য আরও সম্প্রসারণে নতুন নতুন অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি এবং সরকার পর্যায়ে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। পারস্পরিক আস্থা, অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা সম্ভব বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি জ্বালানি সরবরাহ, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি প্রণোদনা ও বিনিয়োগ সহায়ক বিভিন্ন সুবিধা ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে মালয়েশিয়ার উদ্যোক্তারা এ খাতে বিনিয়োগ করতে পারেন।

এ খাতে দীর্ঘমেয়াদি ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে মালয়েশিয়া সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। পাশাপাশি প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষতা উন্নয়ন এবং যৌথ বিনিয়োগের মাধ্যমে দুই দেশের সহযোগিতা আরও কার্যকর ও টেকসই করা সম্ভব বলে মত দেন।

এ সময় মালয়েশিয়ার উপ-অর্থমন্ত্রী লিউ চিন টং বলেন, দেশটির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে বিপুলসংখ্যক দক্ষ জনবলের চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশের বৃহৎ তরুণ জনগোষ্ঠীকে প্রয়োজনীয় কারিগরি ও পেশাগত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারলে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে তাদের জন্য উল্লেখযোগ্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে আন্তর্জাতিক লেনদেন ব্যবস্থা আরও আধুনিক করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে ইসলামিক ফাইন্যান্সিংয়ের সম্প্রসারণ, উদ্ভাবনী আর্থিক পণ্য তৈরি এবং কার্যকর আর্থিক অবকাঠামো গড়ে তুলতে মালয়েশিয়ার অভিজ্ঞতা ও মডেল বাংলাদেশের জন্য অনুসরণযোগ্য হতে পারে।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) খাতের সাফল্যের কথাও তুলে ধরেন তাসকীন আহমেদ। তিনি বলেন, বাংলাদেশের এমএফএস মডেল বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ব্যবহৃত হচ্ছে। মালয়েশিয়াও বাংলাদেশের এ খাতের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারে।
ডিসিসিআই সভাপতি আরও বলেন, বাংলাদেশ প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি করে। ফলে দেশটি একটি বড় ও সম্ভাবনাময় ভোক্তা বাজারে পরিণত হয়েছে। এই বাজারের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে মালয়েশিয়ার রপ্তানিকারকদের বাংলাদেশে ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং রপ্তানি বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

তিনি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব জোরদার, পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ানো এবং পারস্পরিক বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন।
সাক্ষাৎকালে ডিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী ও সহ-সভাপতি সালিম সোলায়মান উপস্থিত ছিলেন।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক