ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিকীর অন্যায্য সাজা প্রত্যাহারের দাবিতে লন্ডনে বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি প্রদান
ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সদস্য টিউলিপ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশের কোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত অন্যায্য সাজা প্রত্যাহারের দাবিতে সোমবার ২২ ডিসেম্বর লন্ডনে এক বিক্ষোভ সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
Victim Support International UK–এর উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচি দুপুর ১টায় লন্ডনের২৮ কইন গেট (28 Queen’s Gate) এ অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ড. আজিজুল আম্বিয়া এবং পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুম বিল্লাহ। এতে মানবাধিকারকর্মী, প্রবাসী বাংলাদেশি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, টিউলিপ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে প্রদত্ত সাজা আন্তর্জাতিক আইন, ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। এটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও বিচার ব্যবস্থার চরম অপব্যবহারের একটি জ্বলন্ত উদাহরণ। বক্তারা অবিলম্বে এ সাজা প্রত্যাহার এবং মতপ্রকাশ ও রাজনৈতিক অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন,বিবিসির সাবেক সাংবাদিক শামীম চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা দেওয়ান গৌস সুলতান, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি সৈয়দ এনামুল ইসলাম, কাউন্সিলর পুস্পিতা গুপ্তা, বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ জয়নাল আবেদীন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শাহাবুদ্দিন আহমদ বাচ্চু ও নজরুল ইসলাম অকিব, সাংবাদিক জুয়েল রাজ, মানবাধিকারকর্মী আব্দুল হেলাল চৌধুরী সেলিম, আরুক চৌধুরী, আবছানা রহমান, শাকিল আহমেদ সোহাগ, আল জাবির, হামজা রহমান (অন্তর), পিকুল শেখ, নুসরাত জাহান পর্না, কাউসিক দেব, জাকির হোসেন প্রমুখ।
সমাবেশ শেষে বিক্ষোভকারীদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ হাইকমিশনে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। স্মারকলিপিতে টিউলিপ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে প্রদত্ত রায় বাতিলসহ ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। ভিকটিম সাপোর্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউকে:(Victim Support International UK) এর সভাপতি ড. আজিজুল আম্বিয়া বলেন,“ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের প্রশ্নে আমরা কোনো আপস করব না। আজকের এই কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন,এই আন্দোলন কোনো ব্যক্তিবিশেষের জন্য নয়; এটি ন্যায়, মানবাধিকার ও গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রাম।”
আয়োজকরা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তাদের প্রতিবাদ ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।













