বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষ

কী ভুলের কারণে ঘটলো স্মরণকালের এমন ভয়াবহ দুর্ঘটনা?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৫৮ এম
কী ভুলের কারণে ঘটলো স্মরণকালের এমন ভয়াবহ দুর্ঘটনা?

স্পেনের তোলেদো প্রদেশের উর্দার কাছে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষের পেছনে রেলপথের নিরাপত্তাব্যবস্থায় ত্রুটি এবং ট্রেন চলাচল নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য ভুল সিদ্ধান্তের বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। ২৮ অক্টোবর সকালে রেলপথের নিরাপত্তাব্যবস্থা এলজেডবি (LZB) কাজ করা বন্ধ করে দেওয়ার পর দুর্ঘটনাটি ঘটে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, রেনফের একটি এভিই ট্রেন একই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ইরিওর একটি ট্রেনের পেছনে ধাক্কা দেয়।

কীভাবে শুরু হয় সমস্যা?

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কয়েকটি কম্পিউটারের মধ্যে যোগাযোগের সমস্যার কারণে এলজেডবি ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যায়। এই ব্যবস্থা ট্রেনের অবস্থান ও গতি পর্যবেক্ষণ করে এবং বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্রেক প্রয়োগ করতে পারে। ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট রেলপথে চলাচলকারী কয়েকটি ট্রেন থেমে যায়।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এলজেডবি বন্ধ হলে কী হওয়ার কথা?

এলজেডবি কাজ না করলেও ট্রেন চালানো অসম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে বিকল্প নিয়মে রেল চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। চালকদের রেললাইনের পাশের সংকেত মেনে চলতে হয় এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী গতি কমিয়ে এমনভাবে এগোতে হয়, যাতে সামনে বাধা দেখা দিলে ট্রেন থামানো যায়। রেল চলাচল নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রকেও নিশ্চিত করতে হয় যে সংশ্লিষ্ট পথে অন্য কোনো ট্রেন আটকে নেই।

কোথায় ভুল হয়ে থাকতে পারে?

স্পেনের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম আরটিভিই এবং অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিরাপত্তাব্যবস্থা বন্ধ হওয়ার পর আদিফের মাদ্রিদের নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র থেকে রেনফের এভিই ট্রেনটিকে আবার চলার অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু একই পথে ইরিওর ট্রেনটি তখনও দাঁড়িয়ে ছিল বলে প্রাথমিক তথ্য থেকে জানা যাচ্ছে। ফলে এভিই ট্রেনটি সামনে থাকা ট্রেনটির পেছনে গিয়ে ধাক্কা দেয়।

প্রকাশিত অডিও রেকর্ডিং সম্পর্কিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রের এক কর্মী এভিই ট্রেনের চালককে বিকল্প সংকেতব্যবস্থার অধীনে স্বাভাবিক গতিতে চলা শুরু করতে বলেছিলেন। অন্যদিকে, ইরিও ট্রেনের চালকও নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রকে জানিয়েছিলেন যে তাঁর ট্রেনটি তখনও দাঁড়িয়ে রয়েছে। এই তথ্যগুলো থেকে নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রে যোগাযোগ, ট্রেনের অবস্থান যাচাই এবং চলার অনুমতি দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে।

তাহলে কি এলজেডবি নষ্ট হওয়াই দুর্ঘটনার কারণ?

শুধু এলজেডবি ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়াকে দুর্ঘটনার সম্পূর্ণ কারণ বলা যাবে না। এ ধরনের পরিস্থিতির জন্য বিকল্প নিরাপত্তাব্যবস্থা ও নির্দিষ্ট পরিচালনাবিধি থাকার কথা। তদন্তে এখন গুরুত্বপূর্ণ হলো, বিকল্প ব্যবস্থার নিয়ম ঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনটির অবস্থান যাচাই করা হয়েছিল কি না এবং এভিই ট্রেনকে চলার অনুমতি দেওয়ার সময় কী তথ্য নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রের কাছে ছিল।

রেল দুর্ঘটনা তদন্তকারীদের ট্রেনের তথ্য রেকর্ড, নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রের অডিও, সংকেতব্যবস্থার নথি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীদের বক্তব্য পরীক্ষা করে এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হবে।

প্রাথমিক মূল্যায়ন

এখন পর্যন্ত প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনাটির সম্ভাব্য ব্যাখ্যা হলো, প্রথমে এলজেডবি নিরাপত্তাব্যবস্থায় প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দেয়। এরপর বিকল্প ব্যবস্থায় ট্রেন চলাচল পুনরায় চালুর সময় কোনো ভুল সিদ্ধান্ত বা নিয়ম প্রয়োগে ত্রুটি হয়ে থাকতে পারে। তবে চূড়ান্ত তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ বা দায়ী ব্যক্তি সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না।

স্বর্ণের দাম অপরিবর্তিত রেখে বিক্রি চলছে দেশের বাজারে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩৭ এম
স্বর্ণের দাম অপরিবর্তিত রেখে বিক্রি চলছে দেশের বাজারে

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নতুন করে মূল্য সমন্বয়ের কোনো ঘোষণা না দেওয়ায় আজ বৃহস্পতিবার আগের নির্ধারিত দামেই অলঙ্কার তৈরির এই মূল্যবান ধাতু বিক্রি হচ্ছে।

আগের বাড়তি দামেই চলছে বেচাকেনা।

সর্বশেষ বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাজুস। সংগঠনটির নির্ধারিত মূল্যতালিকা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বাজারে বর্তমানে সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকায়। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা রয়েছে ২ লাখ ১৩ হাজার ৪৩ টাকা।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এদিকে ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫০ টাকা। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম বহাল রয়েছে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৭৪ টাকায়।

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, এই মূল্যতালিকা গত ২৮ অক্টোবর সকাল ১০টা থেকে সারা দেশের জুয়েলারি দোকানগুলোতে কার্যকর হয়েছে।

 

আরব ভোটারদের জোরালো উপস্থিতি, চাপে নেতানিয়াহুর ক্ষমতা ধরে রাখার সমীকরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩০ এম
আরব ভোটারদের জোরালো উপস্থিতি, চাপে নেতানিয়াহুর ক্ষমতা ধরে রাখার সমীকরণ

ইসরায়েলের জাতীয় নির্বাচনে আরব দলগুলোর সম্ভাব্য বড় সাফল্য দেশটির সরকার গঠনের সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বুথফেরত জরিপের আভাস অনুযায়ী, পার্লামেন্টে রেকর্ডসংখ্যক আসন পেতে পারে দেশটির প্রধান দুই আরব দল। এতে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরোধী জোটের সরকার গঠনের সম্ভাবনায় দল দুটির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল এখনো ঘোষণা করা হয়নি। তবে সম্প্রচারমাধ্যমগুলোর বুথফেরত জরিপে আরব দলগুলোর ভালো করার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। দল দুটি হলো সামাজিকভাবে রক্ষণশীল ইউনাইটেড আরব লিস্ট (রাআম) এবং বামপন্থী জয়েন্ট লিস্ট।

আরব দলগুলোর এই অবস্থান নেতানিয়াহুবিরোধী শিবিরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তবে সরকার গঠনে তাদের সমর্থন পাওয়া সহজ হবে না। ইসরায়েলের অনেক ইহুদি ভোটার মনে করেন, সরকার গঠনের ক্ষেত্রে আরব আইনপ্রণেতাদের সমর্থনের ওপর নির্ভর করা উচিত নয়।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

রাআমের নেতা মনসুর আব্বাস বলেছেন, আরব ভোটারদের ব্যাপক অংশগ্রহণ তাঁদের হতাশা ও নিরাশাকে আশায় রূপান্তরের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তিনি নেতানিয়াহুর সরকারের পরিবর্তন চান এবং সেই লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক একটি সরকার গঠনকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।

ইসরায়েলের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২০ শতাংশ আরব। তাঁদের অধিকাংশই ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত। ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সময় আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পরও যাঁরা নিজ ভূখণ্ডে থেকে গিয়েছিলেন, তাঁদের বংশধররাই এখন দেশটির আরব নাগরিকদের বড় অংশ।

দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলের আরব নাগরিকদের মধ্যে ভোটদানে অনীহা দেখা গেছে। দেশটির ইহুদি রাষ্ট্র হিসেবে পরিচয়, রাজনৈতিক মতপার্থক্য এবং বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার কারণে অনেকেই নির্বাচনে অংশ নেওয়া থেকে বিরত থেকেছেন। তবে এবারের নির্বাচনে পশ্চিম তীর ও গাজায় ফিলিস্তিনিদের প্রতি নেতানিয়াহু সরকারের নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ আরব ভোটারদের অংশগ্রহণ বাড়াতে ভূমিকা রেখেছে বলে অনেকে মনে করছেন।

আরব-ইসরায়েলি ভোটার খুলুদ আল-জেইনাতি বলেন, মানুষ বুঝতে পারছে, এবারের নির্বাচন সাধারণ কোনো নির্বাচন নয়। তাঁরা পরিবর্তন চান। তাঁর মতে, আরব সম্প্রদায়ের মানুষের জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৈষম্য মোকাবিলায় ভোট দেওয়া জরুরি।

নির্বাচনে ভালো ফলের আভাস পাওয়া দুই আরব দলের মধ্যে এর আগে সরকারে যোগ দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে শুধু রাআমের। ২০২১ সালে দলটি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটের নেতৃত্বাধীন নেতানিয়াহুবিরোধী জোট সরকারে অংশ নিয়েছিল। তবে প্রায় এক বছর পর সেই সরকারের পতন ঘটে।

পরবর্তী সময়ে নেতানিয়াহু আবার ক্ষমতায় ফিরে ইসরায়েলের ইতিহাসে অন্যতম ডানপন্থী সরকার গঠন করেন। এবার আরব দলগুলোর সম্ভাব্য সাফল্য এবং তাদের সমর্থনের হিসাব-নিকাশ নতুন করে সরকার গঠনের আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে। তবে চূড়ান্ত ফল ও জোটের অবস্থান স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

 

মিরপুর থেকে শুরু, পুরো ঢাকায় চলবে দখলবিরোধী অভিযান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২৬ এম
মিরপুর থেকে শুরু, পুরো ঢাকায় চলবে দখলবিরোধী অভিযান

মিরপুরসহ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত অবৈধ দখলমুক্ত করতে ধারাবাহিকভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে ও বিকেলে রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বর সেকশনে দুই দফায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার সময় তিনি এ কথা জানান।

শফিকুল ইসলাম খান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কিছু অসাধু হকার ও দখলদার সড়ক ও ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। এতে সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্নে চলাচল ব্যাহত হচ্ছিল। এ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও বিভিন্ন মার্কেট কমিটির নেতারা দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ জানিয়ে আসছেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

তিনি বলেন, জনগণের হাঁটার পথ উন্মুক্ত রাখা নৈতিক দায়িত্ব। সাধারণ মানুষের চলাচলের অধিকার নিশ্চিত করতে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে পর্যায়ক্রমে পুরো ঢাকা শহরেই অভিযান পরিচালনা করা হবে। ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

প্রশাসক আরও বলেন, পরাজিত শক্তি ও ফ্যাসিবাদী কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা পালিয়ে যাওয়ার পরও তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কেউ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘ক্লিন ঢাকা, গ্রিন ঢাকা’ উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করলে তা সফল হতে দেওয়া হবে না। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে পাশ কাটিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অভিযানে ডিএনসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা আক্তার নেলীর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। এ সময় স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা, ডিএনসিসির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ সহযোগিতা করেন।

সড়ক ও ফুটপাতের অবৈধ দখল রোধ এবং পথচারীদের চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে নগরবাসীর সহযোগিতা চেয়েছে ডিএনসিসি প্রশাসন।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক