মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

স্পেন

স্থানীয় বাণিজ্যে ইউরোপীয় স্বীকৃতি পেল বার্সেলোনা

বার্সেলোনা প্রতিনিধি স্পেন প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৭ পিএম
স্থানীয় বাণিজ্যে ইউরোপীয় স্বীকৃতি পেল বার্সেলোনা

স্থানীয় বাণিজ্যে বিশেষ অবদানের জন্য বার্সেলোনাকে ‘ইউরোপীয় স্থানীয় বাণিজ্যের রাজধানী’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এ উপলক্ষে শহরের স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাণিজ্যসংশ্লিষ্টদের উদ্দেশে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন বার্সেলোনার মেয়র জাউমে কলবোনি।

২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পাঠানো ওই চিঠিতে মেয়র স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, প্রতিদিন দোকান খোলা, পণ্যের মজুত দেখা কিংবা ক্রেতাদের সেবা দেওয়ার মধ্য দিয়ে তারা শুধু ব্যবসা পরিচালনা করছেন না; বরং শহরের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামাজিক সংহতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।

চিঠিতে বলা হয়, উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাণিজ্য খাতের সঙ্গে যুক্ত মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং শহরের বাণিজ্যিক সংগঠনগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণ বার্সেলোনার স্থানীয় বাণিজ্যকে ইউরোপের জন্য অনুপ্রেরণার একটি মডেলে পরিণত করেছে। এই মডেলে উৎকর্ষ, উদ্ভাবন, মানুষের কাছাকাছি থাকা এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ—সবকিছুর সমন্বয় রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

বার্সেলোনা সিটি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই স্বীকৃতি উদ্‌যাপনে ২০২৬ সালে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও উদ্যোগ নেওয়া হবে। এসব আয়োজনে স্থানীয় ব্যবসায়ী, নগরবাসী ও শহরের কেন্দ্রীয় এলাকার বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে ব্যবসায়ীদের অভিজ্ঞতা, নতুন ধারণা ও উদ্ভাবন নিয়ে আলোচনা করার পাশাপাশি স্থানীয় বাণিজ্যকে কীভাবে আরও সুরক্ষিত ও শক্তিশালী করা যায়, তা নিয়েও আলোচনা হবে।

মেয়রের চিঠিতে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের এই আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি যারা এখনো কোনো বাণিজ্যিক সংগঠনের সদস্য নন, তাদেরও স্থানীয় বাণিজ্যিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্য উৎসাহিত করা হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, স্থানীয় বাণিজ্য শুধু অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের অংশ নয়; এটি শহরের সামাজিক বন্ধন ও নাগরিক জীবনেরও গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। তাই বার্সেলোনার ব্যবসায়ীদের অবদানকে সামনে আনতেই বছরজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে।

চিঠির শেষাংশে মেয়র স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দোকানে সিটি কর্তৃপক্ষের দেওয়া একটি স্টিকার প্রদর্শনের আহ্বান জানান। তার ভাষায়, প্রতিদিনের কাজের মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা যে মূল্য তৈরি করছেন, তা শহরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং তারা এমন একটি বাণিজ্যিক নেটওয়ার্কের অংশ, যা ইউরোপের অন্য শহগুলোর কাছেও অনুপ্রেরণার হয়ে উঠেছে।

চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন বার্সেলোনার মেয়র জাউমে কলবোনি কুয়াদ্রাদো। এতে শহরের স্থানীয় বাণিজ্য খাতকে বার্সেলোনার অর্থনীতি ও সামাজিক জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

ঢাকা–আরিচা মহাসড়কে মৃত্যুঝুঁকিতে পথচারী: লোকাল লেনের সংযোগ না থাকায় হাইওয়ে পারাপারে বাড়ছে দুর্ঘটনার শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২০ পিএম
ঢাকা–আরিচা মহাসড়কে মৃত্যুঝুঁকিতে পথচারী: লোকাল লেনের সংযোগ না থাকায় হাইওয়ে পারাপারে বাড়ছে দুর্ঘটনার শঙ্কা

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে লোকাল লেনের সঙ্গে পর্যাপ্ত প্রবেশ ও পারাপারের ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মহাসড়ক পার হচ্ছেন শিশু, নারী, বৃদ্ধসহ অসংখ্য পথচারী। রাজধানীর আমিনবাজার থেকে হেমায়েতপুর, সাভারসহ মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকায় এমন চিত্র দেখা যাচ্ছে।

ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে দ্রুত ও নির্বিঘ্ন যোগাযোগ এবং যানজট নিরসনের লক্ষ্যে মহাসড়কটি চার লেনে উন্নীত করা হয়। তবে পথচারীদের নিরাপদ পারাপারের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় অনেক এলাকায় এই মহাসড়কই এখন দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মহাসড়কের পাশে থাকা লোকাল লেন ব্যবহার না করে অনেক লোকাল যাত্রীবাহী বাস সরাসরি হাইওয়ে লেন দিয়ে চলাচল করছে। একই সঙ্গে নির্দিষ্ট বাসস্টপ বা নিরাপদ স্থানে যাত্রী না নামিয়ে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে যাত্রী নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ফলে বাস থেকে নামার পর গন্তব্যে যেতে যাত্রীদের বাধ্য হয়ে ব্যস্ত মহাসড়ক পার হতে হচ্ছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

বিশেষ করে শিশু, নারী ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও ঝুঁকিপূর্ণ। দ্রুতগতির যানবাহনের মধ্য দিয়ে রাস্তা পার হতে গিয়ে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “বাসগুলো হাইওয়েতে এসে যাত্রী নামিয়ে দেয়। কিন্তু রাস্তার ওপারে যাওয়ার জন্য কোনো নিরাপদ ব্যবস্থা নেই। ছোট বাচ্চা ও বয়স্ক মানুষদেরও ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার হতে হয়।”

এলাকাবাসীর দাবি, যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। লোকাল যাত্রীবাহী বাসগুলোকে নির্ধারিত লোকাল লেন ব্যবহার ও নির্দিষ্ট স্টপেজে যাত্রী ওঠানামার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।পাশাপাশি যেসব স্থানে যাত্রী পারাপারের চাপ বেশি, সেখানে ফুটওভার ব্রিজ, আন্ডারপাস বা নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

তাদের মতে, চার লেনের মহাসড়ক নির্মাণের মূল উদ্দেশ্য ছিল দ্রুত ও নিরাপদ যোগাযোগ নিশ্চিত করা। কিন্তু যাত্রী ওঠানামা ও পথচারী পারাপারের সুষ্ঠু ব্যবস্থা না থাকলে উন্নত সড়কও মানুষের জন্য নিরাপত্তাঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত নজরদারি, বাসের নির্ধারিত লেন ও স্টপেজ নিশ্চিত করা এবং পথচারীদের নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

দুই দশক পর ইরাক ছাড়ছে মার্কিন সেনারা, কী হবে এরপর?

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩০ পিএম
দুই দশক পর ইরাক ছাড়ছে মার্কিন সেনারা, কী হবে এরপর?

দীর্ঘ দুই দশকের রক্তক্ষয়ী সংঘাত ও সাড়ে চার হাজারের বেশি মার্কিন সেনার মৃত্যুর স্মৃতি পেছনে ফেলে অবশেষে ইরাক থেকে সামরিক উপস্থিতি গুটিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবারের মধ্যে দেশটিতে থাকা অবশিষ্ট মার্কিন ঘাঁটিগুলোর কার্যক্রম বন্ধ করে সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

২০২৪ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনের নেওয়া সিদ্ধান্তই বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন বাস্তবায়ন করছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই বিদায়কে বড় ধরনের কৌশলগত সাফল্য হিসেবে দেখছে ইরান ও দেশটির সমর্থিত সশস্ত্র শিয়া গোষ্ঠীগুলো।

ইরাকি ইসলামিক রেজিস্ট্যান্সের শীর্ষ কমান্ডার আবু মুজতবা আল-ইয়াসিরি মার্কিন বাহিনীর প্রস্থানকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের নগ্ন সাম্রাজ্যবাদী চক্রান্তের শোচনীয় পরাজয় এবং স্বাধীনতাকামী ইরাকিদের ঐতিহাসিক জয়’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। শিয়া প্রতিরোধ দলগুলো আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরকে ইরাকের ইতিহাস থেকে একটি ‘কালো অধ্যায়’ মুছে ফেলার দিন হিসেবে উদযাপনের ঘোষণা দিয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির সহসভাপতি আমির হায়াত মুকাদ্দামও মার্কিন সেনা প্রত্যাহারকে স্বাগত জানিয়েছেন। তার দাবি, আমেরিকানদের বিতাড়নের মাধ্যমেই পুরো অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি হবে।

তবে মার্কিন সেনাদের বিদায়ে ইরানের সমর্থক গোষ্ঠীগুলো সন্তুষ্ট হলেও ইরাকের অনেক সাধারণ মানুষ ও সুন্নি উপজাতি নেতা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ফালুজার সুন্নি নেতা আব্দুলরহমান আল-জুবাই সতর্ক করে বলেছেন, দেশের পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থা সামাল দেওয়ার মতো সক্ষমতা ইরাকি বাহিনীর এখনো তৈরি হয়নি। তার আশঙ্কা, মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ফলে সৃষ্ট নিরাপত্তা শূন্যতা ইরাককে আবারও বিশৃঙ্খলা ও ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

২০০৩ সালে মার্কিন আগ্রাসনে সাদ্দাম হোসেনের পতনের পর থেকেই ইরাক ওয়াশিংটন ও তেহরানের দীর্ঘস্থায়ী ছায়াযুদ্ধের অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র হয়ে ওঠে। এখন মার্কিন বাহিনী সরে যাওয়ায় দেশটির নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা ব্যবস্থায় তৈরি হওয়া শূন্যতার সুযোগ নিতে পারে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট বা আইএস।

কুর্দি সামরিক কমান্ডার সিরওয়ান বারজানি ও ইরাকি নিরাপত্তা কর্মকর্তারাও এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন। তাদের দাবি, মার্কিন ড্রোন ও গোয়েন্দা নজরদারি কমে যাওয়ার সুযোগে আইএসের সুপ্ত সেলগুলো আবার সক্রিয় হতে পারে।

কিরকুকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা কর্নেল খালিদ আল-বায়াতী জানিয়েছেন, মার্কিন সেনাদের বিদায়ের সময় নিজেদের সক্ষমতা জানান দিতে আত্মঘাতী হামলার পরিকল্পনা করতে পারে জঙ্গিরা।

ফলে একদিকে ইরানের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা প্রভাব বাড়ার সম্ভাবনা, অন্যদিকে আইএসের সম্ভাব্য পুনরুত্থানের আশঙ্কা সব মিলিয়ে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের এই সন্ধিক্ষণে নতুন অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড়িয়ে আছে ইরাক।

এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কিনবে সরকার, অক্টোবরে চুক্তি: বিমানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২৮ পিএম
এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কিনবে সরকার, অক্টোবরে চুক্তি: বিমানমন্ত্রী

রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত করতে ফ্রান্সের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কিনতে যাচ্ছে সরকার। আগামী অক্টোবরেই এ বিষয়ে চুক্তি হতে পারে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে দুটি চুক্তির কথা চলতি বছরে প্রকাশ্যে এসেছে। এর মধ্যে গত ৩০ এপ্রিল ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সঙ্গে বোয়িংয়ের একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়। ওই চুক্তির আওতায় বোয়িং থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার কথা জানানো হয়েছিল।

এরপর গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িংয়ের সঙ্গে আরও ১১টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করে সরকার। গত ২৩ সেপ্টেম্বর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স আরও ১১টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে চুক্তি করেছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

জাতীয় পতাকাবাহী বিমানকে আধুনিকায়ন, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ জোরদার এবং বাংলাদেশকে আঞ্চলিক যাত্রী ও কার্গো হাবে পরিণত করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে উড়োজাহাজের বহর সম্প্রসারণের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করছে সরকার।

এই পরিকল্পনার আওতায় ২০৩৪-৩৫ অর্থবছরের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করার রোডম্যাপ পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক