শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

অভিবাসী গাছকে স্বাগত, কিন্তু অভিবাসী মানুষকে কেন ভয়?

আহমাদুল কবির মালয়েশিয়া প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ৯:২২ পিএম
অভিবাসী গাছকে স্বাগত, কিন্তু অভিবাসী মানুষকে কেন ভয়?

জোহরের বিস্তীর্ণ পাম অয়েল বাগান কিংবা সেলাঙ্গরের রাবার বাগানে হাঁটলে মালয়েশিয়ার অর্থনৈতিক সাফল্যের এক নীরব ইতিহাস চোখে পড়ে। দক্ষিণ আমেরিকার অ্যামাজন থেকে আসা রাবার গাছ এবং পশ্চিম আফ্রিকা থেকে আসা তেলপামই আজ দেশটির অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক ভিত্তি। একসময় এ দুটিই ছিল ‘অভিবাসী’। অথচ সেই মালয়েশিয়াতেই বিদেশি শ্রমিক, বিশেষ করে অভিবাসীদের নিয়ে বিরূপ মনোভাব ক্রমেই বাড়ছে।

তান শ্রী ওমর সেন্টার ফর এসটিআই পলিসি স্টাডিজ, ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটির গবেষক এবং ইউনিভার্সিটি মালয়ার তুংকু আজিজ সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের অ্যাডজাঙ্ক্ট অধ্যাপক প্রফেসর দাতুক ড. আহমদ ইব্রাহিম সম্প্রতি মালয় মেইল-এ প্রকাশিত এক মতামত নিবন্ধে এ বৈপরীত্যের বিশ্লেষণ করেছেন। তাঁর ভাষায়, ‘আমরা অভিবাসী বীজকে ভালোবাসতে শিখেছি, কিন্তু অভিবাসী মানুষকে ভালোবাসতে ভুলে গেছি।’

প্রফেসর আহমদ ইব্রাহিমের মতে, আজকের বিশ্বে অভিবাসীবিরোধী মনোভাবের পেছনে রয়েছে অন্তত তিনটি প্রধান কারণ। প্রথমত, ‘আদিবাসী’ হওয়ার এক কৃত্রিম ধারণা। প্রায় প্রতিটি দেশই এমন একটি জাতীয় ইতিহাস নির্মাণ করেছে, যেখানে মনে হয় দেশ, মাটি ও মানুষ বরাবরই এক ও অভিন্ন ছিল। যুক্তরাষ্ট্র তার ‘প্রতিষ্ঠাতা পিতাদের’ স্মরণ করলেও তাঁরা যে একসময় ব্রিটিশ অভিবাসী ছিলেন, তা খুব কমই আলোচিত হয়। অস্ট্রেলিয়া ‘অ্যানজ্যাক’ ঐতিহ্য উদযাপন করলেও উপনিবেশ স্থাপনের ইতিহাসের অন্ধকার দিকগুলো আড়ালে থেকে যায়। ব্রাজিল বৈচিত্র্যের কথা বললেও দেশের ভেতরের অভ্যন্তরীণ অভিবাসীরাও বৈষম্যের শিকার হন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

তাঁর মতে, প্রতিটি দেশই একসময় আগন্তুকদের নিজেদের সমাজের অংশ হিসেবে গ্রহণ করে। কিন্তু পরবর্তী সময়ে নতুন অভিবাসীদের জন্য দরজা বন্ধ করে দেয়। যেমন, এক শতাব্দীর বেশি আগে মালয়েশিয়ায় আসা তেলপাম আজ ‘দেশীয়’ হিসেবে বিবেচিত হলেও কয়েক বছর আগে আসা একজন শ্রমিক এখনও ‘বিদেশি’।

দ্বিতীয় কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন অর্থনীতির জায়গা দখল করে নেওয়া পরিচয়-রাজনীতিকে। রাবার বা তেলপাম সীমান্ত পেরিয়ে এলে তা অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি বাড়ায়। কিন্তু মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে এলে সঙ্গে নিয়ে আসে ভাষা, ধর্ম, সংস্কৃতি ও ভিন্ন পরিচয়। একটি গাছ কখনও ধর্মীয় ছুটি চায় না কিংবা আলাদা খাদ্যব্যবস্থার দাবি তোলে না। কিন্তু একজন অভিবাসী মানুষ দৃশ্যমান, আলাদা এবং সহজেই রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন।

মজুরি স্থবির হয়ে পড়া, আবাসন সংকট বা অর্থনৈতিক চাপের মতো সমস্যার জন্যও প্রায়ই অভিবাসীদের দায়ী করা হয়। অথচ গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘমেয়াদে অভিবাসন অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করে। কিন্তু সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের আশঙ্কা অনেক সময় বাস্তব অর্থনৈতিক তথ্যের চেয়েও বেশি প্রভাব বিস্তার করে।

তৃতীয় কারণ হলো অভিবাসনের গতি ও ব্যাপকতা। অতীতে রাবার বা তেলপাম ধীরে ধীরে নতুন দেশে এসেছে। কিন্তু বর্তমান সময়ে যুদ্ধ, দারিদ্র্য, জলবায়ু পরিবর্তন কিংবা রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে মানুষের অভিবাসন ঘটে দ্রুত এবং তাৎক্ষণিকভাবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমরা সীমান্তে মানুষের ভিড় দেখি, কিন্তু তাদের দেশ ছাড়ার পেছনের কারণগুলো খুব কমই দেখি। ফলে একটি পরিবারের আশ্রয়প্রার্থনাও অনেকের কাছে ‘আক্রমণ’ বলে মনে হয়।

প্রফেসর আহমদ ইব্রাহিম মনে করেন, সবচেয়ে বড় সত্য হলো আজ যে দেশগুলো অভিবাসীদের বিরোধিতা করছে, তাদের প্রায় প্রত্যেকটির উন্নয়ন ও রাষ্ট্রগঠন অভিবাসীদের হাত ধরেই হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ট্রান্সকন্টিনেন্টাল রেলপথ নির্মাণে আইরিশ ও চীনা শ্রমিকদের অবদান, অস্ট্রেলিয়ার যুদ্ধ-পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে গ্রিক, ইতালীয় ও ভিয়েতনামি অভিবাসীদের ভূমিকা কিংবা ব্রাজিলের কফি শিল্পে জাপানি ও লেবানিজ অভিবাসীদের অবদান তারই উদাহরণ।

একইভাবে মালয়েশিয়ার রাবার ও পাম অয়েল শিল্প এখনও ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ ও নেপালের শ্রমিকদের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। তাঁদের ছাড়া বাগান, কারখানা এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো বড় ধরনের সংকটে পড়বে।

তিনি লিখেছেন, অভিবাসীদের প্রতি বিরূপ মনোভাব অর্থনৈতিক প্রয়োজন নয়; বরং এটি একটি নৈতিক ব্যর্থতা। মানুষ গাছকে সহজেই গ্রহণ করতে পারে, কিন্তু মানুষকেই গ্রহণ করতে চায় না। অথচ ইতিহাস বলছে, দুই-তিন প্রজন্ম পর অভিবাসীরাই নতুন সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। মালয়েশিয়ার তেলপাম আজ আর আফ্রিকাকে মনে রাখে না, রাবার গাছও অ্যামাজনের কথা ভাবে না।

প্রবন্ধের শেষাংশে তিনি সতর্ক করে বলেন, অভিবাসীবিরোধী এই মনোভাব একদিন হয়তো কেটে যাবে। কিন্তু সেই সময়ের মধ্যে সমাজ ও রাষ্ট্র কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেটিই নির্ধারণ করবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তাদের মূল্যায়ন করবে কীভাবে মানবসম্পদকে লালনকারী দূরদর্শী সমাজ হিসেবে, নাকি এমন সংকীর্ণ মানসিকতার জাতি হিসেবে, যারা মানুষকে নয়, গাছকেই বেশি ভালোবেসেছিল।

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক দিনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে একজন করে মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১১ জনে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ভর্তির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এ বিভাগে ২৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগে ২৪১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩৩ জন, খুলনা বিভাগে ১৩০ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৭৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

একই সময়ে বরিশাল ও রংপুর বিভাগে ৪৪ জন করে, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৭ জন এবং সিলেট বিভাগে চারজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেই মারা গেছেন ১০২ জন। এই হিসাবের মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মৃত্যুর সংখ্যাও রয়েছে।

এ ছাড়া একই সময়ে খুলনা বিভাগে ৩৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২০ জন, বরিশাল বিভাগে ১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০ জন, রংপুর বিভাগে চারজন এবং সিলেট বিভাগে একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৫ দিনেই ডেঙ্গুতে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৪ পিএম
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

আসিয়ান কাপে নিজেদের অভিষেক ম্যাচেই মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় শুরু হওয়া ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে মালয়েশিয়া।

আসিয়ান কাপে প্রথমবারের মতো মাঠে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল হামজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। ম্যাচের ১৮ মিনিটে আরিফ আইমানের গোলে এগিয়ে যায় মালয়েশিয়া। এরপর ৩৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের ব্যবধান ২-০ করেন আইমান। দুই গোলের ঘাটতি নিয়েই বিরতিতে যেতে হয় বাংলাদেশকে।

বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে মালয়েশিয়া। ৫২ মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বক্সের ভেতর থেকে গোল করেন বার্গুসন। তার গোলে মালয়েশিয়ার লিড বেড়ে দাঁড়ায় ৩-০।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এরপর গোল পরিশোধে কয়েক দফা আক্রমণ গড়ে তোলে বাংলাদেশ। তবে সুযোগ তৈরি করেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি লাল-সবুজের দল। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের পরাজয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।

এর আগে চার বছর আগে এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে মালয়েশিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচেও ৪-১ গোলে হেরেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এবার আসিয়ান কাপেও মালয়েশিয়ার বিপক্ষে জয়ের দেখা পেল না বাংলাদেশ।

সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৭ পিএম
সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি মিলিশিয়ার হামলার পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। তবে এই সামরিক মোতায়েন কোনো সংঘাতে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়, বরং সৌদির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্যারিস।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান। একই দিন দুই দেশের মধ্যে হওয়া একটি চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের উপকূলীয় শহর ইয়ানবুর জ্বালানি অবকাঠামো সুরক্ষায় ফ্রান্স সেনা, রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাবে বলে জানান তিনি।

সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম ফ্রান্স ২-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাক্রোঁ বলেন, কোনো সংঘাতে জড়ানোর জন্য নয়, বরং জ্বালানি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এসব সামরিক সরঞ্জাম ও সেনা পাঠানো হবে। পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে সৌদি আরবকে আরও সামরিক সহায়তা দেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ম্যাক্রোঁ জানান, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের মধ্যে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের বাজারে গ্যাসের দাম কমাতে ফ্রান্স বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। সৌদি আরবে সামরিক সহায়তা পাঠানোর সিদ্ধান্তও সেই উদ্যোগের অংশ।

চলমান সংঘাতের প্রভাবে তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের মিত্র হুথি মিলিশিয়া সৌদি আরবে একাধিক হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার কারণে লোহিত সাগরসংলগ্ন বন্দরগুলো থেকে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছে। দীর্ঘদিনের উত্তেজনা আবারও সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নেওয়ার প্রেক্ষাপটেই সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিল ফ্রান্স।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক