হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনায় গতি আনতে বাংলাদেশ-সৌদি আরব দ্বিপাক্ষিক বৈঠক
বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা আরও সহজ ও আধুনিক করতে এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রী ড. তৌফিক বিন ফাউজান আল রাবিয়াহ এবং বাংলাদেশের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন।
বৈঠকে চলতি বছরের হজ ব্যবস্থাপনায় সার্বিক সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে উভয় দেশ ঐকমত্য পোষণ করেছে। সৌদি মন্ত্রী জানান, ওমরাহ ব্যবস্থাপনায় সৌদি আরব ইতিমধ্যে অভাবনীয় অগ্রগতি সাধন করেছে এবং হজ প্রক্রিয়ায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশি হাজিদের সেবা প্রাপ্তি আরও সহজতর হবে।
বৈঠকে বাংলাদেশের ধর্মমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রীকে একটি সৌজন্য উপহার প্রদান করেন। ধর্মমন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে দুই দেশের সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। পারস্পরিক আস্থা ও ধর্মীয় বন্ধনের ওপর ভিত্তি করে এই সম্পর্ক ভবিষ্যতে হজ, ওমরাহসহ অন্যান্য ধর্মীয় ও উন্নয়নমূলক খাতে আরও শক্তিশালী হবে।
বাংলাদেশের হজ ও ওমরাহ যাত্রীদের কল্যাণে ধর্মমন্ত্রী একটি লিখিত প্রস্তাবনা সৌদি মন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন। ২০২৬ সালের হজ নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন,”২০২৬ সালের হজের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আমরা হাজিদের একটি চমৎকার অভিজ্ঞতা উপহার দিতে চাই।
এসময় মন্ত্রী আরও জানান, হাজিরা সৌদি আরবে পৌঁছানোর পর তিনি নিজে হোটেল পরিদর্শন করবেন।
হাজিদের সেবায় কোনো ধরনের অবহেলা বা অসুবিধা হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া কর্মকর্তাদের সতর্ক করে দিয়ে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, ২০২৬ সালের হজ ১০০% দুর্নীতিমুক্ত ও স্বচ্ছ হতে হবে।












