শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

মালয়েশিয়ায় বিদেশিরা বস, স্থানীয়রা চাপে?

আহমাদুল কবির মালয়েশিয়া প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১:৩০ পিএম
মালয়েশিয়ায় বিদেশিরা বস, স্থানীয়রা চাপে?

বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে শ্রমবাজারে প্রতিযোগিতা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। বিশেষ করে মালয়েশিয়ার মতো দ্রুত উন্নয়নশীল দেশে বিদেশি শ্রমিকের সংখ্যা বৃদ্ধি একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও সামাজিক আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। “ওয়ার্গা আসিং জাদি বস, রাকইয়াত তেম্পাতান তেরসেপিত?” এই প্রশ্নটি কেবল আবেগ নয়, বরং বাস্তবতার প্রতিফলন, যা স্থানীয় শ্রমশক্তি, বিশেষ করে টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ (টিভেট) থেকে উত্তীর্ণ তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে।

২৯ মার্চ কসমো অনলাইনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদেশি শ্রমিকদের উপস্থিতি নতুন কিছু নয়। নির্মাণ, উৎপাদন, কৃষি এবং পরিষেবা খাতে দীর্ঘদিন ধরেই তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি অবৈধ অভিবাসীদের উপস্থিতিও বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে শ্রমবাজারে ভারসাম্যহীনতা তৈরি হচ্ছে বলে অনেকেই মনে করছেন।

প্রধান উদ্বেগের জায়গা হলো, এই বিদেশি শ্রমিকরা এখন আর শুধু নিম্নদক্ষ কাজেই সীমাবদ্ধ নেই। তারা অনেক ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত ও আধা-দক্ষ (সেমি-স্কিল্ড) কাজেও যুক্ত হচ্ছে। ফলে টিভেট স্নাতকদের জন্য নির্ধারিত চাকরির ক্ষেত্র সংকুচিত হয়ে আসছে। স্থানীয় তরুণরা যেসব দক্ষতা অর্জন করছে, সেই ক্ষেত্রেই বিদেশিরা কম মজুরিতে কাজ করতে রাজি হওয়ায় নিয়োগদাতারা তাদের অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এখানেই প্রশ্ন উঠছে, শিক্ষাব্যবস্থার মূল্যায়নের মানদণ্ড কি পরিবর্তন করা উচিত? এতদিন “কেবোলে-পাসারান” বা ইমপ্লয়েবিলিটি-এর ওপর জোর দেওয়া হলেও, এখন “কেবোলে-পেকেরজান” বা অ্যাকচুয়াল জব প্লেসমেন্ট নিশ্চিত করাটাই কি বেশি জরুরি নয়? অর্থাৎ শুধু দক্ষতা অর্জনই যথেষ্ট নয়, বরং সেই দক্ষতা অনুযায়ী চাকরি পাওয়ার নিশ্চয়তাও গুরুত্বপূর্ণ।

বেলিয়া মাহির এর প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ-এর মতে, সমস্যার মূল হলো শ্রমবাজারে নীতিগত দুর্বলতা এবং নজরদারির অভাব। তিনি বলেন, বিদেশি শ্রমিকদের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা দেশের দীর্ঘমেয়াদি মানবসম্পদ উন্নয়নের পথে বাধা সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে যখন কিছু বিদেশি শ্রমিক নিজেরাই ছোট ব্যবসা বা সাব-কন্ট্রাক্টর হিসেবে কাজ শুরু করছে, তখন তারা কার্যত “বস” হয়ে উঠছে, যা স্থানীয়দের জন্য প্রতিযোগিতা আরও কঠিন করে তুলছে।

এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। প্রথমত, বিদেশি শ্রমিক নিয়োগের ক্ষেত্রে কঠোর নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে। বিশেষ করে অবৈধ বিদেশিদের বিরুদ্ধে কার্যকর অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন। দ্বিতীয়ত, স্থানীয় কর্মীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য প্রণোদনা ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে, যেমন কর ছাড় বা ভর্তুকি।

তৃতীয়ত, টিভেট শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণকে শিল্পের চাহিদার সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে সংযুক্ত করতে হবে। অনেক সময় দেখা যায়, প্রশিক্ষণের বিষয়বস্তু এবং বাস্তব চাকরির প্রয়োজনের মধ্যে অমিল রয়েছে। এই ব্যবধান কমাতে শিল্পখাতের সঙ্গে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় বাড়ানো জরুরি।

এছাড়া, “গান্তিকান পেকারজা আসিং দেঙ্গান তেনাগা তেম্পাতান” বা বিদেশি শ্রমিকের পরিবর্তে স্থানীয়দের নিয়োগের জন্য সচেতনতামূলক প্রচারণা জোরদার করা প্রয়োজন। এই ধরনের প্রচারণা কেবল সরকার নয়, বেসরকারি খাত এবং সমাজের সব স্তরের মানুষের অংশগ্রহণে পরিচালিত হওয়া উচিত।

সবশেষে বলা যায়, বিদেশি শ্রমিকরা অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও তাদের অনিয়ন্ত্রিত প্রবাহ এবং ভূমিকার পরিবর্তন স্থানীয় শ্রমবাজারে চাপ সৃষ্টি করছে। যদি সময়মতো সঠিক নীতি গ্রহণ না করা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে স্থানীয় তরুণরা আরও বেশি বেকারত্ব ও কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে।

অতএব, একটি ভারসাম্যপূর্ণ নীতি গ্রহণই এখন সময়ের দাবি যেখানে দেশের অর্থনৈতিক চাহিদা এবং স্থানীয় জনগণের কর্মসংস্থানের অধিকার, উভয়ই সমানভাবে গুরুত্ব পাবে।

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক দিনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে একজন করে মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১১ জনে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ভর্তির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এ বিভাগে ২৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগে ২৪১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩৩ জন, খুলনা বিভাগে ১৩০ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৭৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

একই সময়ে বরিশাল ও রংপুর বিভাগে ৪৪ জন করে, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৭ জন এবং সিলেট বিভাগে চারজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেই মারা গেছেন ১০২ জন। এই হিসাবের মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মৃত্যুর সংখ্যাও রয়েছে।

এ ছাড়া একই সময়ে খুলনা বিভাগে ৩৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২০ জন, বরিশাল বিভাগে ১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০ জন, রংপুর বিভাগে চারজন এবং সিলেট বিভাগে একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৫ দিনেই ডেঙ্গুতে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৪ পিএম
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

আসিয়ান কাপে নিজেদের অভিষেক ম্যাচেই মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় শুরু হওয়া ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে মালয়েশিয়া।

আসিয়ান কাপে প্রথমবারের মতো মাঠে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল হামজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। ম্যাচের ১৮ মিনিটে আরিফ আইমানের গোলে এগিয়ে যায় মালয়েশিয়া। এরপর ৩৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের ব্যবধান ২-০ করেন আইমান। দুই গোলের ঘাটতি নিয়েই বিরতিতে যেতে হয় বাংলাদেশকে।

বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে মালয়েশিয়া। ৫২ মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বক্সের ভেতর থেকে গোল করেন বার্গুসন। তার গোলে মালয়েশিয়ার লিড বেড়ে দাঁড়ায় ৩-০।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এরপর গোল পরিশোধে কয়েক দফা আক্রমণ গড়ে তোলে বাংলাদেশ। তবে সুযোগ তৈরি করেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি লাল-সবুজের দল। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের পরাজয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।

এর আগে চার বছর আগে এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে মালয়েশিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচেও ৪-১ গোলে হেরেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এবার আসিয়ান কাপেও মালয়েশিয়ার বিপক্ষে জয়ের দেখা পেল না বাংলাদেশ।

সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৭ পিএম
সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি মিলিশিয়ার হামলার পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। তবে এই সামরিক মোতায়েন কোনো সংঘাতে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়, বরং সৌদির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্যারিস।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান। একই দিন দুই দেশের মধ্যে হওয়া একটি চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের উপকূলীয় শহর ইয়ানবুর জ্বালানি অবকাঠামো সুরক্ষায় ফ্রান্স সেনা, রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাবে বলে জানান তিনি।

সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম ফ্রান্স ২-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাক্রোঁ বলেন, কোনো সংঘাতে জড়ানোর জন্য নয়, বরং জ্বালানি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এসব সামরিক সরঞ্জাম ও সেনা পাঠানো হবে। পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে সৌদি আরবকে আরও সামরিক সহায়তা দেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ম্যাক্রোঁ জানান, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের মধ্যে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের বাজারে গ্যাসের দাম কমাতে ফ্রান্স বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। সৌদি আরবে সামরিক সহায়তা পাঠানোর সিদ্ধান্তও সেই উদ্যোগের অংশ।

চলমান সংঘাতের প্রভাবে তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের মিত্র হুথি মিলিশিয়া সৌদি আরবে একাধিক হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার কারণে লোহিত সাগরসংলগ্ন বন্দরগুলো থেকে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছে। দীর্ঘদিনের উত্তেজনা আবারও সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নেওয়ার প্রেক্ষাপটেই সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিল ফ্রান্স।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক