শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

সেকালের ঈদ, একালের বাস্তবতা: সংকটের সময়ে মুমিনের করণীয়

ড.আজিজুল আম্বিয়া, প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ১২:০৭ পিএম
সেকালের ঈদ, একালের বাস্তবতা: সংকটের সময়ে মুমিনের করণীয়

ঈদ মুসলিম উম্মাহর জীবনে আনন্দ, কৃতজ্ঞতা, আত্মশুদ্ধি ও ভ্রাতৃত্বের এক মহিমান্বিত উপলক্ষ। এক মাস সিয়াম সাধনার পর আগত এই দিনটি কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়; বরং এটি মানবিকতা, সামাজিক সংহতি এবং স্রষ্টার প্রতি পরম কৃতজ্ঞতার প্রকাশ। ইসলামের দৃষ্টিতে ঈদের প্রকৃত সার্থকতা হলো—আত্মসংযমের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আল্লাহর অনুগ্রহের শুকরিয়া আদায় করা এবং সেই আনন্দ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া।

​সেকালের ঈদ: সরল আনন্দের প্রতিচ্ছবি

​ইসলামের ইতিহাসে ঈদের যে চিত্র আমরা দেখি, তা ছিল অত্যন্ত সাদামাটা কিন্তু গভীর তাৎপর্যপূর্ণ। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর যুগে ঈদ মানেই ছিল সমবেত প্রার্থনা, আল্লাহর গুণগান, আর্তমানবতার সেবা এবং ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করা। সেখানে জাঁকজমক বা বাহুল্য ছিল না, তবে আন্তরিকতা ছিল অপরিসীম।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

​বাংলার গ্রামীণ সমাজেও একসময় ঈদ ছিল অনন্য এক সামাজিক মিলনমেলা। ঈদের আগের দিনগুলোতে বাজারে ভিড় থাকলেও তাতে এক ধরনের নির্মল আনন্দ ছিল। ঘরে ঘরে সেমাই-পায়েসের ঘ্রাণ আর শিশুদের নতুন পোশাকের উচ্ছ্বাস ছিল দেখার মতো। ঈদের সকালে খোলা মাঠে নামাজ আদায়, এরপর কোলাকুলি ও পাড়া-প্রতিবেশীর বাড়ি বাড়ি ঘুরে বেড়ানোর মধ্যে যে প্রাণস্পন্দন ছিল, তা আজ অনেকটা ম্লান। তখন মানুষের আয় সীমিত থাকলেও সামাজিক ও আত্মিক বন্ধন ছিল অত্যন্ত সুদৃঢ়। ইসলামি বিধান অনুযায়ী ‘সদকাতুল ফিতর’ বা ফিতরা ওয়াজিব করার মূল উদ্দেশ্যই ছিল এটি—যাতে অভাবী মানুষটিও ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয়।

​একালের ঈদ: অর্থনৈতিক সংকটের কালো ছায়া

​বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জন্য ঈদের প্রস্তুতি এক রূঢ় বাস্তবতার মুখোমুখি। দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক চাপ জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। গত কয়েক বছরে অর্থনীতিতে বৈদেশিক ঋণের বোঝা, অর্থপাচার এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনার নানাবিধ সংকট নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের পকেটে।

​দেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি পোশাক শিল্পও আজ বহুমুখী চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। আন্তর্জাতিক বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতা, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক বাণিজ্য নীতির পরিবর্তনের ফলে এই খাত চাপে রয়েছে। অনেক শ্রমিক অভিযোগ করছেন, তাদের প্রকৃত আয় কমেছে। যারা নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন, তাদের কাছে ঈদের নতুন পোশাক বা বিশেষ আয়োজন আজ অনেকটা বিলাসিতার মতো। এছাড়া অনেক প্রতিষ্ঠানে ঈদ বোনাস নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় কর্মজীবী মানুষের মনে বিষণ্ণতা বিরাজ করছে।

​বৈশ্বিক অস্থিরতা ও প্রভাব

​কেবল অভ্যন্তরীণ নয়, আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রেক্ষাপটও আমাদের ঈদের আনন্দকে প্রভাবিত করছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা এবং বৈশ্বিক পরাশক্তিগুলোর ভূমিকা বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। আমদানিনির্ভর অর্থনীতির দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এই সংকটের বাইরে নয়। পরিবহন ও উৎপাদন খরচ বাড়ার ফলে বাজারের উত্তাপ যেন সাধারণ মানুষের ঈদের খুশিকে শুষে নিচ্ছে।

​সংকটের সময়ে ইসলামের শিক্ষা ও আমাদের করণীয়

​এই কঠিন বাস্তবতায় ইসলামের সুমহান শিক্ষা আমাদের জন্য সঠিক পথপ্রদর্শক হতে পারে। ইসলাম কখনোই ঈদকে কেবল ভোগ-বিলাস বা আড়ম্বরের উৎসব হিসেবে বিবেচনা করেনি। রাসূলুল্লাহ (সা.) শিখিয়েছেন, “প্রকৃত ধনী সেই ব্যক্তি নয় যার প্রচুর সম্পদ আছে, বরং সেই ব্যক্তি যার অন্তর সমৃদ্ধ।” এই সংকটে মুসলমানদের করণীয় হতে পারে:

​১. সহমর্মিতার হাত বাড়ানো: সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের উচিত তাদের যাকাত, সদকা ও ফিতরার মাধ্যমে দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানো।

২. মিতব্যয়িতা ও সংযম: অর্থনৈতিক সংকটের এই সময়ে সকল প্রকার অপচয় বর্জন করা উচিত। ইসলাম আমাদের সবসময় মধ্যপন্থা অবলম্বনের শিক্ষা দেয়।

৩. সামাজিক সংহতি: ঈদ কেবল নিজের পরিবারের জন্য নয়। প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজন ও সহকর্মীদের খোঁজ নেওয়া এবং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব অটুট রাখা জরুরি।

৪. সরলতায় আনন্দ খোঁজা: জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের চেয়ে আন্তরিকতার মূল্য বেশি। সীমিত সাধ্যের মধ্যেও ছোট ছোট ভালো কাজের মাধ্যমে আনন্দ খুঁজে নেওয়া সম্ভব।

​উপসংহার

​ঈদ শুধু উৎসব নয়; এটি আত্মসমালোচনা ও মানবিকতার এক অনন্য পাঠ। সমাজে যখন বৈষম্য ও অর্থনৈতিক চাপ বাড়ে, তখন ঈদের প্রকৃত শিক্ষা আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে। সেকালের ঈদ সরল ছিল বলেই তা ছিল মানবিকতার শক্ত বন্ধনে আবদ্ধ। আজকের দিনেও যদি আমরা সেই ত্যাগের মহিমা ও সহমর্মিতার চেতনা হৃদয়ে ধারণ করতে পারি, তবে অর্থনৈতিক সংকটের মেঘ কেটে গিয়ে ঈদের প্রকৃত আলো আমাদের ঘরে ঘরে পৌঁছে যাবে। কারণ ঈদের সৌন্দর্য বাহ্যিক আড়ম্বরে নয়, বরং মানুষের অন্তরে—যেখানে বিরাজ করে কৃতজ্ঞতা ও স্রষ্টার প্রতি নিঃশর্ত আনুগত্য।

লেখক: কলাম লেখক ও গবেষক

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক দিনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে একজন করে মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১১ জনে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ভর্তির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এ বিভাগে ২৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগে ২৪১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩৩ জন, খুলনা বিভাগে ১৩০ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৭৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

একই সময়ে বরিশাল ও রংপুর বিভাগে ৪৪ জন করে, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৭ জন এবং সিলেট বিভাগে চারজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেই মারা গেছেন ১০২ জন। এই হিসাবের মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মৃত্যুর সংখ্যাও রয়েছে।

এ ছাড়া একই সময়ে খুলনা বিভাগে ৩৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২০ জন, বরিশাল বিভাগে ১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০ জন, রংপুর বিভাগে চারজন এবং সিলেট বিভাগে একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৫ দিনেই ডেঙ্গুতে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৪ পিএম
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

আসিয়ান কাপে নিজেদের অভিষেক ম্যাচেই মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় শুরু হওয়া ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে মালয়েশিয়া।

আসিয়ান কাপে প্রথমবারের মতো মাঠে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল হামজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। ম্যাচের ১৮ মিনিটে আরিফ আইমানের গোলে এগিয়ে যায় মালয়েশিয়া। এরপর ৩৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের ব্যবধান ২-০ করেন আইমান। দুই গোলের ঘাটতি নিয়েই বিরতিতে যেতে হয় বাংলাদেশকে।

বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে মালয়েশিয়া। ৫২ মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বক্সের ভেতর থেকে গোল করেন বার্গুসন। তার গোলে মালয়েশিয়ার লিড বেড়ে দাঁড়ায় ৩-০।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এরপর গোল পরিশোধে কয়েক দফা আক্রমণ গড়ে তোলে বাংলাদেশ। তবে সুযোগ তৈরি করেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি লাল-সবুজের দল। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের পরাজয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।

এর আগে চার বছর আগে এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে মালয়েশিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচেও ৪-১ গোলে হেরেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এবার আসিয়ান কাপেও মালয়েশিয়ার বিপক্ষে জয়ের দেখা পেল না বাংলাদেশ।

সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৭ পিএম
সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি মিলিশিয়ার হামলার পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। তবে এই সামরিক মোতায়েন কোনো সংঘাতে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়, বরং সৌদির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্যারিস।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান। একই দিন দুই দেশের মধ্যে হওয়া একটি চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের উপকূলীয় শহর ইয়ানবুর জ্বালানি অবকাঠামো সুরক্ষায় ফ্রান্স সেনা, রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাবে বলে জানান তিনি।

সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম ফ্রান্স ২-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাক্রোঁ বলেন, কোনো সংঘাতে জড়ানোর জন্য নয়, বরং জ্বালানি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এসব সামরিক সরঞ্জাম ও সেনা পাঠানো হবে। পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে সৌদি আরবকে আরও সামরিক সহায়তা দেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ম্যাক্রোঁ জানান, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের মধ্যে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের বাজারে গ্যাসের দাম কমাতে ফ্রান্স বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। সৌদি আরবে সামরিক সহায়তা পাঠানোর সিদ্ধান্তও সেই উদ্যোগের অংশ।

চলমান সংঘাতের প্রভাবে তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের মিত্র হুথি মিলিশিয়া সৌদি আরবে একাধিক হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার কারণে লোহিত সাগরসংলগ্ন বন্দরগুলো থেকে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছে। দীর্ঘদিনের উত্তেজনা আবারও সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নেওয়ার প্রেক্ষাপটেই সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিল ফ্রান্স।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক