প্রেমিকার সঙ্গে ঘরে ঘনিষ্ঠ স্বামী, বাইরে থেকে দরজা আটকে দিলেন স্ত্রী
প্রেমিকার সঙ্গে ঘরে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় ধরা পড়েন তিনি, আর বাইরে থেকে দরজা আটকে দেন তার স্ত্রী।
প্রেমিকার সঙ্গে ঘরে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় ধরা পড়েন তিনি, আর বাইরে থেকে দরজা আটকে দেন তার স্ত্রী।
কোরিয়ার আনসান মসজিদের নিয়মতান্ত্রিক বাংলাদেশী ইমাম ও খতীব মুফতী ফয়জুল্লাহ আমানের হাতে কোরিয়ান তরুণীর ইসলাম গ্রহণ করেছেন।
শুক্রবার ((২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) মুফতী ফয়জুল্লাহ আমানের হাতে কোরিয়ান তরুণী কিম চিন ইসলাম গ্রহণ করেছেন।
মুফতী ফয়জুল্লাহ আমান দৈনিক আমার বার্তাকে বলেন, আলহামদুলিল্লাহ! আলহামদুলিল্লাহ! আজ কিছুক্ষণ আগে (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার) আনসান মসজিদে এক কোরিয়ান তরুণী ইসলাম গ্রহণ করেছেন। তিনি তাঁর এক বন্ধুর সঙ্গে মসজিদে ঘুরতে এসেছিলেন। খুব সংক্ষেপে আল্লাহ তাআলা, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং ইসলামের মৌলিক পরিচয় তার কাছে উপস্থাপন করলাম।
কোরিয়ান তরুণী কিছু প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছিলেন উল্লেখ করে মুফতী ফয়জুল্লাহ আমান বলেন, কোরিয়ান এই তরুণ কিছু প্রশ্ন করার পর আমি এসবের জবাব তাকে শোনালাম। জবাব পেয়ে এই তরুণী অনেক খুশি হলেন। আর কোনো বিলম্ব করলেন না। ইসলামের কালেমা পাঠ করে ইসলাম গ্রহণ করলেন।
তিনি বলেন, ইসলাম গ্রহণের পর তার মুসলিম নাম রাখা হয় আয়েশা। তার কোরিয়ান নাম ছিল কিম চি।
প্রসঙ্গত আয়েশা এখন একজন কাজাখ মুসলিমকে বিয়ে করবেন। তবে বিয়ের জন্যই ইসলাম গ্রহণ করেছেন এমন নয় বলে জানিয়েছেন তিনি।
মুফতী ফয়জুল্লাহ আমান বলেন, ইসলাম প্রকৃতিগতভাবেই সরল ও সহজাত ধর্ম। অথচ ভুল ধারণা ও অপপ্রচারের কারণে অনেক অমুসলিম ইসলামকে ভয় পান। সুন্দর আচরণ, আন্তরিকতা ও সহজ ভাষায় ইসলামের প্রকৃত পরিচয় তুলে ধরলে সেই ভয় ও ভুল ধারণা দূর করা সম্ভব।
তিনি বলেন, কোরিয়ার মাটিতে ইসলামের দাওয়াহর এমন সুন্দর মুহূর্তগুলো আমাদের অনুপ্রাণিত করে। আল্লাহ তাআলা আমাদের নবমুসলিম বোন আয়েশাকে ঈমানের ওপর অটল রাখুন এবং তাঁর জীবনকে শান্তি ও কল্যাণে পরিপূর্ণ করুন।
গেল পঁচিশ দিনে ১১৪ জন ডেঙ্গুতে মারা গিয়েছেন। আক্রান্ত হয়েছেন চলতি বছরে আক্রান্ত ৭০ হাজার জন মানুষ। এদিকে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
চলতি সেপ্টেম্বর মাসেই ডেঙ্গুতে মৃত্যু সবচেয়ে বেশি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের ২৫ দিনেই ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে ৯৫৫ জন গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ বছর এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ৭০ হাজার ১০৪ জন। শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। প্রতিবেদনে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার তথ্য জানানো হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত দুজনই ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের বাসিন্দা বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৬৪ হাজার ৮২৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। এদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ছাড়পত্র পেয়েছে ৯৫৩ জন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের এই ২৫ দিনে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগের মাসে অর্থাৎ আগস্টে ডেঙ্গুতে মৃত্যু ছিল ৪৩ জনের। এ ছাড়া জুলাই মাসে ৩৬, জুনে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এদিকে মে মাসে ১, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে দুজন করে মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
উন্নত জীবনের আশায় ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপ পৌঁছানোর ভয়ংকর চেষ্টা আবারও ব্যর্থ হলো। মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে অনিরাপদ রাবারের নৌকায় সাগর পাড়ি দেওয়ার সময় গত এক সপ্তাহে মিশরের বিভিন্ন উপকূল থেকে অন্তত ১৬০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে উদ্ধার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তাঁরা বর্তমানে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের হেফাজতে রয়েছেন।
মিশরে বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া ১৬০ বাংলাদেশির মধ্যে মাতরুহ উপকূল থেকে ৪৬ জন, পোর্ট সাইদ থেকে ৫৮ জন এবং দামিয়েত থেকে ৫৬ জন রয়েছেন। এসব অভিযানে বাংলাদেশিদের পাশাপাশি সুদান ও মিশরসহ অন্যান্য দেশের অভিবাসনপ্রত্যাশীদেরও উদ্ধার করা হয়।
ভূমধ্যসাগরের উত্তাল ঢেউ আর অনিশ্চিত গন্তব্য—সব মিলিয়ে এসব যাত্রা চরম জীবনঝুঁকিতে পরিণত হচ্ছে। ভাগ্য বদলের স্বপ্নে ঘর ছাড়লেও বহু মানুষের পথ থেমে যাচ্ছে সমুদ্রের মাঝপথেই।
ব্যস্ততা বেড়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস মিশর
এদিকে টানা কয়েক দিনের উদ্ধার অভিযানের পর মিশরে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম উইংকে আইনি ও কনস্যুলার সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
দূতাবাস সূত্রে জানানো হয়েছে, কোনো বাংলাদেশি উদ্ধারের খবর পাওয়ার পরপরই প্রথম কাজ হয় তাঁদের পরিচয় ও নাগরিকত্ব নিশ্চিত করা। এরপর প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা ও দেশে প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। এ লক্ষ্যে মিশরের পুলিশ, কারা কর্তৃপক্ষ, ইমিগ্রেশন, আদালত ও হাসপাতালের সঙ্গে সার্বিক যোগাযোগ রক্ষা করছেন কনস্যুলার কর্মকর্তারা।
উদ্ধারকৃত নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাঁদের দ্রুত ও নিরাপদে দেশে ফেরত পাঠাতে দীর্ঘ প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। স্বল্প সময়ে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি আটক ও উদ্ধার হওয়ার কারণে দূতাবাসের ওপর কাজের চাপ কয়েক গুণ বেড়েছে। তবে সব ঝুঁকি সামলে দ্রুত প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে মিশরীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশি কূটনীতিকরা।
একের পর এক এ ধরনের ঘটনা ভূমধ্যসাগর দিয়ে অবৈধ অভিবাসনের ভয়ংকর রূপ এবং ‘নিরাপদ অভিবাসনে’র গুরুত্ব আবারও স্পষ্ট করে তুলল।