মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

২০২৭ সালের সরকারি ছুটির খসড়া অনুমোদন: সাধারণ ছুটি ১৫ ও নির্বাহী আদেশে ১৪ দিন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৭ এম
২০২৭ সালের সরকারি ছুটির খসড়া অনুমোদন: সাধারণ ছুটি ১৫ ও নির্বাহী আদেশে ১৪ দিন

আগামী ২০২৭ খ্রিষ্টাব্দের সরকারি ছুটির খসড়া তালিকা অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (২ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের ২৬তম বৈঠকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রস্তুত করা এই ছুটির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। প্রস্তাবিত তালিকা অনুযায়ী, আগামী বছর সাধারণ ছুটি ১৫ দিন এবং নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি থাকবে ১৪ দিন। সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোর সঙ্গে কিছু ছুটি মিলে যাওয়ায় মোট ছুটির সংখ্যা দাঁড়ালেও কার্যকর সরকারি ছুটি পাওয়া যাবে ২২ দিন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তৈরি করা খসড়া তালিকা অনুযায়ী, জাতীয় দিবস ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে ১৫ দিন সাধারণ ছুটির প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি শুক্রবার ও দুটি শনিবারসহ মোট চার দিন সাপ্তাহিক ছুটির দিনে পড়েছে। এছাড়া বাংলা নববর্ষসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসবে নির্বাহী আদেশে ১৪ দিন সরকারি ছুটি রাখা হয়েছে, যার মধ্যে একটি শুক্রবার ও দুটি শনিবারসহ মোট তিন দিন সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে মিলে গেছে। সব মিলিয়ে সাধারণ ও নির্বাহী আদেশ মিলিয়ে মোট ২৯ দিনের ছুটির মধ্যে সাত দিন সাপ্তাহিক ছুটির দিনে পড়ায় আগামী বছর প্রকৃত বা কার্যকর সরকারি ছুটির দিন হবে ২২ দিন।

খসড়া তালিকায় সরকারি কর্মচারীদের জন্য ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে বছরে অনধিক তিন দিন ঐচ্ছিক ছুটি ভোগের বিধানও বহাল রাখা হয়েছে। পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কর্মরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সরকারি কর্মচারীদের প্রধান সামাজিক উৎসব ‘বৈসাবি’ বা অনুরূপ উৎসব উদযাপনের জন্য দুই দিন ঐচ্ছিক ছুটির প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

সংবিধান সংশোধন কমিটির দশম বৈঠকে তরুণদের মতামত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১০:২০ পিএম
সংবিধান সংশোধন কমিটির দশম বৈঠকে তরুণদের মতামত

সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির দশম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অবদান রাখা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন কমিটির সদস্যরা।

মতবিনিময় সভায় কমিটির সদস্য ও চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, জয়নুল আবেদীন, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. নূরুল হক, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন অংশ নেন।

আলোচনায় সংবিধানে শিক্ষা ও চিকিৎসাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা, জুলাই যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা, গণঅভ্যুত্থানের দাবি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন এবং জুলাই সনদের টেকসই বাস্তবায়নের বিষয়গুলো উঠে আসে। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যমান ক্ষমতা, নারী ও শিশুর সুরক্ষা, জরুরি অবস্থাসংক্রান্ত বিধান, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা এবং গণভোট নিয়েও আলোচনা হয়।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

বৈঠকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। যুগে যুগে তরুণরাই জাতিকে পথ দেখিয়েছে উল্লেখ করে তরুণদের কল্যাণে জনবান্ধব সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে একটি যুগোপযোগী সংবিধান প্রণয়নের বিষয়ে মতবিনিময় হয়।

এ সময় আরও বলা হয়, জুলাই সনদে স্পষ্টভাবে ‘সংবিধান সংশোধন সাপেক্ষে সংস্কার’-এর কথা উল্লেখ রয়েছে। সনদের বাস্তবায়ন নিয়ে অপপ্রচারের বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য তরুণদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

নিজের মেয়ে নেই, তবু ১৫ মেয়ের ‘বাবা’ সাজ্জাদ পারভেজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:২৮ পিএম
নিজের মেয়ে নেই, তবু ১৫ মেয়ের ‘বাবা’ সাজ্জাদ পারভেজ

নিজের ঘরে কন্যাসন্তান না থাকলেও ১৫ জন সুবিধাবঞ্চিত মেয়ের জীবনে পরম আশ্রয়ের প্রতীক হয়ে উঠেছেন সাজ্জাদ পারভেজ। দীর্ঘ ১৬ বছরে আশ্রয়হীন ও অস্বচ্ছল ১৫ মেয়ের বিয়ের পাশাপাশি তাদের জীবনের প্রতিটি সংকটে বাবার মতো পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি।

সাজ্জাদ পারভেজ বর্তমানে সরকারি একটি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পূর্বে সামাজিক প্রতিবন্ধী মেয়েদের প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আশ্রয়হীন মেয়েদের সঙ্গে তাঁর গভীর আত্মিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ইয়াসমিন ও খালেকের বিয়ের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই মানবিক যাত্রায় তিনি একে একে তানজিলা, রহিমা, বৃষ্টি, তামান্নাসহ ১৫ মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থা করেন এবং প্রতিটি বিয়েতে ‘উকিল বাবা’ হিসেবে দায়িত্ব নেন।

সাধারণত বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার পর দায়িত্ব শেষ হলেও সাজ্জাদ পারভেজের ক্ষেত্রে তা হয়নি। নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি মেয়েরা অসুস্থ হলে বা সন্তান প্রসবের মতো জরুরি মুহূর্তে রক্ত জোগাড় থেকে শুরু করে সব ধরনের সহযোগিতা করেছেন তিনি। বিবাহবিচ্ছেদের পর অসুস্থ রিয়া নামের এক মেয়ের চিকিৎসাসহ এক মাসের বাজার দিয়েও পাশে দাঁড়িয়েছেন এই মানবিক মানুষ।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

অনুভূতির কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে তানজিলা জানান, বিপদের মুহূর্তে তাঁদের মাথার ওপর ছায়া হিসেবে পাশে থাকেন তিনি। সাজ্জাদ পারভেজ বলেন, নিজের একটি মাত্র ছেলে থাকলেও এই মেয়েদের মাধ্যমে তিনি কন্যাসন্তানের অভাব পূরণ করেছেন এবং তাদের বিপদকে নিজের সন্তানের বিপদ হিসেবে দেখেন।

রক্তের সম্পর্কের ঊর্ধ্বে উঠে দায়িত্ব, ত্যাগ আর নিঃস্বার্থ ভালোবাসায় গড়া সাজ্জাদ পারভেজের এই জীবনঘনিষ্ঠ গল্প সমাজে মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।

 

হামের উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৮

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:২৪ পিএম
হামের উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৮

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহজনক হাম রোগী হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৩১৮ জন। এ সময়ে ৮২ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে।

মঙ্গলবার (০৩ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৮২৩ জনে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ৩১৮ জন সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ৫৪৬ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন পাঁচজন। এ ছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

১৫ মার্চ থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ১৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামজনিত কারণে মারা গেছেন ১০৫ জন।

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ হাজার ২০৪ জন। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন মোট ১ লাখ ৯৮ হাজার ৭৫০ জন হাম রোগী।

 

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক