বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

হত্যার হুমকির মামলা নিয়ে মুখ খুললেন তানজিন তিশা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৫৩ পিএম
হত্যার হুমকির মামলা নিয়ে মুখ খুললেন তানজিন তিশা

শাড়ি নিয়ে একের পর এক অভিযোগ ও আইনি জটিলতার মধ্যে নিজের দীর্ঘদিনের সম্মান, ক্যারিয়ার ও অর্জন ধ্বংসের চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে করা একটি মামলায় আদালত সমন জারি করেছেন। আগামী ২৩ নভেম্বর তাঁকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় ফেসবুকে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছেন তিশা। পোস্টে দুটি শাড়ি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারীর ছবির কোলাজ যুক্ত করে তিনি অভিযোগ করেন, তাঁর একটি বক্তব্যের রেকর্ড থেকে নিজেদের সুবিধামতো অংশ কেটে মূল বক্তব্যের অর্থ বদলে দেওয়া হয়েছে। পরে সেটি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে তাঁর সম্মানহানির চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিশা লিখেছেন, ‘এত বড় একটা পরিকল্পনা? একজন মানুষের এত বছরের সম্মান, ক্যারিয়ার আর অর্জন ধ্বংস করে দেওয়ার এমন বিশাল ঘৃণ্য প্রচেষ্টা? কেন? কিসের জন্য? আর এর পেছনে কারা?’

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

অভিযোগ উঠলেই কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় কি না, সেই প্রশ্নও তুলেছেন এই অভিনেত্রী। তাঁর মতে, কোনো অভিযোগ সামনে এলেই সেটিকে সত্য বলে ধরে নেওয়া উচিত নয়। বরং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন। এ ঘটনায় অনেক প্রশ্নের উত্তর ও তথ্যপ্রমাণ তাঁর কাছে রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। তবে সেসব তথ্যপ্রমাণ জনসমক্ষে তুলে ধরার দায়িত্ব আদালতের, নাকি দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার—সেই প্রশ্নও রেখেছেন তিশা।

ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও লিখেছেন, ‘মামলা কি এতই সহজ? অভিযোগ করলেই সত্য হয়ে যায়? একজনের নাম একের পর এক অভিযোগ ছড়িয়ে সামাজিক মাধ্যমে সম্মানহানি করা হয়?’

তানজিন তিশাকে ঘিরে শাড়ি নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত গত বছরের অক্টোবরে। অনলাইন পোশাক বিক্রির প্রতিষ্ঠান অ্যাপোনিয়ার স্বত্বাধিকারী বিলকিস ওয়াজির অভিযোগ, ২৮ হাজার ৮০০ টাকা দামের একটি জামদানি শাড়ি প্রচারণার শর্তে তিশাকে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রচারণা করেননি এবং শাড়ির দামও পরিশোধ করেননি। তবে শুরু থেকেই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন তিশা। তাঁর দাবি, শাড়িটি তাঁকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। এ ঘটনায় করা প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের মামলার আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

এ ছাড়া ৭৫ হাজার টাকা দামের আরেকটি শাড়ি নিয়ে তিশার বিরুদ্ধে মামলা করেন নারী উদ্যোক্তা ও ফ্যাশন ডিজাইনার সানায়া আনাম ওয়াফিকাহ চৌধুরী।

বাদীর অভিযোগ, ২০২৪ সালের ১৩ ডিসেম্বর একটি অনুষ্ঠানে পরার জন্য তিশা তাঁর কাছ থেকে শাড়িটি নিয়েছিলেন। পরদিন সেটি ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও ফেরত দেওয়া হয়নি। শাড়িটি ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে গালাগাল ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করেছিলেন তিনি।

এ ঘটনায় করা মামলায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে তিশাকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করেছিল। তবে ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে বাদীপক্ষ নারাজি আবেদন করলে ২৫ অক্টোবর আদালত মামলাটির অধিকতর তদন্তের দায়িত্ব পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) দেন। আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর এক দিন পর, ২৬ অক্টোবর, আগের মামলাটি তুলে নিতে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করেন সানায়া চৌধুরী। বাদীপক্ষের অভিযোগ, অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের মাধ্যমে তাঁকে ভয় দেখানো হয়েছে। মামলা প্রত্যাহার না করলে বাংলাদেশে থাকতে দেওয়া হবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে তরুণীর অনশন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৫৫ পিএম
বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে তরুণীর অনশন

পাবনার চাটমোহরে বিয়ের দাবিতে কথিত প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন এক তরুণী। গত সোমবার রাত থেকে উপজেলার ডিবিগ্রাম ইউনিয়নের হোগলবাড়িয়া দক্ষিণপাড়া গ্রামের ওসামার বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। অবস্থান নেওয়া তরুণী হালিমা খাতুন একই গ্রামের বাসিন্দা।

হালিমা খাতুনের দাবি, ওসামার সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ পাঁচ বছরের প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে বিয়ের আশ্বাসে তাঁদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং তিনি একপর্যায়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে গর্ভপাত করতে বাধ্য হন। প্রেমিকের পরিবার এই সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় তিনি বাধ্য হয়ে এই অবস্থান কর্মসূচি নিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, এর আগেও তিনি তিনবার বিয়ের দাবিতে ওই বাড়িতে গিয়েছেন এবং এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। বিয়ে না হওয়া পর্যন্ত বাড়ি থেকে নড়বেন না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

হালিমার ভাবি রেবেকা বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক ছিল। এর আগে হালিমা বাড়িতে গেলে তাঁকে ওমরাহ হজ করানোর একটি শর্ত দেওয়া হয়েছিল, যা পালনও করা হয়। কিন্তু এরপরও দুই পরিবারের মধ্যে কোনো সুরাহা হয়নি।

এদিকে হালিমার এসব অভিযোগ অস্বীকার করে ওসামার বাবা আরিফ বিল্লাহ বলেন, তাঁর ছেলেকে ফাঁসানোর জন্য এটি একটি পরিকল্পিত ঘটনা। কল রেকর্ডের কণ্ঠস্বরও ওসামার নয় বলে দাবি করেন তিনি। ওসামার বড় ভাই নাসিম জানান, এর আগে হালিমা বাড়িতে এসে একটি ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিয়েছিলেন।

চাটমোহর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) লালবুর রহমান জানান, এ বিষয়ে তাঁর কাছে বিস্তারিত তথ্য নেই।

 

হামে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,৪১২

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৫২ পিএম
হামে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,৪১২

গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে সন্দেহজনক ও নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৪১২ জন।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে বুধবার পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ২৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০৫ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ১৩৭ জন মারা গেছেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা ও সিলেট বিভাগে একজন করে মারা গেছেন।

একই সময়ে নতুন করে ৯০ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে নিশ্চিতভাবে হাম আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ হাজার ৬৩১ জনে।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ৩২২ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। ফলে এ বছর মোট সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার ১০৬ জন।

 

১৩ দিনের নবজাতক রেখে প্রবাসীর স্ত্রীর আত্মহত্যা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৫০ পিএম
১৩ দিনের নবজাতক রেখে প্রবাসীর স্ত্রীর আত্মহত্যা

মাত্র ১৩ দিনের এক নবজাতক ও তিন বছরের অপর এক সন্তানকে রেখে সুইটি আক্তার (২২) নামের এক প্রবাসীর স্ত্রী গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার পারিবারিক কলহের জেরে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভোররাতে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের হর্নি দুর্গাপুর গ্রামের মোস্তফা রাঢ়ীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুইটি আক্তারের স্বামী মোহাম্মদ হোসেন দীর্ঘদিন ধরে কাতার প্রবাসী।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সদ্য জন্ম নেওয়া নবজাতককে নিয়ে সুইটি আক্তার নিজ বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। ঘটনার দিন রাতে প্রবাসী স্বামী মোহাম্মদ হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে তাঁর কথা কাটাকাটি হয়। পরিবারের ধারণা, ওই কথাকাটাকাটির জেরে অভিমান ও মানসিক অবসাদ থেকে রাতের কোনো এক সময়ে বসতঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন। ভোরে পরিবারের লোকজন তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

খবর পেয়ে ফরিদগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবু হানিফ সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

ঘটনার বিষয়ে প্রবাসী স্বামী মোহাম্মদ হোসেনের পরিবার জানায়, সুইটির কোলজুড়ে ছোট সন্তান থাকায় তিনি বাবার বাড়িতে ছিলেন। তবে ঠিক কী কারণে তিনি এই পথ বেছে নিলেন, সে বিষয়ে তাঁরা সুনির্দিষ্ট কিছু বলতে পারছেন না। ঘটনার পর থেকে নিহতের ভাই বিল্লাল হোসেনসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা শোকাহত থাকায় এ বিষয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেননি।

এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. এরশাদ উল্লা বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে এটি আত্মহত্যা বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ছাড়া আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

 

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক