রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

মালয়েশিয়ায় বাংলা ভাষা-সংস্কৃতি বিকাশে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস হাইকমিশনারের

আহমাদুল কবির মালয়েশিয়া প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৩৩ এম
মালয়েশিয়ায় বাংলা ভাষা-সংস্কৃতি বিকাশে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস হাইকমিশনারের

মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের নতুন প্রজন্মের মধ্যে বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের চর্চা বাড়ানো এবং প্রবাসীদের শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে পরিচালিত আর্টস, কালচার অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ প্রোগ্রামের (এসিএলপি) কার্যক্রমের প্রশংসা করেছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী। এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও প্রবাসী বাংলাদেশি সমাজের জন্য কল্যাণকর উল্লেখ করে এর কার্যক্রম পরিচালনা ও সম্প্রসারণে বাংলাদেশ হাইকমিশনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ হাইকমিশনারের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভায় এসিএলপির গত চার মাসের কার্যক্রম, অর্জন, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ, অভিভাবকদের প্রত্যাশা এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ পরিকল্পনা তুলে ধরেন মালয়েশিয়া বাংলাদেশ ফোরাম অ্যাসোসিয়েশন (এমবিএফএ) ও এসিএলপির প্রতিনিধিরা।
সভায় হাইকমিশনের মিনিস্টার (লেবার) সিদ্দিকুর রহমান, কনস্যুলার ফিরোজ রব্বানী ও ফার্স্ট সেক্রেটারি (পলিটিক্যাল) ফাল্গুনী বাগচী উপস্থিত ছিলেন। এমবিএফএর সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমিন সরকার, সদস্যকল্যাণবিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত ও এসিএলপির আহ্বায়ক মাহফুজ কায়সার অপু, এসিএলপির যুগ্ম আহ্বায়ক মুশফিক আহমেদ চৌধুরী এবং এমবিএফএর জনসংযোগবিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত ফরহাদ হোসেনও সভায় অংশ নেন। এ সময় এসিএলপির কার্যক্রম, অর্জন, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসংবলিত একটি বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন হাইকমিশনারের কাছে উপস্থাপন করা হয়।

গত ৭ জুন ২০২৬ কুয়ালালামপুরের সেতিয়াওয়াংসায় আনুষ্ঠানিকভাবে এসিএলপির কার্যক্রম শুরু হয়। প্রবাসে বেড়ে ওঠা বাংলাদেশি শিশু-কিশোরদের মাতৃভাষা, জাতীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও মূল্যবোধের সঙ্গে পরিচিত করে তোলার পাশাপাশি বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের আত্মিক বন্ধন সুদৃঢ় করাই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।
প্রাথমিক পর্যায়ে শিশু-কিশোরদের জন্য বাংলা ভাষা শিক্ষা, পবিত্র আল-কোরআন শিক্ষা, চিত্রাঙ্কন, নৃত্য ও সংগীতের কার্যক্রম চালু করা হয়। পরবর্তী সময়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বহুমুখী শিক্ষাগত ও পেশাগত চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে কর্মসূচির পরিধি সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

সম্প্রসারিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে চালু করা হয়েছে মালয় ভাষা শিক্ষা কোর্স। এর মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের স্থানীয় ভাষায় যোগাযোগের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং দৈনন্দিন জীবন ও কর্মক্ষেত্রে ভাষাগত প্রতিবন্ধকতা কমানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া উচ্চশিক্ষায় নিয়োজিত শিক্ষার্থী ও গবেষকদের দক্ষতা বাড়াতে গবেষণাপদ্ধতিবিষয়ক কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। মাস্টার্স, এমফিল ও পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের গবেষণাপদ্ধতি, গবেষণাপত্র প্রণয়ন, তথ্যসূত্র ব্যবস্থাপনা ও একাডেমিক প্রকাশনায় দক্ষ করে তুলতে এ কর্মসূচি ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রাপ্তবয়স্কদের ধর্মীয় শিক্ষার চাহিদা বিবেচনায় শুদ্ধ উচ্চারণ, তাজবিদ ও সাবলীলভাবে পবিত্র আল-কোরআন তিলাওয়াত শেখানোর কর্মসূচিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে সম্প্রসারিত কার্যক্রমে।
মতবিনিময় সভায় প্রবাসী বাংলাদেশি অভিভাবকদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা অনুযায়ী ভবিষ্যতে এমবিএফএ স্কুল প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা ও প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়।

এমবিএফএর প্রতিনিধিদের মতে, মালয়েশিয়ায় বেড়ে ওঠা বাংলাদেশি শিশুদের জন্য এ ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা সম্ভব হলে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি মাতৃভাষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও নৈতিক মূল্যবোধ চর্চার সুযোগ বাড়বে। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের মধ্যে বাংলাদেশের ইতিহাস, জাতীয় পরিচয় ও নিজস্ব শিকড় সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতেও তা ভূমিকা রাখতে পারে।
প্রবাসে জন্ম নেওয়া ও বেড়ে ওঠা অনেক শিশুর দৈনন্দিন জীবনে বাংলা ভাষার ব্যবহার সীমিত হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ বাস্তবতায় ভাষা শিক্ষার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক চর্চা ও শিক্ষামূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার ওপর গুরুত্ব দেন প্রতিনিধিরা।

এসিএলপির কার্যক্রমের প্রশংসা করে হাইকমিশনার বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের নতুন প্রজন্মকে বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও জাতীয় পরিচয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখার এ উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে প্রাপ্তবয়স্কদের শিক্ষা ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে কর্মসূচিটির সম্প্রসারণ প্রবাসী জনগোষ্ঠীর জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি এসিএলপির কার্যক্রম সুষ্ঠু ও ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা, এর পরিধি সম্প্রসারণ এবং আরও বেশি প্রবাসী বাংলাদেশির কাছে শিক্ষামূলক সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেন।
সভায় এসিএলপির কার্যক্রমের অগ্রগতি, বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।

মতবিনিময় সভা শেষে হাইকমিশনারের আন্তরিক উৎসাহ, মূল্যবান দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতার আশ্বাসের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এমবিএফএ ও এসিএলপির প্রতিনিধিরা। তাঁদের প্রত্যাশা, হাইকমিশনসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় এ উদ্যোগ মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভাষা-সংস্কৃতি চর্চা, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আরও বিস্তৃত হবে।

সাংবাদিকদের মুক্তির দাবিতে তুরস্কে বিক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫৫ পিএম
সাংবাদিকদের মুক্তির দাবিতে তুরস্কে বিক্ষোভ

সাংবাদিকদের নির্বিচারে গ্রেপ্তার, গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান বন্ধ এবং সংবাদ প্রচারে কঠোর সরকারি বিধিনিষেধের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে তুরস্ক। স্বাধীন সাংবাদিকতা নিশ্চিত করা এবং কারাবন্দি গণমাধ্যমকর্মীদের মুক্তির দাবিতে শনিবার (২৪ অক্টোবর) দেশটির দুই প্রধান শহর ইস্তাম্বুল ও আঙ্কারায় বিক্ষোভে অংশ নেন হাজারো মানুষ।

সম্প্রতি তুরস্কে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা, কারাদণ্ড, ডিজিটাল মাধ্যমে প্রবেশে বিধিনিষেধ এবং স্বাধীন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে সরকারি প্রশাসক নিয়োগের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। এর প্রতিবাদে শনিবার ইস্তাম্বুল ও আঙ্কারার বিভিন্ন সড়কে মিছিল ও সমাবেশ করেন বিক্ষোভকারীরা। এতে মূলত সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী ও বিরোধী দলের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

পুলিশ ও আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দুই শহরে অন্তত তিন হাজার মানুষ সমবেত হন। এ সময় কারাবন্দি সাংবাদিকদের ছবি হাতে নিয়ে বিক্ষোভকারীরা ‘আমাদের কণ্ঠরোধ করা যাবে না’ এবং ‘আমরা চাপের কাছে মাথা নত করব না’ বলে স্লোগান দেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

তুর্কি সাংবাদিক ইউনিয়নের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই মাসে দেশটির কর্তৃপক্ষ ১১ জন সাংবাদিককে কারারুদ্ধ করেছে এবং কয়েকটি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে। এর আগে সরকারের সমালোচনা করায় দেশটির সর্বাধিক দর্শকপ্রিয় সংবাদ চ্যানেল ‘হাল্ক টিভি’তে পুলিশ অভিযান চালিয়ে সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়। একই সঙ্গে চ্যানেলটিতে সরকার-নিযুক্ত প্রশাসক বসানো হয়। এ ছাড়া ‘এলজিবিটি প্রচারণা’র অভিযোগে শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম ‘টি২৪’-এর ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টও বন্ধ করে দেওয়া হয়।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া প্রবীণ সাংবাদিক ও কলামিস্ট জাফের আরাবকিরলি বলেন, ‘এই সমাবেশ শুধু সাংবাদিকদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য নয়, বরং স্বাধীন গণমাধ্যমের মাধ্যমে সমাজের সঠিক তথ্য জানার অধিকার রক্ষার লড়াই।’

তুর্কি সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি গোকান দুরমুস অভিযোগ করেন, সরকার সংবাদমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সমাজে একপেশে ধারা ও একক কণ্ঠস্বর প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে।

আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে কারাবন্দি সাংবাদিক ইসমাইল আরির একটি চিঠি পড়ে শোনানো হয়। সিনকান কারাগার থেকে পাঠানো চিঠিতে তিনি জানান, সাংবাদিকতার দায়িত্ব পালন করা ছাড়া অন্য কোনো অপরাধ না করেও তাঁকে আটক রাখা হয়েছে। এভাবে তাঁর জীবনের দিনগুলো কেড়ে নেওয়া হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত সাংবাদিকতা রক্ষায় সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে আরি বলেন, সংবিধান মেনে সাংবাদিকদের যেন স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, তুরস্কের সম্প্রচার নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধান আবুবকির শাহিনের অভিযোগের ভিত্তিতে সরকারি কর্মকর্তাকে অপমান এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে চলতি মাসে ইসমাইল আরিকে গ্রেপ্তার করা হয়। সাত মাসের মধ্যে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার তাঁকে গ্রেপ্তার করা হলো।

বিজয়-রাশমিকার সম্পর্ক নিয়ে নতুন জল্পনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫৩ পিএম
বিজয়-রাশমিকার সম্পর্ক নিয়ে নতুন জল্পনা

দক্ষিণী তারকা বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানার সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইনস্টাগ্রামে বিজয়ের অনুসরণ করা অ্যাকাউন্টের তালিকা ফাঁকা থাকায় তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে নানা জল্পনা ছড়িয়েছে। কেউ কেউ বিচ্ছেদের গুঞ্জনও তুলেছেন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুসরণ করার তালিকা থেকে তাঁদের সম্পর্কে কোনো সমস্যা রয়েছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো প্রমাণ নেই।

সম্প্রতি বিজয়ের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে দেখা যায়, তিনি কোনো অ্যাকাউন্ট অনুসরণ করছেন না। সেই তালিকায় স্ত্রী রাশমিকাও নেই। অন্যদিকে, রাশমিকা এখনো ইনস্টাগ্রামে বিজয়কে অনুসরণ করছেন। ফলে দুজন পরস্পরকে অনুসরণ করা বন্ধ করেছেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে দাবি ছড়িয়েছে, প্রোফাইলের তথ্যের সঙ্গে তার মিল নেই।

এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। এক ব্যবহারকারী দাবি করেন, বিজয় ও রাশমিকা একে অন্যকে অনুসরণ করা বন্ধ করেছেন। তাঁদের সম্পর্কে কোনো সমস্যা তৈরি হয়েছে কি না, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি। তবে আরেক ব্যবহারকারীর দাবি, তাঁরা কখনোই পরস্পরকে অনুসরণ করতেন না। অন্য একজন সতর্ক করে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কাউকে অনুসরণ করা বন্ধ করলেই যে তাঁর সঙ্গে সম্পর্কে সমস্যা রয়েছে, তা ধরে নেওয়া ঠিক নয়। বিজয়ের অনুসরণ করা অ্যাকাউন্টের তালিকায় কারও নাম না থাকাকে কেন্দ্র করে জল্পনা ছড়ালেও, এটি তাঁদের দাম্পত্যে টানাপোড়েনের প্রমাণ নয়।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ইনস্টাগ্রাম ঘিরে এই আলোচনার মধ্যেই নতুন করে সামনে এসেছে ‘কফি উইথ করণ ৯’ অনুষ্ঠানে বিজয় ও রাশমিকার উপস্থিতির প্রসঙ্গ। সেখানে নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রাশমিকা জানান, প্রায় এক বছর ধরে তিনি বিজয়কে বিয়ের কথা বলেছিলেন। সেই সময়ের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, বিজয়কে বারবার বলতেন, চলো, বিয়ে করি।

রাশমিকার এই বক্তব্যের পর বিজয় রসিকতা করে বলেন, বিষয়টি প্রকাশ্যে আসায় তাঁকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রল করা হবে। পরে এ নিয়ে অনলাইনে আলোচনা শুরু হয়। তাঁদের সম্পর্ক কীভাবে বিয়ের দিকে এগিয়েছে, তা নিয়ে কেউ কেউ বিজয়ের সমালোচনাও করেন।

এখন পর্যন্ত বিজয় ও রাশমিকার সম্পর্কে অবনতি কিংবা বিচ্ছেদের বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য সামনে আসেনি। তাঁদের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলের তথ্য অনুযায়ী, বিজয় কাউকেই অনুসরণ করছেন না। অন্যদিকে, রাশমিকা এখনো তাঁকে অনুসরণ করছেন। তাই শুধু ইনস্টাগ্রামের অনুসরণ তালিকা কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া মন্তব্যের ভিত্তিতে তাঁদের দাম্পত্যে সমস্যা বা বিচ্ছেদের গুঞ্জনকে সত্য বলে ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই।

 

৬ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৯ পিএম
৬ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিপি সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড এবং কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসি থেকে মোট ছয় কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার দুটি পৃথক প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে শনিবার ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের ৫১তম সভায় এই অনুমোদন প্রদান করা হয়।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সভায় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে এলএনজি আমদানির প্রস্তাব দুটি উপস্থাপন করা হলে বিস্তর আলোচনা শেষে তা চূড়ান্ত অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়। প্রথম প্রস্তাব অনুযায়ী, সরকারি ক্রয় আইন ও বিধিমালার সংশ্লিষ্ট ধারা অনুসরণ করে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে বিপি সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেডের কাছ থেকে পাঁচ কার্গো এলএনজি কেনা হবে। এতে প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে জাপান-কোরিয়া মার্কার (জেকেএম) সূচক মূল্য থেকে ০.১৭ মার্কিন ডলার কমে। পাশাপাশি দুই পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে প্রয়োজনবোধে অতিরিক্ত কার্গো সংগ্রহের সুযোগও রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে, দ্বিতীয় প্রস্তাবে কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসির সঙ্গে বিদ্যমান দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) ভিত্তিতে অতিরিক্ত এক কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ২০২৬ সালের ২০ ডিসেম্বরের জন্য নির্ধারিত এই কার্গোটির ক্ষেত্রে বিদ্যমান চুক্তির নির্ধারিত দর থেকে আলাদা এবং তুলনামূলক কম মূল্যে কেনা হচ্ছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, এর প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম পড়বে জেকেএম মূল্য থেকে ০.১০ মার্কিন ডলার কম। দেশে ক্রমবর্ধমান গ্যাসের চাহিদা মেটাতে এই এলএনজি আমদানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক