রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

লালমনিরহাট সীমান্তে বিএসএফের অনুপ্রবেশ, ধাওয়া দিল বাংলাদেশি কৃষকরা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪৫ পিএম
লালমনিরহাট সীমান্তে বিএসএফের অনুপ্রবেশ, ধাওয়া দিল বাংলাদেশি কৃষকরা

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী সীমান্তে বাংলাদেশি কৃষকদের সঙ্গে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) মুখোমুখি সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় বাংলাদেশিরা সংগঠিত হয়ে বিএসএফ সদস্যদের ধাওয়া দিলে তারা সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে সীমান্ত এলাকা ত্যাগ করে বলে অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেলে বুড়িমারী ইউনিয়নের বামনদল সীমান্তের ৮৩৭/৪-এস নম্বর পিলারের কাছে এ ঘটনা ঘটে।

সীমান্তবাসী সূত্রে জানা যায়, বিএসএফের কয়েকজন সদস্য শূন্যরেখা পেরিয়ে বাংলাদেশের অন্তত ১০০ গজ অভ্যন্তরে প্রবেশ করে জমিতে কর্মরত কৃষকদের ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করেন। ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করে আশপাশের গ্রামবাসীরা লাঠিসোটা নিয়ে একজোটে বিএসএফকে ধাওয়া করেন। পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে বিএসএফ সদস্যরা সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে নিজেদের সীমান্তে ফিরে যেতে বাধ্য হয়।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ২০ অক্টোবর একই উপজেলার তিনবিঘা করিডোর এলাকায় এক বাংলাদেশি ভ্যানচালককে বিএসএফ সদস্য কর্তৃক মারধরের ঘটনা ঘটেছিল। পরদিন ২১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত বিজিবি-বিএসএফ ব্যাটালিয়ন পর্যায়ের পতাকা বৈঠকে ভারতীয় পক্ষ থেকে ঐ ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ভবিষ্যতে এমন আচরণ না করার আশ্বাস দেওয়া হয়। ঐ ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই পুনরায় বিএসএফের সীমান্ত লঙ্ঘনের ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে ৬১ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল শাহিনুল ইসলাম জানান, শনিবার বিকেলে বুড়িমারী সীমান্তে গ্রামবাসী ও বিএসএফের মধ্যে যে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, সে বিষয়ে বিজিবির পক্ষ থেকে কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে বিএসএফের কাছে লিখিত পত্র পাঠানো হয়েছে।

সাংবাদিকদের মুক্তির দাবিতে তুরস্কে বিক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫৫ পিএম
সাংবাদিকদের মুক্তির দাবিতে তুরস্কে বিক্ষোভ

সাংবাদিকদের নির্বিচারে গ্রেপ্তার, গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান বন্ধ এবং সংবাদ প্রচারে কঠোর সরকারি বিধিনিষেধের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে তুরস্ক। স্বাধীন সাংবাদিকতা নিশ্চিত করা এবং কারাবন্দি গণমাধ্যমকর্মীদের মুক্তির দাবিতে শনিবার (২৪ অক্টোবর) দেশটির দুই প্রধান শহর ইস্তাম্বুল ও আঙ্কারায় বিক্ষোভে অংশ নেন হাজারো মানুষ।

সম্প্রতি তুরস্কে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা, কারাদণ্ড, ডিজিটাল মাধ্যমে প্রবেশে বিধিনিষেধ এবং স্বাধীন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে সরকারি প্রশাসক নিয়োগের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। এর প্রতিবাদে শনিবার ইস্তাম্বুল ও আঙ্কারার বিভিন্ন সড়কে মিছিল ও সমাবেশ করেন বিক্ষোভকারীরা। এতে মূলত সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী ও বিরোধী দলের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

পুলিশ ও আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দুই শহরে অন্তত তিন হাজার মানুষ সমবেত হন। এ সময় কারাবন্দি সাংবাদিকদের ছবি হাতে নিয়ে বিক্ষোভকারীরা ‘আমাদের কণ্ঠরোধ করা যাবে না’ এবং ‘আমরা চাপের কাছে মাথা নত করব না’ বলে স্লোগান দেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

তুর্কি সাংবাদিক ইউনিয়নের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই মাসে দেশটির কর্তৃপক্ষ ১১ জন সাংবাদিককে কারারুদ্ধ করেছে এবং কয়েকটি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে। এর আগে সরকারের সমালোচনা করায় দেশটির সর্বাধিক দর্শকপ্রিয় সংবাদ চ্যানেল ‘হাল্ক টিভি’তে পুলিশ অভিযান চালিয়ে সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়। একই সঙ্গে চ্যানেলটিতে সরকার-নিযুক্ত প্রশাসক বসানো হয়। এ ছাড়া ‘এলজিবিটি প্রচারণা’র অভিযোগে শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম ‘টি২৪’-এর ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টও বন্ধ করে দেওয়া হয়।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া প্রবীণ সাংবাদিক ও কলামিস্ট জাফের আরাবকিরলি বলেন, ‘এই সমাবেশ শুধু সাংবাদিকদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য নয়, বরং স্বাধীন গণমাধ্যমের মাধ্যমে সমাজের সঠিক তথ্য জানার অধিকার রক্ষার লড়াই।’

তুর্কি সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি গোকান দুরমুস অভিযোগ করেন, সরকার সংবাদমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সমাজে একপেশে ধারা ও একক কণ্ঠস্বর প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে।

আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে কারাবন্দি সাংবাদিক ইসমাইল আরির একটি চিঠি পড়ে শোনানো হয়। সিনকান কারাগার থেকে পাঠানো চিঠিতে তিনি জানান, সাংবাদিকতার দায়িত্ব পালন করা ছাড়া অন্য কোনো অপরাধ না করেও তাঁকে আটক রাখা হয়েছে। এভাবে তাঁর জীবনের দিনগুলো কেড়ে নেওয়া হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত সাংবাদিকতা রক্ষায় সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে আরি বলেন, সংবিধান মেনে সাংবাদিকদের যেন স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, তুরস্কের সম্প্রচার নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধান আবুবকির শাহিনের অভিযোগের ভিত্তিতে সরকারি কর্মকর্তাকে অপমান এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে চলতি মাসে ইসমাইল আরিকে গ্রেপ্তার করা হয়। সাত মাসের মধ্যে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার তাঁকে গ্রেপ্তার করা হলো।

বিজয়-রাশমিকার সম্পর্ক নিয়ে নতুন জল্পনা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫৩ পিএম
বিজয়-রাশমিকার সম্পর্ক নিয়ে নতুন জল্পনা

দক্ষিণী তারকা বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানার সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইনস্টাগ্রামে বিজয়ের অনুসরণ করা অ্যাকাউন্টের তালিকা ফাঁকা থাকায় তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে নানা জল্পনা ছড়িয়েছে। কেউ কেউ বিচ্ছেদের গুঞ্জনও তুলেছেন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুসরণ করার তালিকা থেকে তাঁদের সম্পর্কে কোনো সমস্যা রয়েছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো প্রমাণ নেই।

সম্প্রতি বিজয়ের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে দেখা যায়, তিনি কোনো অ্যাকাউন্ট অনুসরণ করছেন না। সেই তালিকায় স্ত্রী রাশমিকাও নেই। অন্যদিকে, রাশমিকা এখনো ইনস্টাগ্রামে বিজয়কে অনুসরণ করছেন। ফলে দুজন পরস্পরকে অনুসরণ করা বন্ধ করেছেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে দাবি ছড়িয়েছে, প্রোফাইলের তথ্যের সঙ্গে তার মিল নেই।

এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। এক ব্যবহারকারী দাবি করেন, বিজয় ও রাশমিকা একে অন্যকে অনুসরণ করা বন্ধ করেছেন। তাঁদের সম্পর্কে কোনো সমস্যা তৈরি হয়েছে কি না, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি। তবে আরেক ব্যবহারকারীর দাবি, তাঁরা কখনোই পরস্পরকে অনুসরণ করতেন না। অন্য একজন সতর্ক করে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কাউকে অনুসরণ করা বন্ধ করলেই যে তাঁর সঙ্গে সম্পর্কে সমস্যা রয়েছে, তা ধরে নেওয়া ঠিক নয়। বিজয়ের অনুসরণ করা অ্যাকাউন্টের তালিকায় কারও নাম না থাকাকে কেন্দ্র করে জল্পনা ছড়ালেও, এটি তাঁদের দাম্পত্যে টানাপোড়েনের প্রমাণ নয়।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ইনস্টাগ্রাম ঘিরে এই আলোচনার মধ্যেই নতুন করে সামনে এসেছে ‘কফি উইথ করণ ৯’ অনুষ্ঠানে বিজয় ও রাশমিকার উপস্থিতির প্রসঙ্গ। সেখানে নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রাশমিকা জানান, প্রায় এক বছর ধরে তিনি বিজয়কে বিয়ের কথা বলেছিলেন। সেই সময়ের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, বিজয়কে বারবার বলতেন, চলো, বিয়ে করি।

রাশমিকার এই বক্তব্যের পর বিজয় রসিকতা করে বলেন, বিষয়টি প্রকাশ্যে আসায় তাঁকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রল করা হবে। পরে এ নিয়ে অনলাইনে আলোচনা শুরু হয়। তাঁদের সম্পর্ক কীভাবে বিয়ের দিকে এগিয়েছে, তা নিয়ে কেউ কেউ বিজয়ের সমালোচনাও করেন।

এখন পর্যন্ত বিজয় ও রাশমিকার সম্পর্কে অবনতি কিংবা বিচ্ছেদের বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য সামনে আসেনি। তাঁদের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলের তথ্য অনুযায়ী, বিজয় কাউকেই অনুসরণ করছেন না। অন্যদিকে, রাশমিকা এখনো তাঁকে অনুসরণ করছেন। তাই শুধু ইনস্টাগ্রামের অনুসরণ তালিকা কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া মন্তব্যের ভিত্তিতে তাঁদের দাম্পত্যে সমস্যা বা বিচ্ছেদের গুঞ্জনকে সত্য বলে ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই।

 

৬ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৯ পিএম
৬ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিপি সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড এবং কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসি থেকে মোট ছয় কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার দুটি পৃথক প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে শনিবার ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের ৫১তম সভায় এই অনুমোদন প্রদান করা হয়।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সভায় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে এলএনজি আমদানির প্রস্তাব দুটি উপস্থাপন করা হলে বিস্তর আলোচনা শেষে তা চূড়ান্ত অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়। প্রথম প্রস্তাব অনুযায়ী, সরকারি ক্রয় আইন ও বিধিমালার সংশ্লিষ্ট ধারা অনুসরণ করে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে বিপি সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেডের কাছ থেকে পাঁচ কার্গো এলএনজি কেনা হবে। এতে প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে জাপান-কোরিয়া মার্কার (জেকেএম) সূচক মূল্য থেকে ০.১৭ মার্কিন ডলার কমে। পাশাপাশি দুই পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে প্রয়োজনবোধে অতিরিক্ত কার্গো সংগ্রহের সুযোগও রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে, দ্বিতীয় প্রস্তাবে কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসির সঙ্গে বিদ্যমান দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) ভিত্তিতে অতিরিক্ত এক কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ২০২৬ সালের ২০ ডিসেম্বরের জন্য নির্ধারিত এই কার্গোটির ক্ষেত্রে বিদ্যমান চুক্তির নির্ধারিত দর থেকে আলাদা এবং তুলনামূলক কম মূল্যে কেনা হচ্ছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, এর প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম পড়বে জেকেএম মূল্য থেকে ০.১০ মার্কিন ডলার কম। দেশে ক্রমবর্ধমান গ্যাসের চাহিদা মেটাতে এই এলএনজি আমদানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক