শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

বিশেষ ফ্লাইটে ইতালি, গ্রিস ও সাইপ্রাস থেকে দেশে ফিরলেন ৩৫ বাংলাদেশি

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৫৫ পিএম
বিশেষ ফ্লাইটে ইতালি, গ্রিস ও সাইপ্রাস থেকে দেশে ফিরলেন ৩৫ বাংলাদেশি

ইউরোপের তিন দেশ থেকে আরও ৩৫ বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে ইতালি থেকে ১৯ জন, গ্রিস থেকে ১০ জন এবং সাইপ্রাস থেকে ছয়জন রয়েছেন।

 

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল সোয়া ৮টার দিকে একটি বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে (পিভিজি ৯৪৪৫) তাঁরা ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

 

বিমানবন্দর সূত্র ও ইমিগ্রেশন পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ফেরত আসা বাংলাদেশিদের বিমানবন্দরে জরুরি সহায়তা, কাউন্সেলিং এবং বাড়ি ফেরার জন্য আর্থিক সহায়তা দিয়েছে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম। এ সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

 

ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ব্র্যাকের যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত ‘প্রত্যাশা-২’ প্রকল্পের আওতায় তাঁদের এ সহায়তা দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে কাউন্সেলিং ও প্রশিক্ষণ শেষে তাঁদের অর্থনৈতিক সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

 

ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান বলেন, গত কয়েক বছরে ইউরোপ থেকে ফেরত আসা বাংলাদেশিদের মধ্যে ইতালি, গ্রিস ও জার্মানি থেকে আসা মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। দেশে ফেরত আসা ব্যক্তিদের বিমানবন্দরে জরুরি সহায়তা ও কাউন্সেলিং দেওয়া হয়। পরে তাঁদের অর্থনৈতিক সহায়তা দেওয়া হয়, যাতে তাঁরা নতুন করে জীবন শুরু করতে পারেন।

 

তিনি আরও বলেন, ঝুঁকি নিয়ে অবৈধ পথে ইউরোপে যাওয়া নিরুৎসাহিত করতে দেশজুড়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি ইউরোপের দেশগুলো বাংলাদেশ থেকে বৈধ পথে কর্মী নেওয়ার উদ্যোগও নিচ্ছে।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ইউরোপ থেকে অনিয়মিতভাবে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানোর বিষয়ে ২০১৭ সালে বাংলাদেশ সরকার ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) চুক্তি করে। এর আওতায় এ পর্যন্ত প্রায় পাঁচ হাজার বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক সাইপ্রাস, ইতালি, রোমানিয়া ও ফ্রান্স থেকে ফেরত এসেছেন।

সহিংসতা ঠেকাতে ‘প্লা প্রোয়া’ চালু 

কাতালোনিয়ায় ৩৪টি সহিংস তরুণ গোষ্ঠী শনাক্ত, নজরদারিতে প্রায় এক হাজার ব্যক্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:২৯ পিএম
কাতালোনিয়ায় ৩৪টি সহিংস তরুণ গোষ্ঠী শনাক্ত, নজরদারিতে প্রায় এক হাজার ব্যক্তি

কাতালোনিয়ায় তরুণদের সহিংস গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা মোকাবিলায় নতুন বিশেষ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে আঞ্চলিক পুলিশ মোসোস দে’স্কোয়াদ্রা। পুলিশের হিসাবে, অঞ্চলটিতে অন্তত ৩৪টি সহিংস তরুণ গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে এবং প্রায় এক হাজার ব্যক্তি এসব গোষ্ঠীর সঙ্গে বিভিন্নভাবে যুক্ত। তাদের বিস্তার ঠেকানো, অপরাধী নেটওয়ার্ক শনাক্ত করা এবং নতুন সদস্য সংগ্রহ প্রতিরোধের লক্ষ্যে আগামী নভেম্বর থেকে ‘প্লা প্রোয়া’ (Pla Proa) নামে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা কার্যকর করার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

২২ অক্টোবর বার্সেলোনার কাছে সাবাদেল শহরে মোসোস দে’স্কোয়াদ্রার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদমাধ্যমকে পরিকল্পনার বিষয়ে জানান বাহিনীর প্রধান সিলভিয়া কাতা, উপপ্রধান রামন চাকোন এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তনি রদ্রিগেস। তাঁদের বক্তব্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশেষ করে বার্সেলোনা ও আশপাশের এলাকায় তরুণদের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোষ্ঠীগত সহিংসতা বেড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশ ২০২৪ সাল থেকে এসব গোষ্ঠী নিয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করছে।

তিনটি গোষ্ঠীকে ঘিরে অধিকাংশ সংঘর্ষ

পুলিশের বিশ্লেষণে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে ত্রিনিতারিওস (Trinitarios), বারিও ১৮ (Barrio 18) এবং লস ৩০০ (Los 300) নামের তিনটি গোষ্ঠী। পুলিশের হিসাব অনুযায়ী, শনাক্ত করা গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অপরাধমূলক ঘটনার প্রায় ৬৬ শতাংশের সঙ্গে এই তিনটি গোষ্ঠীর যোগসূত্র রয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এ ছাড়া লাতিন কিংস (Latin Kings), পিজিএস (PGS), লোবোস (Lobos) এবং মারা সালভাত্রুচা (Mara Salvatrucha) সহ মোট সাতটি গোষ্ঠীকে প্রায় ৮০ শতাংশ ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।

কাতালোনিয়ায় তরুণদের সহিংস গোষ্ঠীর বিস্তার ঠেকাতে নতুন পরিকল্পনা নিয়েছে আঞ্চলিক পুলিশ মোসোস দে’স্কোয়াদ্রা।

এসব গোষ্ঠীর কার্যক্রম প্রধানত বার্সেলোনা ও এর মহানগর এলাকায় কেন্দ্রীভূত। পাশাপাশি তারাগোনা, জিরোনা ও লেইদা অঞ্চলেও তাদের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়েছে। বার্সেলোনার কয়েকটি পাড়া, জনসমাগমস্থল এবং মেট্রোর কিছু অংশে গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা নিয়ে পুলিশের উদ্বেগ রয়েছে।

হামলা, ডাকাতি ও অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ

মোসোস দে’স্কোয়াদ্রার তথ্য অনুযায়ী, এসব গোষ্ঠীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অপরাধের মধ্যে রয়েছে মারামারি, শারীরিক হামলা, নিজেদের সদস্যদের ওপর শাস্তিমূলক আক্রমণ, ছিনতাই ও ডাকাতি, মাদক বিক্রি এবং ছুরি বা আগ্নেয়াস্ত্র বহনের ঘটনা।

পুলিশের উদ্বেগের একটি বড় কারণ হলো, সাম্প্রতিক সময়ে সহিংস সংঘর্ষে আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার। গত দুই বছরে কাতালোনিয়ায় অন্তত তিনটি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে এসব গোষ্ঠীর যোগসূত্র নিয়ে তদন্ত করেছে পুলিশ। তবে প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্রে গ্যাং-সংশ্লিষ্টতা চূড়ান্তভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, এমন দাবি করা হয়নি।

পুলিশের পর্যবেক্ষণে, এসব গোষ্ঠীতে অপ্রাপ্তবয়স্ক এবং প্রাপ্তবয়স্ক উভয় বয়সের মানুষ রয়েছে। কিশোরদের কেউ কেউ গোষ্ঠীর প্রতীক বা পরিচিতি ব্যবহার করলেও সবাই সরাসরি সক্রিয় সদস্য নয়। পুলিশ তাদের মধ্যে গোষ্ঠীর প্রতি সহানুভূতিশীল, প্রতীক ব্যবহারকারী এবং সক্রিয়ভাবে সহিংসতায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের আলাদা করে দেখার চেষ্টা করছে।

আগের গ্যাংগুলোর চেয়ে বর্তমান পরিস্থিতি ভিন্ন

২০০০ সালের শুরুর দিকে কাতালোনিয়ায় তথাকথিত লাতিন গ্যাংগুলোর উত্থান হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে পুলিশের অভিযানে তাদের কার্যক্রম অনেকটাই কমে আসে। কিন্তু মোসোস দে’স্কোয়াদ্রার সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, নতুন প্রজন্মের গোষ্ঠীগুলোর কাঠামো আগের তুলনায় বেশি বৈচিত্র্যময় ও নমনীয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমান গোষ্ঠীগুলোকে শুধু নির্দিষ্ট জাতীয়তা বা অভিবাসী পরিচয়ের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা করা যায় না। তাদের সদস্যদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পটভূমি ভিন্ন হতে পারে এবং নেতৃত্বের কাঠামোও সব ক্ষেত্রে এক রকম নয়। তবে প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীর সঙ্গে বিরোধ, নির্দিষ্ট এলাকায় প্রভাব বিস্তার এবং নিজেদের অবস্থান ধরে রাখার প্রবণতা সহিংসতার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

কীভাবে কাজ করবে ‘প্লা প্রোয়া’

নতুন পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য শুধু অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা নয়, বরং গোষ্ঠীগুলোর কার্যক্রম সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য সংগ্রহ, অপরাধের ধরন বিশ্লেষণ এবং নতুন গোষ্ঠীর বিস্তার আগেই ঠেকানো।

এ জন্য কাতালোনিয়ার প্রতিটি পুলিশ অঞ্চলে আলাদা সমন্বয় টেবিল বা তথ্য বিনিময়ের কাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব অঞ্চলের তথ্য কেন্দ্রীয় পর্যায়ে একত্র করে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করা হবে। সেই বিশ্লেষণের ভিত্তিতে তদন্ত, প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পুলিশি অভিযান পরিচালনা করা হবে।

বার্সেলোনায় এ কাজে নগর পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা হবে। যেসব চত্বর, জনসমাগমস্থল বা মেট্রো এলাকায় সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীর উপস্থিতির তথ্য রয়েছে, সেখানে পুলিশের উপস্থিতি বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।

মোসোস দে’স্কোয়াদ্রার লক্ষ্য হলো, বর্তমানে সক্রিয় গোষ্ঠীগুলোর সহিংসতা বন্ধ করা এবং নতুন গোষ্ঠী গড়ে ওঠা প্রতিরোধ করা। তবে পরিকল্পনাটির কার্যকারিতা নির্ভর করবে তথ্য সংগ্রহের মান, পুলিশি সমন্বয় এবং অপরাধ প্রতিরোধের পাশাপাশি ঝুঁকিতে থাকা তরুণদের সহায়তা দেওয়ার ওপরও।

| তথ্যসূত্র: Europa Press, 3CatInfo, El País, El Periódico, betevé

স্পেন

চলতি বছরের তাপপ্রবাহে ইউরোপের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু স্পেনে, শুধু বার্সেলোনায় প্রাণহানি ১,৫৮৭

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১৩ পিএম
চলতি বছরের তাপপ্রবাহে ইউরোপের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু স্পেনে, শুধু বার্সেলোনায় প্রাণহানি ১,৫৮৭

২০২৬ সালের গ্রীষ্মে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে বার্সেলোনায় আনুমানিক ১ হাজার ৫৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। ইউরোপের শহরগুলোর মধ্যে তাপজনিত মৃত্যুর সংখ্যায় ইতালির মিলানের পরই রয়েছে স্পেনের এই শহর। লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজ ও লন্ডন স্কুল অব হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিনের গবেষকদের এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

বৈজ্ঞানিক সাময়িকী ন্যচারাল হেলথ (Nature Health)-এ প্রকাশিত গবেষণা অনুযায়ী, চলতি গ্রীষ্মে ইউরোপের ৮৫৪টি শহরে তাপের কারণে আনুমানিক ৫০ হাজার ৩৯১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৩২ হাজার ৬১৯টি মৃত্যু জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট অতিরিক্ত তাপমাত্রার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে গবেষকেরা হিসাব করেছেন। অর্থাৎ মোট তাপজনিত মৃত্যুর প্রায় ৬৫ শতাংশের জন্য জলবায়ু পরিবর্তন দায়ী বলে অনুমান করা হয়েছে।

মিলানে তাপজনিত মৃত্যুর সংখ্যা আনুমানিক ১ হাজার ৬২৭। এই হিসাবে বার্সেলোনা ইউরোপের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তাপজনিত মৃত্যুর শহর।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

স্পেনের ৯০টি শহরে ৬ হাজার ৮২৪ মৃত্যু:
গবেষণায় স্পেনের ৯০টি শহরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এসব শহরে চলতি গ্রীষ্মে তাপের সঙ্গে সম্পর্কিত আনুমানিক ৬ হাজার ৮২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৫ হাজার ২২৭টি মৃত্যু জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত বলে গবেষকেরা অনুমান করেছেন। অর্থাৎ মোট মৃত্যুর প্রায় ৭৭ শতাংশের পেছনে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব রয়েছে বলে হিসাব করা হয়েছে।

গবেষণায় কাতালোনিয়ার ১১টি শহর অন্তর্ভুক্ত ছিল। এগুলো হলো বার্সেলোনা, তারাগোনা, লেইদা, জিরোনা, ইগুয়ালাদা, গ্রানইয়ার্স, ভিলানোভা ই লা গেলত্রু, মাতারো, মোলেত দেল ভায়েস, রেউস ও মানরেসা।

শহরভিত্তিক হিসাবে, তারাগোনায় তাপের কারণে আনুমানিক ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ৩৪টি জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত। লেইদায় তাপজনিত মৃত্যুর আনুমানিক সংখ্যা ৫২, যার মধ্যে ৩৫টি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ঘটেছে বলে ধারণা করা হয়েছে। অন্যদিকে জিরোনায় আনুমানিক ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ২৬টি মানবসৃষ্ট বৈশ্বিক উষ্ণতার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে গবেষকেরা হিসাব করেছেন।

২০০০ সালের পর সবচেয়ে প্রাণঘাতী গ্রীষ্ম:
গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, ২০০০ সালের পর বিশ্লেষণ করা ইউরোপীয় শহরগুলোর মধ্যে ২০২৬ সালের গ্রীষ্মে তাপজনিত মৃত্যুর আনুমানিক সংখ্যা সর্বোচ্চ। তুলনায়, ২০২২ সালের গ্রীষ্মে প্রায় ২৯ হাজার ৪৮০ জন এবং ২০০৩ সালে প্রায় ২৮ হাজার ৪৬২ জনের তাপজনিত মৃত্যুর হিসাব করা হয়েছিল।

গবেষণায় বলা হয়েছে, তাপজনিত মৃত্যুর ক্ষেত্রে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ক্রমেই বাড়ছে। চলতি শতকের শুরুর দিকে তাপের কারণে হওয়া মৃত্যুর আনুমানিক ৪০ শতাংশ মানবসৃষ্ট বৈশ্বিক উষ্ণতার সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল। চলতি গ্রীষ্মে সেই অনুপাত বেড়ে প্রায় ৬৫ শতাংশে পৌঁছেছে।

জুনের শেষ ভাগে পরিস্থিতি ছিল সবচেয়ে সংকটজনক:
গবেষণায় ১৭ জুন থেকে ১ জুলাই পর্যন্ত সময়কে বিশেষভাবে সংকটপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যেই আনুমানিক মোট তাপজনিত মৃত্যুর প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ঘটেছে বলে হিসাব করা হয়েছে।

ওই দিনগুলোতে ইউরোপের সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের দৈনিক গড় তাপমাত্রা ১৯৯১ থেকে ২০২০ সালের স্বাভাবিক তাপমাত্রার তুলনায় পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি ছিল।

গবেষকদের এই হিসাব জলবায়ু পরিবর্তন ও তাপজনিত মৃত্যুর মধ্যে সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরেছে। বিশেষ করে দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহের সময় বয়স্ক মানুষ এবং শারীরিকভাবে ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের সুরক্ষায় সতর্কতা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ।

| তথ্যসূত্র:** ACN, betevé, Nature Health

শাহরুখের সঙ্গে জুটি বাঁধতে চান রাশমিকা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৫৯ পিএম
শাহরুখের সঙ্গে জুটি বাঁধতে চান রাশমিকা

বলিউডের শীর্ষ তারকা শাহরুখ খানের সঙ্গে পর্দায় জুটি বাঁধার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। সম্প্রতি তারকাদের আড্ডার অনুষ্ঠান ‘কফি উইথ করণ ৯’-এর দ্রুত প্রশ্নোত্তর পর্বে অতিথি হিসেবে অংশ নিয়ে নিজের এই আকাঙ্ক্ষার কথা জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে সঞ্চালক করণ জোহর জানতে চান, আগামীতে শীর্ষ তারকাদের মধ্যে কার সঙ্গে কাজ করতে সবচেয়ে বেশি আগ্রহী রাশমিকা। জবাবে অভিনেত্রী বলেন, ‘শাহরুখ খান এবং রাশমিকা জুটির কোনো সিনেমা হলে বিষয়টি সত্যিই দারুণ ও রোমাঞ্চকর হবে।’

পর্দায় এই দুই তারকার একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি। তবে শাহরুখের সঙ্গে জুটি বাঁধার ইচ্ছা প্রকাশ করে রাশমিকার এমন মন্তব্য বিনোদন অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

কন্নড়, তেলেগু ও হিন্দি তিন ভাষার চলচ্চিত্রে অভিনয় করে নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন রাশমিকা। অন্যদিকে শাহরুখ খানের নতুন কোনো কাজ ঘিরে সিনেমাপ্রেমীদের আগ্রহ সব সময়ই থাকে তুঙ্গে। ফলে বড় পর্দায় এই দুই তারকাকে একসঙ্গে দেখার সম্ভাবনা নিয়ে দর্শকদের মধ্যে নানা জল্পনাকল্পনা শুরু হয়েছে।

তবে বিষয়টি এখন পর্যন্ত রাশমিকার ব্যক্তিগত ইচ্ছার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। একসঙ্গে অভিনয়ের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত প্রকল্পের ঘোষণা আসেনি। ভবিষ্যতে নির্মাতারা এই জুটিকে বড় পর্দায় হাজির করার উদ্যোগ নেন কি না, তা সময়ই বলে দেবে।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক