বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

বাংলাদেশিসহ ১৫৭ অভিবাসীকে ফেরত পাঠাল মালয়েশিয়া

আহমাদুল কবির মালয়েশিয়া প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২১ পিএম
বাংলাদেশিসহ ১৫৭ অভিবাসীকে ফেরত পাঠাল মালয়েশিয়া

অবৈধ অভিবাসনবিরোধী অভিযান ও বহিষ্কার কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় ১৫৭ জন অবৈধ অভিবাসীকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া সরকার। পুনঃপ্রবেশ ঠেকাতে ১৫৭ অভিবাসীকে করা হয়েছে কালো তালিকাভুক্ত।

২১ অক্টোবর কেদাহ রাজ্যের বেলান্তিক অভিবাসন আটককেন্দ্রে থাকা এসব অভিবাসীকে কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (কেএলআইএ) টার্মিনাল-১ দিয়ে নিজ দেশে পাঠানো হয়। ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে বাংলাদেশিও রয়েছেন। তবে কতজন বাংলাদেশি রয়েছেন তা জানা যায়নি।

মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ (জেআইএম) কেদাহ রাজ্য শাখার তথ্য অনুযায়ী, ফেরত পাঠানো ১৫৭ জনের মধ্যে ১২৮ জন পুরুষ, ২৬ জন নারী এবং তিনজন ছেলে শিশু রয়েছে। তাঁদের মধ্যে চীন, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, দক্ষিণ সুদান, অস্ট্রেলিয়া, নাইজেরিয়া, ভিয়েতনাম ও মিয়ানমারের নাগরিক রয়েছেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এসব অভিবাসীকে কেদাহ রাজ্যের সিক এলাকার বেলান্তিক অভিবাসন আটককেন্দ্রে আটক রাখা হয়েছিল। মালয়েশিয়ার অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ এবং ১৯৬৩ সালের অভিবাসন বিধিমালার আওতায় তাঁদের সাজা ভোগ সম্পন্ন হওয়ার পর নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।

ফেরত পাঠানোর পুরো কার্যক্রম পরিচালনা করেন কেদাহ অভিবাসন বিভাগের ২১ কর্মকর্তা। তাঁদের নেতৃত্ব দেন বেলান্তিক অভিবাসন আটককেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

অভিবাসন বিভাগ জানিয়েছে, প্রত্যাবাসনের বিমানভাড়া বহন করেছেন সংশ্লিষ্ট আটক ব্যক্তিরা, তাঁদের পরিবারের সদস্যরা এবং নিজ নিজ দেশের দূতাবাস। অর্থাৎ, এ ক্ষেত্রে বিমানভাড়ার ব্যয় মালয়েশিয়া সরকারের পক্ষ থেকে বহন করা হয়নি।

এদিকে, ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের মালয়েশিয়ায় পুনঃপ্রবেশ ঠেকাতে দেশটির অভিবাসন বিভাগের ব্যবস্থায় তাঁদের কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান অনুযায়ী এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।

কেদাহ অভিবাসন বিভাগ জানিয়েছে, অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান, নজরদারি, আটক, আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। মালয়েশিয়ার নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৫০ পিএম
বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ

জরুরি নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ওয়েবসাইটটিতে প্রবেশ করা যাচ্ছে না। পিএইচপি প্রোগ্রামিং ভাষার নিরাপত্তা ত্রুটি থেকে সম্ভাব্য সাইবার হামলার ঝুঁকি এড়াতে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ওয়েবসাইটটি বন্ধ রাখা হয়েছে।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘জরুরি নিরাপত্তা সমস্যার কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ রাখা হয়েছে। নিরাপত্তাঝুঁকি এড়াতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা দুর্বলতা শনাক্ত ও সমাধানে কাজ চলছে। ঝুঁকি পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করার পর ওয়েবসাইটটি পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্র ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পিএইচপি প্রোগ্রামিং ভাষার দুটি গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি নিয়ে বিশ্বব্যাপী সতর্কতা তৈরি হয়েছে। এসব ত্রুটি কাজে লাগিয়ে সম্ভাব্য হামলাকারীরা দূর থেকে সার্ভারে অননুমোদিত নির্দেশনা কার্যকর করার সুযোগ পেতে পারে। এতে সার্ভারের ফাইল, ডেটাবেজ ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ঝুঁকির মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের পাশাপাশি পিএইচপিভিত্তিক আরও কিছু ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটেও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এসব ত্রুটি কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে কোনো সাইবার হামলা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

 

পিএইচপি একটি বহুল ব্যবহৃত সার্ভারভিত্তিক প্রোগ্রামিং ভাষা। বিশ্বের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান, সংবাদমাধ্যম, ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ও অনলাইন সেবা পরিচালনায় এ প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। তবে কোনো ওয়েবসাইটে পিএইচপি ব্যবহার করা হলেই সেটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে না। ব্যবহৃত সংস্করণ, নিরাপত্তা হালনাগাদ এবং সার্ভারের সুরক্ষাব্যবস্থার ওপর ঝুঁকির মাত্রা নির্ভর করে।

 

সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট সার্ভারে ব্যবহৃত পিএইচপির সংস্করণ শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা হালনাগাদ করা জরুরি। তাৎক্ষণিকভাবে ত্রুটি সংশোধন সম্ভব না হলে ফায়ারওয়াল ব্যবহার, অননুমোদিত সংযোগ সীমিত করা এবং প্রয়োজনে সার্ভার সাময়িকভাবে ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন রাখার মতো পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ থাকায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন তথ্য ও অনলাইন সেবা ব্যবহারে সাময়িক অসুবিধা হতে পারে। তবে ওয়েবসাইটটি কখন পুনরায় চালু হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সময় জানা যায়নি।

 

হিমছড়ি সৈকতে পর্যটক ডুবি, এখন পর্যন্ত উদ্ধার ৪ মরদেহ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৪৬ পিএম
হিমছড়ি সৈকতে পর্যটক ডুবি, এখন পর্যন্ত উদ্ধার ৪ মরদেহ

কক্সবাজারের হিমছড়ি সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে ডুবে যাওয়া আরও এক পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত চারজনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও একজন।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে সৈকতের সাগরনিবাস পয়েন্ট থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেন বিচকর্মী ও স্থানীয় লোকজন।

এর আগে বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে হিমছড়ির প্যাঁচার দ্বীপ এলাকায় মেরিনা রিসোর্টের জাদুঘরসংলগ্ন সৈকতে গোসল করতে নেমে ছয় পর্যটক পানিতে ডুবে যান। পরে সন্ধ্যায় লাইফগার্ড কর্মী ও স্থানীয় লোকজন তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেন। এ সময় একজনকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

নিখোঁজ পর্যটক এস এম নাফিসুর রহমান নিবিড়ের (২৩) সন্ধানে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও লাইফগার্ড কর্মীরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন। উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলো কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

হিমছড়ি পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) সোলাইমান হোসেন জানান, গত ১৮ অক্টোবর ঢাকার উত্তরা থেকে সাত বন্ধু বান্দরবানের উদ্দেশে যাত্রা করেন। সেখানে দুই দিন ভ্রমণ শেষে বুধবার দুপুরে তারা কক্সবাজারে পৌঁছান। দুপুর ১টার দিকে হিমছড়ির প্যাঁচার দ্বীপ এলাকার ‘সৌরণেষ্ট’ নামের একটি রিসোর্টে ওঠেন তারা। দুপুরের খাবার শেষে বিকেলে সমুদ্রে গোসল করতে নামেন।

এ সময় চট্টগ্রাম থেকে আসা পর্যটকদের আরেকটি দলও সেখানে গোসল করতে নামে। এসআই সোলাইমান হোসেন জানান, পর্যটকদের অনেকেই সাঁতার জানতেন না। গোসলের সময় কয়েকজনকে পানিতে ডুবে যেতে দেখে অন্যরা তাদের উদ্ধারে এগিয়ে যান। কিন্তু সাগরের স্রোতের টানে তারাও ভেসে যেতে থাকেন। এ ঘটনায় পাঁচজন যুবক পানিতে ডুবে যান। তাদের মধ্যে একজনকে তাৎক্ষণিকভাবে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে সন্ধ্যায় তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া তিন পর্যটক হলেন সাইবুল হক জিসান (২৩), আল মাহিবুর ইবনে মোকাররম (২৪) ও মোহাম্মদ আকাশ।

নিহত সাইবুল হক জিসান ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। আল মাহিবুর ইবনে মোকাররম বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের বিবিএর শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকার মুকাররম হোসেনের ছেলে।

এদিকে নিখোঁজ এস এম নাফিসুর রহমান নিবিড় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি ঢাকার আজিমপুর এলাকার নাবিবুর রহমানের ছেলে। তাঁর সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পারস্য উপসাগরে একযোগে ৪ জাহাজে হামলা ইরানের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৪৩ পিএম
পারস্য উপসাগরে একযোগে ৪ জাহাজে হামলা ইরানের

পারস্য উপসাগরে চারটি জাহাজে একযোগে হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী। হামলার পর জাহাজগুলোতে আগুন ধরে যায় বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার শিকার চারটি জাহাজ অবৈধভাবে তেল পরিবহনের কাজে জড়িত ছিল বলে দাবি করেছে আইআরজিসির নৌবাহিনী। এ ছাড়া হরমুজ প্রণালির পশ্চিমে আরও তিনটি জাহাজ মাইনের সঙ্গে ধাক্কা খেয়েছে বলেও জানিয়েছে তারা।

একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে আইআরজিসি বলেছে, উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোর বিরুদ্ধে আরও বড় ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দেওয়া এক বিবৃতিতে আইআরজিসির নৌবাহিনী জানায়, বুধবার (২১ অক্টোবর) চারটি জাহাজের গতিবিধি শনাক্ত করার পর সেগুলোতে একই সময়ে হামলা চালানো হয়। এতে জাহাজগুলোতে আগুন ধরে যায়।

এ অঞ্চলে মার্কিন বাহিনীর উসকানি অব্যাহত থাকলে এর জবাব আরও ব্যাপক হতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে আইআরজিসি।

এদিকে হরমুজ প্রণালি ও উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধের নিন্দা জানিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করার জন্য জাতিসংঘের মহাসচিব ও নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইরান। জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের প্রতিনিধি গোলামহোসেইন দারজি এ আহ্বান জানান।

ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রদূত গোলামহোসেইন দারজি নিরাপত্তা পরিষদকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসন বন্ধ এবং নৌ অবরোধ তুলে নেওয়ার আহ্বান জানানোর অনুরোধ করেছেন।

জাতিসংঘে পাঠানো এক চিঠিতে দারজি বলেন, যেকোনো আগ্রাসনের জবাবে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করবে ইরান।

অন্যদিকে ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলছে, এমন ধারণা নাকচ করে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে পরিস্থিতির সমাধান ‘খুব শিগগিরই’ হবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক ও অর্থনৈতিক, দুই দিক থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ‘খুব ভালো করছে’। চলমান যুদ্ধকে তিনি ‘ইরানের বিরুদ্ধে একটি ছোটখাটো সংঘাত’ হিসেবে বর্ণনা করেন।

জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়, তিনি ইরানের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা ছেড়ে দিয়েছেন কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘না, আমার মনে হয় না। আমরা আলোচনা করছি না, তবে যেকোনো একভাবে একটা সমাধান হবে। খুব শিগগিরই তা হবে।’

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, ‘বেশিরভাগ মানুষ মনে করেন, নির্বাচনের পরই কিছু একটা ঘটবে। দেখা যাক কী হয়।’

ট্রাম্প আরও বলেন, ‘তবে একটা কথা বলব, ইরানের বিরুদ্ধে আমরা যা করেছি, তা অসাধারণ।’

 

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক