সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩
সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

‘রোনালদোই দেশের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান’: পর্তুগালের অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৫ এম
‘রোনালদোই দেশের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান’: পর্তুগালের অর্থমন্ত্রী

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে ঘিরে পর্তুগাল জাতীয় দলে সাম্প্রতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই তার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন দেশটির অর্থমন্ত্রী মানুয়েল কাস্ত্রো আলমেইদা। রোনালদোর অবদান শুধু ফুটবলেই সীমাবদ্ধ নয় উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, দেশের বৈশ্বিক পরিচিতি ও ভাবমূর্তি তৈরিতে এই তারকার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমনকি রোনালদোকে পর্তুগালের ‘সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান’ হিসেবেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

উয়েফা নেশনস লিগে নরওয়ের বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচে রোনালদোকে একাদশে না রাখার পাশাপাশি মাঠেও নামাননি পর্তুগালের কোচ জর্জ জেসুস। কোচের সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হয়ে ডেনমার্কের বিপক্ষে পরবর্তী ম্যাচের আগের দিন জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে চলে যান আল নাসরের এই ফরোয়ার্ড।

রোনালদোর এমন সিদ্ধান্তকে ঘিরে পর্তুগিজ ফুটবলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। বিষয়টির প্রভাব পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও। রোনালদোর ক্যাম্প ছাড়ার পর মাত্র একদিনে পর্তুগাল জাতীয় দলের অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের প্রায় পাঁচ লাখ অনুসারী কমে যাওয়ার দাবি করা হয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

তবে কোচ জর্জ জেসুস ও রোনালদোর দ্বন্দ্বে কে সঠিক, সে বিষয়ে কোনো অবস্থান নিতে চাননি অর্থমন্ত্রী মানুয়েল কাস্ত্রো আলমেইদা। পর্তুগালের নাও চ্যানেলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বরং দেশের জন্য রোনালদোর সামগ্রিক অবদানের বিষয়টি তুলে ধরেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের বহু মানুষ পর্তুগালকে চেনেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর মাধ্যমে। দেশের ব্র্যান্ডিং এবং আন্তর্জাতিকভাবে পর্তুগালের পরিচিতি তুলে ধরার ক্ষেত্রে রোনালদোর ভূমিকা অনস্বীকার্য বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তার মতে, রোনালদোর কারণে বিশ্বজুড়ে পর্তুগালের নাম ও ভাবমূর্তি আরও ব্যাপকভাবে পরিচিত হয়েছে, যা দেশের জন্য ইতিবাচক সুফল বয়ে এনেছে। এ কারণেই ফুটবলারের পরিচয়ের বাইরে রোনালদোকে তিনি দেশের অন্যতম বড় ‘প্রতিষ্ঠান’ হিসেবে দেখছেন।

এদিকে নেশনস লিগের গ্রুপ পর্বের পরবর্তী ম্যাচেও রোনালদোকে ছাড়াই মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে পর্তুগাল। ফলে জাতীয় দলের সঙ্গে তার সাম্প্রতিক বিরোধের সমাধান নিয়ে আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে।

ঢাকার আশপাশে দ্বিতীয় শহর গড়ার পরিকল্পনা করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৩৮ পিএম
ঢাকার আশপাশে দ্বিতীয় শহর গড়ার পরিকল্পনা করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর ওপর চাপ কমাতে ঢাকার আশপাশে দ্বিতীয় শহর গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে সরকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকার ওপর চাপ কমাতে রাজধানীর সঙ্গে সারা দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্রুত, সাশ্রয়ী ও নিরাপদ করা হবে। একই সঙ্গে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের আবাসন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সর্বজনীন বাসস্থান নিশ্চিতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে কঠিন হলেও নগরের সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।’

এ সময় বিকেন্দ্রীকরণ, নগরায়ণ ও আঞ্চলিক উন্নয়নের ওপরও গুরুত্ব দেন সরকারপ্রধান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘সাম্প্রতিক বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নানা চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার মুখোমুখি করেছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নগরের সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।’

 

ব্রাজিলের ভোটে দ্বিতীয় দফায় এগিয়ে বলসোনারো

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৩৩ পিএম
ব্রাজিলের ভোটে দ্বিতীয় দফায় এগিয়ে বলসোনারো

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটে বর্তমান প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভাকে পেছনে ফেলে এগিয়ে রয়েছেন ডানপন্থী প্রার্থী ফ্লাভিও বলসোনারো। তবে সরাসরি জয় নিশ্চিত করার মতো প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় নির্বাচন গড়িয়েছে দ্বিতীয় দফায়। আগামী ২৫ অক্টোবরের ভোটে মুখোমুখি হবেন ৪৫ বছর বয়সী ফ্লাভিও ও ৮০ বছর বয়সী লুলা। সরকারি ফল অনুযায়ী, প্রায় সব ভোট গণনা শেষে ফ্লাভিও পেয়েছেন ৪৭ দশমিক ০৩ শতাংশ এবং লুলা পেয়েছেন ৪৫ দশমিক ১৬ শতাংশ ভোট।

সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর ছেলে ফ্লাভিও পেয়েছেন ৫ কোটি ৬১ লাখের বেশি ভোট। অন্যদিকে লুলার ভোটের সংখ্যা প্রায় ৫ কোটি ৩৯ লাখ।

প্রথম দফায় ফ্লাভিওর এই ফল ব্রাজিলের ডানপন্থী রাজনীতির শক্ত অবস্থানের ইঙ্গিত দিচ্ছে। নির্বাচনে অংশ নেওয়া অন্য ডানপন্থী প্রার্থীদের ভোট দ্বিতীয় দফায় তাঁর পক্ষে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের মধ্যে রোনালদো কাইয়াদো পেয়েছেন ২ দশমিক ১ শতাংশ এবং রেনান সান্তোস পেয়েছেন ২ দশমিক ২ শতাংশ ভোট।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এবারের নির্বাচনে বলসোনারোপন্থী রাজনীতিকদেরও উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে। সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর ছেলে কার্লোস বলসোনারো ও তাঁর স্ত্রী মিশেল বলসোনারো সিনেটর নির্বাচিত হয়েছেন। আরেক ছেলে জাইর রেনান নির্বাচিত হয়েছেন নিম্নকক্ষের সদস্য। জাইর বলসোনারোর সাবেক অবকাঠামোমন্ত্রী তারসিসিও দে ফ্রেইতাসও দেশটির সবচেয়ে জনবহুল ও অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ সাও পাওলো রাজ্যের গভর্নর হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন।

এবার নির্বাচিত ৫৪ জন সিনেটরের মধ্যে ৩৪ জনই ডানপন্থী বা কট্টর ডানপন্থী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।

ব্রাসিলিয়ায় সমর্থকদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে ফ্লাভিও বলেন, এই ফল লুলার ওয়ার্কার্স পার্টির ‘একটি যুগের অবসানের’ ইঙ্গিত দিচ্ছে। তাঁর দাবি, লুলা সাতবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়েছেন এবং তাঁর মূল লক্ষ্য ক্ষমতায় থাকা। অন্যদিকে ফ্লাভিও ব্রাজিলের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত বলে মন্তব্য করেন।

সাও পাওলোতে লুলা প্রথম দফায় জয় না পেলেও সমর্থকদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, ব্রাজিলের গণতন্ত্র থেকে এই নির্বাচন একটি শিক্ষা দিয়েছে। প্রথম দফাতেই জয়ী হওয়ার বিষয়ে তিনি আত্মবিশ্বাসী ছিলেন বলেও জানান। তবে এখন দ্বিতীয় দফার জন্য নতুন করে প্রচারণা চালানোর কথা বলেন তিনি।

লুলা বলেন, দ্বিতীয় দফার প্রচারণায় ভোটারদের সামনে ফ্লাভিওর ‘অন্ধকার অতীত’ তুলে ধরা হবে। দুই প্রার্থীর মধ্যে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ায় তাঁদের প্রস্তাব ও রাজনৈতিক অবস্থানের পার্থক্য জনগণের সামনে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ভোট দেওয়ার আগে লুলা বলেছিলেন, লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় গণতন্ত্র ব্রাজিল এবার একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের মুখোমুখি। এ সময় তিনি ফ্লাভিওর সঙ্গে রিও ডি জেনেইরোর অপরাধজগতের কিছু ব্যক্তির কথিত যোগাযোগের বিষয়ও সামনে আনেন।

লুলা ২০০২ সালে ব্রাজিলের প্রথম নির্বাচিত শ্রমিক শ্রেণির প্রেসিডেন্ট হন। ২০০৬ সালে পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর ২০২২ সালে আবারও ক্ষমতায় ফেরেন। এবারের নির্বাচনে তিনি চতুর্থবারের মতো, তবে ধারাবাহিক নয় এমন মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হওয়ার চেষ্টা করছেন।

লুলার মিত্ররা এই নির্বাচনকে কট্টর ডানপন্থী আন্দোলনের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ লড়াই হিসেবে দেখছেন। ২০২২ সালের নির্বাচনে লুলা জাইর বলসোনারোকে পরাজিত করার পর ফল পাল্টে দেওয়ার ব্যর্থ প্রচেষ্টায় ব্রাসিলিয়ায় ব্যাপক বিশৃঙ্খলা হয়েছিল।

ফ্লাভিওর নির্বাচনী প্রচারণায় তাঁর বাবাকে মুক্ত করার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ২০২২ সালের নির্বাচনে লুলার কাছে পরাজয় মেনে না নিয়ে অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্রের দায়ে জাইর বলসোনারো বর্তমানে ২৭ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন।

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পাশাপাশি ব্রাজিলের ভোটাররা ২৭টি রাজ্যের গভর্নর, নিম্নকক্ষের ৫১৩ সদস্য এবং ৮১ আসনের সিনেটের ৫৪ সদস্য নির্বাচন করেছেন। বলসোনারোপন্থীদের কাছে সিনেট নির্বাচন বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কারণ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা শুধু সিনেটের রয়েছে।

রিও ডি জেনেইরোর বামপন্থী এলাকা লারাঞ্জেইরাসে লুলার শত শত সমর্থক প্রথম দফায় তাঁর জয় উদ্‌যাপনের আশায় জড়ো হয়েছিলেন। কিন্তু সময় গড়ানোর সঙ্গে ফ্লাভিওর ব্যবধান ধরে রাখার খবর আসতে থাকায় সেখানে হতাশা নেমে আসে।

ফ্লাভিওর পক্ষে ভোট দেওয়া ৩১ বছর বয়সী ফার্মেসিকর্মী ইতালো আন্দ্রাদে দোস সান্তোস বলেন, তিনি আশা করেছিলেন ফ্লাভিও প্রথম দফাতেই জিতবেন। তবে ফ্লাভিও এগিয়ে থাকায় তিনি সন্তুষ্ট। তাঁর ভাষায়, তিনি মূলত লুলাকে ক্ষমতা থেকে সরাতেই ভোট দিয়েছেন। নির্বাচনের শেষ সময়ে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও শহরাঞ্চলের সহিংসতা নিয়েও ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ ছিল।

এবারের নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। লুলা অভিযোগ করেছেন, ফ্লাভিওর পক্ষে ভোট প্রভাবিত করতে ট্রাম্প প্রশাসন ব্রাজিলের ওপর চাপ প্রয়োগ করছে। অন্যদিকে ফ্লাভিও ট্রাম্পের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

আগামী ২৫ অক্টোবরের দ্বিতীয় দফার ভোটেই নির্ধারিত হবে, লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ ব্রাজিলের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট কে হচ্ছেন।

 

আবাসন সংকটে বিক্ষোভ, স্পেনে আগাম নির্বাচনের ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২১ পিএম
আবাসন সংকটে বিক্ষোভ, স্পেনে আগাম নির্বাচনের ঘোষণা

আবাসন সংকটকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে জোরালো গণবিক্ষোভের মধ্যে আগাম সাধারণ নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। আগামী ২৯ নভেম্বর এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে সোমবার (৫ অক্টোবর) মাদ্রিদের মনক্লোয়া প্রাসাদ থেকে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক টেলিভিশন ভাষণে জানান তিনি।

ভাষণে সানচেজ বলেন, ‘স্পেনের সাধারণ মানুষের এখন সময় এসেছে সিদ্ধান্ত নেওয়ার যে তারা নিজেদের জন্য এবং দেশের জন্য কেমন ভবিষ্যৎ চান।’

আবাসন সংকট মোকাবিলায় সরকারের আনা দুটি রয়্যাল ডিক্রি পার্লামেন্টে অনুমোদন পেতে ব্যর্থ হওয়ার ৭২ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে আগাম নির্বাচনের ঘোষণা এলো। প্রধানমন্ত্রী স্বীকার করেন, তার সরকার ‘ভুল করেছে এবং প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সব কাজ করতে সক্ষম হয়নি।’

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

অসমতা কমাতে প্রয়োজনীয় সংস্কার অব্যাহত রাখার জন্য সরকারের জনসমর্থন নবায়ন ও আরও বিস্তৃত করা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন সানচেজ।

এদিকে আবাসন সংকট সমাধানের দাবিতে মাদ্রিদের কেন্দ্রস্থল পুয়ের্তা দেল সোলে কয়েকদিন ধরে শত শত মানুষ অবস্থান ধর্মঘট পালন করছেন। গত এক সপ্তাহে তাদের আন্দোলন স্পেনের অন্যান্য শহরেও ছড়িয়ে পড়েছে।

 

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক