শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ছয় মাসে বন্ধ হয়েছে ৯৫ কারখানা, কাজ হারিয়েছেন ৬১ হাজার ৮৮১ শ্রমিক

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১৬ এম
ছয় মাসে বন্ধ হয়েছে ৯৫ কারখানা, কাজ হারিয়েছেন ৬১ হাজার ৮৮১ শ্রমিক

বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম ছয় মাসে দেশের অর্থনীতিতে মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। অর্থনীতির ৩১টি প্রধান সূচকের মধ্যে প্রবাসী আয় ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভসহ ১২টি সূচকে অগ্রগতি হলেও মূল্যস্ফীতি, মাথাপিছু ঋণসহ ১৯টি সূচকে অবনতি হয়েছে। একই সময়ে দেশের তিনটি প্রধান শিল্পাঞ্চলে ৯৫টি কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়েছে। এতে কর্মসংস্থান হারিয়েছেন ৬১ হাজার ৮৮১ শ্রমিক।

সোমবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের আয়োজনে ‘সরকারের ছয় মাস : একটি অর্থনৈতিক পর্যালোচনা’ শীর্ষক মিডিয়া সংলাপে এসব তথ্য তুলে ধরেন সংস্থাটির সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

অনুষ্ঠানে সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান ও অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ছয় মাসের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, নতুন সরকারের কাছে জনগণের প্রধান প্রত্যাশা ছিল অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। কিন্তু ছয় মাসের বাস্তবতায় এ দুই ক্ষেত্রেই আশাব্যঞ্জক অগ্রগতি দেখা যায়নি। বরং উভয় ক্ষেত্রেই এক ধরনের অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার আগের সরকারের কাছ থেকে একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি উত্তরাধিকার হিসেবে পেয়েছে। অর্থসংকট, ব্যাংকিং খাতের দুরবস্থা, খেলাপি ঋণ, অর্থ পাচার ও রাজস্ব ঘাটতির মতো বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। পাশাপাশি বৈশ্বিক পরিস্থিতিও অনুকূলে ছিল না। তবে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড় করানোর ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত গতি দেখা যায়নি।

দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, সিন্ডিকেট ও মব সংস্কৃতি বন্ধের প্রতিশ্রুতির কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিকভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উচ্চপদে নিয়োগ দেওয়ার ঘটনা সরকারের মেধাভিত্তিক নিয়োগের প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। মব সহিংসতা বন্ধে ‘শূন্য সহনশীলতা’ ঘোষণার পরও নারী, শিশু ও সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অর্থনীতিতে বিনিয়োগের গতি কমে যাওয়াকে বড় উদ্বেগ হিসেবে দেখছে সিপিডি। দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ফেব্রুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ থেকে কমে ৪ দশমিক ৫ শতাংশে নেমেছে। একই সময়ে মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানির জন্য ঋণপত্র খোলার প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক থেকে নেতিবাচক হয়েছে। কমেছে নিট বিদেশি বিনিয়োগও।

উৎপাদন খাতের পরিস্থিতিকে শঙ্কাজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধিও নেতিবাচক অবস্থায় চলে গেছে। এসব সূচকে দ্রুত বেসরকারি বিনিয়োগ পুনরুদ্ধারের স্পষ্ট কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে না।

সিপিডির তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত গাজীপুর, সাভার-আশুলিয়া এবং নারায়ণগঞ্জ-নরসিংদীর শিল্পাঞ্চলে ৯৫টি কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়েছে। এর ফলে ৬১ হাজার ৮৮১ জন শ্রমিক কর্মসংস্থান হারিয়েছেন।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়াকেও সরাসরি অর্থনীতির সুস্থতার লক্ষণ হিসেবে দেখার বিষয়ে সতর্ক করেন দেবপ্রিয়। তিনি বলেন, বিনিয়োগ ও আমদানি কমে যাওয়ার কারণেও রিজার্ভ বাড়তে পারে। ফলে রিজার্ভ বৃদ্ধির পেছনে অর্থনীতির প্রকৃত কারণটি বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।

রাজস্ব আদায় পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সিপিডি। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকারের মোট রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। এই লক্ষ্য অর্জনে প্রায় ৪২ শতাংশ রাজস্ব প্রবৃদ্ধি প্রয়োজন হবে বলে জানান তিনি। বর্তমান পরিস্থিতিতে এত বড় প্রবৃদ্ধি অর্জন কঠিন বলেই মনে করছে সংস্থাটি।

সরকারের কাঠামো নিয়েও মন্তব্য করেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিভিন্ন পদমর্যাদার বিশেষ সহকারীদের সমন্বয়ে গঠিত বর্তমান কাঠামোকে তিনি ‘আড়াই-তলা সরকার’ হিসেবে অভিহিত করেন।

তিনি বলেন, সরকারের তুলনায় প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে বেশি জনপ্রিয়। এই জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক সাহসের সঙ্গে নিজের দলের লোকজনকে সঠিক পথে পরিচালনা করতে এবং আমলাতন্ত্রকে যথাযথভাবে পরিচালিত করতে পারেন কি না, সেটিই বড় চ্যালেঞ্জ।

সরকারের ছয় মাসের সামগ্রিক মূল্যায়ন করতে গিয়ে দেবপ্রিয় বলেন, ‘দিতে চাই এ, কিন্তু টানে তো বি-এর দিকে।’

এদিকে সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে দেরি না করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, বিষয়টি দীর্ঘদিন ঝুলিয়ে রাখলে সমস্যা কমবে না; বরং সময় যত যাবে, পরিস্থিতি তত জটিল হবে।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, আর্থিক সক্ষমতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ধাপে ধাপে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করা যেত। শুরুতেই ২০ থেকে ২৫ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা দিয়ে পরবর্তী সময়ে বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হলে তা ভালো হতো। এখন সিদ্ধান্ত নিতে যত দেরি হবে, পরিস্থিতি তত কঠিন হবে।

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক দিনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে একজন করে মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১১ জনে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ভর্তির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এ বিভাগে ২৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগে ২৪১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩৩ জন, খুলনা বিভাগে ১৩০ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৭৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

একই সময়ে বরিশাল ও রংপুর বিভাগে ৪৪ জন করে, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৭ জন এবং সিলেট বিভাগে চারজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেই মারা গেছেন ১০২ জন। এই হিসাবের মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মৃত্যুর সংখ্যাও রয়েছে।

এ ছাড়া একই সময়ে খুলনা বিভাগে ৩৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২০ জন, বরিশাল বিভাগে ১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০ জন, রংপুর বিভাগে চারজন এবং সিলেট বিভাগে একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৫ দিনেই ডেঙ্গুতে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৪ পিএম
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

আসিয়ান কাপে নিজেদের অভিষেক ম্যাচেই মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় শুরু হওয়া ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে মালয়েশিয়া।

আসিয়ান কাপে প্রথমবারের মতো মাঠে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল হামজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। ম্যাচের ১৮ মিনিটে আরিফ আইমানের গোলে এগিয়ে যায় মালয়েশিয়া। এরপর ৩৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের ব্যবধান ২-০ করেন আইমান। দুই গোলের ঘাটতি নিয়েই বিরতিতে যেতে হয় বাংলাদেশকে।

বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে মালয়েশিয়া। ৫২ মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বক্সের ভেতর থেকে গোল করেন বার্গুসন। তার গোলে মালয়েশিয়ার লিড বেড়ে দাঁড়ায় ৩-০।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এরপর গোল পরিশোধে কয়েক দফা আক্রমণ গড়ে তোলে বাংলাদেশ। তবে সুযোগ তৈরি করেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি লাল-সবুজের দল। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের পরাজয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।

এর আগে চার বছর আগে এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে মালয়েশিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচেও ৪-১ গোলে হেরেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এবার আসিয়ান কাপেও মালয়েশিয়ার বিপক্ষে জয়ের দেখা পেল না বাংলাদেশ।

সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৭ পিএম
সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি মিলিশিয়ার হামলার পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। তবে এই সামরিক মোতায়েন কোনো সংঘাতে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়, বরং সৌদির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্যারিস।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান। একই দিন দুই দেশের মধ্যে হওয়া একটি চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের উপকূলীয় শহর ইয়ানবুর জ্বালানি অবকাঠামো সুরক্ষায় ফ্রান্স সেনা, রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাবে বলে জানান তিনি।

সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম ফ্রান্স ২-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাক্রোঁ বলেন, কোনো সংঘাতে জড়ানোর জন্য নয়, বরং জ্বালানি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এসব সামরিক সরঞ্জাম ও সেনা পাঠানো হবে। পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে সৌদি আরবকে আরও সামরিক সহায়তা দেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ম্যাক্রোঁ জানান, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের মধ্যে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের বাজারে গ্যাসের দাম কমাতে ফ্রান্স বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। সৌদি আরবে সামরিক সহায়তা পাঠানোর সিদ্ধান্তও সেই উদ্যোগের অংশ।

চলমান সংঘাতের প্রভাবে তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের মিত্র হুথি মিলিশিয়া সৌদি আরবে একাধিক হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার কারণে লোহিত সাগরসংলগ্ন বন্দরগুলো থেকে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছে। দীর্ঘদিনের উত্তেজনা আবারও সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নেওয়ার প্রেক্ষাপটেই সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিল ফ্রান্স।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক