শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

কুয়ালালামপুরে আন্তর্জাতিক ধর্মীয় নেতাদের সম্মেলন

বৈশ্বিক উত্তেজনার সময়ে ধর্মীয় কূটনীতি ও তরুণদের সম্পৃক্ততার আহ্বান

আহমাদুল কবির মালয়েশিয়া প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৬:২৮ পিএম
বৈশ্বিক উত্তেজনার সময়ে ধর্মীয় কূটনীতি ও তরুণদের সম্পৃক্ততার আহ্বান

বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান সংঘাত, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা ও উগ্রবাদের প্রেক্ষাপটে শান্তি প্রতিষ্ঠা, সহাবস্থান নিশ্চিতকরণ এবং তরুণদের ইতিবাচক সম্পৃক্ততায় ধর্মীয় নেতাদের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ধর্মীয় নেতাদের এক সম্মেলনে।

শুক্রবার কুয়ালালামপুর কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত তৃতীয় আন্তর্জাতিক ধর্মীয় নেতাদের সম্মেলন উদ্বোধন করেন পেরাকের সুলতান সুলতান নাজরিন শাহ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এবং মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগ-এর মহাসচিব মোহাম্মদ আল-ইসা।

‘ধর্মীয় নেতা ও যুব ক্ষমতায়ন’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ সম্মেলনের যৌথ আয়োজন করে মুসলিম ওয়ার্ল্ড লীগ এবং মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। এতে বিভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতির প্রায় দুই হাজার তরুণ অংশগ্রহণ করেন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে মোহাম্মদ আল-ইসা ‘প্রতিরোধমূলক শান্তি’ (প্রিভেন্টিভ পিস) ধারণার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, মানবজাতির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তা থামানো নয়, বরং যুদ্ধের আগেই সংঘাত প্রতিরোধ করা।

তিনি বলেন, মানবতার পরীক্ষা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরে নয়, বরং যুদ্ধ শুরুর আগেই হয়। বিশ্বকে যুদ্ধজয়ী বীরের চেয়ে যুদ্ধ প্রতিরোধে সক্ষম প্রজ্ঞাবান মানুষের বেশি প্রয়োজন।

আল-ইসা সতর্ক করে বলেন, ধর্মীয় বিদ্বেষ, ইসলামভীতি, বর্ণবাদ ও সাম্প্রদায়িকতাকে উগ্রবাদী গোষ্ঠী এবং কিছু রাজনৈতিক শক্তি বিশেষ করে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে ছড়িয়ে দিচ্ছে। তিনি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে কেবল বক্তব্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে শিক্ষা, সংলাপ ও বাস্তব উদ্যোগের মাধ্যমে নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।

তার ভাষায়, সত্যিকারের সম্প্রীতি সংঘাতের আগুন নেভানোর মধ্যে নয়, বরং সেই আগুন জ্বলে ওঠার আগেই তা প্রতিরোধ করার মধ্যে নিহিত।

তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় কূটনীতি প্রচলিত রাজনৈতিক কূটনীতির পরিপূরক হিসেবে বিরোধ মীমাংসা, বিভাজন দূরীকরণ এবং দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ফিলিস্তিন সংকট প্রসঙ্গে আল-ইসা ন্যায়ভিত্তিক দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের পক্ষে মত দেন এবং বৈশ্বিক সম্প্রীতি ও সহযোগিতা উৎসাহিত করতে একটি আন্তর্জাতিক কূটনীতি পুরস্কার চালুর ঘোষণা দেন।

প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, বর্তমান বিশ্বে ভূরাজনৈতিক বিভাজন, বহুপাক্ষিক প্রতিষ্ঠানের দুর্বলতা এবং গাজাসহ বিভিন্ন অঞ্চলের চলমান সংঘাত ধর্মীয় নেতাদের মধ্যপন্থা ও নৈতিক নেতৃত্বের গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

তিনি বলেন, আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি কেবল প্রতীকী কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তব সহযোগিতায় রূপ নিতে হবে। বহুজাতিক ও বহুধর্মীয় রাষ্ট্র হিসেবে মালয়েশিয়ার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রকৃত সম্প্রীতি অভিন্নতার ওপর নয়, বরং ভিন্নতাকে ন্যায়সঙ্গতভাবে পরিচালনার ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়।

পেরাকের সুলতান নাজরিন শাহ বলেন, অ্যালগরিদম-নির্ভর ডিজিটাল পরিবেশ তরুণদের মধ্যে বিভাজন ও অবিশ্বাস বাড়িয়ে তুলছে। অনেক তরুণ আজ জানতে চাইছে। আমি কোথায় অন্তর্ভুক্ত? কাকে বিশ্বাস করব? কোন মূল্যবোধ এখনও গুরুত্বপূর্ণ?

তিনি বলেন, শান্তি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ঘোষণা করলেই প্রতিষ্ঠিত হয় না; বরং তা সমাজ ও দৈনন্দিন সম্পর্কের ভেতর লালন করতে হয়। “বিভক্তির এই যুগে সহাবস্থান নিজেই এক সাহসী কাজ, যোগ করেন তিনি।

সম্মেলনের ফাঁকে আরব নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সামি আল-শরীফ বলেন, তরুণদের ধর্ম থেকে দূরে সরে যাওয়ার প্রবণতা কেবল মুসলিম সমাজের নয়, বরং একটি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ। ধর্মীয় নেতৃত্ব ও তরুণ প্রজন্মের মধ্যে যোগাযোগের ঘাটতি এবং ডিজিটাল দক্ষতার অভাবকে তিনি এর অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

অন্যদিকে বাদরিয়াহ সালিম বলেন, প্রযুক্তি যেমন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে, তেমনি নতুন সুযোগও সৃষ্টি করছে। ধর্মীয় শিক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং তরুণ-নেতৃত্বাধীন উদ্যোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রজন্মগত ব্যবধান কমানো সম্ভব।

বিশ্বব্যাপী ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা, অনলাইন উগ্রবাদ এবং ভূরাজনৈতিক সংঘাতের সামাজিক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। অংশগ্রহণকারীরা শান্তি, পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারে ধর্মীয় নেতা, সরকার এবং নাগরিক সমাজের মধ্যে আরও শক্তিশালী সহযোগিতার আহ্বান জানান।

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক দিনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে একজন করে মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১১ জনে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ভর্তির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এ বিভাগে ২৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগে ২৪১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩৩ জন, খুলনা বিভাগে ১৩০ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৭৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

একই সময়ে বরিশাল ও রংপুর বিভাগে ৪৪ জন করে, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৭ জন এবং সিলেট বিভাগে চারজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেই মারা গেছেন ১০২ জন। এই হিসাবের মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মৃত্যুর সংখ্যাও রয়েছে।

এ ছাড়া একই সময়ে খুলনা বিভাগে ৩৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২০ জন, বরিশাল বিভাগে ১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০ জন, রংপুর বিভাগে চারজন এবং সিলেট বিভাগে একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৫ দিনেই ডেঙ্গুতে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৪ পিএম
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

আসিয়ান কাপে নিজেদের অভিষেক ম্যাচেই মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় শুরু হওয়া ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে মালয়েশিয়া।

আসিয়ান কাপে প্রথমবারের মতো মাঠে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল হামজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। ম্যাচের ১৮ মিনিটে আরিফ আইমানের গোলে এগিয়ে যায় মালয়েশিয়া। এরপর ৩৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের ব্যবধান ২-০ করেন আইমান। দুই গোলের ঘাটতি নিয়েই বিরতিতে যেতে হয় বাংলাদেশকে।

বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে মালয়েশিয়া। ৫২ মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বক্সের ভেতর থেকে গোল করেন বার্গুসন। তার গোলে মালয়েশিয়ার লিড বেড়ে দাঁড়ায় ৩-০।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এরপর গোল পরিশোধে কয়েক দফা আক্রমণ গড়ে তোলে বাংলাদেশ। তবে সুযোগ তৈরি করেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি লাল-সবুজের দল। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের পরাজয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।

এর আগে চার বছর আগে এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে মালয়েশিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচেও ৪-১ গোলে হেরেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এবার আসিয়ান কাপেও মালয়েশিয়ার বিপক্ষে জয়ের দেখা পেল না বাংলাদেশ।

সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৭ পিএম
সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি মিলিশিয়ার হামলার পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। তবে এই সামরিক মোতায়েন কোনো সংঘাতে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়, বরং সৌদির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্যারিস।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান। একই দিন দুই দেশের মধ্যে হওয়া একটি চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের উপকূলীয় শহর ইয়ানবুর জ্বালানি অবকাঠামো সুরক্ষায় ফ্রান্স সেনা, রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাবে বলে জানান তিনি।

সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম ফ্রান্স ২-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাক্রোঁ বলেন, কোনো সংঘাতে জড়ানোর জন্য নয়, বরং জ্বালানি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এসব সামরিক সরঞ্জাম ও সেনা পাঠানো হবে। পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে সৌদি আরবকে আরও সামরিক সহায়তা দেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ম্যাক্রোঁ জানান, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের মধ্যে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের বাজারে গ্যাসের দাম কমাতে ফ্রান্স বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। সৌদি আরবে সামরিক সহায়তা পাঠানোর সিদ্ধান্তও সেই উদ্যোগের অংশ।

চলমান সংঘাতের প্রভাবে তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের মিত্র হুথি মিলিশিয়া সৌদি আরবে একাধিক হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার কারণে লোহিত সাগরসংলগ্ন বন্দরগুলো থেকে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছে। দীর্ঘদিনের উত্তেজনা আবারও সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নেওয়ার প্রেক্ষাপটেই সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিল ফ্রান্স।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক