শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

মালয়েশিয়ার প্রত্যাবাসন কর্মসূচি: স্বেচ্ছায় দেশে ফিরেছেন ২ লাখের বেশি অভিবাসী

আহমাদুল কবির মালয়েশিয়া প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:২২ পিএম
মালয়েশিয়ার প্রত্যাবাসন কর্মসূচি:  স্বেচ্ছায় দেশে ফিরেছেন ২ লাখের বেশি অভিবাসী

মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকদের স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফেরার সুযোগ করে দিতে চালু করা প্রোগ্রাম রিপ্যাট্রিয়াসি মাইগ্রান ২.০-এর আওতায় ইতোমধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন অভিবাসী নিজ নিজ দেশে ফিরে গেছেন। দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগের অধীনে পরিচালিত এই উদ্যোগটি অবৈধ অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ও বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান ১৫ এপ্রিল বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, ২০২৫ সালের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নাগরিক নিবন্ধন করেছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ ইতোমধ্যেই স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে গেছেন। কর্মসূচিটি চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

তিনি বলেন, এই কর্মসূচির মাধ্যমে সরকার শুধু অবৈধ অভিবাসন সমস্যা নিয়ন্ত্রণেই অগ্রগতি অর্জন করেনি, বরং বিদেশি নাগরিকদের একটি বৈধ ও সম্মানজনক উপায়ে নিজ দেশে ফেরার সুযোগও নিশ্চিত করেছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

জাকারিয়া শাবান আরও জানান, এ কর্মসূচির আওতায় সরকার এখন পর্যন্ত মোট ১১ কোটি ৪৫ লাখ ৮৫ হাজার ৮৪০ রিঙ্গিত রাজস্ব সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছে। এই অর্থ মূলত জরিমানা ও নির্ধারিত ফি থেকে এসেছে, যা জাতীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

তিনি উল্লেখ করেন, কর্মসূচির শুরুতে অংশগ্রহণ তুলনামূলকভাবে ধীরগতির ছিল। অনেক অভিবাসী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছিলেন কিংবা দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে, বিশেষ করে কর্মসূচির শেষ সময় ঘনিয়ে আসার পর অংশগ্রহণের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইমিগ্রেশন অফিসগুলোতে অভিবাসীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। তারা স্বেচ্ছায় নিবন্ধন করে দেশে ফেরার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছেন, বলেন তিনি।

ইমিগ্রেশন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সর্বাধিক ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন বাংলাদেশি নাগরিকরা। এছাড়াও নেপাল, মিয়ানমার, ভারতসহ আরও বিভিন্ন দেশের নাগরিক এই উদ্যোগের আওতায় দেশে ফিরেছেন।

এদিকে বাংলাদেশ হাইকমিশনের একটি সূত্র জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ১৯ মে থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির আওতায় ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত প্রায় ৮৩ হাজার ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করা হয়েছে। বর্তমানে অবৈধ প্রবাসীদের আবেদনের ভিত্তিতে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০০টি ট্রাভেল পারমিট প্রদান করা হচ্ছে।

প্রত্যাবাসন কর্মসূচির মেয়াদ বাড়ানো হবে কি না এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। জানা গেছে, বিভিন্ন সোর্স দেশের কূটনৈতিক মিশনগুলো এই কর্মসূচির মেয়াদ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মালয়েশিয়ার নির্মাণ, কৃষি, উৎপাদন ও সেবা খাতে দীর্ঘদিন ধরে বিদেশি শ্রমিকদের ওপর নির্ভরশীলতার কারণে অনেক অভিবাসী নানা জটিলতায় পড়ে বৈধ কাগজপত্র হারিয়ে ফেলেন বা অবৈধ অবস্থায় পরিণত হন। এই প্রেক্ষাপটে এ কর্মসূচি তাদের জন্য একটি বাস্তবসম্মত ও কার্যকর সমাধান হিসেবে কাজ করছে।

জাকারিয়া শাবান বলেন, আমরা কর্মসূচির মেয়াদ বাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানিয়েছি। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সরকার পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।

অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, কর্মসূচির মেয়াদ বাড়ানো হলেও অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগকারী অভিযান অব্যাহত থাকবে। যারা এই সুযোগ গ্রহণ করবে না, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইমিগ্রেশন বিভাগের উপ-মহাপরিচালক (অপারেশন) জাফরি এমবক তাহা বলেন, এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো বৈধ কাগজপত্রবিহীন বিদেশি নাগরিকদের একটি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল এবং স্বেচ্ছাপ্রণোদিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজ দেশে ফেরার সুযোগ করে দেওয়া।

বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রত্যাবাসন কর্মসূচি কেবল একটি প্রশাসনিক উদ্যোগ নয়, বরং মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকেও তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক অভিবাসী দালালচক্রের মাধ্যমে প্রতারিত হয়ে বা অনিয়মিত পথে এসে সংকটে পড়েন। তাদের জন্য স্বেচ্ছায় দেশে ফেরার সুযোগ একটি নিরাপদ ও সম্মানজনক প্রস্থান নিশ্চিত করে।

এছাড়া, এই কর্মসূচির মাধ্যমে মালয়েশিয়া সরকার আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও একটি ইতিবাচক বার্তা দিতে সক্ষম হয়েছে যে তারা অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় কঠোরতার পাশাপাশি মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিও বজায় রাখছে।

তবে সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, শুধু প্রত্যাবাসন কর্মসূচি চালু করলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। এর পাশাপাশি অভিবাসন প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, সহজ ও সাশ্রয়ী করতে হবে। একইসঙ্গে অবৈধ নিয়োগ, দালালচক্র ও মানবপাচার রোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।

পিআরএম২.০ কর্মসূচি ইতোমধ্যেই মালয়েশিয়ার অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় একটি কার্যকর উদ্যোগ হিসেবে নিজের অবস্থান তৈরি করেছে। কর্মসূচির মেয়াদ বাড়ানো হলে আরও বেশি সংখ্যক অভিবাসী এই সুযোগ গ্রহণ করে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরবেন এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক দিনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে একজন করে মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১১ জনে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ভর্তির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এ বিভাগে ২৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগে ২৪১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩৩ জন, খুলনা বিভাগে ১৩০ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৭৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

একই সময়ে বরিশাল ও রংপুর বিভাগে ৪৪ জন করে, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৭ জন এবং সিলেট বিভাগে চারজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেই মারা গেছেন ১০২ জন। এই হিসাবের মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মৃত্যুর সংখ্যাও রয়েছে।

এ ছাড়া একই সময়ে খুলনা বিভাগে ৩৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২০ জন, বরিশাল বিভাগে ১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০ জন, রংপুর বিভাগে চারজন এবং সিলেট বিভাগে একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৫ দিনেই ডেঙ্গুতে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৪ পিএম
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

আসিয়ান কাপে নিজেদের অভিষেক ম্যাচেই মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় শুরু হওয়া ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে মালয়েশিয়া।

আসিয়ান কাপে প্রথমবারের মতো মাঠে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল হামজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। ম্যাচের ১৮ মিনিটে আরিফ আইমানের গোলে এগিয়ে যায় মালয়েশিয়া। এরপর ৩৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের ব্যবধান ২-০ করেন আইমান। দুই গোলের ঘাটতি নিয়েই বিরতিতে যেতে হয় বাংলাদেশকে।

বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে মালয়েশিয়া। ৫২ মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বক্সের ভেতর থেকে গোল করেন বার্গুসন। তার গোলে মালয়েশিয়ার লিড বেড়ে দাঁড়ায় ৩-০।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এরপর গোল পরিশোধে কয়েক দফা আক্রমণ গড়ে তোলে বাংলাদেশ। তবে সুযোগ তৈরি করেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি লাল-সবুজের দল। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের পরাজয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।

এর আগে চার বছর আগে এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে মালয়েশিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচেও ৪-১ গোলে হেরেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এবার আসিয়ান কাপেও মালয়েশিয়ার বিপক্ষে জয়ের দেখা পেল না বাংলাদেশ।

সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৭ পিএম
সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি মিলিশিয়ার হামলার পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। তবে এই সামরিক মোতায়েন কোনো সংঘাতে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়, বরং সৌদির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্যারিস।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান। একই দিন দুই দেশের মধ্যে হওয়া একটি চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের উপকূলীয় শহর ইয়ানবুর জ্বালানি অবকাঠামো সুরক্ষায় ফ্রান্স সেনা, রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাবে বলে জানান তিনি।

সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম ফ্রান্স ২-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাক্রোঁ বলেন, কোনো সংঘাতে জড়ানোর জন্য নয়, বরং জ্বালানি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এসব সামরিক সরঞ্জাম ও সেনা পাঠানো হবে। পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে সৌদি আরবকে আরও সামরিক সহায়তা দেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ম্যাক্রোঁ জানান, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের মধ্যে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের বাজারে গ্যাসের দাম কমাতে ফ্রান্স বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। সৌদি আরবে সামরিক সহায়তা পাঠানোর সিদ্ধান্তও সেই উদ্যোগের অংশ।

চলমান সংঘাতের প্রভাবে তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের মিত্র হুথি মিলিশিয়া সৌদি আরবে একাধিক হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার কারণে লোহিত সাগরসংলগ্ন বন্দরগুলো থেকে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছে। দীর্ঘদিনের উত্তেজনা আবারও সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নেওয়ার প্রেক্ষাপটেই সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিল ফ্রান্স।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক