শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের হাফেজদের উজ্জ্বল পদচারণা

আহমাদুল কবির মালয়েশিয়া প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ১০:৫৩ এম
বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের হাফেজদের উজ্জ্বল পদচারণা

হিফজুল কুরআন চর্চায় বাংলাদেশ এখন বিশ্বের কাছে এক উজ্জ্বল উদাহরণ। আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতাগুলোতে প্রায় প্রতি বছরই বাংলাদেশি হাফেজরা চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশের নাম উজ্জ্বল করছেন। তাদের মধুর তিলাওয়াত শুধু প্রতিযোগিতার মঞ্চেই নয়, বরং বিশ্বের নানা দেশের মসজিদে মুসল্লিদের হৃদয়েও গভীর ছাপ ফেলছে।

বিশেষ করে পবিত্র রমজান মাসে তারাবির নামাজে ইমামতি করার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আমন্ত্রণ পাচ্ছেন অসংখ্য বাংলাদেশি হাফেজ। তাদের সুমধুর কণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াত বিদেশের মাটিতে রমজানের রাতগুলোকে করে তুলছে আবেগঘন ও প্রশান্তিময়। যদিও মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি হাফেজদের উপস্থিতি আগে তুলনামূলক কম ছিল, তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাদের তিলাওয়াত মালয়েশিয়ার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের হৃদয় জয় করতে শুরু করেছে।

কুয়ালালামপুরে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন বিশ্বজয়ী ক্বারি আবু রায়হান:
মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের কোতারায়া বাংলা মসজিদে তারাবির নামাজ পড়াচ্ছেন বিশ্বজয়ী কুরআন তিলাওয়াতকারী হাফেজ ক্বারি আবু রায়হান। তার সুমধুর কণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াত শুনে প্রবাসী বাংলাদেশি ও স্থানীয় মুসল্লিরা মুগ্ধ হয়ে যান।
২০০৫ সালে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার বল্লবদী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। শৈশব থেকেই কুরআনের প্রতি তার গভীর অনুরাগ ছিল। নারায়ণগঞ্জের বল্লবদী আল-ইসলাহ একাডেমি ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা থেকে তিনি কুরআনের শিক্ষা গ্রহণ করেন।
তার মেধা ও তিলাওয়াতের সৌন্দর্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও স্বীকৃতি পেয়েছে। ২০১৮ সালে কাতারের টেলিভিশন চ্যানেল জিম টিভি আয়োজিত তিজান আন-নূর আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন তিনি। এছাড়া ২০২৪ সালে আফ্রিকার সেনেগালে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় ৩০টি দেশকে পেছনে ফেলে প্রথম স্থান অধিকার করে আবারও বাংলাদেশের জন্য গৌরব বয়ে আনেন।
মালয়েশিয়ায় তারাবির নামাজে ইমামতি করার সুযোগ পেয়ে তিনি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করেন। বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের নাম আরও উজ্জ্বল করাই তার স্বপ্ন।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এক দশক ধরে মালয়েশিয়ায় তারাবি পড়াচ্ছেন হাফেজ ইয়াসিন:
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের ধন্ধি গ্রামের সন্তান হাফেজ মোহাম্মদ ইয়াসিন মালয়েশিয়ায় দীর্ঘদিন ধরে কুরআনের সেবা করে যাচ্ছেন। তিনি সেলাঙ্গর রাজ্যের জেরাম কাম্পুং বুকিত চিরাকা তাহফিজ আর রোকাইয়া মাদরাসায় টানা ১০ বছর ধরে তারাবির নামাজ পড়াচ্ছেন।
শুধু ইমামতিই নয়, তিনি সেখানে শিক্ষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১৭ সালের এপ্রিলে মালয়েশিয়ার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত একটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি ওই মাদরাসায় শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান। এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রবাসী কমিউনিটি নেতা রাশেদ বাদলের সহযোগিতা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
১৯৮২ সালে ঢাকার গেন্ডারিয়ার এম শফি উল্লাহ হাফিজিয়া মাদরাসা থেকে হিফজুল কুরআন সম্পন্ন করেন ইয়াসিন এবং প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন।
তার সুমধুর তিলাওয়াত জেরাম কাম্পুং বুকিত চিরাকা তাহফিজ আর রোকাইয়া মাদরাসার শিক্ষার্থী ও স্থানীয় মুসল্লিদের কাছে অত্যন্ত প্রিয়। বিদেশের মাটিতে কুরআনের খেদমত করার সুযোগ পেয়ে তিনি আনন্দিত। ভবিষ্যতেও যেন আরও বেশি মানুষের মাঝে কুরআনের সৌন্দর্য ছড়িয়ে দিতে পারেন সেজন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।

কুয়ালালামপুরে ইমামতি ও খতিবের দায়িত্বে ইকরামুল হক:
হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ ইকরামুল হক কুয়ালালামপুরের তিতিওয়াংসা এলাকার সূরাও বায়তুল মোকাররামে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি সেখানে একাধারে খতিবের দায়িত্ব পালন করছেন এবং গত ১০ বছর ধরে তারাবির নামাজে ইমামতি করে আসছেন।
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ থানার পোড়া ভিটা গ্রামের সন্তান ইকরামুল হক। তার পিতা মুহাম্মদ আবু হানিফ শেখ। তিনি ২০০৬ সালে আল জামিয়াতুল রাফজুল বাড়িয়া থেকে হিফজুল কুরআন সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে উচ্চতর ইসলামী শিক্ষা গ্রহণ করে ২০১৫ সালে সাভারের আল জামিয়াতুল মাদানিয়া রাজফুলবাড়িয়া থেকে দাওরায়ে হাদিস সম্পন্ন করেন।
বিদেশের মাটিতে দীর্ঘদিন ধরে কুরআনের খেদমত করার সুযোগ পেয়ে তিনি আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি মনে করেন, প্রবাসে দায়িত্ব পালন করা মানে শুধু ইমামতি করা নয়, বরং দেশের সুনামও বহন করা।

বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের সম্মান উজ্জ্বল করার প্রত্যয়:
মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত এসব বাংলাদেশি হাফেজ তাদের তিলাওয়াত ও আচরণের মাধ্যমে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে চলেছেন। তাদের মধুর কণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াত শুনে মালয়েশিয়ার মুসল্লিরা যেমন মুগ্ধ হন, তেমনি বাংলাদেশ সম্পর্কেও ইতিবাচক ধারণা লাভ করেন।
এই হাফেজরা মনে করেন, কুরআনের খেদমতই তাদের জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন। বিদেশের মাটিতে দায়িত্ব পালন করে তারা যেন বাংলাদেশের সম্মান আরও উঁচুতে তুলে ধরতে পারেন এটাই তাদের প্রত্যাশা।

পবিত্র কুরআনের সুমধুর তিলাওয়াতের মাধ্যমে তারা শুধু মসজিদের মুসল্লিদের হৃদয়ই স্পর্শ করছেন না, বরং বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের কুরআনপ্রেমী জাতি হিসেবে পরিচয়ও তুলে ধরছেন। এজন্য তারা দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেছেন, যাতে কুরআনের এই আলো আরও দূরে ছড়িয়ে দিতে পারেন।

কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে ঢামেকে দুই হাজতির মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০৫ এম
কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে ঢামেকে দুই হাজতির মৃত্যু

কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে দুই হাজতির মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে তাদের মৃত্যু হয়।

তারা হলেন- মোহাম্মদ ইফতেখার মাহমুদ (৩৬) ও মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসাইন পলাশ (৩৮)।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

কারারক্ষী আমিনুল ইসলাম জানায়, ইফতেখার মাহমুদের হাজতি (হাজতি নম্বর-২৯৬৯২/২৬) হিসেবে কারাগারে ছিলেন। তার বাবার নাম মাহবুব আলম, বাসা রাজধানীর মিরপুরের পীরেরবাগে। গত ১৯ সেপ্টেম্বর কারাগারের ভেতরেই তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। ওইদিনই তাকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসক তাকে মেডিসিন বিভাগের ৬০১ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাত ৯ টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

অন্যদিকে কারারক্ষী মাসুম জানান, হাজতি তোফাজ্জল হোসাইন পলাশের বাবার নাম আলী হোসেন।বাসা দারুস সালাম থানার বাগবাড়ী এলাকায়। তার হাজতি নম্বর ৪৫৬৫/এ। বুধবার রাতেই হঠাৎ করে কারাগারে অসুস্থ হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন তিনি। পরবর্তীতে রাত সাড়ে ১০ টার দিকে তাকে ঢামেকে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

তবে তারা কোন মামলায় কারাবন্দি ছিলেন, সে বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষ কিছু জানায়নি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান জানান, মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

বাংলাদেশী ইমামের হাতে কোরিয়ান তরুণীর ইসলাম গ্রহণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০৩ এম
বাংলাদেশী ইমামের হাতে কোরিয়ান তরুণীর ইসলাম গ্রহণ

কোরিয়ার আনসান মসজিদের নিয়মতান্ত্রিক বাংলাদেশী ইমাম ও খতীব মুফতী ফয়জুল্লাহ আমানের হাতে কোরিয়ান তরুণীর ইসলাম গ্রহণ করেছেন।

শুক্রবার ((২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) মুফতী ফয়জুল্লাহ আমানের হাতে কোরিয়ান তরুণী কিম চিন ইসলাম গ্রহণ করেছেন।

মুফতী ফয়জুল্লাহ আমান দৈনিক আমার বার্তাকে বলেন, আলহামদুলিল্লাহ! আলহামদুলিল্লাহ! আজ কিছুক্ষণ আগে (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার) আনসান মসজিদে এক কোরিয়ান তরুণী ইসলাম গ্রহণ করেছেন। তিনি তাঁর এক বন্ধুর সঙ্গে মসজিদে ঘুরতে এসেছিলেন। খুব সংক্ষেপে আল্লাহ তাআলা, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং ইসলামের মৌলিক পরিচয় তার কাছে উপস্থাপন করলাম।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

কোরিয়ান তরুণী কিছু প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছিলেন উল্লেখ করে মুফতী ফয়জুল্লাহ আমান বলেন, কোরিয়ান এই তরুণ কিছু প্রশ্ন করার পর আমি এসবের জবাব তাকে শোনালাম। জবাব পেয়ে এই তরুণী অনেক খুশি হলেন। আর কোনো বিলম্ব করলেন না। ইসলামের কালেমা পাঠ করে ইসলাম গ্রহণ করলেন।

তিনি বলেন, ইসলাম গ্রহণের পর তার মুসলিম নাম রাখা হয় আয়েশা। তার কোরিয়ান নাম ছিল কিম চি।

প্রসঙ্গত আয়েশা এখন একজন কাজাখ মুসলিমকে বিয়ে করবেন। তবে বিয়ের জন্যই ইসলাম গ্রহণ করেছেন এমন নয় বলে জানিয়েছেন তিনি।

মুফতী ফয়জুল্লাহ আমান বলেন, ইসলাম প্রকৃতিগতভাবেই সরল ও সহজাত ধর্ম। অথচ ভুল ধারণা ও অপপ্রচারের কারণে অনেক অমুসলিম ইসলামকে ভয় পান। সুন্দর আচরণ, আন্তরিকতা ও সহজ ভাষায় ইসলামের প্রকৃত পরিচয় তুলে ধরলে সেই ভয় ও ভুল ধারণা দূর করা সম্ভব।

তিনি বলেন, কোরিয়ার মাটিতে ইসলামের দাওয়াহর এমন সুন্দর মুহূর্তগুলো আমাদের অনুপ্রাণিত করে। আল্লাহ তাআলা আমাদের নবমুসলিম বোন আয়েশাকে ঈমানের ওপর অটল রাখুন এবং তাঁর জীবনকে শান্তি ও কল্যাণে পরিপূর্ণ করুন।

ডেঙ্গুতে ২৫ দিনে ১১৪ মৃত্যু, চলতি বছরে আক্রান্ত ৭০ হাজার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০১ এম
ডেঙ্গুতে ২৫ দিনে ১১৪ মৃত্যু, চলতি বছরে আক্রান্ত ৭০ হাজার

গেল পঁচিশ দিনে ১১৪ জন ডেঙ্গুতে মারা গিয়েছেন। আক্রান্ত হয়েছেন চলতি বছরে আক্রান্ত ৭০ হাজার জন মানুষ। এদিকে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

চলতি সেপ্টেম্বর মাসেই ডেঙ্গুতে মৃত্যু সবচেয়ে বেশি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের ২৫ দিনেই ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে ৯৫৫ জন গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ বছর এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ৭০ হাজার ১০৪ জন। শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। প্রতিবেদনে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার তথ্য জানানো হয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত দুজনই ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের বাসিন্দা বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৬৪ হাজার ৮২৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। এদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ছাড়পত্র পেয়েছে ৯৫৩ জন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের এই ২৫ দিনে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগের মাসে অর্থাৎ আগস্টে ডেঙ্গুতে মৃত্যু ছিল ৪৩ জনের। এ ছাড়া জুলাই মাসে ৩৬, জুনে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এদিকে মে মাসে ১, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে দুজন করে মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক