আপডেট
ইরানে মেয়েদের স্কুলে ইসরায়েলি হামলা: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৮
দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় ছাত্রী নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৪৮ হয়েছে। শনিবারের এ হামলায় এটিই ইরানে প্রথম নিশ্চিত নিহতের ঘটনা বলে জানানো হয়েছে।
শুরুতে রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন স্থানে হামলার খবর আসে। পরে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায় এবং রাজধানীর আকাশে ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়।
মিনাবে ইরানের আধাসামরিক বাহিনী ইসলামি বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি)-এর একটি ঘাঁটি রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই ঘাঁটিকে লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছিল, তবে এতে পাশের স্কুলে বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটে।
হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের জনগণকে দেশটির ইসলামি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে উঠে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান এবং নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরা নির্ধারণ করার কথা বলেন। একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, যৌথ এই অভিযান ইরানের জনগণের জন্য নিজেদের ভাগ্য নিজেরা নির্ধারণের পথ তৈরি করবে।
প্রাথমিক হামলার কিছু অংশ ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কার্যালয়ের আশপাশের এলাকাতেও আঘাত হেনেছে বলে জানা গেছে।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে উত্তেজনা বাড়ছিল। এ সময় যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করে এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার জন্য নতুন চুক্তির কথা বলছিল। একই সময়ে ইরানে দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলছিল।
হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পাল্টা আঘাতের খবর পাওয়া গেছে। বাহরাইন, কুয়েত ও কাতারে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে বলে জানা যায়। সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরাক তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে কঠোর প্রতিক্রিয়ার ঘোষণা দিয়ে বলেছে, মাতৃভূমি রক্ষার সময় এসেছে এবং শত্রুর সামরিক আগ্রাসনের জবাব দিতে তারা কোনো দ্বিধা করবে না।













