একুশে বইমেলায় উৎসবমুখর দ্বিতীয় দিন
ছবিঃ সংগৃহীত
অমর একুশে বইমেলার দ্বিতীয় দিন শুক্রবার সকালে শিশু-কিশোর চিত্রাঙ্কন ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় মুখরিত হলো বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ, সন্ধ্যায় গান-কবিতা ও আড্ডায় প্রাণবন্ত হয়ে উঠলো। মগবাজার থেকে আসা আতিক রহমান ও আনিসা মেহরিন বিকেল থেকে স্টল ঘুরে নতুন বইয়ের তালিকা তৈরি করছিলেন, আতিক বলেন প্রথম সপ্তাহে তালিকা করে শেষ সপ্তাহে কেনাকাটা করেন। আনিসা উল্লেখ করেন, দেরিতে শুরু হলেও বইমেলা হচ্ছে জেনে ভালো লাগছে।
শিশুদের আনন্দমেলা
সকাল সাড়ে ৯টায় চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় ‘ক’ শাখায় ৫৪০, ‘খ’-তে ৬২০ ও ‘গ’-তে ২৪৫ জন অংশ নেন; উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলার ডিন আজহারুল ইসলাম শেখ। সাড়ে ১০টায় আবৃত্তির প্রাথমিক পর্বে ‘ক’-তে ২১০, ‘খ’-তে ২৭৯ ও ‘গ’-তে ৯৭ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম উদ্বোধন করেন। শিশুচত্বরে কাকতাড়ুয়া পাপেট থিয়েটারের পুতুল নাটক দেখে রূপন্তি (৩.৫ বছর) ও তার মা সাবিকুন্নাহার শাপলা আনন্দিত হন।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা
বিকেল ৩টায় মূলমঞ্চে ‘স্মরণ: ফরিদা পারভীন’ আলোচনায় মোহাম্মদ রোমেল প্রবন্ধ পাঠ করেন, ড. আবু ইসহাক ও ফরহাদ মজহার অংশ নেন; ফরিদার লালনসংগীত অবদান তুলে ধরা হয়। ৪টায় কবি আবদুল হাই শিকদার, হাসান হাফিজ আবৃত্তি করেন; শিল্পী আলম আরা মিনুসহ অনেকে গান পরিবেশন করেন। লাবনী প্রকাশনীর সিয়ামুল হক বলেন, ছুটির দিনেও লোকসমাগম সন্তোষজনক, মেলা জমে উঠছে।
নতুন বই ও স্টল সাজসজ্জা
দ্বিতীয় দিনে ১৬টি নতুন বই প্রকাশ পায়, যেমন বাংলা একাডেমির হিমেল বরকতের গ্রন্থ, কথাপ্রকাশের আহমদ মোস্তফা কামালের ‘যৎসামান্য’। কয়েক স্টলে নির্মাণকাজ চললেও ছাপাখানা প্রকাশনীতে শিল্পী মাইশা মোবাশশ্বেরা একুশে-পতাকা আঁকছেন স্টল সাজাতে। রমজানেও পাঠকরা আসছেন, তবে উপচেপড়া ভিড় নেই।
শনিবারের কর্মসূচি
শনিবার বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা খোলা থাকবে মেলা, ১১টা-১টা শিশুপ্রহর। সাড়ে ১০টায় সংগীত প্রতিযোগিতা, ৩টায় ‘স্মরণ: আহমদ রফিক’ আলোচনা ও ৪টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান










