নাগরিক প্ল্যাটফর্মের মিডিয়া ব্রিফিং
অন্তর্বর্তী সরকারের সম্ভাব্য দুর্নীতি খতিয়ে দেখার আহ্বান
ছবিঃ সংগৃহীত
এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ও সিপিডির ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার সম্ভাব্য দুর্নীতি ও বিতর্কিত সিদ্ধান্ত তদন্তের জন্য ট্রানজিশন টিম গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বিদেশি ক্রয়-বিক্রয় ও চুক্তিগুলোও পুনর্বিবেচনার পরামর্শ দিয়েছেন, যাতে নতুন সরকারের দায়-দায়িত্ব স্পষ্ট হয়।
গতকাল মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে ‘নতুন সরকারের সূচনাবিন্দু: অর্থনৈতিক পর্যালোচনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে ড. দেবপ্রিয় এসব মতামত জানান। সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন, ট্রানজিশন টিমে সরকারি কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে প্রাথমিক যাচাই করা যেতে পারে, এমনকি দুর্নীতি দমন কমিশনকেও যুক্ত করে ফরেনসিক তদন্তের ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব। এর ভিত্তিতে ‘ব্লু বুক’ তৈরি করে ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে। তিনি ২-৩ সপ্তাহের মধ্যে এই প্রক্রিয়া শেষ করার পরামর্শ দেন এবং আন্তর্জাতিক উদাহরণ উল্লেখ করেন।
ড. ভট্টাচার্য বলেন, অন্তর্বর্তীকালে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে করা চুক্তিগুলো—বন্দর ব্যবস্থাপনা ছাড়াও অন্যান্য খাতে—জনসমক্ষে পুরোপুরি প্রকাশ হয়নি। এগুলো পুনর্বিবেচনা করে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক করা দরকার।
অনুষ্ঠানে সিপিডির অতিরিক্ত পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খান ‘সামষ্টিক অর্থনীতির বেঞ্চমার্ক’ প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। এতে বলা হয়, সংকটময় অর্থনীতিতে সংশোধিত বাজেটে ঋণ, রাজস্ব ও ব্যয়ের বাস্তবসম্মত অনুমান দিতে হবে। মিতব্যয়ী নীতি গ্রহণ করে অপ্রয়োজনীয় খরচ কমানো, সংকটাপন্ন ব্যাংকগুলোতে অতিরিক্ত অর্থ না দেওয়া এবং চলমান প্রকল্পে অগ্রাধিকার দেওয়ার সুপারিশ রয়েছে। নির্বাচনী লক্ষ্যগুলো (কর-জিডিপি ১৫%, স্বাস্থ্য-শিক্ষায় ৫%) ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরামর্শ দেওয়া হয়।










