শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

স্পেনের সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ প্রস্তাব ঘিরে বিতর্ক চরমে: নজরদারিমূলক রাষ্ট্রে পরিণত হবার আশঙ্কা করছেন পাভেল দুরভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:১৪ এম
স্পেনের সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ প্রস্তাব ঘিরে বিতর্ক চরমে:  নজরদারিমূলক রাষ্ট্রে পরিণত হবার আশঙ্কা করছেন পাভেল দুরভ

সোশ্যাল মাধ্যম নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের সঙ্গে ‘এক্স’ ও টেলিগ্রামের মালিকদের সংঘাত চরমে পৌঁছেছে। টেলিগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী পাভেল দুরভ বুধবার স্পেনের সব টেলিগ্রাম ব্যবহারকারীর কাছে পাঠানো এক গণবার্তায় সানচেজ সরকারের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা হরণ অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, এসব উদ্যোগ “সুরক্ষার অজুহাতে স্পেনকে নজরদারিমূলক রাষ্ট্রে পরিণত করতে পারে”।

এর জবাবে প্রধানমন্ত্রী সানচেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, “টেকনো-অলিগার্করা চেঁচামেচি করুক, সানচো—এটাই প্রমাণ করে আমরা ঠিক পথেই এগোচ্ছি।” তিনি বিশ্বখ্যাত সাহিত্যকর্ম ‘দন কিহোতে’-এর একটি উক্তির ইঙ্গিত দেন।

এই দ্বন্দ্বের মূল কারণ হলো শিশু ও কিশোরদের সোশ্যাল মাধ্যম ব্যবহার সীমিত করার সরকারি প্রস্তাব। সানচেজ সরকার ষোল বছরের নিচে শিশু-কিশোরদের জন্য সোশ্যাল মাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করা, অ্যালগরিদমে কারসাজির অভিযোগে প্ল্যাটফর্ম মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং বিশেষ করে ঘৃণামূলক ও অবৈধ বিষয়বস্তুর জন্য মালিকদের ফৌজদারি দায়িত্ব নির্ধারণের ঘোষণা দিয়েছে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এর আগের দিন ‘এক্স’-এর মালিক ও বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবের ইলন মাস্ক সানচেজকে “ফ্যাসিস্ট” বলে কটূক্তি করেন। এবার একই সুরে, তবে তুলনামূলকভাবে সংযত ভাষায়, পাভেল দুরভ অভিযোগ করেন যে স্পেন সরকার “ডিজিটাল স্বাধীনতাকে হুমকির মুখে ফেলছে”। তিনি টেলিগ্রাম ব্যবহারকারীদের সতর্ক থাকার, স্বচ্ছতা দাবি করার এবং নিজেদের অধিকার রক্ষায় সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।

অন্যদিকে, স্পেন সরকারের বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিন্ন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় লা মনক্লোয়ার মতে, এসব আক্রমণই প্রমাণ করে যে সরকার একটি বাস্তব সমস্যার দিকে আঙুল তুলেছে। তাদের ভাষায়, কিছু প্রযুক্তি ধনকুবেরের হাতে জনমত ও তথ্যপ্রবাহের ওপর প্রায় সীমাহীন ক্ষমতা জমা হয়েছে, যা বিশেষ করে তরুণদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সরকারের এক সদস্য বলেন, “আমরা প্রকৃত ক্ষমতাবানদের অস্বস্তিতে ফেলছি—এটাই ভালো লক্ষণ।”

লা মনক্লোয়া দুরভের বক্তব্য খণ্ডন করে একটি নথি প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়, ব্যবহারকারীদের অনুমতি ছাড়াই টেলিগ্রামের পক্ষ থেকে গণবার্তা পাঠানোই প্রমাণ করে কেন সোশ্যাল মাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। সরকারের মতে, “বিদেশি টেকনো-অলিগার্করা ইচ্ছেমতো আমাদের ফোনে প্রচারণা ঢুকিয়ে দিতে পারে—এমন পরিস্থিতি মেনে নেওয়া যায় না, বিশেষ করে যখন সরকার শিশুদের সুরক্ষার কথা বলছে।”

সরকার আরও দাবি করেছে, পাভেল দুরভ বিভিন্ন দেশে গুরুতর অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে তদন্তাধীন। দুর্বল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার কারণে টেলিগ্রাম শিশু যৌন নির্যাতন, মাদক পাচারসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে বলে উল্লেখ করা হয়। দুরভের পাঠানো বার্তাকে সরকার “ভিত্তিহীন তথ্যভিত্তিক প্রচারণা” বলে আখ্যা দিয়েছে।

স্পেনের পরিবহনমন্ত্রী অস্কার পুয়েন্তে বলেন, সোশ্যাল মাধ্যমের মালিকদের কনটেন্টের জন্য দায়ী করার ধারণা অত্যন্ত শক্তিশালী। তাঁর মতে, একবার আইনি দায়বদ্ধতা কার্যকর হলে ঘৃণা ও বিশৃঙ্খলায় ভরা বর্তমান সোশ্যাল মাধ্যম পরিবেশ আর টিকবে না।

সানচেজ ও তাঁর দল দীর্ঘদিন ধরেই এই অবস্থান নিয়ে কাজ করছে। অস্ট্রেলিয়া ও ফ্রান্সসহ ইউরোপের অন্যান্য দেশও একই ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছে। সরকারের দাবি, সোশ্যাল মাধ্যমের অ্যালগরিদম ঘৃণামূলক বক্তব্যকে উৎসাহিত করছে, যা গণতান্ত্রিক বিতর্ককে বিষাক্ত করে তুলছে।

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দুই হাজার পঁচিশ সালে স্পেনে সোশ্যাল মাধ্যমে প্রায় নয় লাখ ঘৃণামূলক বিষয়বস্তু শনাক্ত হয়েছে। দেশের প্রতি পাঁচজন কিশোরের একজন অনলাইন সহিংসতা বা সাইবার হয়রানির শিকার হয়েছে বা তা প্রত্যক্ষ করেছে। দুই হাজার তেইশ থেকে দুই হাজার চব্বিশ সালের মধ্যে শিশু সহায়তা নম্বরে ফোন বেড়েছে একচল্লিশ শতাংশ।

অন্যদিকে, দুরভ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, প্ল্যাটফর্ম কর্তৃপক্ষকে আইনি দায়িত্বে ফেললে অতিরিক্ত সেন্সরশিপ শুরু হবে এবং ভিন্নমত, সাংবাদিকতা ও সাধারণ মতামত চাপা পড়বে। তবে স্পেন সরকার মনে করে, নিয়ন্ত্রণের অভাবই বর্তমানে জনপরিসরকে আরও অসহিষ্ণু ও কম গণতান্ত্রিক করে তুলছে।

সব মিলিয়ে, শিশু সুরক্ষা ও ডিজিটাল স্বাধীনতার প্রশ্নে স্পেন সরকার ও বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের এই সংঘাত ইউরোপজুড়ে সোশ্যাল মাধ্যম নিয়ন্ত্রণ নিয়ে চলমান বিতর্ককে আরও তীব্র করে তুলেছে।

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৯৫৫

দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক দিনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে একজন করে মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১১ জনে।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ভর্তির দিক থেকে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এ বিভাগে ২৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগে ২৪১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩৩ জন, খুলনা বিভাগে ১৩০ জন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৭৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

একই সময়ে বরিশাল ও রংপুর বিভাগে ৪৪ জন করে, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৭ জন এবং সিলেট বিভাগে চারজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেই মারা গেছেন ১০২ জন। এই হিসাবের মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মৃত্যুর সংখ্যাও রয়েছে।

এ ছাড়া একই সময়ে খুলনা বিভাগে ৩৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২০ জন, বরিশাল বিভাগে ১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০ জন, রংপুর বিভাগে চারজন এবং সিলেট বিভাগে একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৫ দিনেই ডেঙ্গুতে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৪ পিএম
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের

আসিয়ান কাপে নিজেদের অভিষেক ম্যাচেই মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় শুরু হওয়া ম্যাচে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে মালয়েশিয়া।

আসিয়ান কাপে প্রথমবারের মতো মাঠে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল হামজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল। ম্যাচের ১৮ মিনিটে আরিফ আইমানের গোলে এগিয়ে যায় মালয়েশিয়া। এরপর ৩৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের ব্যবধান ২-০ করেন আইমান। দুই গোলের ঘাটতি নিয়েই বিরতিতে যেতে হয় বাংলাদেশকে।

বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে মালয়েশিয়া। ৫২ মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বক্সের ভেতর থেকে গোল করেন বার্গুসন। তার গোলে মালয়েশিয়ার লিড বেড়ে দাঁড়ায় ৩-০।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

এরপর গোল পরিশোধে কয়েক দফা আক্রমণ গড়ে তোলে বাংলাদেশ। তবে সুযোগ তৈরি করেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি লাল-সবুজের দল। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের পরাজয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে।

এর আগে চার বছর আগে এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে মালয়েশিয়ার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচেও ৪-১ গোলে হেরেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এবার আসিয়ান কাপেও মালয়েশিয়ার বিপক্ষে জয়ের দেখা পেল না বাংলাদেশ।

সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৭ পিএম
সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা রক্ষায় সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি মিলিশিয়ার হামলার পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। তবে এই সামরিক মোতায়েন কোনো সংঘাতে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়, বরং সৌদির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্যারিস।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান। একই দিন দুই দেশের মধ্যে হওয়া একটি চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের উপকূলীয় শহর ইয়ানবুর জ্বালানি অবকাঠামো সুরক্ষায় ফ্রান্স সেনা, রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাবে বলে জানান তিনি।

সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম ফ্রান্স ২-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাক্রোঁ বলেন, কোনো সংঘাতে জড়ানোর জন্য নয়, বরং জ্বালানি স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এসব সামরিক সরঞ্জাম ও সেনা পাঠানো হবে। পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে সৌদি আরবকে আরও সামরিক সহায়তা দেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।

আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ পেতে আমাদের Google News ফলো করুন এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য WhatsApp Channel–এ যুক্ত থাকুন।

ম্যাক্রোঁ জানান, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের মধ্যে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশের বাজারে গ্যাসের দাম কমাতে ফ্রান্স বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। সৌদি আরবে সামরিক সহায়তা পাঠানোর সিদ্ধান্তও সেই উদ্যোগের অংশ।

চলমান সংঘাতের প্রভাবে তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের মিত্র হুথি মিলিশিয়া সৌদি আরবে একাধিক হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার কারণে লোহিত সাগরসংলগ্ন বন্দরগুলো থেকে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছে। দীর্ঘদিনের উত্তেজনা আবারও সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নেওয়ার প্রেক্ষাপটেই সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনা সুরক্ষায় সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিল ফ্রান্স।

প্রবাহ বাংলা নেটওয়ার্ক