‘গুলি করে দেই’ বলেই সহকর্মীকে খুন
ময়মনসিংহের ভালুকায় সহকর্মীর গুলিতে বজেন্দ্র বিশ্বাস (৪০) নামে এক আনসার সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আনসার সদস্য নোমান মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার মেহরাবাড়ি এলাকায় অবস্থিত সুলতানা সুয়েটার্স লিমিটেড কারখানায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত বজেন্দ্র বিশ্বাস সিলেট সদর উপজেলার কাদিরপুর গ্রামের প্রবিত্র বিশ্বাসের ছেলে। অপরদিকে অভিযুক্ত নোমান মিয়া সুনামগঞ্জ জেলার তাহেরপুর থানার বালুটুরি বাজার এলাকার লুৎফর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুলতানা সুয়েটার্স লিমিটেড কারখানায় দায়িত্ব পালন করছিলেন মোট ২০ জন আনসার সদস্য। ঘটনার সময় আনসার সদস্য নোমান মিয়া ও বজেন্দ্র বিশ্বাস একসঙ্গে বসে ছিলেন। এ সময় নোমান মিয়ার হাতে থাকা শটগান থেকে ছোড়া গুলি বজেন্দ্র বিশ্বাসের বাম উরুতে লাগে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। সহকর্মীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও লাবিব গ্রুপে দায়িত্বরত আনসার সদস্য এপিসি মো. আজাহার আলী জানান, ঘটনার সময় নোমান মিয়া ও বজেন্দ্র বিশ্বাস তার কক্ষে একসঙ্গে বসে ছিলেন। হঠাৎ নোমান বজেন্দ্রের উরুতে শটগান ঠেকিয়ে ‘গুলি করে দেই’ বলেই গুলি ছোড়ে। ঘটনার পরপরই নোমান পালিয়ে যায়। তবে ঘটনার আগে তাদের মধ্যে কোনো ধরনের বাকবিতণ্ডা বা তর্ক-বিতর্ক হয়নি বলেও জানান তিনি।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ঘটনার পর তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত নোমান মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।










