পূর্বাচল প্লট দুর্নীতি: তিন মামলায় শেখ হাসিনার ২১ বছরের দণ্ড
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে সরকারি প্লট বরাদ্দে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে দায়ের করা তিনটি মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মোট ২১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন রায় ঘোষণা করেন। তিন মামলার রায় পাঠ বর্তমানে চলমান।
মোট তিন মামলায় শেখ হাসিনাসহ শীর্ষ কর্মকর্তা, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ মোট ২৩ জনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, জালিয়াতি ও সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছিল।
২০২৪ সালের ১৪ জানুয়ারি দায়ের হওয়া প্রথম মামলায় শুরুতে আটজনকে অভিযুক্ত করা হলেও তদন্ত শেষে আসামির সংখ্যা দাঁড়ায় ১২ জনে। তাদের মধ্যে আছেন পুরবী গোলদার, খুরশীদ আলম, নাসির উদ্দীন, মেজর (অব.) সামসুদ্দীন, নায়েব আলী শরীফ, কাজী ওয়াছি উদ্দিন, শহিদ উল্লাহ খন্দকার ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।
দ্বিতীয় মামলায় শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয়সহ মোট ১৭ জনকে চার্জশিটভুক্ত করা হয়। আরও আছেন সাইফুল ইসলাম সরকার, পুরবী গোলদার, কাজী ওয়াছি উদ্দিন, শহিদ উল্লাহ খন্দকার, আনিছুর রহমান মিঞা, নাসির উদ্দীন, মেজর (অব.) সামসুদ্দীন, নুরুল ইসলাম, মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।
তৃতীয় মামলায় শেখ হাসিনার সঙ্গে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ ১৮ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। অভিযোগে উল্লেখ আছে– জাল নথি তৈরি, অনিয়ম করে প্লট বরাদ্দ নেওয়া এবং সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের সুযোগ সৃষ্টি। মামলার অন্যান্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন কবির আল আসাদ, তন্ময় দাস, নাসির উদ্দীন, মেজর (অব.) সামসুদ্দীন, হাফিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।













