কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ড
দেশে ফিরছে পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ
কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে পাঁচজনের মরদেহ শনিবার দেশে ফেরানোর জন্য স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মরদেহগুলো নিয়ে স্বজনেরা কলকাতা থেকে বেনাপোল সীমান্তের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
এর আগে শনিবার সকালে সাতক্ষীরার বাসিন্দা এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। কলকাতার পার্ক সার্কাসের পিস ওয়ার্ল্ড থেকে ভোর ৬টার দিকে মরদেহ নিয়ে রওনা হয়ে ভারতীয় সময় সকাল ১০টার মধ্যে সীমান্তের প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন তার স্বজনেরা।
অন্যদিকে, নিহত আরেক বাংলাদেশি রেবতী সরকারের শেষকৃত্য পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শনিবার রাতে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী নিমতলা শ্মশানঘাটে সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার দুপুর ১২টা ২৭ মিনিটে পিস ওয়ার্ল্ড থেকে কুষ্টিয়ার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত, তার পরিবারের সদস্য আকরাম আলী (৭৪), আফসানা শারমীন (২৭) ও স্বর্ণাশীষ দত্ত (২) এবং সাভারের জোবায়ের বাবুর (৩৭) মরদেহ নিয়ে স্বজনেরা বাংলাদেশের পথে যাত্রা করেন।
স্বজনদের আশা, সীমান্তের আনুষ্ঠানিকতা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হলে দুপুর সাড়ে ৩টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে মরদেহগুলো বেনাপোল হয়ে বাংলাদেশে পৌঁছাবে।
মরদেহ হস্তান্তরের সময় পিস ওয়ার্ল্ডে উপস্থিত ছিলেন কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার মো. খালেদ। এ সময় ডেপুটি হাইকমিশনের প্রথম সচিব (কনস্যুলার) মো. জিল্লুর রহমান, দ্বিতীয় সচিব (রাজনৈতিক) ওমর ফারুক আকন্দসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
গত ১৯ আগস্ট কলকাতার নিউমার্কেটের মির্জা গালিব স্ট্রিটের শিখা ইন হোটেলে ভয়াবহ আগুনে নয়জনের মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন। নিহতদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ ও ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সমন্বিতভাবে কাজ করছে।










