২৪ বাংলাদেশিসহ ৯৭ বন্দিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠাল মালয়েশিয়া
গত এক সপ্তাহে পাইনঅ্যাপল টাউন ইমিগ্রেশন ডিপো বিভিন্ন দেশের মোট ৯৭ জন বন্দিকে তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। এর মধ্যে মিয়ানমারের ৬৯, বাংলাদেশের ২৪, ভারতের ২ এবং চীন ও ফিলিপাইনের একজন করে নাগরিক রয়েছেন।
সব বন্দিকে কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কেএলআইএ ১ ও কেএলআইএ ২) হয়ে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে। ২৭ এপ্রিল, ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রত্যেক বন্দির কাছে বৈধ পাসপোর্ট ছিল। তবে কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস তাদের জন্য অস্থায়ী ভ্রমণ নথি বা ‘ইমার্জেন্সি ট্রাভেল ডকুমেন্ট’ ইস্যু করে দেশে ফেরার ব্যবস্থা করে।
বন্দিদের প্রত্যাবাসনের জন্য বিমান টিকিটের খরচ বিভিন্নভাবে বহন করা হয়েছে। কেউ নিজের সঞ্চয় থেকে, কেউ পরিবারের সহায়তায়, আবার কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস এই ব্যয় বহন করেছে।
কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, নির্যাতন আইন (এ্যাক্ট ৫৭৪), বিপজ্জনক মাদক আইন ১৯৫২ (এ্যাক্ট ২৩৪), ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ (এ্যাক্ট ১৫৫), ইমিগ্রেশন বিধিমালা ১৯৬৩সহ বিভিন্ন আইনে দণ্ড ভোগ শেষে তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হয়।
দেশে ফেরত পাঠানো এসব বন্দিকে ইমিগ্রেশন বিভাগের সিস্টেমে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা আর মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে পারবে না।
পাইনঅ্যাপল টাউন ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোর প্রধান কার্যক্রমের অন্যতম হলো বন্দিদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসন, যা জোহর রাজ্যের ইমিগ্রেশন বিভাগ নিয়মিতভাবে পরিচালনা করছে—যাতে সাজা শেষে কোনো বন্দি দেশে অবৈধভাবে অবস্থান না করে।












