ইরান যুদ্ধ
ইরানের পক্ষ নিয়ে প্রথম যুদ্ধে জড়ালো হুতি যোদ্ধারা, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
«লোহিত সাগর অবরোধের কড়া হুমকি হুতি যোদ্ধাদের»
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা এবার সরাসরি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে। তারা প্রথমবারের মতো একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চল লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দাবি করেছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা অন্তত একটি ক্ষেপণাস্ত্র মাঝপথেই প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে এবং এতে কোনো বড় ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
হুতিরা বলছে, তারা ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য মিত্র গোষ্ঠীর সমর্থনে এই হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি, এটি ইসরায়েলের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে সফলভাবে পরিচালিত হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তারা হামলা চালিয়ে যাবে যতক্ষণ না তাদের উদ্দেশ্য পূরণ হয়।
হুতি গোষ্ঠী বহু বছর ধরে ইয়েমেনের রাজধানী সানা এবং আশপাশের এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে। তাদের কাছে এমন ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন রয়েছে যা দূর থেকে ইসরায়েলে আঘাত হানতে পারে, বিশেষ করে লোহিত সাগরের দিক দিয়ে।
এর আগেও গাজা যুদ্ধের সময় হুতিরা ইসরায়েল এবং লোহিত সাগরের বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছিল, যা তারা ফিলিস্তিনের সমর্থনে করেছে বলে জানায়।
এই নতুন হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান, হিজবুল্লাহসহ বিভিন্ন পক্ষ এই সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছে, ফলে যুদ্ধটি আরও বড় আকার নেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে, ইরান জানিয়েছে, চলমান হামলায় তাদের দেশে বহু শিশু নিহত ও আহত হয়েছে এবং অনেক হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত হাজারের বেশি বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছে।
সব মিলিয়ে, হুতিদের এই পদক্ষেপ নতুন একটি যুদ্ধক্ষেত্র তৈরি করেছে এবং দ্রুত পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার কোনো লক্ষণ এখনো দেখা যাচ্ছে না।










